ইতিহাস

বাংলার প্রথম নারী ফটোগ্রাফার সাইদা খানম

সাইদা খানম নিয়ন আলোয় neon aloy

একজন ১২-১৩ বছরের কিশোরীর কাছে আমরা কি আশা করি? সে সারাদিন কি করে? আমাদের সবার ধারণাই হয়তো মিলে যাবে। একজন বারো-তের বছরের কিশোরী সকালে ঘুম থেকে উঠে স্কুলে যাবে। স্কুল থেকে ফিরে এসেই ব্যাগটা, স্কুল ড্রেসটা যেখানে সেখানে ছুঁড়ে ফেলবে। ব্যস্ত হয়ে যাবে বান্ধবীদের সাথে রান্নাবাটি খেলায় বা কার্টুন দেখায়? কিন্তু, আজ এমন এক কিশোরীর কথা বলব যিনি পড়াশুনার পাশাপাশি মাত্র বারো বছর বয়সেই হাতে ক্যামেরা তুলে নিয়েছিলেন। স্কুল থেকে ফিরে এসেই ক্যমেরা হাতে বের হয়ে পড়তেন। স্বপ্ন দেখতেন ফটোগ্রাফার হবার।

সবচেয়ে অবাক করার মত বিষয় হল এই কিশোরী যে সময়টায় ক্যামেরা হাতে ঘুরে বেড়াচ্ছেন ঢাকা শহরের এ মাথা থেকে ও মাথা, সে সালটা ১৯৫০!

সাইদা খানম ফটোগ্রাফার নিয়ন আলোয় neon aloy

হ্যাঁ, বলছিলাম বাংলাদেশের প্রথম নারী ফটোগ্রাফার সাইদা খানমের কথা, যিনি সেই ৫০-এর দশকেই স্কুলে পড়াকালীন সময়ে হাতে ক্যামেরা তুলে নিয়েছিলেন। ছবি তোলার শুরু ১৯৪৯ থেকে। তার শৈশব কেটেছে ইছামতির তীরে পাবনার মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশে। পাবনার বাড়িতে জানালার পাশে শুয়ে প্রাকৃতিক দৃশ্য দেখতে দেখতে ভাবতেন, সব দৃশ্য কী চিরকালের জন্য ধরে রাখা যায় না?

এ রকম ভাবনা তাকে ক্যামেরায় ছবি তোলার বিষয়ে আগ্রহী করে তোলে। ছবি তোলার প্রথম দিকে নিজের ক্যামেরা ছিল না। সামাজিক পরিবেশও ছিল মেয়েদের ছবি তোলার অন্তরায়। পর্দার কড়াকড়ি আর অবরোধ প্রথার মধ্যে ক্যামেরায় ছবি তোলা ছিল বিপজ্জনক। লুকিয়ে চুপিসারে বাড়ি থেকে বের হতেন তিনি। সখের ছবি তোলা বন্ধ হয়নি।
সাইদা খানম ফটোগ্রাফার নিয়ন আলোয় neon aloy
একবার এমন হল, সাইদা খানমদের বাসায় কাজকর্মে সাহায্য করত তার মতই এক কিশোরী। তাকে বেশ লাগতো সাইদা খানমের। একদিন তার ছবি তোলার জন্য কিশোরী সাইদা খানম নানা প্রস্তুতি নিলেন। সদ্যস্নাত বালিকার স্নিগ্ধ রূপ ছবিতে ফোঁটাবার জন্য মেয়েটির মাথায় বালতির পানি ঢেলে দিলেন। কাঁধ পর্যন্ত চেহারার ছবিতে পানিতে ভেজা বালিকার অপরূপ রূপ লাবণ্য ফুটে উঠেছিল। ছবিটি ‘বেগম’ পত্রিকায় ছাপা হবার পর মহল্লায় প্রবল প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। বাড়ির বড়দের চেষ্টায় অনেক আলোচনার পর তা কিছুটা নিষ্পন্ন হয়েছিল।

ফটোগ্রাফীর কাজ খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। আর আমাদের দেশের সমাজ ও পরিবারের পরিবেশ মেয়েদের ঝুঁকিপূর্ণ কাজের অনুকূল নয় এই বর্তমান সময়েই। সেই পঞ্চাশের দশকের কথা তো চিন্তাই করা যায় না। সাইদা খানম এই অন্তরায় অতিক্রম করেন নিজের মনোবল আর পারিবারিক সহযোগিতায়। মেয়েদের অবরোধে রাখাই ছিল যে সময়ের, সমাজের প্রথা; সে স্রোতের বিপরীতে সাইদা খানমের পারিবারিক পরিবেশ ছিল মেয়েদের সৃজনশীল প্রতিভা বিকাশের অনুকূল।

তাকে কাজে উত্‍সাহিত করেছেন তার মা এবং খালা কবি মাহমুদা খাতুন সিদ্দিকা। বড় বোন অধ্যক্ষা হামিদা খানম ও মহসিনা আলী প্রমুখ। এ ছাড়া তাকে প্রেরণা দিয়েছেন, নারী জাগরণের অন্যতম পথিকৃত্‍ জনাব মোহাম্মদ নাসিরুদ্দিন ও বেগম পত্রিকার সম্পাদিকা নূরজাহান বেগম।

পেশাদার আলোকচিত্রী হয়ে ওঠার পথে সাইদা উৎসাহ পেয়েছেন বড় বোনের কাছ থেকেই। হামিদা খানম ছিলেন ঢাকার গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ। তিনি আবার অধ্যাপক সালাহ্উদ্দীন আহমদের স্ত্রী। উচ্চতর পড়াশোনার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে বোনের জন্য তিনি নিয়ে আসেন রোলিকর্ড ক্যামেরা। তখনকার পেশাদাররা ব্যবহার করতেন সে মডেল। সে কথা মনে করতে গিয়ে সাইদা খানম হাসতে হাসতে বলেন, ‘পেশাদার ক্যামেরাটা দেখলেই ভয় লাগতো ছোটবেলায়, আর সেই ক্যামেরাটাই আমার সারাজীবনের সাথী হল’।

সাইদা খানম ফটোগ্রাফার নিয়ন আলোয় neon aloy

‘বেগম’ পত্রিকায় ছাপা হওয়া সেই ছবিটির সামনে সাইদা খানম

সাইদা খানম যখন ফটোগ্রাফার পেশা গ্রহণ করেন তখন এদেশে ফটোগ্রাফির স্টুডিও ছিল মাত্র দুটি, তার একটির নাম ছিল ‘জায়েদী স্টুডিও’। এই স্টুডিওর মালিক জায়েদী সাহেব তাকে ফটো কম্পোজিশন সম্পর্কে ধ্যান-ধারণা দিয়েছেন। ছবি তোলা বিষয়ে প্রচুর বই পড়তে দিয়েছেন। সাপ্তাহিক সিনেমার পত্রিকা ‘চিত্রালী’র সম্পাদক এস.এম. পারভেজও তাকে এ বিষয়ে উত্‍সাহ দেন। পরবর্তী সময়ে যার প্রেরণা পেয়ে ধন্য হয়েছেন সাইদা তিনি হলেন চলচ্চিত্রকার সত্যজিত্‍ রায়।

সাইদা খানম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৬৮ সালে বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিষয়ে স্নাতকোত্তর করেন। ১৯৭২ সালে লাইব্রেরি সায়েন্সে দ্বিতীয় স্নাতকোত্তর করেন। ‘বেগম’ পত্রিকার  হিসেবে কাজ করেছেন ১৯৫৬ সাল থেকে। ১৯৭৪ থেকে ১৯৮৬ সাল পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সেমিনার লাইব্রেরিতে লাইব্রেরিয়ান হিসেবে কাজ করেছেন। প্রেস ফটোগ্রাফার হিসেবে কাজ করেছেন দীর্ঘদিন।

দুটো জাপানি পত্রিকাসহ বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় তার তোলা ছবি ছাপানো হয়েছে। ‘অবজারভার’, ‘মর্নিং নিউজ’, ‘ইত্তেফাক’, ‘সংবাদ’সহ বিভিন্ন পত্রিকায় তার ছবির ব্যবহৃত হয়। ফটোগ্রাফার হিসেবে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সেমিনারে অংশ নেন সাইদা খানম। ১৯৫৬ সালে তিনি প্রথম আন্তর্জাতিক আলোকচিত্র প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ করেন। এরপরে জাপান, ফ্রান্স, সুইডেন, পাকিস্তান, সাইপ্রাস প্রভৃতি দেশের আলোকচিত্র প্রদর্শনীতে তার ছবি প্রদর্শিত হয়। ঢাকায় কয়েকবার একক ও দলীয় প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ করেন।

১৯৭৩ সালে কলকাতায় ‘অল ইন্ডিয়া ফটো জার্নালিজম কনফারেন্সে’ বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে যোগদান করেন। বিভিন্ন বছরে দিল্লী, কলকাতা, নিউইয়র্কে বিভিন্ন সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন। ১৯৮২ সালে দিল্লীতে অনুষ্ঠিত ৬ষ্ঠ এশিয়ান গেমস-এ তিনি বেগম পত্রিকার প্রতিনিধিত্ব করেন। এছাড়া সাফ গেমসেরও ছবি তুলেছেন।

সাইদা খানম ফটোগ্রাফার নিয়ন আলোয় neon aloy

সাদাকালোয় তুলেছিলেন মাদাম তেরেসা

নিজের তোলা মাদার তেরেসার ছবির প্রদর্শনী করার আয়োজন করেছেন। ২০০০ সালে দ্রীক লাইব্রেরীতে ‘শান্তি নিকেতন ও কনিকা বন্দ্যোপাধ্যায়’ শীর্ষক একটি প্রদর্শনী করেন। ২০০১ সালে কলকাতার নন্দনে সত্যজিত্‍ রায়ের উপরে প্রদর্শনী করেন। সাইদা খানম বিভিন্ন আন্তর্জাতিক আলোকচিত্র প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে পুরস্কৃত হন। ১৯৫৬ সালে জার্মানিতে ইন্টারন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন। প্রথম স্থান লাভ করেন ১৯৬০ সালের ‘অল পাকিস্তান ফটো প্রতিযোগিতায়’। ১৯৮০ সালে সাইপ্রাসে অনুষ্ঠিত কমনওয়েলথ ফটো প্রতিযোগিতায় সার্টিফিকেট লাভ করেন।

সাইদা খানম ছবি তুলেছেন প্রায় ৩ হাজারের মত। দেশ-বিদেশের রাজনীতিবিদ, শিল্প ও সাহিত্য সংস্কৃতি অঙ্গনের বহু বরেণ্য স্বনামধন্য ব্যক্তিত্বের ফটোগ্রাফার হয়েছেন। এদের ছবি তুলেই শুধু ধন্য হননি; ধন্য হয়েছেন তাদের সান্নিধ্য লাভে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, কবি কাজী নজরুল ইসলাম, ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ, শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন, ইন্দিরা গান্ধী, রাণী এলিজাবেথ, মাদার তোরেসা, মার্শাল টিটো, জিয়াউর রহমান, মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী, কবি সুফিয়া কামাল, মৈত্রেয়ী দেবী, মাহমুদা খাতুন সিদ্দিকা, আশাপূর্ণা দেবী, উত্তম কুমার, অড্রে হেপবার্ন, সৌমেন্দ্রনাথ ঠাকুর, কণিকা বন্দোপাধ্যায়, হেমন্ত মুখোপাধ্যায় প্রমুখ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। চাঁদের দেশে প্রথম যারা নেমেছিলেন সেই নীল আর্মস্ট্রং, এ্যাড্রিয়ান অলড্রিন, মাইকেল কলিন্সের ছবিও তুলেছেন।

১৯৬২ সালে ‘চিত্রালী’ পত্রিকার হয়ে একটি অ্যাসাইনমেন্টে গিয়ে বিখ্যাত চলচ্চিত্রকার ও অস্কারজয়ী পরিচালক সত্যজিৎ রায়ের ছবি তুলে সমাদৃত হন সাইদা খানম। সেবার সত্যজিৎ রায়ের নজরেও পড়েন তিনি। পরবর্তী সময়ে সত্যজিৎ রায়ের পরিচালিত তিনটি ছবিতে ক্যামেরাম্যান হিসেবে কাজ করেন।

সাইদা খানম ফটোগ্রাফার নিয়ন আলোয় neon aloy

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় দেশের একমাত্র নারী ফটোগ্রাফার হিসেবে ঢাকার আজিমপুর এলাকায় অস্ত্র হাতে প্রশিক্ষণরত নারীদের ছবি তোলেন।

সাইদা খানম ফটোগ্রাফার নিয়ন আলোয় neon aloy

সাইদা খানমের লেন্সে নারী মুক্তিযোদ্ধা

সাইদা খানম ফটোগ্রাফার নিয়ন আলোয় neon aloy

হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল

১৬ ডিসেম্বর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের (পরে শেরাটন ও রূপসী বাংলা) সামনে ছবি তুলতে বের হন। কিন্তু পাকিস্তানি সেনারা গোলাগুলি শুরু করলে ব্যর্থ হন।

সাইদা খানম ফটোগ্রাফার নিয়ন আলোয় neon aloy

সাইদা খানমের ফ্রেমে ধরা পড়া বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান

আলোকচিত্র ক্ষেত্রে মেয়েদের কম উপস্থিতির তিনটি কারণ উল্লেখ করে সাইদা খানম বলেন, প্রথমত ছবি তোলার পারদর্শিতার জন্য দরকার প্রচুর অর্থ। ব্যয়বহুল বলে এই ক্ষেত্রে কম মেয়ে এগিয়ে আসেন। দ্বিতীয়ত, ছবি তোলার কাজে সময়-অসময় নেই, দরকার অসীম ধৈর্য। এর জন্য দরকার পারিবারিক সহযোগিতা। মেয়েদের সৃজনশীল কাজে এখনও পারিবারিক সহযোগিতা খুব বেশি দেখা যায় না। তৃতীয়ত, এই কাজ খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। প্রতিকূল পরিবেশে কাজ করার প্রচন্ড মানসিক জোর প্রয়োজন হয়। এসব কারণে কমসংখ্যক মেয়ে ্ফটোগ্রাফার হতে এগিয়ে আসেন।

সমাজসেবী সাইদা খানমকে সকলেই জানেন। রাজনীতি সচেতন সাইদা খানম দলীয় রাজনীতি করেন না। তবে দেশের কাজে কখনও পিছিয়ে যাননি। পরোক্ষভাবে ছাত্র গণআন্দোলনে ও অন্যান্য সরকার বিরোধী আন্দোলনে জড়িত ছিলেন।

সমাজসেবামূলক কাজে তিনি বেশি তৃপ্তি পান। সেবামূলক কাজে তার যথেষ্ট অবদান আছে। মুক্তিযুদ্ধের পর হাসপাতালে নার্স সংকট দেখা দিলে তিনি হলি ফ্যামিলি হাসপাতালে স্বেচ্ছাসেবী নার্স হিসেবে কাজ করেছেন। মুক্তিযুদ্ধের পর হাসপাতালে পানি সংকট হলে ভিকারুন্নেসা স্কুলের ছাত্রীদের নিয়ে শিক্ষিকা আলেয়া ফেরদৌসী এবং তিনি হাসপাতালে পানি পৌঁছাবার ব্যবস্থা করতেন।

বুভূক্ষু মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন তত্‍কালীন নেত্রী সেলিনা বানুর আহ্বানে। পাক-সামরিক সরকার বিরোধী আন্দোলনের গোপন কাগজপত্র লুকিয়ে রেখেছেন অনেকের অনুরোধে। সাইদা খানমের বয়স এখন ৭৭। এ বয়সে এসেও ক্যামেরা ছাড়া তার এক মুহূর্ত চলে না। যেখানেই যান, সঙ্গে নিয়ে যান ক্যামেরা। ক্যামেরার সঙ্গে তার সংসার প্রায় ৬৫ বছরের। বিয়ে না করা দেশের প্রথম এই আলোকচিত্রী থাকেন রাজধানীর বনানীতে। অবসরে গান শোনেন। ঠুমরি-গজল আর রবীন্দ্রসংগীত তার খুব পছন্দ।

সাইদা খানম ফটোগ্রাফার নিয়ন আলোয় neon aloy

ছবি কৃতজ্ঞতাঃ বিবিসি বাংলা

এখনও ফিল্মের ক্যামেরাতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। ডিজিটাল ক্যামেরা তার কাছে মনে হয় ‘ফাঁকি দেওয়া’। এ ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘তখনকার দিনে আমরা খেয়াল করতাম কখন রোদ আসবে, কি এক্সপোজার দেব। এখন তো শুধু ক্যামেরা ধরে রাখলেই হয়।’

ক্যামেরার ক্লিকের পাশাপাশি লেখালেখি করতেন সব সময়। উল্লেখযোগ্য বইয়ের মধ্যে রয়েছে ‘ধূলোমাটি’, ‘স্মৃতির পথ বেয়ে’, ‘আমার চোখে সত্যজিৎ রায়’, ‘আলোকচিত্রী সাইদা খানমের উপন্যাসত্রয়ী’। তিনি বাংলা একাডেমী ও ইউএনএবির আজীবন সদস্য। ছবি তোলার পাশাপাশি এখন তার দিন কাটে পড়াশোনা আর লেখালেখি করে।

আরও পড়ুনঃ হাজং মাতা রাসমনি আর টঙ্ক আন্দোলন

Most Popular

আর দশটি নিউজপোর্টালের মত যাচ্ছেতাই জগাখিচুড়ি না, "নিয়ন আলোয়" আমাদের সবার লেখা নিয়ে আমাদের জন্যই প্রকাশিত হওয়া বাংলা ভাষায় প্রথম পূর্ণাঙ্গ অনলাইন ম্যাগাজিন।

আজকের আলোচিত

Copyright © 2016 Neon Aloy Magazine

To Top