গল্প-সল্প

বাক্সবন্দী রোদ! [ছোট গল্প]

– কিরে সুমিত, প্রস্তাবটা নিয়ে ভাবছিস কিছু?
আনমনে সিগারেটটায় একটা টান দিয়ে শিবলীর দিকে তাকালো সুমিত। শালার পোলাপানগুলা আসারও টাইম পায় না। সারাদিন পরে মাত্র সিগারেটটা ধরালো সুমিত। এর মধ্যেই আসা লাগবে শিবলীর? পকেট একদম ফাকা। হলের সামনের সিগারেটের দোকান থেকে আজকাল বাকি চাইতে গেলে আড় চোখে তাকায় দোকানদার। মাইর না দিলে এদের শিক্ষা হবে না, স্টুডেন্ট পাওয়ার সম্পর্কে আইডিয়া না থাকলে যা হয় আর কি! আধখাওয়া সিগারেটটা শিবলীকে দিয়ে জিজ্ঞাসা করলো, কোন ব্যাপারটা?
– আরেহ গতকাল সন্ধ্যায় যে আইডিয়াটা শেয়ার করলাম, ঐটা। বলেই ঠোটের কোণে বাঁকা হাসিটা ফুটে উঠলো শিবলীর।

ঘুম থেকে ওঠার পর থেকে এটা নিয়েই ভাবছিলো সুমিত। শালার সুমিতের মাথাটা আইডিয়াতে ঠাসা। চ্যারিটির যে প্ল্যানটার কথা বললো গতকাল, ঐটা নিয়ে মাঠে নামা উচিৎ কি না ভাবছিল সুমিত। ব্যাটে-বলে হলে অনেকগুলা টাকা পকেটে আসবে। কিন্তু ব্যাপারটা বেশ অমানবিক আর রিস্কি!

-কিরে কিছু বলবি না? সুমিতকে এবার একটা খোঁচা দিয়ে বসলো শিবলী। টাল নাকি এখনো তুই?
সুমিত একটু আস্তে আস্তে বলা শুরু করলো, দেখ! টাকা পয়সা নেই সত্যি, তবে তারজন্য আরেকজন মানুষকে গিনিপিগ বানাবো! ব্যাপারটা কি ঠিক ভালো হয়?

শিবলীর যেন সব উত্তর ঠিক করা ছিল, সাথে সাথে বলে বসলো, আরেহ গাধা! চিন্তা করিস না। তুই আমি ইফাদ আর রবিন। আমরা চারজন মিলেই শুরু করবো। যা টাকা আসবে, তার ৮০% পার্সেন্ট পাবো আমরা, বাকিটা যার নামে চ্যারিটি করছি সে পাবে। দুইপক্ষই লাভবান। ভার্সিটিতে পড়ে এতটুকু মানবতা তো শিখছিই। কি রাজি?

ইফাদ আর রবিন এদের ব্যাচমেট। সেই ফার্স্ট ইয়ারে পলিটিক্স করার সময় এদের পরিচয়। সুমিতের কাছে যদিও রবিনকে বেশ ঝানু মাল বলে মনে হয়। আকাশ ভাইয়ের ডানহাত অলরেডি। সামনের কমিটিতে বড় পোস্ট পাবে! ও কি এইসব ছোটখাটো কাজ করবে? চুপচাপ চিন্তায় বুদ হয়ে ছিল সুমিত। আর তাছাড়া ব্যাপারটা জানাজানি হলে ভালো হবে না। ক্যাম্পাসে মুখ দেখানো যাবে না।

কিন্তু কাজটা শুরু করতে হলে ওদের ম্যানপাওয়ার দরকার। এই দুইটাকে দলে ভিড়াতে পারলে একেবারে খারাপ হয় না। এইসব ভাবতে ভাবতে সুমিত বললো, রাতে বসবো টঙে। ঐ দুইটারে ডাকিস। এখন তাসফিয়ার সাথে দেখা করা লাগবে। তুই থাক। বলেই সামনের দিকে পা বাড়ালো সুমিত।

তাসফিয়া সুমিতের গার্লফ্রেন্ড। এক ব্যাচ জুনিয়র মেয়েটা। ক্যাম্পাসে প্রথম দেখেই সুমিতের মনে হয়েছিল, “অতিদূর সমুদ্রের পর হাল ভেঙ্গে নাবিক দিশা পেয়েছিল হয়তো তাসফিয়াকেই দেখে”। এর পর অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে তাসফিয়ার সাথে রিলেশন হলো সুমিতের। শুরুর দিকের দিনগুনো এখনো অবাক হয়ে ভাবে সুমিত। সারাদিন ক্যাম্পাসের টং নাহলে লাইব্রেরীতে বসে থাকতো একসাথে। কথা শুরু হলে যেন শেষ হতেচাইতো না। রাজ্যের কথা জমা থাকতো ওদের। ময়লা টিশার্ট পরে উসকো খুসকো চেহারার একটা ছেলে তাসফিয়ার পাশে বসে আছে! দূর থেকে আড় চোখে তাকিয়ে দেখতো সবাই। রীতিমত গর্ব হতো সুমিতের।

ইদানিং নাকি রাজনের সাথে ক্যাম্পাসে খুব ঘুরছে তাসফিয়া। রাজনের সিজিপিএ বেশ ভালো, টিচার হয়ে যাবে শোনা যায়। সুমিতের চেয়ে অনেক ভালো একটা ফিউচার আছে ওর সামনে। বেটার অপশন পেলে ছেড়ে যাওয়াটা অস্বাভাবিক কিছু না। ডারউইন সাহেব তো সেই কবেই বলে গিয়েছেন, সার্ভাইভাল ফর দ্যা ফিটেস্ট!

সাত-পাঁচ ভাবতে ভাবতে তাসফিয়ার সামনে এসে যখন দাঁড়ালো সুমিত, তখনো অবাক হবার ঘোরটা কাটেনি ওর! নীল সালোয়ার কামিজে তাসফিয়াকে সাক্ষাত দেবী ভাবলে ভুল হবে না! যদিও সুমিত জানে, তাসফিয়ার মুড অফ। অনেকদিন থেকেই সুমিতকে সিরিয়াস হবার কথা বলতে বলতে মেয়েটা হতাশ হয়ে গিয়েছে। সুমিত না পারছে ড্রপ তুলতে, না পারছে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর জন্য কিছু করতে। এভাবে আর কতদিন সুমিত?

অনেকদিন ধরে ভালো কোন রেস্টুরেন্টে যাওয়া হচ্ছে না, সারপ্রাইজ-গিফট তো অনেক পরের ব্যাপার। পকেটের কন্ডিশনটাই দায়ী এজন্য। সুমিত খুব ভালোভাবেই জানে, এভাবে চললে যে একসময় রুদ্রের মত তাকেও বিড়বিড় করে বলা লাগবে “যে রাত মুখোমুখি বসিবার বনলতা সেন, সে রাত আমার নয় অন্য কারো”।

শিবলীর প্রস্তাবটা বারবার মাথায় ঘুরছিলো সুমিতের। কিছু একটা আসলেই করা দরকার। আইন্সটাইন থিয়োরি অফ রিলেটিভিটি বোঝানোর জন্য একটা উদাহরণে বলেছিলেন, “সুন্দরী মেয়ের সাথে বসে থাকলে সময় অনেক তাড়াতাড়ি যায়!” অথচ আজকের দিনটা আইন্সটাইনের থিয়োরিকে ভুল প্রমান করতে ব্যাস্ত, রীতিমত উঠে পড়ে লাগলে যা হয় আর কি! আর তাসফিয়াও বার বার ওর ফোন সাইলেন্ট করা লাগছে। হয়তো রাজন ফোন দিচ্ছে ওকে! হয়তো সবার কাছে সুমিত যা শুনছে সেটা সত্যি করার জন্য উঠে পড়ে লাগছে ভবিষ্যতের লেকচারারটা!

তাসফিয়ার কাছ থেকে বিদায় নেবার পর করোটির ভিতরে জমাট অন্ধকারে জমে থাকা চিন্তাগুলো একে একে মুক্তি পাওয়া শুরু করলো। শিবলীকে ফোন দেয়া দরকার। ইফাদ আর রবিনের সাথেও কথা বলে নেয়া দরকার। টাকার জন্য সবকিছুই করতে পারে সুমিত। এতোদিনে বেশ বুঝে গেছে গ্রাজুয়েশন কমপ্লিট করতে এক্সট্রা দুই বছর লেগে যাবে। আগে থেকে টাকারা মুখ দেখলে খারাপের কিছু নেই তো!

আইডিয়াটা প্রথমবার শুনেই পছন্দ হয়ে গেলো ইফাদ আর রবিনের। অনেক সোজা কাজ! ফেসবুকে একটা ইভেন্ট খোলা লাগবে, কয়েকঘন্টা পরপর আপডেট আর কয়েকটা বিকাশ নাম্বার/ব্যাংকের একাউন্ট যোগ করে দিলেই হবে। এরপর যা টাকা আসার সব শুয়ে-বসেই আসবে। তবে এই মুহুর্তে যেটা দরকার সেটা হলো একটা গিনিপিগ। ক্যান্সারে আক্রান্ত কোন ভার্সিটি পড়ুয়া মেধাবী হলে সবচেয়ে ভালো হতো। পাবলিক সেন্টিমেন্ট বলে কথা!

নেক্সট কয়েকদিন কেটে গেলো গিনিপিগ খুঁজতে খুঁজতে। আশেপাশে এত মানুষ, কিন্তু কারো ক্যান্সার হয় না! এভাবে চলতে থাকলে তো আইডিয়া বাক্সবন্দী হয়ে থাকবে! টাকা মুখ দেখা যে বড্ড বেশি দরকার! এসব ভাবতে ভাবতেই ফেসবুকে স্ক্রল করছিল ইফাদ। মেঘ না চাইতেই জল টাইপের ব্যাপার হয়ে গেলো যখন দেখলো ওর বড় ভাইয়ের বন্ধু জুবায়ের ভাইয়ের ক্যান্সার ধরা পড়েছে রিসেন্টলি! জুবায়ের ভাই ইফাদের পরিচিত, অনেক ছোটবেলা থেকেই। এসএসসিতে বোর্ডে স্ট্যান্ড করা লোকটা মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে! বেচারার ক্যান্সার হয়েছে ব্যাপারটা যেমন কষ্টের, ওনাকে ইউজ করে বেশ কিছু টাকা কামানো যাবে, ব্যাপারটা ততটাই আনন্দের!

অনেক ভাবার পর সবাইকে একসাথে ডাকলো ইফাদ, গিনিপিগ পাওয়া গেছে!!!

রবিনের লেখার হাত ভালো, একরাতের মধ্যেই ইভেন্টের জন্য যে আর্টিকেল লিখে ফেললো, তাতে রীতিমত মনে হচ্ছে জুবায়ের রবিনের কতদিনের পরিচিত। ঐ রাতেই ফেসবুকে “জুবায়ের বাঁচতে চায়” নামে একটা ইভেন্ট খুলে গেলো। আসলেই কি জুবায়ের বাঁচবে,এটা নিয়ে কনফিউশন থাকলেও, ওরা যে জুবায়েরকে বেচবে এটা নিয়ে কোন কনফিউশন নেই। জুবায়ের ভাইয়ের হসপিটালের বেডে শুয়ে থাকা একটা ছবির সাথে বিকাশের নাম্বার এড করে দেয়ার পরেই কাজ শেষ। বাহ! এখন শুধু অপেক্ষা।

তাসফিয়ার কাছে সুমিতকে দেখে বড্ড বেশি বিধ্বস্ত লাগছে আজ। ইফাদের ক্লোজ একটা ভাইয়ের ক্যান্সার ধরা পড়ছে, এর জন্য ফেসবুকে ইভেন্ট নিয়ে অনেক কাজ করছে সুমিত ইফাদের সাথে। ঘরের খেয়ে বনের মহিষ তাড়ানোতে এই সুমিতের অপ্রতিদ্বন্দ্বী নেই কেউ। এসব খুব ভালোভাবেই জানে তাসফিয়া। আর এটাও জানে, রাজনের সিজি বেশি হতে পারে, কিন্তু এই সুমিতকে নিয়ে সে যত গর্ব করতে পারবে,তার সামান্যটাও রাজনকে নিয়ে করা সম্ভব না।

সুমিত সত্যিকার অর্থেই বেশ বিধ্বস্ত! নিজের চিন্তার সাথে যুদ্ধটা শেষ হচ্ছে না যেন ওর। একজন মানুষের জীবন নিয়ে ধান্দাবাজি করাটা ওর কাছে বড্ড বেমানান মনে হচ্ছে। লাগবে না টাকা পয়সা ওর, হারাম খাওয়ার থেকে কিছু না খাওাটাই ভালো, এই চিন্তা থেকে সুমিতের মনে হলো সরে আসা উচিৎ! এবং আজ রাতে সে ইফাদ রবিন আর শিবলীকে বলে দিবে, ও এসব কাজের সাথে নাই!

সেদিন রাতে সুমিত বুঝলো যাদেরকে রাজপথের বন্ধু হিসাবে ভাবতো সে, তারা যে নেহায়েত সামান্য কিছু টাকার জন্য ওকে মেরে ফেলতে দ্বিতীয়বারও ভাববে না! সুমিতের কলার ধরে মুখে ঘুষিটা পড়ার আগে শিবলী চিল্লায়ে যেটা বলেছিল, সেটা অনেকটা এমন, “শালা! মানবিকতা দেখানো হচ্ছে খুব? এই জিনিস যদি কেউ জানে, তোর কাইট্টা কুত্তা দিয়া খাওয়াবো!”

জীবনে এই প্রথম কারো কাছে মার খেয়ে হাসিমুখে ফিরে আসলো সুমিত। যে রাস্তাতে হাঁটা শুরু করছিল, সে রাস্তাটা যে ওর জন্য না, বুঝতে সময় লেগে গেলো কিছুটা। তাসফিয়ার কাছ থেকে সময় চাওয়া লাগবে ২ বছর। গ্রাজুয়েশন কমপ্লিট করবে আর জিআরই-তে ভালো একটা স্কোর তুলবে, তাসফিয়া ওকে সরিয়ে দিবে না অন্তত।

পরের বেশ কিছুদিন সুমিতকে নিজের রুমের পড়ার টেবিল ছাড়া অন্য কোথাও দেখা যেত না। হলের বারান্দায় সিগারেট টানার জন্য বের হলেই ইফাদ, রবিন আর শিবলীর সাথে চোখাচোখি হতো। যে ভাবে ওরা তাকাতো সুমিতের দিকে, তাতে সুমিতের আত্মা রীতিমত কেঁপে উঠতো। যাই হোক, সুমিতের এখন এসব ভাবার টাইম নেই। ওদের তিনজনকে দেখলে অবশ্য বোঝা যায়, বেশ টাকার উপরে আছে ওরা! রিসেন্টলি বাইকও কিনে ফেলেছে। আরেকজনকে গিনিপিগ বানিয়ে বেশ ভালোই চলতেসে ওদের দিনকাল।

সপ্তাহখানিক পর ভোরবেলা রুমের দরজায় অনেক ধাক্কাধাক্কিতে ঘুম ভাংলো সুমিতের। এত সকালে ও ওঠে না সাধারণত। দরজা খুলেই দেখলো ইফাদের গ্রুপের অনেকগুলা জুনিয়র আর পুলিশ ওর রুমের সামনে। জুনিয়রগুলো মারমুখী। শুধুমাত্র পুলিশ থাকাতে এ যাত্রায় আবার মার খাওয়া লাগলো না সুমিতের। যা শুনলো তাতে সুমিতের চোখ রীতিমত গোল হয়ে গেলো। কে বা কারা কাল রাতে ইফাদকে মেরে হলের পাশে ফেলে রেখেছে। এমন ভাবে মারা হয়েছে তাতে ইফাদের মাথাটা রীতিমত দুইভাগ হয়ে গিয়েছে। সকালে কয়েকটা কুকুর জটলা করে জমাট বাধা রক্ত চাটছিল আর বিকট শব্দে ঘেউঘেউ করছিল। এদের কারনেই ঝোপের মধ্যে ইফাদের লাশটা পাওয়া যায়। শিবলী আর রবিন পলাতক! যেহেতু সুমিতের সাথে এদের ওঠাবসা ছিল, সেহেতু সুমিতকেও সন্দেহ করা হচ্ছে।

সমস্যাটার শুরু হয়েছিল টাকার ভাগাভাগি নিয়ে! রবিন,ইফাদ আর শিবলী মদের নেশায় চুর হয়ে ছিল ঐ রাতে। টাকা নিয়ে ঝগড়ার এক পর্যায়ে জ্যাক ডেনিয়েলসের বোতলটা দিয়ে ইফাদের মাথায় আঘাত করে শিবলী। অনেক বেশি জোরে মারায় মাথাটা লিটারেলি দুইভাগ হয়ে যায় ইফাদের। কোনরকম লাশটাকে বস্তাবন্দী করে পাশের ঝোপে ফেলে দিয়ে এরা পলাতক! সুমিত অনেকদিন পর চোখে যেন সরিষার ফুল দেখলো। সেই ছোটবেলায় সরিষা ক্ষেতের দিকে অনেকসময় তাকিয়ে থাকার পর যে অনুভুতিটা জন্ম নিতো, সেটা আবার ফেরত আসলো ওর চোখে! শিবলী আর রবিন যেহেতু পলাতক, দোষটা সব ওর উপর দিয়েই যাবে; বুঝে ফেলেছিল খুব ভালোমত!

ইনভেস্টিকেশনে জানা যায়, জুবায়ের নামক যে ছেলেটার জন্য চ্যারিটির আয়োজন করা হয়েছিল, তার টাকা ভাগাভাগি নিয়েই এই খুন। আর জুবায়েরের ফ্যামিলি এদের কাছ থেকে সামান্যতম টাকাটাও পায়নি। সপ্তাহখানিকের মধ্যে রবিন ধরা পড়ে বর্ডার ক্রস করে ইন্ডিয়া যাবার সময়, শিবলী এখনো পলাতক!

রিমান্ডের পর ছাড়া পেলেও এখনো প্রায় রাতেই জেলের সেই ভয়াবহ রাতগুলোর কথা মনে পড়ে ঘুম ভেংগে যায় সুমিতের। আর এতকিছুর পর ওর সাথে থাকা সম্ভব না বলে তাসফিয়াও ওকে ছেড়ে চলে যায়। ক্যম্পাসের সবাইও কিভাবে যেন তাকায় ওর দিকে খুব ভালো করেই সব টের পায় সুমিত। কিন্তু কি করার আলাদা হয়ে গেলেও সুমিত তো এই গ্রুপের একটা পার্টই ছিলো শুরুতে। এখন প্রায়ই উদাস হয়ে ভাবে শুধু একটা ভুল সিদ্ধান্ত কীভাবে চোখের নিমিষে ওর জীবনটাকে ওলট-পালট করে দিলো,যদি আরেকবার সব নতুন করে শুরু সুযোগ পেতো…

[এডিটরস নোটঃ এটি একটি কাল্পনিক গল্পমাত্র। দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত রোগী, পথশিশু, শীতবস্ত্র সংগ্রহে কাজ করা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোকে এই গল্পের সাথে মিলিয়ে ফেলবেন না যেন!]

Most Popular

To Top