টেক

ইলেকট্রিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) নিয়ে যত প্রশ্ন!

ইভিএম নিয়ন আলোয় neonaloy

আজ খুব সকালেই ঘুম থেকে উঠেছে নুরু মিয়া। যেমন করেই হোক সবার আগে গিয়ে লাইনে দাঁড়াতে হবে তাকে। তার ৬০ বছরের জীবনে এবারই সে প্রথম একটা যন্ত্রের সাহায্য ভোট দিবে। শুনেছে সেই যন্ত্রটার নাম ইভিএম। এতো বছর সে ব্যালট পেপারে ভোট দিয়েছে, একবার তো ভুল ভাবে ব্যালট পেপার ভাঁজ করায় তার ভোট টাই নষ্ট হয়েছিল। ভোটকেন্দ্রে যেতে যেতে নুরু মিয়া এই যন্ত্রটা নিয়ে ভাবছিল; এই ইভিএম টা আসলে কি? কিভাবে কাজ করে? সে কি চালাতে পারবে ঠিক মতো? হাজারো প্রশ্ন এখন তার মনে।

কি এই ইভিএম?

নুরু মিয়ার আগ্রহের এই যন্ত্রটির নাম হলো ইভিএম (EVM-Electronic Voting Machine)।
গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ভোট প্রয়োগের জন্য ব্যবহৃত হয় বলে একে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন বা ইভিএম বলা হয়। এটি ই-ভোটিং নামেও পরিচিত।

ইলেকট্রিক ভোটিং মেশিন

সর্বপ্রথম ১৯৩৬ সালের জুলাই মাসে ‘আইবিএম’ কোম্পানি যান্ত্রিকভাবে ভোট দেয়ার প্রযুক্তি তৈরী করে। এতে পাঞ্চ কার্ডের মাধ্যমে ইলেকট্রনিক ভোটিং পদ্ধতি প্রথমবারের মতো ব্যবহার হয়।

ইভিএমে একজন ভোটারের কোনভাবেই একটির বেশি ভোট দেওয়ার সুযোগ থাকে না। সাধারণ ব্যালট ভোটের মতো কেন্দ্রেও সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর পক্ষে পোলিং এজেন্ট, নেতাকর্মীসহ পর্যবেক্ষকরা তো থাকবেই। মেশিনটিতে একটি পূর্ব-প্রোগ্রামিং করা মাইক্রোচিপ থাকে যা প্রতিটি ভোটের ফলাফল তাৎক্ষণিকভাবে হিসেব করে প্রদর্শন করে। এটি কয়েকটি ইউনিটে ভাগ করা থাকে। ইউনিটগুলো হলো-

১. ব্যালট ইউনিট:

ব্যালট ইউনিটটি থাকে বুথের ভেতর। এই ইউনিটের উপর প্রার্থীর নাম ও প্রতীক ছাপানো থাকে। প্রতিটা প্রতীকের পাশে থাকে একটি করে সুইচ। সুইচে ক্লিক করে ভোটার তার পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেন।

২. কন্ট্রোল ইউনিট:

কন্ট্রোল ইউনিট থাকে সহকারী প্রিজাইডিং অফিসারের সামনের টেবিলে। এই ইউনিটে আছে একটা স্টার্ট বাটন, ক্লোজ বাটন, মেমোরি ক্লিয়ার বাটন, ডেমো রেজাল্ট বাটন, ফাইনাল রেজাল্ট বাটন ও ব্যালট সুইচ। এই ব্যালট সুইচটি চাপ দেয়ার সাথে সাথে বুথের ভেতর থাকা ব্যালট ইউনিটটি একটি মাত্র ভোট নেবার জন্য কার্যকর হয়। একজন ভোটার ভোট দিয়ে বেরিয়ে এলে,সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার কন্ট্রোল ইউনিটের ব্যালট সুইচ চেপে পরের ভোটারের জন্য ব্যালট ইউনিটটি কার্যকর করেন, তবে এটি ১২ সেকেন্ডের আগে কোনভাবেই পরবর্তী ভোট গ্রহণের জন্য প্রস্তুত হয় না।

ইলেকট্রিক ভোটিং মেশিন

৩. ডিসপ্লে ইউনিট:

কন্ট্রোল ইউনিট এর সামনে রাখা এই ইউনিটটি সকলেই দেখতে পায়। একজন ভোটার সঠিকভাবে ভোট দেবার পর ডিসপ্লেতে একটি সংখ্যা বেড়ে যায়, এতে পোলিং এজেন্টরা সহজেই বুঝতে পারেন ভোটটি গৃহীত হয়েছে কিনা।

৪. ব্যাটারি ইউনিট:

এই মেশিন চালাতে দরকার হয় ১২ ভোল্টের একটি ব্যাটারি। ব্যাটারিতে মেশিনটি সারাদিন চলতে পারে ফলে বাড়তি কোন বিদ্যুতের প্রয়োজন হয় না। আর ভোটারের শক খাবারও কোন আশংকা থাকেনা।

৫. স্মার্ট কার্ড ও মাস্টার কার্ড:

কন্ট্রোল ইউনিট পরিচালনা করার জন্য এই কার্ড দুটির প্রয়োজন। স্মার্ট কার্ড দিয়ে সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ইভিএম মেশিন অন করবেন এবং পরীক্ষামূলক ভোট সম্পন্ন করতে পারবেন। তবে এটা দিয়ে আসল ভোট শুরু করা যায় না। আসল ভোট শুরু করার জন্য মাস্টার কার্ড প্রয়োজন। একটি ভোট দিতে আনুমানিক ১৪ সেকেন্ড সময় লাগে।

ইভিএম এর ব্যবহার:

ইভিএম এর ভোট প্রদানের জন্য সর্বপ্রথম যে কাজটি করতে হয় তা হলো ভোটার সনাক্তকরণ। স্মার্টকার্ড, আঙুলের ছাপ, ভোটার নাম্বার অথবা এনআইডি নাম্বারের মাধ্যমে করা হয় এটি। স্মার্টকার্ডটি মেশিনে প্রবেশ করানোর সাথে সাথে ভোটারের তথ্য দেখানো হয় মনিটরে, এরপর সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার কনফার্ম বোতামটি চাপার মাধ্যমে ভোটারকে নিশ্চিত করবেন।

কনফার্ম করার পর একজন ভোটারকে গোপনকক্ষে প্রেরণ করা হয় ভোট প্রদানের জন্য। যতগুলো পদের জন্য ভোট প্রদান করা হবে গোপন কক্ষে ঠিক ততটা আলাদা আলাদা ডিজিটাল ব্যালট ইউনিট রাখা থাকে। এই ইউনিটে প্রার্থীদের প্রতীক বামপাশে আর নাম ডানপাশে থাকে। ভোট প্রদানের জন্য পছন্দের প্রতীকের বামপাশের কালো বোতামটিতে চাপ দিতে হয়, এতে করে প্রতীকটির পাশে বাতি জ্বলে উঠবে। এরপর ডানপাশের সবুজ বোতামটি চাপতে হবে। যদি কেউ ভুল প্রতীকে চাপ দিয়ে থাকে তাহলে সবুজ বোতাম চাপার আগ পর্যন্ত এটা সংশোধন করা যাবে। এটার জন্য ডানপাশের লাল বোতামটি চাপ দিতে হবে, এতে করে আগের কমান্ড টি বাতিল হয়ে যাবে আর আবারও প্রতীক পছন্দ করার সুযোগ আসবে। এরপর সবুজ বোতাম চাপলেই ভোট টি চুড়ান্ত ভাবে নিশ্চিত হবে। এটা চাপ দিতেই ডিজিটাল ব্যালট ইউনিটে চিহ্নিত করা প্রতীক ছাড়া বাকিসব প্রতীক অদৃশ্য হয়ে যাবে। এতে নিশ্চিত হওয়া যাবে ভোটটি সঠিক হয়েছে কিনা।

ইলেকট্রিক ভোটিং মেশিন

এখানে আগে থেকেই কোন ভোট ঢুকিয়ে রাখা যায় না। ভোট শুরুর আগেই প্রতিটা ইভিএম মেশিন পরীক্ষা করে নিতে হয়, কন্ট্রোল ইউনিট এর রেজাল্ট ইউনিট টি পরপর চাপ দিলে একে একে সকল প্রার্থীর বিপরীতে কত ভোট মজুদ আছে তা ডিসপ্লেতে দেখা যায়।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ইভিএম মেশিন তৈরি করে থাকে। ভারত ইলেকট্রনিকস্‌ লিমিটেড, আকুপোল, এডভান্সড্‌ ভোটিং সল্যুশনস্‌, মাইক্রোভোট, স্মার্টম্যাটিক, ইউনিল্যাক প্রভৃতি প্রতিষ্ঠানগুলো ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন প্রস্তুতকারক হিসেবে খ্যাত।

আমাদের দেশে পাইল্যাব বাংলাদেশ নামে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ইভিএম মেশিন তৈরি করে থাকে।

বাংলাদেশ ও ইভিএম:

বাংলাদেশে প্রথম ইভিএমের মাধ্যমে ২০০৭ সালে ঢাকার অফিসার্স ক্লাবের কার্যকরী সংসদের নির্বাচন করা হয়। এখানকার সফলতার পর ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছে এ প্রকল্প জমা দেন উদ্ভাবক, বুয়েটের আইআইসিটি বিভাগের চেয়ারম্যান ড. এস এম লুৎফল কবির এবং প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান পাইল্যাব বাংলাদেশ। তখন ছবি সংবলিত ভোটার তালিকার কাজ চলার কারণে তা বাস্তবায়ন হয়নি।

পরে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে পরীক্ষামূলক কার্যক্রমের জন্য ১৩০টি ইভিএম তৈরি করা হয়। ১৪টি ভোট কেন্দ্রের ৭৯টি বুথে মোট ৯৩টি ইভিএম স্থাপন করা হয়।

এরপর ২০১০ সালের ১৭ জুন অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনে মোট ২৫ হাজার ২৩৮ জন ভোটার ইভিএমে ভোট প্রদান করেন।

প্রথমবারের মতো একাদশতম জাতীয় নির্বাচনে ৬টি নির্বাচনী আসনে সম্পূর্ণভাবে ইভিএমে গ্রহণ করা হয়। ইভিএম ব্যবহার করা আসনগুলো হলো, ঢাকা-৬, ঢাকা-১৩, চট্টগ্রাম-৯, রংপুর-৩, খুলনা-২ ও সাতক্ষীরা-২।

ইলেকট্রিক ভোটিং মেশিন

যত সুবিধা ইভিএম-এর:

ইভিএম ব্যবহারের পক্ষে যেসব সুবিধার কথা বলা হয় তা নিম্নরূপ-

১. ইভিএম ব্যবহারের ফলে কোটি কোটি সংখ্যক ব্যালট ছাপানোর খরচ, কাগজের খরচ, এগুলো পরিবহনের খরচ, ভোট গণনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট লোকবলের খরচ সবই সাশ্রয় হবে। নির্বাচন কমিশনের দেয়া তথ্য অনুযায়ী একটি জাতীয় নির্বাচনে এক হাজার ৮৭ কোটি টাকা খরচ হয়েছে। কিন্তু ইভিএম পদ্ধতিতে একটি জাতীয় নির্বাচনে খরচ হবে মাত্র নয়শ’ কোটি টাকা।

২. একটি মেশিন দিয়ে চার-পাঁচটি জাতীয় নির্বাচন করা সম্ভব। চাইলে এটা ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা, পৌরসভা, সিটি কর্পোরেশন বা উপনির্বাচনেও কাজে লাগানো যাবে। সেক্ষেত্রে শুধু মেশিনটিতে নতুন করে প্রোগ্রাম প্রবেশ করাতে হবে।

৩. একজন ভোটার ভোট দেয়ার পর ১০ থেকে ১২ সেকেন্ড ব্যালট ইউনিট স্বয়ংক্রিয়ভাবে অকার্যকর থাকে। ফলে সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ইচ্ছা করলেও একজন ভোটারকে একাধিক ভোট দানের সুযোগ করে দিতে পারবেন না।

৪. কোন কেন্দ্র দখলের ঘটনা ঘটলে সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার কন্ট্রোল ইউনিটের ক্লোজ সুইচটি চেপে দিলেই দখলকারীরা কোনো ভোট দিতে পারবে না। তাছাড়া ইভিএমের স্মার্ট কার্ড সরিয়ে ফেললেও মেশিনটি চালু করা যাবে না।

৫. প্রতি মিনিটে ৫টার বেশি ভোট দেয়া যাবে না।

৬. খুবই কম সময়ে ভোট গণনার কাজ সম্পন্ন হয়।

ইভিএম নিয়ে যত শঙ্কা:

আধুনিক প্রযুক্তিগত প্রক্রিয়া হলেও ইভিএম নিয়ে রয়েছে অনেক রকমের আশঙ্কা। যেমন-

১. যদি নির্বাচনী কর্মকর্তার স্মার্ট কার্ডের নকল কার্ড তৈরি করা হয় এবং তা যদি ইভিএমের প্রোগ্রামকে বিভ্রান্ত করে তাহলে তা নির্বাচনের ফলাফলকে সম্পূর্ণরূপে পাল্টে দিবে।

২. ইভিএমের প্রতিটি ইউনিট সচল অবস্থায় পৃথক করা যায়। এটা ফল বিপর্যের একটা কারণ হতে পারে।

৩. মাইক্রোকন্ট্রোলার চিপ নিয়ন্ত্রিত এই ইভিএমের প্রতিটি স্মার্টকার্ডে ব্যবহৃত হচ্ছে আরএফআইডি (রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি আইডেন্টিফিকেশন) ট্যাগ। তাই কোন কর্মকর্তার সহযোগিতা পেলে কোন প্রার্থীর কর্মীরা রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহার করে দূর থেকেও কন্ট্রোল ইউনিট নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হবে।

ইলেকট্রিক ভোটিং মেশিন

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ইভিএম-এর ব্যবহার:

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশেই ইভিএম ব্যবহার করা হয়। আইনগতভাবে আমেরিকা, রাশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, কানাডা, ফ্রান্স, জাপান, পেরু, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ভেনিজুয়েলায় চালু রয়েছে ইভিএম প্রযুক্তির মাধ্যমে ভোট গ্রহণ পদ্ধতি। এছাড়াও আর্জেন্টিনা, ইতালি, মেক্সিকো, নরওয়ে, স্পেন, সুইডেন ও দক্ষিণ আফ্রিকাসহ বেশকিছু দেশে এখনো এই ব্যবস্থা নিয়ে চলছে নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা।

তবে কিছু সমস্যার কারণে, বিশেষ করে রাজনৈতিক কারণে পৃথিবীর প্রায় ৮৫ ভাগ দেশেই এই পদ্ধতি ব্যর্থ হয়েছে। কয়েকটি দেশে ইভিএম চালু করা হয়েছিল, সে সব দেশে এখন ইভিএম পদ্ধতি পুরোপুরি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এমনকি পশ্চিমা দুনিয়ার কোন আধুনিক ও উন্নত রাষ্ট্রে ইভিএম ব্যবহার করা হয় না।

ভারতের মতো দেশে ইভিএম পদ্ধতি বাতিলের পক্ষে মত দিয়েছে দেশটির বিরোধী দল। এমনকি ভারতের আদালতে ইভিএম নিয়ে একাধিক পিটিশন দাখিল করা হয়েছে। সম্প্রতি দেশটির কংগ্রেস দলের মুখপাত্র অভিষেক মনু সিংভি ইভিএমের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে। তার ভাষ্যমতে কেবল তাদের দলই নয়, দেশের অন্তত ৭০ শতাংশ রাজনৈতিক দলই মনে করে যত দ্রুত সম্ভব কাগজের ব্যালটে আবার ফিরিয়ে আনা উচিত।

এমনকি যন্ত্র খারাপ হলেও ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে সব ভোটই গিয়ে পড়েছে বিজেপির বাক্সে- এমন অভিযোগ বহুবার করেছে কংগ্রেস বা আম আদমি পার্টি। ২০০৬ সালে আয়ারল্যান্ড ই-ভোটিং পরিত্যাগ করেছে। ২০০৯ সালের মার্চ মাসে জার্মানির ফেডারেল কোর্ট ইভিএমকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করেছে। একই বছরে ফিনল্যান্ডের সুপ্রিমকোর্ট তাদের তিনটি মিউনিসিপ্যাল নির্বাচনের ফলাফল বাতিল করেছে। নেদারল্যান্ডে ই-ভোটিং কার্যক্রম জনগণের আপত্তির মুখে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

ইভিএমের কারনে ভোট গ্রহন অনেক দ্রুত সম্পন্ন হলেও, বর্তমান সময়ে এটার নিরাপত্তা নিয়ে নানা রকম প্রশ্ন উঠছে আর যা সমাধানের চেষ্টাও করা হচ্ছে। কিন্তু বহির্বিশ্বে প্রশ্নবিদ্ধ এই ইভিএম কতোটা সফল হয় এই দেশে ,এবং জনগনই বা কতোটা গ্রহন করে ইভিএমকে সেটাই এখন দেখার বিষয়। সম্প্রতি হয়ে যাওয়া জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বশীল ব্যক্তিবর্গ বলেছেন ইভিএম ব্যবহার হলে নির্বাচনের আগের রাতে ব্যালট বাক্স ভরে রাখা সম্ভব না। আপনার কি মনে হয় ইভিএম ব্যবহার করে আমাদের আগামীর নির্বাচনগুলো স্বচ্ছ, প্রশ্নাতীত এবং গ্রহণযোগ্য করা সম্ভব?

তথ্যসূত্রঃ

১। https://www.thedailystar.net/politics/president-promulgates-ordinance-rpo-amendment-provision-evm-use-in-bangladesh-national-election-1654402

২।https://ieeexplore.ieee.org/document/6208285 

Most Popular

To Top