বিশেষ

উদ্দেশ্যহীন জ্যামিং থেকে আজকের ইন্দালো…

ইন্দালো নিয়ন আলোয় neonaloy

নির্ভানা, পার্ল জ্যাম, স্টোন টেম্পল পাইলটস- এই ব্যান্ডগুলোর সাথে আমরা সবাই মোটামুটি পরিচিত। এদের সবার মধ্য মিলটা কোথায়? মিলটা হচ্ছে যে এরা সবাই গ্রাঞ্জ রক ব্যান্ড। এমনকি “গ্রাঞ্জ” জনরাটিকে এরাই পুরো বিশ্ববাসীর কাছে উপস্থাপন করেছে এবং এখনো করছে। আরেকটা ব্যাপার হচ্ছে যে এরা সবাই বিদেশী ব্যান্ড।

কিন্তু, বর্তমান সময়ে বাংলাদেশে অনেকগুলো ব্যান্ড গ্রাঞ্জ জনরার সাথে এদেশের শ্রোতাসমাজকে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছে। এমনই একটি ব্যান্ড ইন্দালো।

ব্যান্ড হিসাবে ইন্দালোর জন্ম হয় ২০১২ সালে ঢাকায়। ব্যান্ডে জন এবং জুবাইরের মায়াবী কন্ঠ এবং গিটারের ছয় তারের অসাধারণ কাজ, বার্টের গ্রুভি বেজের কাজ এবং ডিও’র ড্রামসে তাদের সাথে সাথে তোলা রিদমিক বিটস একত্রে হয়ে এক একটা অমায়িক গানের সৃষ্টি হয়।

ইন্দালো নিয়ন আলোয় neonaloy

ব্যান্ড ইন্দালো (ছবিঃ সরকার প্রতিক)

এই ইন্দালোর যাত্রা শুরু হয় ব্যান্ডের দুই ভোকালিস্ট এবং গিটারিস্ট জন কবীর এবং জুবাইর হাসান চৌধুরী এর হাত ধরে।

ইন্দালো নিয়ন আলোয় neonaloy

বাঁদিক থেকে জুবাইর হাসান চৌধুরী এবং জন কবীর (ছবিঃ- নাভিদ নুরেন)

এখানে জন একসময়ের এবিসি জেনারেশনের বিখ্যাত ব্যান্ড ব্ল্যাক এর ভোকাল ছিলেন এবং জুবাইর ছিলেন আসর ব্যান্ডের ভোকাল এবং গিটারিস্ট।

ইন্দালো নিয়ন আলোয় neonaloy

জন কবীর (ছবিঃ- রাইসুল ইসলাম)

ব্ল্যাক থেকে সরে আসার পর অনেকদিন জন কিছু করেননি। শুধু আড্ডা দিতেন, বিভিন্ন কনসার্টে যেতেন, বাসায় গিটার বাজাতেন আর গান গাইতেন- এর মধ্যই ছিলেন মোটামুটি। ব্ল্যাক ছেড়ে দেওয়ার পর জন একদিন ব্ল্যাকের বেজিস্ট আহসান টিটুর মাধ্যমে জানতে পারেন যে আসর ব্যান্ডটি আবার জ্যাম করা শুরু করেছে এবং জন অনেক ভক্ত ছিলো আসরের।

টিটু ব্ল্যাকের পাশাপাশি “আসর” ব্যান্ডেও বেজ বাজাতেন একইসাথে। তার আগে আসর ব্যান্ডটির কার্যক্রম অনেকদিন বন্ধ ছিলো যেহেতু ব্যান্ডের গিটারিস্ট জুবাইর কয়েকবছর মিউজিক থেকে একটা সাময়িক বিরতিতে ছিলেন। জুবাইর আর জন একসাথে নর্থ-সাউথ ইউনিভার্সিটিতে পড়তেন। টিটু এরপর একদিন জনকে আমন্ত্রণ জানান তাদের প্র্যাকটিস প্যাডে। জন গেলেন তাদের প্র্যাকটিস প্যাডে এবং দেখলেন তারা নতুন এবং পুরানো অনেক গান প্র্যাকটিস করছেন। টিটু-জুবাইরদের প্র্যাকটিস দেখে তার মনে হলো-

“I miss this, I miss jamming with people.”

এরপর জন একদিন গেলেন জুবাইরের বাসায় এবং আড্ডা দিলেন, জ্যামিং করলেন। ছোটবেলা থেকে যাদের গান শুনতেন এবং পছন্দ করতেন সেগুলোই মূলত দুজন কভার করতেন। তাদের একটা কমন ইন্টারেস্ট ছিলো যেটা, সেটা হচ্ছে “গ্রাঞ্জ” জনরা। সেভাবেই তারা সাউন্ডগার্ডেন, পার্ল জ্যামের গান তুলতেন তাদের গিটারে। কখনো জন গাইতেন, জুবাইর গিটার বাজাতেন অথবা রোল পাল্টাতো। এভাবেই চলতো তাদের জ্যামিং এবং তারা বেশ উপভোগ করতেন জিনিসটা। প্রতি সপ্তাহে একবার করে হলেও চলতো এই জ্যামিং। তারপর সময়ের সাথে সেই বাসায় বসে জ্যাম করাটা একটা ব্যান্ড গড়ার দিকে মোড় নেয় যেটা তাদের কারোই পূর্বপরিকল্পিত ছিলো না। এমনকি ব্যান্ডটা আজ যেই অবস্থানে আছে, সেই অবস্থানে ব্যান্ডটা কখনো আসবে সেটা ব্যান্ড সদস্যরা কেউ ভাবেননি কখনো।

জনের ভাষ্যমতে,

“INDALO is exactly a band which was formed out of nothing.”

প্রসঙ্গত, এই কারণেই ব্যান্ডের প্রথম অ্যালবামের নাম “কখন কিভাবে এখানে কে জানে”। এভাবেই ইন্দালোর প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়। জন আর জুবাইর জ্যাম করতে করতে দেখলেন নিজেদেরও অনেক ইন্টারেস্টিং কিছু জিনিসপত্র বের হয়ে আসছে। শুধু গানই না, অনেক সুন্দর মিউজিকই বের হয়ে আসছে এবং সেগুলো শুনতে ভালো লাগছে । সেখান থেকেই তাদের মনে হলো এসব এক-দুইটা গান রেকর্ড করা দরকার। আর রেকর্ড করতে বেজিস্ট আর ড্রামার লাগবে। তখন তাদের সাথে টিটু ছিলেন। টিটু তখন আসর এবং ব্ল্যাক দুই ব্যান্ডেই বাজাতেন। তারপর জন, টিটু আর জুবাইর একসাথে রিহার্সাল শুরু করলেন।

ইন্দালো নিয়ন আলোয় neonaloy

বাঁদিক থেকে জন কবীর এবং আহসান টিটু (ছবিঃ- ফেসবুক)

তখনো ড্রামার ঠিক হয় নাই কাকে নিবেন তারা। তখন জনের মাথায় নেমেসিসের ড্রামার এবং বর্তমান ইন্দালোর ড্রামার ডিও হক এর কথা আসে যেহেতু জন আর ডিও’র পরিচয় অনেকদিনেরই ছিলো।

ইন্দালো নিয়ন আলোয় neonaloy

ডিও হক (ছবিঃ- ফেসবুক)

তারপর তাদের ডিও’র সাথে কথা বলার পর ডিও রাজী হলেন এবং তারপর তারা প্র্যাকটিস শুরু করলেন। এভাবেই তাদের চারজনকে নিয়ে পুরোদমে ব্যান্ডের যাত্রা শুরু হয় এবার। এই লাইন-আপ নিয়ে তারা তাদের প্রথম সিঙ্গেল “আইএসডি” রিলিজ করে যা অনেকটা ওয়ান হিট ওয়ান্ডারের মতো কাজ করে শ্রোতাসমাজে এবং ইন্দালো একটা ভালো সাড়া পায় । আইএসডি রেকর্ডের পর টিটু নিজস্ব কারণে মিউজিক থেকে অবসর নেন। তারপর ২০১৩ সালে বেজে আসেন ব্যান্ডের বর্তমান বেজিস্ট “বার্ট নন্দিত আড়েং”।

ইন্দালো নিয়ন আলোয় neonaloy

বার্ট নন্দিত আড়েং (ছবিঃ- ন্যাথান)

বার্ট ইন্দালোর আগে “আজব” নামক একটি ব্যান্ডে ছিলেন। আজ পর্যন্ত ব্যান্ডের এই লাইনআপই আছে।

ইন্দালো নিয়ন আলোয় neonaloy

ইন্দালো (একদম বাঁদিক থেকে জন–ডিও–বার্ট-জুবাইর )  (ছবিঃ- ফেসবুক)

এই লাইনআপ নিয়ে ব্যান্ডটি এখনো স্টেজ মাতিয়ে যাচ্ছে। ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ঢাকা (আইএসডি)-তে তাদের প্রথম শো হয়েছিলো ১০-১১-১২ (১০ই নভেম্বর, ২০১২) তারিখে। তাদের প্রথম শো-টা সলো শো ছিলো। কারণ তাদের এতো গান কভার সহ এতোকিছু ছিলো যে যেকোন মাল্টি আর্টিস্টময় কনসার্টের মতো তারা স্টেজে উঠে শুধুমাত্র দুটো-তিনটা গান করলে সেই অনুভূতিটা পাবে না যেটা সলো শো করে পুরো সময়টা নিজেরা স্টেজ দখল করে রেখে পাবে। সলো কনসার্টে আরেকটা ব্যাপার হয়, দর্শক-শ্রোতারা সেই ব্যান্ডকে ভালো করে জানতে পারে। ব্যান্ডটির কাছ থেকে সামনে তারা কী আশা করতে পারে, সে সম্পর্কে ভালো একটা ধারনা পায়।

প্রথম শোতেই তারা তাদের গান “আইএসডি” প্রথমবারের মতো করেন। তখনো সেই গানটির কোন নাম ছিলো না, পরে যখন তারা রিহার্সাল করতো তখনও সেই গানটিকে “আইএসডি” বলেই আখ্যায়িত করতেন এবং পরে সেটার নামকরনও আইএসডিই করা হয়।

তারপর তারা নিয়মিত জ্যাম করতে থাকলেন এবং জ্যাম করতে করতেই নিজেদের গানগুলো করা শুরু হয়। তারপর যখন দেখলেন অনেকগুলো গান হয়ে গেছে, তখন তারা সেই গানগুলো একটা অ্যালবাম আকারে বের করেন। তারা কখনো চিন্তাও করেননি নিজেদের গান করবেন। শুধুমাত্র মজা করার জন্য জ্যাম করতেন আর সেখান থেকেই সবকিছু শুরু হলো। আস্তে আস্তে নিজেদেরও বেশ কিছু গান হয়ে গেলে তারা ভাবলেন গানগুলো একটা অ্যালবাম আকারে বের করা যায়। তারপর তারা অ্যালবামের কাজে লেগে যান। ২০১৫ সালের ৬ই সেপ্টেম্বর তাদের প্রথম অ্যালবাম “কখন কিভাবে এখানে কে জানে” বের হলো।

ব্যান্ডের ফর্মেশনের একদম নিখুঁত বিবরণ হচ্ছে এই অ্যালবামের নামটি, “কখন কিভাবে এখানে কে জানে”। জনের ভাষ্যমতে,

“We never knew this is gonna happen this way. Or this is gonna happen at all.”

ইন্দালোর সবগুলো গানের লিরিক্স ব্যান্ডের লিড গিটারিস্ট জুবাইরের লেখা এবং অ্যালবামের গানগুলোর সব তিনিই লিখেছিলেন। এবং, তাদের গানগুলোর মিক্সিং এবং মাস্টারিং করে থাকে ব্যান্ডের নিজেদের সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ার “রাকাত জামি”।

ইন্দালো নিয়ন আলোয় neonaloy

রাকাত জামি (ছবিঃ ফেসবুক)

প্রসঙ্গত যে রাকাত জামি নেমেসিসেরও সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ার এবং “Embers In Snow” নামক তার নিজস্ব একটি ব্যান্ড আছে।

ইন্দালো ব্যান্ডের চারজনের মধ্য অসম্ভব ভালো মিল বা কেমিস্ট্রি কাজ করে সেটা ইতিমধ্যে শ্রোতাসমাজ ব্যান্ডের প্রথম অ্যালবাম শুনে টের পেয়ে গিয়েছেন।

এই প্রসঙ্গে ব্যান্ডের ড্রামার ডিও বলেন,

“এটার কারণ আমরা সবাই একই ধরনের মিউজিক থেকে অনুপ্রাণিত হয়েছি। এখানের সবাই ৯০ এর দশকের পার্ল জ্যাম, এলিস ইন চেইন্স, সাউন্ড গার্ডেন, স্টোন টেম্পল পাইলটস ব্যান্ডগুলোর মতোন সব রক এন্ড রোল ব্যান্ড থেকে অনেক বেশী অনুপ্রাণিত হয়েছে। তাই আমরা বুঝতে পারি কি করবে বা করতে পারে।”

এর সাথে ব্যান্ডের ভোকাল জন যোগ করেন, “আরেকটা কারণ হচ্ছে ব্যান্ডের সবার বলার সমান অধিকার আছে এখানে। এমনও হয়েছিলো ডিও গানের পুরো স্ট্রাকচার পরিবর্তন করেছে এবং আমরা সবাই সেটার সাথেই মানিয়ে নিয়ে চলেছি। আমার মতে এটাও অন্যতম একটা কারণ আমাদের ভালো কেমিস্ট্রির পিছনে।”

একদম প্রথম থেকেই ইন্দালোর গানগুলোতে একটা “র” সাউন্ড ছিলো। প্রথম অ্যালবামের গানগুলোতেও তাই ঘটেছে। ড্রাম থেকে ভোকাল, অ্যালবামের সবকিছুই এমনভাবে রেকর্ড করা যেন তারা লাইভ রেকর্ড করেছিলেন। জুবাইরের ভাষ্যমতে,

“আমরা চেয়েছিলাম অ্যালবামটির সাউন্ড এমন হোক যেমনটা আমরা প্র্যাকটিসের সময় পাই। আমরা আমাদের সাউন্ড “র” করতে চাই কারন মানুষরা আসলে “র”-ই হয়। রক এন্ড রোল নিখুঁত হওয়া উচিৎ নয়, এটাই এর সৌন্দর্য। এটা মানুষদের দ্বারাই বাজানো হয় এবং মানুষদের নিখুঁত হওয়ার কথা না।”

জনের মতে, “আমার মনে হয় সেখানে দুটো গান আছে যেগুলো আমরা স্টুডিওতে লাইভ বাজিয়েছি। সবগুলো শব্দ সরাসরি এমপ্লিফায়ার থেকে নেয়া হয়েছে। কেউ যদি ভালো করে শুনে তবে রেকর্ডরুমের খড় এবং ফাটলের শব্দ শুনতে পারবে। এখন ইন্টারনেটের ইউটিউব আমাদের কাছে একটা ভালো প্রচারের মাধ্যম মনে হয়েছে। আমরা এই অ্যালবামটা অনেক যত্ন এবং সময় নিয়ে করেছি। আমরা আমাদের অ্যালবামটা ইউটিউবে ছেড়ে দেই সবার শোনার জন্য।”

অ্যালবামের সাথে ৬০ পৃষ্ঠার একটা অ্যালবাম বুকলেট ছিলো বিভিন্ন চোখ ধাঁধানো সব ফটোগ্রাফি, টাইপোগ্রাফি, ক্যালিগ্রাফি, অ্যালবাম ফ্যাক্টস সহ আরো কিছু জিনিস নিয়ে। আর এই সবগুলো কাজ তিলক আদনান এর করা।

ইন্দালো নিয়ন আলোয় neonaloy

তিলক আদনান

ইন্দালো’র সর্বশেষ মিউজিক ভিডিও এবং সিঙ্গেল “ছবি” মুক্তি পায় ২০১৭ সালের ৩ নভেম্বর, ঢাকার ধানমন্ডির রাশিয়ান কালচারাল সেন্টারে। এটি “গানচিল মিউজিক” লেভেল থেকে মুক্তি পায়।

[ইন্দালো মানে কি? নতুন অ্যালবাম কবে আসছে? ইন্দালো’র শ্রোতাদের এরকম অজস্র প্রশ্ন নিয়ে আমরা মুখোমুখি হয়েছিলাম ব্যান্ডটির। কি জানালো ইন্দালোমেন? পড়ুন এখানে।]

ডিস্কোগ্রাফীঃ
এখন পর্যন্ত ইন্দালো একটি স্টুডিও অ্যালবাম এবং একটি সিংগেল বের করেছে।

অ্যালবামঃ
কখন কিভাবে এখানে কে জানে (২০১৫)

ইন্দালো নিয়ন আলোয় neonaloy

“কখন কিভাবে এখানে কে জানে” এর প্রচ্ছদ। (ছবিঃ- ফেসবুক)

সিংগেলঃ
ছবি (২০১৭)

ইন্দালো নিয়ন আলোয় neonaloy

“ছবি” গানটির মিউজিক ভিডিওর একটি অংশ (ছবিঃ- ইন্টারনেট)

প্রসঙ্গত যে এখন বাংলাদেশের যেকোন আর্টিস্টের যেকোন অ্যালবাম বা সিংগেল খুব সহজেই আপনি Gaan অ্যাপে ফ্রিতে স্ট্রিমিং করে শুনতে পারবেন। এই “গান” এপটি যে কেউ ফ্রিতেই প্লে-স্টোরে পাবে।

“Gaan” এপ ডাউনলোডঃ
Android : bit.ly/gaanplay
iOS : bit.ly/GAANOnAppStore

পুরো অ্যালবামটি ইউটিউবে শুনতে পারবেন এখানেওঃ

অথবা নিচে আরো কিছু লিংক দেয়া হলো অ্যালবাম কালেক্টের জন্য-
ইন্টারন্যাশনাল ডাউনলোড লিংকঃ http://melabel.lnk.to/KokhonKibhabeEkhaneKeJane
লোকাল ডাউনলোড লিংকঃ www.bitly.com/indalomen

এছাড়া হার্ডকপি সিডি’র জন্য নিচের দোকানগুলোতে খোঁজ নিতে পারেন-

  • ঢাকা রিপাবলিক (গুলশান আগোরার বিপরীত দিকে) , ১১২, গুলশান এভিনিউ, গুলশান, ঢাকা।
  • ঢাকা রিপাবলিক, ৩২ সোনারগাও জনপথ, সেক্টর-১১, উত্তরা, ঢাকা।

আর এক্সক্লুসিভ অটোগ্রাফড হার্ডকপি সিডি ও ৬০ পেইজের বুকলেট একসাথে অনলাইনে অর্ডার করতে পারবেন এই লিংকে যোগাযোগ করলেই হবে।
সিডি ছাড়াও ইন্দালোর অফিসিয়াল মারচেন্ডাইজ কিনতে চাইলে এই লিংকে ইন্দালোর পেইজে মেসেজ করলেই হবে।
ইন্দালো ব্যান্ডটি শুধু নিজেদের গান বাদেও বিভিন্ন গানের কভার করতে ভীষণ ভালোবাসে, সেসবের ভিডিও তাদের ইউটিউব চ্যানেলে গেলেই দেখা যাবে।

[এই ফিচারটির জন্য আহমেদ শায়ের লাবিব এবং মিলু আমান ভাইয়ের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা।]

তথ্যসূত্রঃ
১। Music Buzz Eid Ul Azha 2016 With Indalo
২। Jon Kabir: Music is a quintessential aspect of life and I am always around it.
৩। Indalo – 10.11.12

Most Popular

To Top