ফ্লাডলাইট

ঘোরতর অমানিশার অন্ধকারে জিম্বাবুয়ের ক্রিকেট?

ঘোরতর অমানিশার অন্ধকারে জিম্বাবুয়ের ক্রিকেট?

বিশ্বকাপ বাছাই পর্বে সংযুক্ত আরব আমিরাতের কাছে পরাজিত হয়ে বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে পড়ার পর জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট নজিরবিহীন এক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। চাকুরিচ্যুত করা হয়েছে কোচিং স্টাফের সকল সদস্যকে এবং দ্বায়িত্ব থেকে অব্যহতি দেয়া হয়েছে অধিনায়ক গ্রায়েম ক্রিমারকে। নতুন অধিনায়ক হতে পারেন ব্রেন্ডন টেলর।

চাকরি হারালেন যারাঃ

হেড কোচঃ হিথ স্ট্রিক
ব্যাটিং কোচঃ ল্যান্স ক্লুসনার
বোলিং কোচঃ ডগলাস হন্ডো
ফিল্ডিং কোচঃ ওয়াল্টার চাওয়াগুতা
ফিটনেস কোচঃ শেন বেল
টিম এনালিস্টঃ স্ট্যানলি চিওজা
অনূর্ধ্ব-১৯ কোচঃ স্টিফেন মানগনগো
প্রধান নির্বাচকঃ টাটেন্ডা টাইবু

একথা বিশ্বাস করা কঠিন যে শুধুমাত্র বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই না করার কারনে একসাথে সম্পুর্ন কোচিং স্টাফকে বরখাস্ত করা হবে।

জিম্বাবুয়ের পাশাপাশি আয়ারল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, স্কটল্যান্ড বাছাই পর্ব থেকে বাদ পড়েছে। কিন্তু জিম্বাবুয়ের এফটিপির সূচী অনুযায়ী সামনের দুই বছর পর্যাপ্ত খেলা রয়েছে। সুতরাং বিশ্বকাপে না খেললেও অন্ধকারে হারানোর মতো অবস্থা তাদের কখনোই হতো না।

জিম্বাবুয়ের একাধিক মিডিয়া জানিয়েছে এর পেছনের কারন বোর্ডের আর্থিক দূরবস্থা। হাই প্রোফাইল কোচিং স্টাফের বদলে তারা এখন লোকাল লো প্রোফাইল কোচিং স্টাফের দিকে আগ্রহী। গত ফেব্রুয়ারী মাসে বোর্ডের সকল পর্যায়ের স্টাফদের বেতনের মাত্র ৪০% টাকা পরিশোধ করেছে বোর্ড।

আইসিসির দশ দল বিশ্বকাপের অন্যতম বড় ভিক্টিম হতে যাচ্ছে জিম্বাবুয়ে। বিশ্বকাপ না খেলায় তাদের “ব্র্যান্ড ভ্যালু” কমে গিয়েছে, ফলে স্পন্সর এবং ব্রডকাস্টিং স্বত্বের দাম কমে গিয়েছে। যেহেতু বিশ্বকাপে থাকছেনা সেহেতু লম্বা সময়ের জন্য কোন বড় স্পন্সর তাদের প্রতি আগ্রহ দেখাচ্ছেনা। স্পন্সর পেতে হবে সিরিজভিত্তিক।

কিন্তু শুধু আইসিসি না, দায়ভার অনেকাংশেই বর্তাবে জিম্বাবুয়ের উপর। আইসিসি তাদের হোম এডভান্টেজ দিয়েছিলো। পেছনে তাকালে দেখা যায়, ব্যবসায়িক চিন্তা থেকে আইসিসি এই বাছাই পর্ব দিয়েছিলো বাংলাদেশে। কিন্তু বাংলাদেশ সরাসরি খেলায় ভেন্যু সরিয়ে নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়। ওয়েস্ট ইন্ডিজ, আয়ারল্যান্ড এবং জিম্বাবুয়ে টুর্নামেন্ট আয়োজন করার আগ্রহ দেখায়। শেষ পর্যন্ত আয়ারল্যান্ড আর জিম্বাবুয়ের ভেতর হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়। আইসিসি দ্বায়িত্ব দেয় জিম্বাবুয়েকে। দ্বায়িত্ব পাবার সাথে অনুদান পায় জিম্বাবুয়ে টুর্নামেন্ট আয়োজন করার।

জিম্বাবুয়ের দুটি মাত্র আন্তর্জাতিক ভেন্যু। তার ভেতর বুলাওয়ে লো প্রোফাইল একটি গ্রাউন্ড। একমাত্র হাই প্রোফাইল ভেন্যু বলতে হারারে স্পোর্টস ক্লাব। অন্য সকল সুযোগ সুবিধার দিক থেকেও জিম্বাবুয়ে পিছিয়ে ছিলো। তবুও আইসিসি জিম্বাবুয়েকে হোস্ট করে হোম এডভান্টেজ দিয়েছিলো। শেষ ম্যাচে জিম্বাবুয়ের সামনে খুব সহজ সমীকরন ছিলো। মাঠভরা দর্শকের সামনে সংযুক্ত আরব আমিরাতকে হারিয়ে বিশ্বকাপে খেলার। সবাইকে হতবাক করে দিয়ে হেরে বসে জিম্বাবুয়ে।

আইসিসির দশ দলের বিশ্বকাপের সমালোচনা হতে পারে কিন্তু জিম্বাবুয়ে কেন বিশ্বকাপে নাই তার সুস্পষ্ট দায়ভার জিম্বাবুয়ের নিজের। এই টুর্নামেন্ট যদি আয়ারল্যান্ডে আয়োজন করা হতো? জিম্বাবুয়ে আরো বেশি সংগ্রাম করতো আমি নিশ্চিত। আইরিশ সিমিং কন্ডিশনে হাবুডুবু খেত জিম্বাবুয়ে।

জিম্বাবুয়ের টিম পারফর্মেন্স যথেষ্ঠ খারাপ বর্তমানে। আফগানিস্তানের সাথেও সিরিজ হারাটা নিয়মিত ঘটনা। যার কারনে স্পন্সর হারাতে হয়েছে।

আইসিসির নতুন আর্থিক মডেল অনুযায়ী জিম্বাবুয়ের আয় বেড়ে দাড়িয়েছিলো ৮০ বিলিয়ন ডলার (২০২৩ পর্যন্ত) যা আগের চেয়ে প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলার বেশি। এছাড়া ঋনের বোঝা থেকে মুক্তি দিতে এককালীন ১৯ মিলিয়ন ডলার দেয়া হয়েছিলো জিম্বাবুয়েকে যা জিম্বাবুয়েকে ফেরত দিতে হবেনা।

তবুও ঘুরে দাড়াতে পারেনি জিম্বাবুয়ে! জুলাইতে অস্ট্রেলিয়া এবং আগস্টে পাকিস্তানের বিপক্ষে হোম সিরিজ আয়োজন করার জন্য পুনরায় ঋন চেয়েছে আইসিসির কাছে। এই ঋনের উপর নির্ভর করবে জিম্বাবুয়ের হোম সিজন। আর্থিক অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে এরই ভেতর হোম টেস্টের বদলে ওয়ানডে এবং টি-টুয়েন্টি খেলার কথা চিন্তা করছে জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট।

জিম্বাবুয়ের বর্তমান অবস্থার সূত্রপাত ২০০৩ বিশ্বকাপের পর থেকেই শুরু। স্বৈর শাসক জেনারেল রবার্ট মুগাবের বিরুদ্ধে ছিলো ক্রিকেট বোর্ডের বিভিন্ন বিষয়ে হস্তক্ষেপ করার অভিযোগ। ক্রিকেট বোর্ডের প্রতিটি স্তরে দুর্নীতি প্রবেশ করেছিলো। একই সাথে শ্বেতাঙ্গের বিরুদ্ধে চলছিলো নির্যাতন। অভিযোগ রয়েছে অন্তত কয়েক লাখ শ্বেতাঙ্গ হত্যার। ওই বিশ্বকাপের পরই হিথ স্ট্রিক, এন্ড্রি ব্লিগনট, ফ্লাওয়ার ব্রাদার্সসহ সিনিয়র কয়েকজন শ্বেতাঙ্গ ক্রিকেটার অবসর নিয়ে বিদেশে পাড়ি জমান। তাদের সাথে যোগ দেন ডগলাস হন্ডোসহ একাধিক ক্রিকেটার। ফলে দূর্বল দলে পরিনত হয় জিম্বাবুয়ে। নানান ঘটনায় টেস্ট ক্রিকেট থেকে স্বেচ্ছায় নির্বাসনে যায় জিম্বাবুয়ে। হারাতে থাকে স্পন্সর এবং টিভি রাইটস। নামমাত্র মূল্যে বিক্রি করতে বাধ্য হয় স্পনরশীপ। ধীরে ধীরে আর্থিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে।

যেকোন দেশের মূল আয় হয়ে থাকে তাদের জাতীয় দলের স্পন্সর, টিভি রাইটস থেকে। আর এই দুটি নির্ভর করে হোম সিরিজের উপর। ভারত, অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড এই তিন দলের বিরুদ্ধে হোম সিরিজ আয়োজন করা যেকোন বোর্ডের জন্য অত্যন্ত লাভজনক।

ঐতিহাসিক কারনেই জিম্বাবুয়ের সাথে ইংল্যান্ডের সম্পর্ক ভালো না, জিম্বাবুয়ে ইংল্যান্ডের শাসন থেকে নিজেরাই ঘোষনা দিয়েছিলো নিজেদের স্বাধীনতার। প্রচুর শ্বেতাঙ্গ হত্যা হয়েছিলো স্বাধীনতার নেতৃত্ব দেয়া রবার্ট মুগাবের দলের হাতে। ইংল্যান্ড কখনোই জিম্বাবুয়ে সফরে যেতে চায়নি, একসময় বিভিন্ন চাপে রাজি হলেও ২০০৪ সাল থেকে “মানবতা বিরোধী” রবার্ট মুগাবে সরকারের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করে ইংল্যান্ড এবং অস্ট্রেলিয়া। বিষয়টা যদিও রাজনৈতিক কিন্তু অস্ট্রেলিয়া এবং ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলের জিম্বাবুয়ে সফর বন্ধ রয়েছে যথাক্রমে ২০০৩ এবং ২০০৪ সাল থেকেই। সর্বশেষ ২০১৪ অস্ট্রেলিয়া একটি ট্রাই নেশন সিরিজ খেলতে জিম্বাবুয়ে সফরে গেলেও দ্বিপাক্ষিক সিরিজ বন্ধ এখনো।

সাদা চামড়ার আরেক দেশ নিউজিল্যান্ড সরাসরি সম্পর্ক শেষ না করলেও লম্বা সময় জিম্বাবুয়ে সফর থেকে বিরত থাকে। খুব স্বাভাবিক বিষয়, ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ডের মতো দল সফর না করলে যেকোন বোর্ডের আয় নিম্নমুখী হয়ে যায়।

পাশাপাশি দারিদ্রতা, মুদ্রাস্ফিতী, ডলারের বিপরীতে নিজস্ব মুদ্রার মান কমে যাওয়া, বেকারত্ব ইত্যাদি আর্থিক এবং সামাজিক সমস্যায় জর্জরিত একটি দেশের ক্রিকেটের উপর বড় বড় প্রতিষ্ঠান কখনোই বিনিয়োগ করতে আগ্রহী থাকেনা। যে দেশের মানুষের নূন আনতে পান্তা ফুরায় সে দেশে ক্রিকেট কে দেখবে?

বড় দল গুলার ভেতর একমাত্র ভারত জিম্বাবুয়ের সাথে ক্রিকেটীয় সম্পর্ক বজায় রাখে। ২০১৫ এবং ২০১৬ সালে পরপর জিম্বাবুয়ে সফরে যায় ভারত। এরভেতর চরম আর্থিক দূর্বাস্থায় যখন শ্রীলংকার সাথে হোম সিরিজ বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলো তখন ২০১৬ সালে ভারতের ৩ ওয়ানডে আর ৩ টি-টুয়েন্টির সিরিজ থেকে প্রাপ্ত লাভের টাকায় শুধু শ্রীলংকা সিরিজ না বরং ওয়েস্ট ইন্ডিজকে সাথে নিয়ে একটি ট্রাই নেশন আয়োজন করার সক্ষমতা অর্জন করে জিম্বাবুয়ে। পাশাপাশি বকেয়া বেতন পরিশোধ করেছিলো বোর্ডের স্টাফদের।

শুধুমাত্র একটা ভারতের বিপক্ষে হোম সিরিজ তখন বাঁচিয়ে দিয়েছিলো জিম্বাবুয়েকে। একথা সবাই জানি আমরা যে ভারতের সাথে সিরিজ মানে স্পন্সর, টিভি রাইটস ইত্যাদি বিক্রির কোন চিন্তাই করতে হয়না।

জিম্বাবুয়ের ক্রিকেট এখন মৃতপ্রায়। কিন্তু ক্রিকেট বিশ্ব নিশ্চয়ই চাইবে না আরেকটা কেনিয়ার জন্ম হোক? জিম্বাবুয়ের ক্রিকেটকে বাঁচাতে আইসিসি এবং সব বোর্ডকে এগিয়ে আসতে হবে।

জিম্বাবুয়েতে রবার্ট মুগাবে সরকারের পতন হয়েছে। নিউজিল্যান্ড ২০১৫ এবং ২০১৬ সালে জিম্বাবুয়ে সফর করেছে। এখন ইংল্যান্ড এবং অস্ট্রেলিয়ার উচিৎ দ্বিপাক্ষিক সিরিজের জন্য জিম্বাবুয়ে সফর করা। অস্ট্রেলিয়ার উচিৎ আগস্টের সিরিজ খেলতে জিম্বাবুয়ে সফরে যাওয়া। এইরকম কয়েকটা বড় সিরিজই স্পন্সর এবং ব্রডকাস্টিং এজেন্সীগুলাকে জিম্বাবুয়ের প্রতি আগ্রহী করে তুলতে পারে। জিম্বাবুয়েকে নিজ দেশে আমন্ত্রন জানানোর দরকার নাই কিন্তু জিম্বাবুয়েতে যেয়ে খেলতে আপত্তি কিসের?

জিম্বাবুয়ের ডাকে সাড়া দিয়েছে আবার ভারত। আগামী বছর মার্চে জিম্বাবুয়ে যাবে ভারত সফরে ৩ ম্যাচের টি-টুয়েন্টি সিরিজ খেলতে। এই সফরের জন্য ভালো দামেই জিম্বাবুয়ে স্পন্সর পাবে। আবার ফিরতি সফরে বিশ্বকাপের পর জিম্বাবুয়ে যাবে ভারত। এফটিপির বাইরেই সিরিজ খেলবে। যদি ভারত পারে তাহলে অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ডের পারতে সমস্যা কোথায়? খুব অল্প সময়েই ৩ ম্যাচের টি-টুয়েন্টি সিরিজ খেলা আসা সম্ভব!

জিম্বাবুয়ে আইসিসির কাছে নতুন করে যে ঋন চেয়েছে আইসিসির উচিৎ সেই ঋন অনুমোদন করা। ক্রিকেট বিশ্বের ধনী বোর্ড যারা তারাও পারে তাদের ব্যাংক একাউন্ট থেকে কিছু অর্থ জিম্বাবুয়েকে অনুদান হিসেবে দিতে।

আইসিসির উচিৎ “ফ্যাসিলিটেটর” বা মধ্যস্ততাকারী হিসেবে কাজ করা। বিশ্বকাপ যদি দশ দলের না হতো আর জিম্বাবুয়ে অংশ নিতে পারতো অটোমেটিক চয়েজ হিসেবে তাহলে অন্যসব দলের মতো “পার্টিসিপেশন মানি” বা অংশগ্রহন করার জন্য এককালীন কিছু টাকা পেত। তাদের দীর্ঘমেয়াদে স্পন্সর পেতে সুবিধা হতো। এসব যখন হচ্ছেনা সুতরাং আইসিসির দ্বায়িত্ব নিতেই হবে। গভর্নিং বডি হিসেবে আইসিসিকেই কেনিয়া হবার হাত থেকে জিম্বাবুয়েকে রক্ষা করতে হবে।

কয়েকদিন থেকেই চারপাশে একটা কথা, “স্পিরিট অব ক্রিকেট”। আজ যদি জিম্বাবুয়ে হারিয়ে যায় তাহলে এই স্পিরিট অব ক্রিকেট দিয়ে কি হবে? ক্রিকেটের স্পিরিট রক্ষায় দ্বায়িত্ব আছে প্রতিটা বোর্ডের। জিম্বাবুয়ের একটা গৌরবময় অতীত আছে, এটা ভুলে গেলে চলবে না। বিশ্ব ক্রিকেটে জিম্বাবুয়ের অবদান সামান্য হলেও আছে।

আইসিসির আঞ্চলিক নিয়ন্ত্রক সংস্থা “আফ্রিকান ক্রিকেট এসোসিয়েশন” কেন ব্যবস্থা নিতে পারেনা “এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল”-এর মতো? তারা কি পারতো না জিম্বাবুয়ে-সাউথ আফ্রিকা-কেনিয়াকে নিয়ে নিয়মিত “আফ্রিকা কাপ” আয়োজন করতে? সেই টুর্নামেন্টের ভেন্যু করা যেত জিম্বাবুয়ে বা কেনিয়াকে। টুর্নামেন্টের আয়ের টাকা অনুদান দেয়া যেত জিম্বাবুয়ে বা কেনিয়াকে!

অন্য বোর্ডের কথা বললাম অথচ আমাদের বিসিবি বেমালুম ভুলে গিয়েছে জিম্বাবুয়ের কথা! এক সময়ের বন্ধু এই দেশে না বিসিবির এফটিপির বাইরে সফরে যাবার ইচ্ছা আছে আর না জিম্বাবুয়েকে আমন্ত্রন জানায়! তিন বছর ধরে প্রাপ্য টেস্ট সিরিজটাই খেলার সুযোগ হচ্ছেনা বিসিবির! অথচ ২০১৬ সালেও দশ মাস হোম সিরিজ না খেলে কাটিয়েছে, সামনের দুই বা তিন মাসও বিশ্রামে কাটাবে।

জিম্বাবুয়ে যদি কেনিয়ার মতো পথ হারায়, যদি হারিয়ে যায় অন্ধকারে শুধুমাত্র আর্থিক দৈন্যতার কারনে তাহলে সেটা হবে প্রচন্ড হতাশা এবং লজ্জার।

অল্প কয়টা মাত্র দেশ ক্রিকেট খেলে, সবাই মিলে তাদের একটা বন্ধু দেশকে এই বিপদ থেকে উদ্ধার করতে পারবে না?

Most Popular

To Top