ফ্লাডলাইট

ট্রফি জেতার সুবর্ণ সুযোগ!

ট্রফি জেতার সুবর্ণ সুযোগ!- নিয়ন আলোয়

শিরোনাম দেখে চোখ কপালে উঠতে পারে অনেকের। আগের সব সাক্ষাতে পরাজিত দলের নাম যেখানে বাংলাদেশ সেখানে বাংলাদেশের সামনে সুযোগ বলাটা বাড়াবাড়ি মনে হতে পারে। কিন্তু আমি বিশ্বাস করি নিদাহাস ট্রফির ফাইনালে বাংলাদেশের সামনে সমান সমান সুযোগ ভারতের মত। “ফিফটি-ফিফটি” ম্যাচ।

বাংলাদেশ দলটাই এমন, তারা যখন আত্মবিশ্বাসের চূড়ায় অবস্থান করে তখন তাদের পক্ষে অসম্ভব কিছু থাকেনা। নিদাহাস ট্রফির শুরুটা যেমনই হোক, টুর্নামেন্ট শুরুর আগে দল যতই খারাপ সময়ের ভেতর দিয়ে যাক, এখন প্রেক্ষাপট ভিন্ন। আমি যদি বলি ভারতের চেয়ে বাংলাদেশ বেশি আত্মবিশ্বাস নিয়ে নামবে সেটাও ভুল হবেনা।

টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের দুটি জয়ের দিকে যদি তাকান, দুটি ম্যাচেই বাংলাদেশ “অতিমানবিক” এবং “অবিশ্বাস্য” উপায়ে জয় পেয়েছে। অতীতে এইরকম ম্যাচ বাংলাদেশ হেরেছে শুধু আত্মবিশ্বাস না থাকায়। আর ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ দু’টির দিকে তাকালে আমরা দেখবো দুটি ম্যাচেই ভারতের ব্যাটিং আহামরি কিছু ছিলোনা। শেষ ম্যাচটা ভারত জিতেছিলো আমাদের কিছু ভুলের কারনেই। এই ভারত অজেয় কিছুনা এটা হলফ করে বলা যায়।

সমস্যা যেটা হয়, ভারতের সাথে খেলা হলে আমরা চাপে ভেঙে পড়ি। গতবছর এশিয়া কাপের ফাইনালে যদিও আমরা পারিনি কিন্তু এইবার খেলা হবে কলম্বোর “ফাঁকা স্টেডিয়ামে” যার কারনে অতিরিক্ত দর্শক চাপ থাকবেনা আর এটাই বাংলাদেশকে প্রেসার ফ্রি খেলতে সাহায্য করবে।

আমরা শুরু করেছিলাম “আন্ডারডগ” হিসেবে, আর ফাইনালে উঠেছি শ্রেষ্ঠ দল হিসেবে। আমরা এরই ভেতর “চ্যাম্পিয়ন” স্টাইলের ক্রিকেট খেলে প্রতিপক্ষ, চাপ, প্রত্যাশা ইত্যাদি জয় করেছি। ফাইনালে আমাদের হারাবার কিছু নেই, বরং পাবার আছে অনেক কিছু, সরাসরি বললে ট্রফিতে হাত রাখতে চাইবে বাংলাদেশ।

ব্যাটিং বিবেচনায় ভারতকে পিছিয়ে রাখা যাবেনা। সামান্য সুযোগ দিলেই তারা ১৭০-১৮০ রানের উপর চলে যেতে পারে। ভারতের বিপক্ষে জয়ের পূর্ব শর্ত বাংলাদেশকে বল ভালো করতে হবে।

গতকালকের ম্যাচের কিছু প্রসঙ্গ আনতে চাই। সাকিবের অধিনায়কত্ব আমার সবসময় ভালো লাগে। বেশ “ইনোভেটিভ” অধিনায়ক। মুশফিকের সাথে সাকিবের সবচেয়ে বড় পার্থক্য সাকিব কখনো রিস্ক নিতে ভয় পান না। কিন্তু গতকাল সাকিবকে দেখেছি বেশ ডিফেন্সিভ অধিনায়কত্ব করেছেন শেষ দশ ওভার। প্রথম দশ ওভারে বাংলাদেশের পরিকল্পনা চমৎকার ছিলো। ক্লোজ ফিল্ডাররা এতোটাই ক্লোজ ছিলো যে সিঙ্গেল পর্যন্ত নিতে পারেনি শ্রীলংকা। স্বাভাবিক বিষয়, ডট বলের প্রেসারে পড়ে শটস নিতে হয়েছিলো। ডিসিপ্লিনড বোলিং হয়েছিলো তাই শ্রীলংকা শট খেলতে যেয়ে উইকেট খুইয়ে বসেছে।

৪১-৫, এই জায়গা থেকে শ্রীলংকাকে আমাদের যখন আরো চেপে ধরে একশ রানের নীচে আটকানোর চেষ্টা করা উচিৎ ছিলো ঠিক তখনই আমারা চাইলাম রান চেক দিতে। সাকিব হয়তো একটি কাউন্টার এট্যাকের আশংকা করেছিলেন দুই পেরেরার কাছ থেকে। কিন্তু দুইজনই অত্যন্ত পরিপক্ক ক্রিকেট খেলেছেন। দুইজন বাঁহাতি থাকায় সাকিব নিজে অথবা অপুকে বল করাননি। কিন্তু ওই সময় এক প্রান্ত থেকে সাকিব/অপুর বোলিং দরকার ছিলো আমার মতে। অন্য পাশে মিরাজ ঠিক আছে।

মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ আমি বলবো না খারাপ বল করেছে কিন্তু এটা মানতে হবে রিয়াদের চেয়ে সাকিব/অপুর উইকেট টেকিং অপশন অনেক বেশি। রিয়াদের বলে উইকেট আসার চান্স খুব কম যদি ব্যাটসম্যান মারার চেষ্টা না করেন। বাংলাদেশ গতকাল ওই সময়ে লেগ স্লিপ দিয়েছিলো, কিন্তু কোন পেরেরাই তামিমের মত লেগ সাইডে ফাইন লেগে টুকে দেয়ার প্লেয়ার না। আবার স্লিপে দুইজন ফিল্ডার রেখেছিলো, কিন্তু রিয়াদের বল এতো টার্ন করেনা যে আউট সাইড এজ স্লিপে যাবে। আবার দুই পেরেরার কেউই কাট করার চেষ্টা করেনি।

সিম্পল ক্রিকেট খেলে মিরাজ আর রিয়াদের স্পেল পার করেছে। যেহেতু দুই ব্যাটসম্যান উইকেট ধরে রাখায় বেশি আগ্রহী ছিলো সুতরাং তখন জেনুইন বোলার এনে তাদেরকে ভুল করানো প্রত্যাশিত ছিলো। থিসারাকে লুজ বল দিয়ে মিস হিটে লং অন, মিড উইকেটে আউট করানোর কৌশল অনেক দল প্রয়োগ করেছে আগে।

এই যে বাঁহাতি থাকলে সাকিবকে ব্যবহার না করা এই প্ল্যান আর কত দিন? উদাহরন দেই, ২০১৪ সালে মিরপুরে একটি ওয়ানডেতে শ্রীলংকা ৮০/৬ ছিলো, থিসারা পেরেরা আসার পর মুশফিক সাকিবকে সরিয়ে নেন। প্রেসার রিলিজ হতেই থিসারা ৮০* রান করে ম্যাচটা হাতের মুঠো থেকে বের করে নিয়ে যান। যথেষ্ঠ সমালোচনা হয়েছিলো মুশফিকের।

এশিয়া কাপের ম্যাচের কথা মনে আছে পাকিস্তানের বিপক্ষে? ৩২৬ করেও ম্যাচ হারার দিনে পাকিস্তানের বাঁহাতি ফাওয়াদ আলমের (৭৬) ব্যাট করার সময় সাকিব এবং রাজ্জাককে বোলিং থেকে সরিয়ে নেয়া হয়। মাহমুদুল্লাহ আর নাসির মিলে দশ ওভার করেন। ফাওয়াদ আর পরে আফ্রিদি মিলে ম্যাচটা হারিয়ে দেয় আমাদের।

লাস্ট বিপিএলে খেয়াল করেছিলাম, রংপুরের সাথে ঢাকার তিনটা ম্যাচেই গেইল বা থিসারা পেরেরা উইকেটে থাকলে সাকিব বোলিং এড়িয়ে গিয়েছেন।

আমার মনেহয় সাকিবের এই বিষয়ে কাজ করা উচিৎ। আর সাকিব যে কখনো বাঁহাতি ব্যাটসম্যানদের বিপক্ষে ভালো করেন নাই সেটাও না। ওভারে ৩/৪ ছক্কা খাবেন সেটাও না। বরং সাকিব একজন চমৎকার ইন্টিলিজেন্ট বোলার। সিচুয়েশন বুঝে ব্যাটসম্যানের দূর্বল জায়গায় বল করে থাকে।

সাকিবের জায়গায় অন্য কেউ অধিনায়ক থাকলে আমি নিশ্চিত তিনি সাকিবের হাতে বল দিতেন এবং সাকিব ফল এনে দিতেন।

৮-১৩ এই সময়ের ভেতর অন্তত এক ওভার অপুকে ব্যবহার করে দেখা যেত। একজন জেনুইন বোলারকে একাদশে রেখেও ব্যবহার না করার দ্বিতীয় ঘটনা এটি। এর আগে ইংল্যান্ড একবার আদিল রশিদকে এইভাবে শুধু ফিল্ডিং করিয়েছিলো।

গতকাল বাংলাদেশের বোলারদের ভেতর শুরু থেকেই ছন্দহীন ছিলেন রুবেল। সেই রুবেলকে তিন ওভার দেখেই সরিয়ে নেয়া উচিৎ ছিলো। সাকিবের অন্তত শেষ দিকে বল করা দরকার ছিলো।

তবে ইনিংসের শেষ ওভার সৌম্যকে দিয়ে করানোটা ভালো ছিলো। আর ফিজের কথা বলি, ফিজ আগে গুড লেন্থে ওভার পিচড বল করে ব্যাটসম্যানদের ড্রাইভ করাতেন, সেভাবেই উইকেট আসতো। অথচ এই টুর্নামেন্টে ফিজের পিচ ম্যাপ দেখলে দেখা যায় শর্টপিচ বল করেছেন প্রচুর। আর বাঁহাতি ব্যাটসম্যানরা লেগ সাইডে আরামছে পেটাচ্ছে। উইকেট পেলেও ফিজের রানের খাতায় খরচের তালিকা তাই অনেক।

বাঁহাতি ব্যাটসম্যান থাকলে বাঁহাতি বোলার আনা যাবেনা এই মানসিকতা থেকে বের হয়ে কিভাবে বাঁহাতি ব্যাটসম্যানের বিপক্ষে সফল হওয়া যায় সেটা ভবিষ্যতে বের করতে হবে। কেবল বাঁহাতি ব্যাটসম্যান উইকেটে থাকায় আমাদের সেরা বোলার বোলিং করবেনা এটা খুবই দৃষ্টিকটু বিষয়। সাকিবের চরিত্রের সাথে বেমানান। সে চ্যাম্পিয়ন বোলার।

আজ ভারতের বিপক্ষে তাহলে আমাদের গেমপ্ল্যান কি হবে? শিখর ধাওয়ান আর সুরেশ রায়নার মতো দুইজন ইনফর্ম বাঁহাতি ভারতের একাদশে রয়েছে? তারা উইকেটে টিকে গেলে উপায় কি হবে?

সামনে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাথে সিরিজ, সেখানে আবার গেইল-লুইস থাকবে, তখন?

এই পুরা টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের কোন ম্যাচেই অপুকে প্রোপারলি ব্যবহার করা যায়নি। ধাওয়ান-রায়না থাকায় ভারতের সাথে প্রথম ম্যাচে ১৩-তম ওভারে অপুকে আনা হয়েছিলো। আগামীকাল হয়তো সেটাই হবে। এইরকম অবস্থায় অপুকে একাদশে রাখার আসলে প্রয়োজন কতটুকু?

মিরাজ অবশ্যই একাদশে থাকবে। একজন জেনুইন অফ স্পিনার ছাড়া নিশ্চয়ই বাংলাদেশ নামবে না।

বোলিং বিভাগে পরিবর্তন বলতে আমার মতে একটাই হতে পারে (যদি হয়) সেটা হচ্ছে অপু বাদ যাবেন। যদি সাকিবের মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের উপর সম্পুর্ন ভরসা থাকে বোলার হিসেবে আর সৌম্য যদি দুই-এক ওভার সাপোর্ট দিতে পারে তাহলে অপুর জায়গায় অতিরিক্ত একজন পেসার খেলানো যায়। আর সেটা হতে পারে আবু জায়েদ চৌধুরী। রনির কথা বললাম না কারন রনির একটা বড় দূর্বলতা হচ্ছে ওকে চার্জ করলে লাইন হারিয়ে ফেলে, ফাইনালে এই রিস্ক নেয়া যাবেনা।

আবার অনেকে বলবেন অপুর জায়গায় আরিফুল কেন নয়? অবশ্যই সম্ভব! তবে নির্ভর করবে টিম কি চায়, ব্যাটসম্যান না বোলার সেটার উপর।

ব্যাটিং নিয়ে বলতে গেলে শুরুতেই বলবো গত ম্যাচের একাদশ থেকে যার বাদ পড়া আমার চোখে যৌক্তিক তিনি হলেন সৌম্য সরকার। সৌম্য নিজেকে হারিয়ে খুঁজছেন, তার হাঁটা, ডিফেন্স, শট, রানিং বিটুইন দ্যা উইকেট সবকিছুতে আত্মবিশ্বাসের অভাব। স্পিনের বিপক্ষে সম্পুর্ন “এক্সপোজড”।

বিষয়টা এখন কোটি টাকার প্রশ্ন, সৌম্যের জায়গায় একাদশে দুইজন আসতে পারে। একজন আরিফুল, তিনি আসলে নীচের দিকে একজন ব্যাটসম্যান বাড়বে। তবে গুরুত্বপুর্ন হচ্ছে ফাইনাল ম্যাচের প্রেসার হ্যান্ডেল করতে পারবেন আরিফুল? আর দ্বিতীয় যে অপশন তিনি ইমরুল কায়েস। ৯.১৫ গড়ের ইমরুলকে আমার এই মুহুর্তে সৌম্যের চেয়ে খারাপ কোন অপশন মনে হচ্ছেনা।

নিতান্তই যদি সৌম্যকে খেলাতে হয় তাহলে ছয় বা সাত নাম্বারে খেলাক। ডেথ ওভারে কিছু পেস বোলার অন্তত পাবে সামনে। ওপেন যদি করায় তাহলে নিশ্চিত থাকেন পাওয়ার প্লেতেই ভারত স্পিনার আনবে।

তিন নাম্বারে আমি চাইবো সাকিব নিজেই খেলুক। তিনেই কিন্তু সাকিবের ব্যাট করার কথা। সেট হবার জন্য কিছুটা সময় পাবে। “আউট অব বক্স” কিছু করতে চাইলে রিয়াদকে উঠায় আনা যায় তবে রিয়াদ নীচে খেললেই ভালো, একটা সেফ ব্যাটসম্যান হাতে থাকবে। মুশফিক চার নাম্বারেই থাকুক, সেখানেই সে রান পাচ্ছে।

সাব্বির রহমান, অন্তত ফিল্ডিং বিবেচনায় তাকে দলে রাখা লাগবে। তবে তিন নাম্বারের জন্য তাকে আদর্শ মনে হয় না। আর ওপেনার হিসেবে তামিমের সাথে লিটন থাকুক। যদিও শেষ দুই ম্যাচে রান পায়নি তবুও লিটনকে সৌম্যের মত দিকভ্রান্ত মনেহয় না আমার।

সব মিলিয়ে আমার কাছে ফাইনালের জন্য পছন্দের একটা একাদশ হতে পারে এরকমঃ

১) তামিম ইকবাল
২) লিটন দাস
৩) সাকিব আল হাসান
৪) মুশফিকুর রহিম
৫) মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ
৬) আরিফুল হক/সৌম্য সরকার
৭) সাব্বির রহমান
৮) মেহেদি হাসান মিরাজ
৯) মুস্তাফিজুর রহমান
১০) রুবেল হোসেন
১১) আবু জায়েদ চৌধুরী রাহী

নিতান্তই ব্যক্তিগত একটা মতামত দিলাম। টিম ম্যানেজমেন্ট অবশ্যই সব দিক বিবেচনায় নিয়েই একাদশ সাজাবে তবে রাহী একটা চমক হতে পারে।

ভালো কিছু করার জন্য ভারতের দুই ওপেনারকে দ্রুত ফেরাতে হবে। বিশেষকরে অধিনায়ক রোহিত শর্মাকে। সে যদি টিকে যায় একেবারে শেষ পর্যন্ত ব্যাট করবে। রোহিত-ধাওয়ান-রায়না ভারতের ব্যাটিং এই তিনজনকে ঘিরেই আবর্তিত হবে।

আর বাংলাদেশের চার সিনিয়রকেই দ্বায়িত্ব নিতে হবে। ওয়াশিংটন সুন্দরের বল বাঁহাতিদের কিছুটা ঝামেলা করতে পারে। বল ভেতরে ঢোকানোর ক্ষমতা আছে তার। তাই ক্রস ব্যাটে না খেলে সোজা ব্যাটে খেলতে হবে। যুভেন্দ্রা চাহাল লুজ বল দিবেই, সেগুলা কাজে লাগাতে হবে। শুরুতে যদি উইকেট ধরে রাখা যায় তাহলে ভারতের এই বোলিং লাইন আপ একসময় না একসময় ছন্দ হারাবেই। অভিজ্ঞতার অভাব আছে এদের।

বাংলাদেশ যদি ভারতের সাথে শেষ ম্যাচের মতো ডেথ ওভারে খারাপ বল না করে আর টপ অর্ডারের অন্তত একজন যদি ১২-১৫ ওভার পর্যন্ত টিকে যায় তাহলে ম্যাচ বাংলাদেশের পক্ষেই যাবে।

আরেকটা বড় সুবিধা হতে পারে বাংলাদেশ-ভারত গ্রুপ পর্বে দুইবার খেলেছে। সুতরাং তাদের সম্পর্কে একটা ধারনা এরই ভেতর বাংলাদেশ পেয়েছে। বিগত দুই ম্যাচের ভুলগুলাকে শুধরে নিলে বাংলাদেশের সামনে সত্যিই সুবর্ণ সুযোগ চ্যাম্পিয়ন হবার। বিদেশের মাটিতে একটা ট্রফি জেতার এমন সুযোগ সবসময় আসেনা, এটাকে দুহাত ভরে নিতে হবে।

আশার কথা, বাংলাদেশ যখনই ভারতের বিপক্ষে জিতেছে বেশ বড় ম্যাচেই জিতেছে এবং সেটা টুর্নামেন্ট হলে ভারতের বিদায় নিতে হয়েছে।

আর এই টুর্নামেন্টের এই পর্যায়ে যদি ভারতকে “বিদায়” করে দেয়া যায়, তাহলে তো হয়েই গেলো! বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন!

Most Popular

To Top