নাগরিক কথা

অরক্ষিত শাবিপ্রবি!

ভার্সিটিতে ভর্তি হওয়ার পর যে কয়টা দিন ক্যাম্পাসের পরিস্থিতি স্থিতিশীল ছিল তার সংখ্যা খুব কম হবে। অস্থিতিশীলতার কারণে আমাদের ব্যাচ সহ মোট দুইটা ব্যাচ এক সেমিস্টার পেছনে পড়ে গেছে।

আর ম্যাক্সিমাম ক্ষেত্রে দেখা গেছে এইসব অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির জন্য বহিরাগতরাই বেশী দায়ী।

কয়েকবছর আগে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষায় ক্যাম্পাসের কারো কোন সমস্যা ছিলনা, কিন্তু বহিরাগত কিছু মানুষের ঠিকই সমস্যা দেখা দিছে। শুধু তাই না, উনাদের জন্য নাকি আলাদা কোটাও দরকার। যার কারণে উনারা আন্দোলন করে ভর্তি পরীক্ষা নির্ধারিত সময়ের চেয়ে চার মাস পেছনে নিয়ে যান।

এরপর ভর্তি হয়ে এক সেমিস্টার যেতে না যেতে বহিরাগত একজন ক্যাম্পাসের মধ্যে নিহত, যার কারণে ক্যাম্পাস আবার অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ।

কয়েকদিন আগে ছাত্রী হলের ছাদের দরজা দিয়ে ঢুকে চুরির ঘটনা, তাও বহিরাগত মানুষজন।

সবশেষে আজকে এক ছেলে স্যারকে ছুরিকাঘাত করে। তাকে এপর্যন্ত ক্যাম্পাসে কেউ চিনতে পারেনাই। যথাসম্ভব সেও বহিরাগত।

আর ক্যাম্পাসের ভেতরে বাইরে বহিরাগতদের ছোটখাটো ছিনতাইয়ের ঘটনাতো আছেই।

এতদিন মনে করতাম আমরা সাধারণ ছাত্ররা ভার্সিটি প্রশাসনের কাছে দায়বদ্ধ। কিন্তু আজকে হঠাৎ মনের মধ্যে প্রশ্ন আসতেছে, আমরা কি আসলেই প্রশাসনের কাছে দায়বদ্ধ? তাহলে প্রশাসন কার কাছে দায়বদ্ধ? বহিরাগতদের কাছে?

ক্যাম্পাসে বা ক্যাম্পাসের বাইরে ছাত্রছাত্রীদের নিরাপত্তার কথা বাদই দিলাম, শিক্ষকরাই যেখানে নিরাপদ না, সেখানে প্রশাসনের কার্যকারিতাটাই বা কতটুকু?

লিখেছেন: কাজী জুনায়েদ

 

Most Popular

To Top