নিসর্গ

মাত্র ৬০০০ টাকায় তিন দিন ঘুরে আসুন দার্জিলিং!

মাত্র ৬০০০ টাকায় তিন দিন ঘুরে আসুন দার্জিলিং!

আমাদের দার্জিলিং ভ্রমনের অভিজ্ঞতা। আমরা তিন জন ছিলাম।
সময়ঃ পাঁচ দিন ছয় রাত (তিন দিন চার রাত দার্জিলিং ও দুই দিন দুই রাত যাতায়াতে)
খরচঃ ৬২০০ টাকা।

প্রথম দিনঃ
১৬ জানুয়ারি রাত ১০ টায় পিংকি পরিবহনে (ভাড়া ৫৫০ টাকা) করে আমার দুই ফ্রেন্ড ঢাকা থেকে বাসে উঠে আর ভোর ৪ টায় আমি টাঙাইল থেকে বাসে উঠি। সকাল ১২ঃ৩০ এ আমাদের বুড়িমারী নামিয়ে দেয়। প্রচন্ড জ্যাম ছিল রাস্তায়। আমরা লো বাজেটে ট্যুর কম্পলিট করার নিয়তে এসেছিলাম। তাই দালাল না ধরে ইমিগ্রেশন কম্পলিট করেছি।

প্রথমেই ৫০০ টাকা ট্রাভেল ট্যাক্স দিয়ে চলে গেলাম নিজে নিজেই ইমিগ্রেশন অফিসে আর কাউন্টার থেকে একটা ডিপার্চার ফরম ফিলাপ করলাম। ছবি তুলে সীল নেয়ার সময় বলে ৩ জনে ৫০ টাকা করে দাও। এই টাকা এভয়েড করা যায় না। আমরা স্টুডেন্ট বলেও কাজ হল না। তিন জনে মোট ৭০ টাকা দিলাম। পাসপোর্ট ভিসা রেডি করে সোনালী ব্যাংকে ট্রাভেল ট্যাক্স (৫০০ টাকা) জমা দিয়ে দেয়া ভাল তাতে বর্ডারে সময় বাচবে আর ঝামেলা কম হয়। এরপর বিজিবি চেকপোস্ট। তারা চেক করে এন্ট্রি দিল তারপর কাস্টমসের দিকে এগিয়ে গেলাম। কাস্টমসে ট্রাভেল ট্যাক্সের কপি সো করে একটা সিল নিলাম আর এখান থেকেই ক্যামেরা এন্ট্রি করাতে হয়। ওখানে ২০০ টাকা চাইল আমাদের কাছে। কিন্তু টাকার জন্য চাপ দেয়ার আগেই এক অফিসার এসে আমাদের ব্যাগ চেক করা শুরু করল আর ক্লিয়ারেন্স দিয়ে দিল। আমরা আর কোন টাকা না দিয়া চলে আসলাম। তারপর আরেকজন পুলিশকে পাসপোর্ট শো করে ঢুকে গেলাম ইন্ডিয়া। আর ঘড়ি ৩০ মিনিট পিছিয়ে নিলাম। তখন ২ঃ১৭ বাজে। অনেক কাজ বাকি।

ইন্ডিয়া ঢুকার পরও আমাদের দালাল ধরল। এখানের দালালগুলা মোটামুটি ভাল। বাংলাদেশী ১০০ টাকায় আপনার সব কাজ করে দিবে। এখানে দালাল দিয়েই করিয়ে ফেলুন সব ফর্মালিটিজ। আমরা একা একাই করেছিলাম কিন্তু কাস্টমসে আর ইমিগ্রেশনে ৫০+৫০=১০০ টাকাই লাগে আর সাথে একটু ঝামেলা। আমরা ফর্মালিটিজ শেষে বর্ডারের সাথের মানি এক্সচেঞ্জগুলোতে রেট যাচাই করে সাথের টাকা/ডলার ক্যাশ করে নিলাম। আমরা ১ টাকা= ০.৭৬ রুপি আর ১ ডলার= ৬৩.৫০ রুপি পেয়েছিলাম। বর্ডারেই সব টাকা ভাঙ্গনো ভাল। শিলিগুড়ি অথবা দার্জিলিং-এ বাংলাদেশী টাকা এক্সচেঞ্জ করা অনেক ঝামেলার কাজ আর রেট অনেক কম। সব ঝামেলা শেষ করতে করতে ৩ টা বেজে গেল। তাড়াতাড়ি করে আমরা চেংড়াবান্ধা বাইপাসে চলে আসলাম অটোতে করে। ভাড়া ৯০ রুপি (জনপ্রতি ৩০)। আমি এখানে সব তিনজনের মোট খরচ দিব। ওখানে থেকে সরাসরি বাসে শিলিগুড়ি ১৮০ রুপিতে। বাসগুলা ভালই তবে ভিড় বেশি। আমরা যখন শিলিগুড়ি পৌছাই তখন ৬ঃ৩০ বাজে। যেহেতু আমাদের ৯ টার আগে দার্জিলিং পৌছাতে হবে তাই আমরা ৫০ রুপিতে কেক নিয়ে ট্রাফিক বক্সের সাথের জীপ স্ট্যান্ড থেকে ৪৫০ রুপি দিয়ে দার্জিলিংয়ের শেয়ার জীপের টিকেট নিয়ে জীপে বসে পরলাম। পাহাড়ী রাস্তার সৌন্দর্য্য, মেঘ আর পাহাড়ী গ্রাম কিছুই দেখতে পারলাম না ভালভাবে তবে উপর থেকে নিচের গ্রামের লাইট গুলা অসম্ভব রকমের সুন্দর লাগছিল। আমরা যখন দার্জিলিং নামলাম তখন রাত ১০ টা বাজে । দার্জিলিং রেলস্টেশনে নামিয়ে দিল। পুরো শহর ঘুমে। আমরা দুইজন মালপত্র নিয়া দাঁড়িয়ে রইলাম। আরেকজনকে পাঠাইলাম হোটেল খুঁজতে। আমাদের ভাগ্য খুব ভাল বলতে হবে। অফ সিজন হওয়ায় আমরা এত রাতেও মাত্র ৬০০ রুপিতে হোটেল পেয়েছিলাম। চারদিনের হোটেল ভাড়া ২৪০০ সাথে ১৫০ রুপি ফরেনার রেজিস্টেশন। মোট ২৫৫০ রুপি। রেলস্টেশনের পাশেই গিজারসহ হোটেল। নাম “New lemon tree” হোটেল ঠিক করে পাশে একটা রেস্টুরেন্টে খাওয়া দাওয়া শেষ করলাম। ২২৫ রুপিতে রুটি, সবজি, অমলেট, কফি। তারপর ঘুম।

দ্বিতীয় দিনঃ
প্রথম দিনের জার্নিতে খুব ক্লান্ত ছিলাম তাই পরের দিন ১১টায় ঘুম থেকে উঠলাম। প্ল্যায়ান শহটা ঘুরে দেখা। ফ্রেশ হয়ে বের হলাম মুসলিম হোটেলের উদ্দেশ্যে। বড় মসজিদের পাশে দুইটা মুসলিম খাবার হোটেল আছে। একটা বড় আরেকটা ছোট। ছোটটায় দাম কম। খাবারও খুব ভাল। আমরা প্রথমে খুজে না পাওয়ায় বড় হোটেলেই খেয়েছিলাম। লাঞ্চ ২৫০ রুপিতে (বিফ কারি, কিমা, ভুনা, রাইস) তারপর পায়ে হেটে কিছুক্ষণ শহর ঘুরলাম। রেলস্টেশনে স্টিম রেলের সাথে ছবি তুললাম।

বিকেল ৪ টায় শাহরুখ খানের বিখ্যাত “Main Hoon Naa” মুভির সেই স্কুলটাতে গেলাম। St. Paul School ভিতরে ঢুকা নিষেধ। কিন্তু না দেখে ফিরে আসব এটা হতে পারে না। দারোয়ানের সাথে ভাব করে ১৫০ রুপি ঘুষ দিয়ে ঢুকে গেলাম ভিতরে। অনেক ভাল লাগল। দারোয়ান ভাই ঘুরে ঘুরে দেখাল কোথায় কি শুটিং হয়েছে। কি আছে। স্কুল থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা খুব সুন্দর দেখা যায়। বের হয়ে চলে গেলাম জাপানিজ ট্যাম্পল ও পিস প্যাগোডা। ঘুরে দেখতে দেখতে সন্ধ্যা। তারপর আবার মুসলিম হোটেলে রাতের খাবার ৩৬০ রুপিতে খেলাম (বিরানি,  ফ্রাইড রাইস, রাইস, কিমা, চাওমিন, কফি)। তারপর ১৯০০ রুপিতে জিপ ভাড়া করে রুমে চলে গেলাম রেলস্টেশনে ফ্রি Wifi চালাতে। স্পিড অনেক ভাল। রাত ১০ টায় রুমে গিয়ে ঘুম।

তৃতীয় দিনঃ
পরদিন লোকাল ট্যুরিষ্ট স্পট ঘুরার জন্য জীপটা ঠিক ভোর ৪ টায় আসল। ৪ঃ৩০ এ জিপে উঠলাম। মোটামুটি সবগুলা স্পট দেখিয়ে সন্ধ্যা নাগাদ হোটেলে ছেড়ে যাবে। ভোরে টাইগার হিল, বাতাসিয়া লুপ আর ঘুম মন্সট্রি। আমরা যখন টাইগার হিলে যাই তখন বাজে ৫ টা। তাপমাত্রা ২ ডিগ্রি। ঠান্ডায় জমে যাচ্ছি। এখানে আসলে অবশ্যই বেশী শীতের কাপড় পরে আসবেন। ৬ টার দিকে সূর্য উঠা আর কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখে আসার পথে দেখি তুষার পরেছে। আর কি চাই। যদিও মানালীর মত না তবুও বোনাস পেতে কার না ভাল লাগে! বাতাসিয়া লুপ আর ঘুম ঘুরে আমরা গেলাম হিমালয়ান মাউন্টেনারিং ইন্সটিটউট, মিউজিয়াম, চিড়িয়াখানা, তেনজিং রক,টি-গার্ডেন, আর রক গার্ডেনে। রক গার্ডেন অসম্ভব সুন্দর একটা যায়গা। এর জন্য আপনাকে দার্জিলিং শহর থেকে ৪০০০ মিটার নিচে নামতে হবে। পাহাড়ি আঁকাবাঁকা রাস্তা দিয়ে। একটু পর পর মোড়। একটু কেয়ারলেস হলেই সোজা ৪০০০ ফিট নিচে। যাওয়ার রাস্তাটাই আপনার ঘুরতে আসাটা সার্থক করবে। রক গার্ডেনে আছে বিশাল এক পাহাড়ি ঝরনা। আর উপরে বিশাল জঙ্গল। এখনো নাকি চিতা আছে ওখানে। সবচেয়ে ভাল লাগছে এখানেই। বাতাসিয়া ওতটা ভাল লাগে নাই। ঢুকতে ৪৫ রুপি। এইচএমআই তে ঢোকার জন্য আপনাকে টিকেট কিনতে হবে। পার হেড ৬০ রুপি আর ক্যামেরার জন্য অতিরিক্ত ১০ রুপি। মোট ২০০ রুপি দিয়েছি আমরা। এইচএমআইটাও ভালই লেগেছে। এইচএমআই থেকে বের হয়ে রিভা হোটেলে আমরা খেলাম ১৫৫ রুপিতে (রুটি, সবজি, ডিম)। তেনজিং রকে ১৫০ রুপি দিয়ে রক ক্লাইম্ব করতে করলাম। আর রক গার্ডেন ঢুকতে আমাদের কোন টিকেট কিনতে হয়নি । রক গার্ডেন থেকে ব্যাক করার সময় অরেঞ্জভ্যালি টি স্টেটে একটু নেমে সময় কাটাতে পারেন। দার্জিলিং স্টেশনেও এককাপ চা খেয়ে নিতে পারেন। এদিন আমরা ক্যাবল কারে উঠতে পারি নাই বন্ধ ছিল। সন্ধ্যায় আমাদের মোটর স্ট্যান্ডে নামিয়ে দিল তারপর আমরা ১০০ রুপির মাঝে হালকা লোকাল ফুড ট্রাই করলাম। ঘুরার কারনে দুপুরের খাবার খেতে পারি নাই। তারপর মলরোডে গিয়া বসলাম। ভাল লাগবে মল রোডে গিয়ে। সন্ধ্যার পর একটু বিগবাজারে ঘুরলাম। KFC তে রাতের ডিনার করলাম ৬০০ রুপিতে। তারপর আবার wifi তারপর ঘুম।

চতুর্থ দিনঃ
পরের দিন ৮ টায় ফ্রেশ হয়ে নাস্তা শেষ করে বেড়িয়ে পরলাম । ১৬৫ রুপির নাস্তা। গতকাল ক্যাবল কারে উঠতে পারিনি। তাই মটর স্ট্যান্ড থেকে লোকাল জীপে ১০ মোট ৩০ রুপি করে চলে গেলাম সেন্ট জোসেফ স্কুলের সামনে। এখান থেকে ঠিক অপজিটে সিড়ি দিয়ে উপরে উঠলেই ক্যাবল কার। ৬০০ রুপি দিয়ে ৩ জন টিকেট কিনে লাইনে দাড়িয়ে ক্যাবলকারে চড়ে বসলাম। ক্যাবল কার থামলে নেমে আবার লাইনে দাড়াতে হবে। সেখান থেকে আবার একটু পর ক্যাবল কারে চড়ে আগের জায়গায় রাইড শেষ হবে। তারপর বাইরে থেকেই সেন্ট জোসেফ স্কুল দেখলাম। ভিতরে ঢুকতে দিল না। এই স্কুল এই ইয়ারিয়ান মুভির শুটিং হয়েছিল। আবার আগের মতো লোকাল জীপে ৩০ রুপিতে চলে গেলাম দার্জিলিং মটর স্ট্যান্ড। হোটেলে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে দুপুরের খাবার খেলাম মুসলিম হোটেলে। ছোট হোটেলটায় ৩৪০ রুপি (সকল বীফ আইটেম ৪০ রুপি, ভাত ২০ রুপি)। বিকেলে বিগবাজার থেকে শপিং আর সন্ধ্যায় মল রোড। রাতে ১৪০ রুপিতে রাতের খাবার খেলাম এবং ব্যাগ প্যাক করে ঘুমিয়ে পরলাম। পরেরদিন সকালে ব্যাক করার জন্য।

পঞ্চম দিনঃ
দার্জিলিং থেকে লোকাল শেয়ার জীপে করে শিলিগুড়ি ৪৫০ রুপি। কিছু শপিং বাকি ছিল। ১০০ রুপিতে চলে গেলাম বিগবাজার। শপিং করতে গিয়ে রুপি শেষ। ডলার ভাঙাব কিন্তু রবিবার। বিগবাজারে খুব কম রেট দিতে চাইল। আবার ১০০ ডলারের নিচে দিবে না। আমাদের এ বিপদে এক বাংলাদেশী ভাই হেল্প করলেন। তিনি আমার ২০ ডলার কিনে নিলেন। তারপর সব কাজ শেষ করে তারাই জলপাইগুড়ি বাসস্টপেজ এর ওটোতে উঠিয়ে দিলেন। ৬০ রুপিতে। সেখান থেকে বাসে করে ১৮০ রুপিতে চেংরাবান্ধা বাইপাস তারপর চেংরাবান্ধা বর্ডার অটোতে ৯০ রুপিতে। তখন বাজে বিকেল ৪ টা। একইভাবে তিনজনে ২৫০ টাকা দিয়ে (৫০ টাকা দালাল ডিস্কাউন্ট দিসিল) দালালের মাধ্যমে সব ফর্মালিটি শেষ করে আমাদের গেট অবদি ছেড়ে দিয়ে আসল। বাংলাদেশ ঢুকে কোন দালালের সহায়তা নিলাম না। কাস্টমসে টাকা চাইল। দিলাম না। এ ব্যাপারে আমার এক বন্ধুর ডায়ালগ ভাল লেগেছে, “ওরা টাকা নেয়। কিছু বলতে পারি না কিন্তু এটা আমার দেশ। আমি কেন টাকা দিব?” টাকা না দেয়ায় ব্যাগ চেক করল। কিন্তু কিছুই পেল না। অল্প কিছু শপিং ছাড়া। তারপর বিজিবি চেক। তারপর ইমিগ্রেশন অফিস। এখানে টাকা দিতে হবেই। অনেক জোরাজোরি করে ৫০ টাকা দিয়ে চলে আসলাম। কাজ শেষ। বিকেল ৫ঃ৩০ বাজে। গিয়ে দেখি হানিফের বাস ছাড়ে ছাড়ে অবস্থা। গিয়ে তাড়াতাড়ি টিকেট কাটলাম ৬৫০ টাকা করে। ৬ টায় বাস ছাড়ল। পরের দিন সকাল ১০ টায় টাঙাইল নামলাম জ্যামের কারণে এবং একটা সফল ট্যুরের সমাপ্তি হল।

মোট খরচঃ
যাওয়া (টাকায়): ১৬৫০+১৫৩০+ ৭০+ ৩০০ = ৩৫৫০
আসাঃ ২৫০+৫০+ ১৯৫০ = ২২৫০
মোট= ৫৮০০/৩= ১৯৩৩.৩৩ বা ১৯৩৪ (জন প্রতি)

রুপিতেঃ ৯০+১৮০+৬০+৪৫০+৫০+২৫৫০+২২৫+২৫০+১৫০+৩৬০+১৯০০+২০০+১৫৫+১৫০+১০০+৬০০+১৬৫+৬০০+৬০+৩৪০+১৪০+৪৫০+১৬০+১৮০+৯০=৯৪৮৫/৩=৩১৬১.৬৬ বা ৩১৬২*১.৩১=৪১৪১.৭৮ বা ৪১৪২

মোট টাকা= ১৯৩৪+৪১৪২=৬০৭৬+১২৪= ৬২০০

  • এই ১২৪ টাকা অন্যান্য খরচ। যেমন :: পেস্ট, শ্যাম্পু,বিকালের হালকা নাস্তা পানি ইত্যাদি।
  • কয়েক জায়গায় টাকা ভাগ করে রেখে একসাথে ৫ হাজার টাকা রাখাই ভাল। জিজ্ঞেস করলে ৪-৫ হাজার টাকা আছে বলবেন।
  • বর্ডার ইন্ডিয়ান টাইম সন্ধ্যা 6.00 টা পর্যন্ত খোলা থাকে।
  • সব কাজ রাত ৯ টার মাঝে শেষ করবেন।
  • জিপ ভাড়া করার সময় স্পট গুলার নাম বলবেন।
  • গুগলে দার্জিলিং এর অফলাইন ম্যাপ সেভ করে নিবেন। যেখানেই ট্যূর হোক না কেন! অফলাইন ম্যাপ খুব কাজে দিবে।
  • স্থানিয়রা খুব ফ্রেন্ডলি। তাদের নিয়ে বা তাদের পোষাক নিয়ে কোন কটুক্তি করবেন না।
  • ছবির মত সুন্দর শহর দার্জিলিং। যেখানে সেখানে ট্যিসু বা ময়লা ফেলবেন না।

লিখেছেনঃ হাসান খান তারুন

Most Popular

To Top