টুকিটাকি

গ্রামে চিকিৎসাঃ ফার্মেসি ব্যবসায়িকে থামাবে কে?

গ্রামে চিকিৎসাঃ ফার্মেসি ব্যবসায়িকে থামাবে কে?- Neon Aloy

কিছুদিন আগে একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত উপসম্পাদকীয় ‘গ্রামে স্বাস্থ্যসেবার দায়িত্ব কারা নিবেন?’ পড়েছিলাম। সেখানে অভিযোগ করা হয়েছে, ডাক্তারেরা গ্রামে থাকেন না বলে। যা পরিপূর্নভাবে সত্য নয়। লেখাটিতে এমন পরিস্থিতির মূল কারনগুলোর কোনোটিই উল্লেখ করা হয় নি। আর সমাধানের জন্য যেসব পদক্ষেপের কথা বলা হয়েছে সেগুলোও অবাস্তব।

সেখানে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জানতে চাওয়া হয়েছে গ্রামে/ উপজেলায় প্রশাসনিক অফিসারেরা থাকতে পারলে, ডাক্তারেরা পারবেন না কেন?

বাস্তবতা হচ্ছে, প্রশাসনিক অফিসারেরা থাকেন সর্বনিম্ন উপজেলা পর্যায়ে; ইউনিয়ন বা ওয়ার্ড পর্যায়ে নয়। পক্ষান্তরে ডাক্তারের পদায়ন কমিউনিটি ক্লিনিক পর্যন্ত যা ওয়ার্ডে তথা প্রত্যন্ত গ্রামে অবস্থিত। অনেক ক্ষেত্রেই সেখানে পৌছার পথটা হয় খুবই কষ্টকর।

প্রশাসনিক অফিসারদের বিচারিক ক্ষমতা আছে। তাদের সর্বনিম্ন কর্মস্থল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অফিসে গিয়ে কোনো দুর্বৃত্ত তাদেরকে লাঞ্ছিত করার কথা কল্পনাও করে না। কেননা এমন করার চেষ্টা করা মাত্র তাকে জেলখানায় পাঠানো হবে। কিন্তু কমিউনিটি ক্লিনিক থেকে শুরু করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পর্যন্ত দুর্বৃত্তরা চাইলেই ডাক্তারের ওপর হামলে পড়ে! তাদের মর্জি মোতাবেক না চললেই দুর্বৃত্তরা এমন করে! কেন না ডাক্তারের হাতে বিচারিক তথা গ্রেফতারের ক্ষমতা নেই! উপজেলা পর্যায়ে ডাক্তারের ওপর হামলার ঘটনা প্রতিদিনের ডালভাতের মতো বিষয়ে পরিনত হয়েছে! সরকারি দায়িত্ব বাদ দিয়ে রোগী দেখতে বাড়িতে না যাওয়ায় ডাক্তারের তিন দাত ফেলে দেয়া হয়েছে! এরকম অসভ্যতার মুখোমুখি হয়ে গ্রামে তারা ডাক্তারি করবেন কিভাবে?

প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তারা জেলায় বা উপজেলায় চাকরির নির্দিষ্ট মেয়াদ পার করলেই তাদের পদোন্নতি হয়। কিন্তু উচ্চতর ডিগ্রী না করলে ডাক্তারদের পদোন্নতি হয় না! তাহলে তারা গ্রামে থাকবেন কেন? অন্যান্য খাতের প্রথম শ্রেনীর কর্মকর্তাদের মতো ডাক্তারদের জন্য আবাসনের ব্যবস্থা হয়েছে কী? তাহলে?

ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়মিত যেতাম গ্রামের রোগীদেরকে চিকিৎসা দেয়ার জন্য। রোগীরা আসে শুধু সরকারি ওষুধ নেয়ার জন্য মাসের প্রথম তিন- চার দিন। তাদেরকে বলতাম, “আপনার সমস্যার কথা বলুন, তারপর দেখেশুনে যাচাই করে যে ওষুধ দরকার সেটার ব্যবস্থা করবো”। তারা বলতো, “সমস্যা বলার দরকার নেই, আমরা জেনে এসেছি অমুক অমুক ওষুধ আছে, সেগুলো দেন।” তাদের কথামতো না চললে অনেকে বিরুপ মন্তব্য করতো এবং লাঞ্ছিত করতে চেষ্ট করতো! ইউনিয়ন স্বাস্থকেন্দ্রে রোগীরা ডাক্তারকে শুধু মাসের প্রথম তিন চার দিন ওষুধ বিতরনকারী পিওন হিসেবে দেখতে চায়! তারা মাসের প্রথম তিন চার দিন এসে শুধু ওষুধ নিয়ে যেত! স্থানীয় মসজিদের মাইকে ঘোষনা দিয়ে এবং প্রাথমিক ও উচ্চ বিদ্যালয় এবং মাদ্রাসায় সশরীরে গিয়ে প্রচার করেছিলাম যে, এই ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আমি সরকারি ডাক্তার নিয়মিত আসতেছি। আপনারা চিকিৎসার জন্য আসবেন। কিন্তু মাসের বাকি দিনগুলোতে তারা কেউ চিকিৎসার জন্য যেত না! তাহলে ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ডাক্তার গিয়ে খালি বসে থেকে সময় এবং যোগ্যতা নষ্ট করবে কেন? সেখানে দুর্বৃত্তের দ্বারা লাঞ্ছিতও হয়েছি! একদিন নিকটস্থ সড়ক থেকে এক লোক এসে আমার কাছে টয়লেটের চাবি দাবি করে! আমি তার অনুগত দাসের মতো টয়লেটের চাবির ব্যবস্থা করতে পারিনি বলে সে আমাকে ঝুলানোর হুমকি দিয়ে চলে যায়! প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সাথে কেউ কোনোদিন এমন করতে পেরেছে? এমন করলে প্রশাসনিক কর্মকর্তারা কেউ সেই কর্মস্থলে থাকবে?

ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে বা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিষাক্ত সাপে দংশনের রোগী বা হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোক বা অন্য কোনো জটিল রোগী আসলে তাদের সঠিক চিকিৎসার জন্য উচ্চতর হাসপাতালে পাঠাতে হয়। কিন্তু দুর্বৃত্তরা সেটা না মেনে ডাক্তারের উপর হামলা করে! তারা বলে, “এই রোগীর চিকিৎসা করতে না পারলে কি কচুর ডাক্তার হইছেন?” তারা বলে, “আপনারা আমাদের ট্যাক্সের টাকায় ডাক্তার হইছেন, চিকিৎসা এখানেই করতে হবে”। এই বলে তারা অনেক সময় পশুর মতো ডাক্তারের ওপর হামলে পড়ে! অসভ্যতারও একটা সীমা পরিসীমা থাকা উচিত! যারা ডাক্তারদের গ্রামে থাকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন, তারা কি কখনো ডাক্তারদের প্রতি এইসব অসভ্য আচরনের বিরোধিতা করেছেন? বিরোধিতা দূরের কথা, কখনোতো উল্লেখই করেন না! একতরফা অপপ্রচার করেন কেন? কাপুরুষতা পরিহার করা উচিত।

আবার রোগীদেরকে যখন ব্যবস্থাপত্র দেয়া হয় তখন অনেক ফার্মেসিব্যবসায়ি ব্যবস্থাপত্রের ওষুধ বাদ দিয়ে বরং নিজের ঔদ্ধত্য ও মর্জি মোতাবেক তার ফার্মেসিতে যা ওষুধ আছে তা রোগীর হাতে তুলে দেয়! ফলে সময়ের সাথে রোগীর অবস্থা আরো খারাপ হয়! দোষ হয় ডাক্তারের! ফার্মেসিব্যবসায়ি মনে করে, সেটা তার এলাকা! সে যা ইচ্ছা রোগীকে তাই ওষুধ দেবে! ডাক্তারের ব্যবস্থাপত্রতো কোন ছার! সে বরং আরো বড় ডাক্তার!

দেখা যায়, অনেক ফার্মেসিব্যবসায়ি নিজের নামের আগে ডাক্তার লিখে বিশাল বিশাল সাইনবোর্ড, ব্যানার টানিয়ে রেখেছে! তারা রোগীর থেকে ভিজিট ফি নিচ্ছে পঞ্চাশ, একশত টাকা! তারা রোগীকে টেস্ট করতে দিচ্ছে! কোনো কোনো ফার্মেসিব্যবসায়ি রোগীর সামনেই অধ্যাপকের ব্যবস্থাপত্রকে ছুড়ে ফেলে দিচ্ছে! এসব অসভ্যতা অরাজকতা জিইয়ে রেখে ডাক্তারের বিরুদ্ধে প্রপাগান্ডা করে গ্রাম এলাকায় চিকিৎসা পরিস্থিতিকে বরং আরো খারাপ অবস্থার দিকে ঠেলে দেয়া হচ্ছে!

অনেক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী ফার্মেসিব্যবসায়িকে ‘ডাক্তার’ সম্বোধন করতেছে! লোকেরা প্রথমত ফার্মেসিব্যবসায়িকে ডাক্তার বলে সম্বোধন করতেছে! তাদেরকে দিয়ে ডাক্তারের ব্যবস্থাপত্রকে যাচাই করতেছে! তাদেরকে পঞ্চাশ, একশত টাকা ভিজিট ফি দিচ্ছে! সর্বশেষ ডাক্তারের দুইশত টাকা ভিজিট ফি’র বিরুদ্ধে আন্দোলন করতেছে! তাহলে কিভাবে স্বাস্থ্যব্যবস্থার উন্নতি হবে? কেমনে কী?

গ্রামে ফার্মেসিব্যবসায়িদের অনেকে ডাক্তারের দিকে ইঙ্গিত করে রোগীকে বলে, ” রোগ সারানোর মালিক আল্লাহ। বাইরের লোকদেরকে গিয়ে ২০০ টাকা ভিজিট দেয়ার কি দরকার? আমরাইতো কম ভিজিটে চিকিৎসা দিতেছি ।”

তারা রোগীকে বুঝাতে চায় আল্লাহ যদি রোগ সারায়, তাহলে সেটা তার চিকিৎসায়ই সারবে; বাইরের লোকের ( ডাক্তার) কাছে যাওয়ার দরকার নাই!

সব রোগীকে সব সময় গ্যাস্ট্রিক আলসারের ওষুধ বা ভিটামিন বা স্যালাইন দেয়া লাগে না। কিন্তু রোগীরা ডাক্তারের ব্যবস্থাপত্র নিয়ে ফার্মেসিতে গেলে ফার্মেসিব্যবসায়িরা রোগীকে বলে, “কই, গ্যাসট্রিকের ওষুধতো দেয় নাই! ভিটামিনতো দেয় নাই!” এভাবে তারা রোগীকে বুঝায়, ডাক্তারের চিকিৎসা ভুল হয়েছে। নির্বোধ রোগীও ফার্মেসিব্যবসায়িকে বড় ডাক্তার মনে করে বিভ্রান্ত হয়। মানুষের মূর্খতার সুযোগ নিয়ে ফার্মেসিব্যবসায়িদের অনেকেই গ্রামের রোগীদের সুচিকিৎসার পথ বন্ধ করে রেখেছে।

গ্রামে একজন ডাক্তারের সততার সাথে ডাক্তারি করার পথ অনেকটাই বন্ধ করে রেখেছে ফার্মেসিব্যবসায়ি আর ক্লিনিক মালিকেরা। রোগীরা কোনো ডাক্তারের কাছে প্রাইভেট চেম্বারে দেখাতে চাইলে তারা সেই ক্লিনিকে পাঠায় যারা দরকার না হলেও রোগীকে অনেকগুলো টেস্ট করায়! যে ডাক্তার দরকার ছাড়া রোগীকে টেস্ট করতে দেয় না, সেই ডাক্তারের কাছে রোগীকে যেতে দেয় না তারা। ফলে সৎভাবে ডাক্তারি করতে চাইলে আর্থিকভাবে শোচনীয় অবস্থা বরন করতে হয় সেই ডাক্তারকে! রোগী এবং ডাক্তার উভয়েই ফার্মেসিব্যবসায়ি আর ক্লিনিক মালিকের কাছে জিম্মি! এসব অরাজকতার সুযোগে বেকার শিক্ষিত যুবকেরা ব্যাঙের ছাতার মতো ফার্মেসি আর ক্লিনিক খুলে বসতেছে! এক সময় দেশে জনসংখ্যা বাড়তো জ্যামিতিক হারে। এখন জনসংখ্যা অনেকটাই স্থির আছে, কিন্তু বেকারত্বের কারনে গ্রামে ফার্মেসি আর ক্লিনিক বাড়তেছে জ্যামিতিক হারে! আর তার ফলে সৃষ্ট অরাজকতার দিকে না তাকিয়ে জ্ঞানপাপীরা অন্ধ বিদ্বেষবশত ডাক্তারদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করতেছে! ফলে ফার্মেসিব্যবসায়িরা হয়ে উঠতেছে আরও বেপরোয়া!

শুধু ডাক্তারেরা কেন, সকলেইতো করদাতাদের করের টাকায় লেখাপড়া করতেছে! ডাক্তার তৈরির জন্য সরকারের খুব কম টাকাই খরচ হয়। কেননা সরকারি হাসপাতালের ডাক্তারেরা অতিরিক্ত কষ্ট করে মেডিক্যাল কলেজে শিক্ষকতা করে শিক্ষার্থীদেরকে ডাক্তার বানান। সেজন্য সেই ডাক্তারদেরকে আলাদা বেতন দেয়া লাগে না। এক বেতনেই তারা দুই কাজ করেন, ডাক্তারি এবং ডাক্তার বানানো। প্রাইভেট মেডিক্যাল কলেজে ডাক্তার হতে ২৫-৩০ লাখ টাকা লাগলেও সরকারি মেডিক্যাল থেকে ডাক্তার হতে একজন শিক্ষার্থীর জন্য বছরে এক লাখ টাকা করে সর্বমোট পাঁচ লাখ টাকা খরচ হয় কিনা সন্দেহ আছে। তাই প্রাইভেট মেডিক্যালের সাথে তূলনা করা অন্যায়। সবচাইতে বেশি খরচ হয় কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য। তাদের প্রত্যেকের জন্য প্রতি বছর দুই লাখ টাকার বেশি খরচ হয়। চার বছরে নয় লাখ টাকার বেশি খরচ হয়। পক্ষান্তরে নিজেদের জীবনকে মোমবাতির মতো করে জ্বালিয়ে পুড়িয়ে অল্প সরঞ্জাম ব্যবহার করে শুক্রবার শনিবারসহ দিন রাত চব্বিশ ঘন্টা অক্লান্ত পরিশ্রম করে অল্প সংখ্যক ডাক্তারেরা জোড়া তালি দিয়ে বিশাল জনগোষ্ঠীকে চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছে! বিনিময়ে এ জাতি ডাক্তারদের প্রতি কৃতজ্ঞতাতো দূরের কথা উল্টা তাদের প্রতি কাপুরুষতা করতেছে!

সবাই তাদের নিজেদের অন্যায় ঢাকার জন্য ডাক্তারের দিকে অঙ্গুলি নির্দেশ করতেছে! ফলে দেশে ডাক্তারদের জন্য জাহান্নামের পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে!

গ্রামে চিকিৎসাব্যবস্থার উন্নতির জন্য সবার আগে ফার্মেসিব্যবসায়ি আর ক্লিনিক মালিকদের দৌরাত্মের লাগাম টেনে ধরতে হবে। ফার্মেসিব্যবসায়িকে ‘ডাক্তার’ সম্বোধন করা বন্ধ করতে হবে। গণমাধ্যমে প্রচার করতে হবে, রোগীরা যেন ফার্মেসিব্যবসায়ির কথায় ডাক্তারের চিকিৎসা পরিবর্তন না করে। কোনো ফার্মেসিব্যবসায়ি নামের আগে ‘ডাক্তার’ পরিচয় ব্যবহার করলে বা রোগীর থেকে ভিজিট নিলে বা রোগীকে টেস্ট করতে দিলে বা ডাক্তারের ব্যবস্থাপত্র স্থগিত বা পরিবর্তন করলে সবাই যেন প্রকাশ্যে বা গোপনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবহিত করে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা যেন ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে তাদেরকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেন।

ফার্মেসি ও ক্লিনিকগুলোতে ভ্রাম্যমান আদালতের তদারকি বাড়াতে হবে। প্রত্যেক ইউনিয়নে/ উপজেলায় যেন জনসংখ্যার অনুপাতে নির্দিষ্ট সংখ্যার বেশি ফার্মেসি এবং ক্লিনিক না থাকে।

ডাক্তারের কর্মস্থলের নিরাপত্তা এবং যাতায়াত ব্যবস্থার উপযুক্ততা নিশ্চিত করতে হবে। উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে বিচারিক এবং গ্রেফতার আদেশের ক্ষমতা দিতে হবে। ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিরাপত্তারক্ষীর ব্যবস্থা করতে হবে। গণমাধ্যমে প্রচার করতে হবে, রোগীরা যেন সেখানে গিয়ে ডাক্তারের কাছে সরাসরি ওষুধ দাবি না করে বরং নিজের শারীরিক কষ্টের কথা যেন তুলে ধরে। সুস্থ লোকেরা রোগী সেজে যেন সেখানে গিয়ে ওষুধ দাবি না করে। সাধারন বিসিএস থেকে সরিয়ে বিচারকদের মতো ডাক্তারদের ভিন্ন পদ্ধতিতে চাকুরিতে যোগদান করার ব্যবস্থা করতে হবে। ডাক্তারদের গ্রেড-১ পর্যন্ত পদোন্নতির ব্যবস্থা করতে হবে। স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের সচিব সদা ডাক্তারদের মধ্য থেকেই হতে হবে। একাডেমিক লাইনের বাইরে অন্যান্য ক্যাডারের মতো ডাক্তারদের জন্যও চাকুরির মেয়াদের ভিত্তিতে পদোন্নতির ব্যবস্থা করতে হবে। ডাক্তারেরা জনগনের ট্যাক্সের টাকায় লেখাপড়া করে- এ ধরনের কাপুরুষতাপূর্ন প্রপাগান্ডা বন্ধ করতে হবে। কেননা, সকলেই জনগনের ট্যাক্সের টাকায় লেখাপড়া করে। অনারারী মেডিক্যাল অফিসার সিস্টেম বাতিল করে তাদের জন্য উপযুক্ত ভাতার ব্যবস্থা করতে হবে। নতুন সৃষ্ট মেডিক্যাল কলেজগুলোতে প্রত্যেক বিষয়ের যথেষ্ট সংখ্যক শিক্ষকের পদবী সৃষ্টি করতে হবে।

লেখকঃ মোঃ মাকসুদ উল্যাহ্; চিকিৎসক, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, ঢাকা।

Most Popular

To Top