ফ্লাডলাইট

অ্যালেক্সিস সানচেজঃ ছোট্ট শহরের দেশসেরা সুপারহিরো

একটি দেশের দীর্ঘ ৯৯ বছরের অপেক্ষা। এসেছে দেশের ফুটবল ইতিহাসের প্রথম গৌরবময় অর্জন, প্রথম শিরোপা-কোপা আমেরিকা। তাও একবার না, টানা ২ বার। দেশ ভেসেছিল আনন্দের জোয়ারে। এসেছিল চিলির অখ্যাত তেকোপিয়া শহরের অতি দরিদ্র পরিবারের এক ছেলের হাত ধরে।

হ্যাঁ। ঠিক ধরেছেন আর কেউ না, বলছি আর্সেনালের চিলিয়ান মিডফিল্ডার অ্যালেক্সিস সানচেজের কথা। তার অসাধারন ফুটবল নৈপূন্যে টানা দুইবার কোপা আমেরিকার শিরোপা জিতেছে তার দেশ চিলি। দেশের মানুষের কাছে সে পরিনত হয়েছে একজন সুপার হিরোতে।

পুরো নাম অ্যালেক্সিস আলেহান্দ্রো সানচেজ সানচেজ। জন্ম ১৯৮৮ সালের ১৯ শে ডিসেম্বর চিলির সমুদ্র তীরবর্তী ছোট্ট এক শহর তেকোপিয়ায়। বাবা গুলের্মো সোটো ছিলেন বেকার । সারাদিন শুয়ে-বসে দিন কাটাতেন। পরিবারের সদস্যদের সাথে সম্পর্কও তেমন ভালো ছিল না তার। সানচেজের মায়ের সাথে তার প্রায়ই ঝগড়া চলত। আর তাই সানচেজের জন্মের কিছুদিন আগেই তার মায়ের সাথে বিচ্ছেদ হয়ে যায়।

অ্যালেক্সিস সানচেজঃ ছোট্ট শহরের দেশসেরা সুপারহিরো

ছোটবেলার অ্যালেক্সিস সানচেজ

পুরো সংসার একাই টানা লাগত সানচেজের মা কে। সানচেজের মা মার্টিনা সানচেজ কে কঠোর পরিশ্রম করতে হত। একদিকে যেমন ছেলে-মেয়েদের সামলাতে হত, অপরদিকে পরিবারের ভরণ-পোষনের জন্য বাইরে কাজ করতেন । তার জন্য খুব কঠিন ছিলো এটা। কিন্তু অন্যকোন উপায়ও ছিলো না। চলতে হবে তো পরিবারের। ছেলেমেয়ের দিকে তাকিয়ে এই কঠিন কাজ হাসিমুখেই করতেন তিনি।

সানচেজ যখন তেকোপিয়ার স্থানীয় একটি স্কুলে ভর্তি হয়, তখন সেই স্কুলেরই আসবাবপত্র পরিস্কারের কাজ নিয়েছিলেন তার মা। স্কুলে মাকে কাজ করতে দেখে কি কোন ছেলের ভালো লাগে! মায়ের সামনা-সামনি হতে লজ্জা পেত সে। এ ঘটনা বর্ণনা করতে গিয়ে সানচেজ বলেন,

মা’র স্কুলে আসবাব পরিস্কার করার কাজ একদম মেনে নিতে পারতাম না। স্কুল চলাকালে মা’কে দেখামাত্রই আমি লুকিয়ে পড়তাম। যাতে মা আমাকে দেখতে না পায়। তবে সেই মা’ই আমার জীবনের আদর্শ। আমি তার কাছ থেকে শিখেছি, কিভাবে লড়াই করতে হয়।

পরিবারের এই কঠিন সময়ে হয়ত সে নিজেই উপলব্ধি করেছিল কিছু একটা করতে হবে তাকে। স্কুল থেকে ফিরে অবসর সময়ে গাড়ি ধোয়ার কাজ শুরু করে ছোট্ট সানচেজ। মায়ের স্কুল পরিস্কার আর তার গাড়ি ধোয়ার টাকায় সংসার চলতে থাকে তাদের।

সানচেজের পরিবারের এমন কঠিন অবস্থা দেখে এগিয়ে আসে তার চাচা জোসে ডিলাইগের। ছোট্ট সানচেজকে লালন-পালন করার দায়িত্ব নিতে চান তিনি। মা মার্টিনা সানচেজের জন্য কঠিন হয়ে পড়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া, কিন্তু পরিস্থিতির কাছে হার মানেন তিনি। সানচেজ বড় হতে থাকে তার চাচার সাথে।

জোসে ডিলাইগ নিজেও খুব একটা স্বচ্ছল ছিলেন না। তবে তা সানচেজের বেড়ে ওঠার জন্য যথেষ্টই ছিলো। নতুন পরিবেশে একটু হাফ ছেড়ে বাঁচে সানচেজ। এখন সে স্বাচ্ছন্দ্যে স্কুলে যেতে পারে, অবসরে খেলতে পারে। জোসে ডিলাইগ খুবই আদর করতেন তাকে।নিজের সন্তানের মতোই আগলে রাখতেন সবসময়।

ফুটবলের প্রতি তার টান ছোটবেলা থেকেই ছিলো প্রবল। নিজের থেকে বড়বড় সব ছেলেদের সাথে সে ফুটবল খেলতো। কিছুদিনের মধ্যে স্থানীয় পর্যায়ে বেশ জনপ্রিয় হয়ে ওঠে সে। তার দুর্দান্ত ফুটবল প্রতিভা একসময় চোখে পড়ে তার স্কুলের শিক্ষক খুয়ান সেগোভিয়ার। তিনি তার খেলা দেখে তাকে নানাভাবে সাহায্য করতে এগিয়ে আসেন। সেগোভিয়া ফুটবলের দর্শনটা খুব ভালো বুঝতেন। সানচেজের জীবনের প্রথম কোচও ছিলেন এই সেগোভিয়াই। তার পরামর্শই যেন সানচেজের মাঝের প্রকৃত ফুটবল প্রতিভাকে বিকশিত করেছিল। সানচেজের মধ্যেও আপ্রাণ চেস্টা ছিলো। প্রচন্ড পরিশ্রম করতো সে। সারাদিন বল নিয়ে এদিকে ওদিকে বেড়াত সে।

অল্পদিনের মধ্যেই তার পরিশ্রমের ফসল পেতে শুরু করে। সানচেজের ফুটবল যাদুতে মুগ্ধ হতে থাকে সবাইকে। বিভিন্ন ক্লাব থেকে খেলার অফার আসতে থাকে তার কাছে। তবে চিলিয়ান লিগের অন্যতম সেরা ক্লাব কোবরেলোয়া থেকে যখন অফার আসে, তখন না করতে পারেনি সে। ২০০৪ সালে মাত্র ১৬ বছর বয়সে তেকোপিয়া থেকে প্রায় ১০০ মাইল দুরে কালামা শহরে পাড়ি দেয় কোবরেলোয়ায় খেলার জন্য। বুকে তখন তার আকাশ ভরা স্বপ্ন। কোবরেলোয়ায় সেরাটা দিবে সে, তারপর হয়ত একসময় আরো ভালো কোথাও। একদিন অনেক বড় ফুটবলার হবে। তখন থাকবে না কোন দুঃখ, থাকবে না কোন কষ্ট।

অ্যালেক্সিস সানচেজঃ ছোট্ট শহরের দেশসেরা সুপারহিরো- নিয়ন আলোয়

১৬ বছর বয়সেই যখন চিলিয়ান লীগের অন্যতম সেরা ক্লাব কোবলতোয়ার হয়ে মাঠ কাঁপাচ্ছিলেন সানচেজ

সানচেজের মধ্যে ফুটবলার হওয়ার বা ফুটবল নিয়ে অতিরিক্ত পরিশ্রম করার তাড়নাটা বেশী থাকার অন্যতম একটা কারণ ছিলো তার পারিবারিক ‍দুরাবস্থা। চোখের সামনে সে তার মাকে অমানুষিক পরিশ্রম করতে দেখেছে। সে বুঝেছে, এই পৃথিবীতে সুন্দরভাবে বেঁচে থাকার জন্য অর্থের কোন বিকল্প নেই। কিন্তু এই অর্থ উপার্জন তো আর মুখের কথা নয়। আর তাই সে দিনরাত পরিশ্রম করেছে। পরিশ্রমটাকে কাজে লাগিয়েছে ফুটবলে, যেটা সে সব থেকে ভালো পারে, ভালোবাসে। তার বিশ্বাস ছিলো, এই পরিশ্রমই একদিন তার ভাগ্য ফেরাবে।

ছোটবেলা থেকে সানচেজের আইডল ছিল মার্সেলো সালাস। সালাসের খেলা দেখে বেড়ে ওঠা তার। নিজের আইডল মানতো সালাসকে। সানচেজ যথন কোবরেলোয়ার মূলদলে খেলা শুরু করলো, সালাস তখন ফিরে আসে তার পুরাতন ক্লাব ইউনিভার্সিদাদ দি চিলি’তে। যেটা ছিলো কোবরেলোয়ার মূল রাইভাল ক্লাব। আইডলের সাথে খেলবে, ছোটবলার লালিত স্বপ্ন তার। সানচেজ তখন সালাসের ক্লাবে যাওয়ার পরিকল্পনা করে। তবে তার সাবেক টিমমেট নেলসন তাপিয়ার পরামর্শে তা করেননি। পরবর্তীতে অবশ্য চিলি দলে সালাসের সাথে দেখা হয়।

অ্যালেক্সিস সানচেজঃ ছোট্ট শহরের দেশসেরা সুপারহিরো- নিয়ন আলোয়

নিজের আইডল মার্সেলো সালাসের সাথে অ্যালেক্সিস সানচেজ

কোবরেলোয়ায় অসাধারণ দুইটি সিজন কাটে সানচেজের। তার দুর্দান্ত পারফর্মেন্স চোখে পড়ে ইটালিয়ান ক্লাব উদিনিসের। প্রায় দুই মিলিয়ন পাউন্ডের বিনিময়ে তাকে কিনে নেয় উদিনিস। ইউরোপে খেলার বাসনা পূরন হয় তার। সানচেজ পাড়ি জমায় ইটালিতে। কিন্তু তখনো তার বয়স অনেক কম। তাই তার ম্যাচিউরিটি তৈরীর কথা চিন্তা করে তাকে লোনে পাঠানো হয় চিলিয়ান ক্লাব কোলো-কোলোতে। সেখানে আরেকটি চমৎকার একটা সিজন কাটে তার। পরের সিজনে তাকে আবারও লোনে চলে যান আর্জেন্টাইন ক্লাব রিভারপ্লেটে। সেখানেও তার পারফর্মেন্সে কোন কমতি হয়নি। লোনে চমৎকার দুটি সিজন কাটানোর পর উদিনেস তাকে উড়িয়ে নিয়ে আনে ইটালিতে।

উদিনিসে সানচেজের অভিষেক হয় এক নন কম্পিটিটিভ ম্যাচে, যেখানে ম্যাচসেরা হন তিনি। তবে মূলদলের সাথে মানিয়ে নিতে একটু সময় লাগে তার। শুরুর দিকে কিছুটা নড়বড়ে ছিল তার পারফর্মেন্স। এরজন্য অনেক সমালোচনার শিকার হয়েছিলেন তিনি। সানচেজ দমে যাওয়ার পাত্র ছিলেন না। আরও পরিশ্রম করেছেন এবং পরিশ্রমের ফলও এসেছে দ্রুত। বোলোগনার সাথে লিগম্যাচের ৯০ তম মিনিটে তার জয়সূচক গোলে উদিনেসের জয়ের পাশাপাশি সমাপ্তি ঘটেছিল সব সমালোচনার।

উদিনেসে প্রথম দুটি সিজন খুব ভালো কাটে সানচেজের, তৃতীয় সিজনটা ছিলো আরও দুর্দান্ত। ঐ সিজনে পালের্মোর বিপক্ষে এক ম্যাচে মাত্র ৫২ মিনিট খেলে একাই চার গোল করে সানচেজ। রেকর্ড ভাঙ্গে স্বদেশী মার্সেলো সালাস ও ইভান জামোরানোর। পুরো সিজনজুড়ে দুর্দান্ত পারফর্মেন্সের ফলসরূপ নেইমার, গ্যারেথ বেলের মতো ইয়াংস্টারদের টপকে ফিফার পোলে বছরের সেরা প্রমিজিং ইয়াংস্টারের খেতাব জয় করে সে। আর তারপর থেকেই তাকে পেতে আগ্রহী হয়ে ওঠে ইউরোপের টপ ক্লাবগুলো। অবশেষে ২০১১ সালের ২০ জুলাই স্প্যানিশ জায়ান্ট বার্সেলোনা ২৫ মিলিয়ন ইউরোর বিনিময়ে নেন সানচেজকে।

অ্যালেক্সিস সানচেজঃ ছোট্ট শহরের দেশসেরা সুপারহিরো- নিয়ন আলোয়

ইতালিয়ান ক্লাব উদিনিসের জার্সি গায়ে দূর্দান্ত তিনটি মৌসুম পার করেন সানচেজ

পেপ গার্দিওলার অধীনে বার্সেলোনায় সানচেজ নিজেকে আরো পরিনত আরও। দূর্দান্ত করার সুযোগ পায়। প্রথম সিজনের শুরুতে ছোট ছোট কিছু ইনজুরি সমস্যায় পড়লেও চমৎকার একটা সিজন কাটে তার। লীগে ২৫ ম্যাচে ১২ গোল ও ৫ অ্যাসিস্ট সেটারই ইঙ্গিত বহন করে। ঐ বছর বার্সার ক্লাব বিশ্বকাপ ও উয়েফা সুপার কাপ জয়ের গুরুত্বপূর্ণ সঙ্গী ছিলেন সানচেজ। পরের বছর লিগে বার্সেলোনার জন্য ছিলো সাফল্যমন্ডিত একটা সিজন। ক্লাব ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ১০০ পয়েন্ট নিয়ে লা লিগা জেতে তারা। সানচেজের অসাধারন পারফর্মেন্স বার্সার এ কীর্তি অর্জনে অবদান রেখেছিল।

অ্যালেক্সিস সানচেজঃ ছোট্ট শহরের দেশসেরা সুপারহিরো- নিয়ন আলোয়

প্রায় নিয়মিত কাতালানদের শিরোপা জয়ে অবদান রেখে চলেছিলেন

২০১৩-১৪ মৌসুম ছিলো বার্সেলোনায় সানচেজের শেষ সিজন। ঐ সিজনে সানচেজ আগের দুই সিজন থেকে আরও বেশী ভাল। লিগে ৩৪ ম্যাচে ১৯ গোল করার পাশাপাশি ১০ টি অ্যাসিস্ট করেন তিনি। তবে সিজন শেষে বার্সা ছাড়ে সানচেজ। ৩২ মিলিয়ন পাউন্ডের বিনিময়ে ইংলিশ জায়ান্ট ক্লাব আর্সেনাল যান তিনি।

আর্সেনালে এসেও সানচেজের পারফর্মেন্সে যেন কোন প্রভাব পড়ে নি। প্রথম সিজন থেকেই পূর্বের চমৎকার পারফর্মেন্সের ধারাবাহিকতা অব্যহত ছিল। সাফল্যে পাওয়ার ক্ষুধাটা তার যেন চির অমলিন । আর তাই আর্সেনালেও সময়ের সাথে সাথে নিজেকে আরও পরিনত করে তুলেছিলেন তিনি। সময় যত এগিয়েছে, নিজেকে আরও উচ্চ পর্যায়ে নিয়ে গেছে সে।

সানচেজ আর্সেনালে প্রথম সিজনে এফএ কাপ এবং কমিউনিটি শিল্ড জেতে আর্সেনাল। যেখানে সানচেজের দুর্দান্ত পারফর্মেন্স ছিল। ঐ সিজনে সানচেজ আর্সেনালের বর্ষসেরা ফুটবলারের খেতাব পায়। পরবর্তীতে বছরশেষে পিএফএ ফ্যানস বর্ষসেরা পুরস্কার, ফুটবল সাপোর্টার্স ফেডারেশন বর্ষসেরা পুরস্কারসহ একাধিক পুরষ্কার পান।

অ্যালেক্সিস সানচেজঃ ছোট্ট শহরের দেশসেরা সুপারহিরো- নিয়ন আলোয়

ইংলিশ জায়েন্ট আর্সেনালের প্রাণ ভোমরা অ্যালেক্সিস সানচেজ

পরবর্তী দুই বছর আর্সেনালের প্রাণ ভোমরা হয়ে ওঠেন তিনি। বিশেষ করে ২০১৫-১৬ সিজনে আর্সেনালের খুব খারাপ সময়ে প্রায় একাই হাল ধরেছিলেন তিনি। সবাই কমবেশী অফ ফর্মে থাকলেও সানচেজ ছিল অমলিন। লিগে ২৪ গোল আর ১০ অ্যাসিস্ট তার সেই দুর্দান্ত পারফর্মেন্সেরই প্রতিচ্ছবি। আর বছরশেষে আর্সেনালের বর্ষসেরা পুরস্কারের খেতাবটা যে কার হাতে উঠত তা ভাবতে আর কারও বেগ পেতে হয়নি।

ক্লাব ক্যারিয়ারে সানচেজের সাফল্য হয়ত চোখে লাগানোর মত কিছু নয়, তবে নিঃসন্দেহে দেশের হয়ে কোপা আমেরিকা তাকে বসিয়ে দিয়েছে অমরত্বের জায়গায়। যেখানে ৯৯ বছর ধরে এই টুর্নামেন্ট খেলছে দেশটি, সফলতা বলতে তেমন কিছুই ছিল না তাদের। সেই দল টানা দুইবার জিতল কোপা আমেরিকা! যা একমাত্র সম্ভব হয়েছিল সনচেজ নৈপূন্যে। তার অসাধারণ প্রদর্শনীতে জিতে নিয়েছিলেন গোল্ডেন বল।

অ্যালেক্সিস সানচেজঃ ছোট্ট শহরের দেশসেরা সুপারহিরো- নিয়ন আলোয়

এক হাতে টুর্নামেন্টের গোল্ডেন বল, অন্য হাতে কোপা আমেরিকার শিরোপা; একেই বুঝি বলে চিলির ফুটবলের সুপারহিরো

সানচেজের পুরো ক্যারিয়ারে কখনো তেমন কোন অফফর্মের দেখা মেলেনি। প্রতিনিয়তই নিজেকে আরও ভালোভাবে এগিয়ে নেওয়ার জন্য পরিশ্রম করে গেছে সে। সময় যত এগিয়েছে তার পারফর্মেন্সের ধারও তত বেড়েছে। নিজেকে সে নিয়ে গেছে বিশ্বসেরাদের কাতারে।

সানচেজের জীবনী যেন ছোট্ট বালকের সুপারহিরো হয়ে ওঠার গল্প। পরিশ্রম যে কখনও বৃথা যায়না, সানচেজ তার উৎকৃষ্ট উদাহরন। বাচতে হলে প্রতিনিয়ত লড়াই করতে হবে, খুব ছোট্ট বয়সেই বুঝে গিয়েছিল সে। তাই আজও দেখা মিলে চির লড়াকু, নিজেকে সবসময় ছাড়িয়ে যাওয়া সানচেজকে।

Most Popular

To Top