টেক

মুখ থুবড়ে পড়া যত আবিষ্কার

মুখ থুবড়ে পড়া যত আবিষ্কার

আমাদের দৈনন্দিন জীবনের খুব কম অংশই আছে যেগুলো প্রযুক্তিগত উৎকর্ষের প্রভাব মুক্ত। ঘুম থেকে উঠে সারাদিন পর আবার ঘুমুতে যাওয়ার আগ পর্যন্ত আমাদের চারপাশে যা কিছু আছে বা ঘটছে পুরোটাই তথ্য প্রযুক্তির উপর নির্ভরশীল। মানব সভ্যতার বিকাশ সম্পূর্ণরুপে নির্ভরশীল বিজ্ঞান ভিত্তিক চিন্তা-ধারা আর উক্ত চিন্তা-ধারা প্রসূত গবেষণার উপর। পাথর ঘষে আগুন জ্বালানো থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশন তৈরির যাত্রায় মানুষের সঙ্গী ছিল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি। কৌতুহল প্রণোদিত গবেষণার জের ধরেই ১০০ বছর আগের সায়েন্স ফিকশন কে বাস্তবে পরিণতি দেয়া সম্ভব হয়েছে। দূরালাপনের মুঠোফোন, প্রশান্ত পাড়ি দেয়া উড়োজাহাজ সবই সম্ভব হয়েছে বাস্তবধর্মী বিজ্ঞানের চর্চায়। তবে সব চেয়ে মজার বিষয়টা হল এই অসম্ভব কে সম্ভব করাই উদ্ভাবনশীলতার চূড়ান্ত পরিণতি নয়। উদ্ভাবনশীলতার সব চেয়ে বড় অবদান হল দৈনন্দিন জীবনের অপরিহার্য কাজগুলো সহজ ভাবে স্বাচ্ছন্দ্যের সাথে সম্পন্ন করার কৌশলগুলো নথিভুক্ত করে তার প্রচার।

এটা একটা সাধারণ উদাহরণ টেনেই ব্যাখ্যা করা যায়। গরমের দিনে আপেল, আম আনারসের জুস খেতে পছন্দ করে না এমন মানুষ পাওয়া দুষ্কর। ফল-সব্জির জুস বানিয়ে খাওয়ার প্রচলন সে ১৫০ খ্রীষ্টপূর্বাব্দ থেকে। মানুষ সেই যুগ থেকেই শীল-পাটা, মর্টার-পেস্টেল ব্যবহার করে ফলের রস তৈরি করত। ১৯৩০ সালে হাতে তৈরি জুসের যুগের সমাপ্তি হয় যখন মার্কিন পুষ্টিবিদ ড. নরম্যান ওয়াকার প্রস্তুত করেন ইতিহাসের প্রথম জুসার যা যেকোন ধরনের ফল/সবজীর জুস বের করতে পারে। সেই মেকানিক্যাল জুসার এর দিনও শেষ হয়ে এসেছে ইলেক্ট্রিক ব্লেন্ডারের প্রচলনের সাথে। প্রযুক্তিগত উৎকর্ষের সুবাদেই এখন সকাল থেকে হাতে শীল-পাটা নিয়ে যুদ্ধ করতে হয় না মা-খালাদের ফলের রস বানানোর জন্য, সেটা এখন ২ মিনিট জুসার মেশিন চালিয়েই করা যায়। এই হল বিজ্ঞানভিত্তিক গবেষণার চূড়ান্ত ফসল।

প্রযুক্তির উন্নয়নের সাথে প্রতি নিয়তই বাজারে আসে নতুন উদ্ভাবিত যন্ত্র। এই নব্য উদ্ভাবিত পণ্য গুলোর প্রত্যেকটিরই লক্ষ্য থাকে মানব জীবনযাত্রাকে আর একটু সহজ করে তোলা। গবেষণা বা পরীক্ষণ ধাপেই যন্ত্র গুলোকে ভাবা হয় পটপরিবর্তনকারী উদ্ভাবন হিসেবে। তবে সব উদ্ভাবনই কি এই লক্ষ্য পূরণ করতে সফল হতে পারে? উত্তরটি এক শব্দে “না।” প্রতিনিয়ত মোবাইল ফোন বা উড়োজাহাজের মত সর্বস্বীকৃত উদ্ভাবন করা হচ্ছে না যেটা মানব সভ্যতার জন্য অপরিহার্য হয় উঠতে পারে। এমন অনেক প্রযুক্তিই আবিষ্কৃত হচ্ছে যা প্রাথমিক প্রচার ধাপ শেষের পরই হারিয়ে যাচ্ছে প্রোডাক্ট ক্যাটালগের শেষ পৃষ্ঠা গুলো তে। বিশাল ভূমিকা করে এমন হারিয়ে যাওয়া প্রযুক্তির কথাই তুলে ধরার চেষ্টা যেগুলো পৃথিবী বদলে দেয়ার প্রত্যয়ে প্রস্তুত করা হলেও ঠিক করে উঠতে পারে নি।

১. সেগওয়ে
অ্যাপেল প্রতিষ্ঠাতা স্টিভ জবস বলেছিলেন “সেগওয়ে পার্সোনাল কম্পিউটারের থেকেও বড় আবিষ্কার”। Amazon.com এর পৃষ্ঠপোষক জন ডোয়ার বলেছিলেন, সেগওয়ে ইন্টারনেটের থেকেও বড় কিছু। আবিষ্কারের ১৫ বছর পর কথা গুলো একদমই সত্য নয় সেগওয়ে এর জন্য।

২০০১ সালে Insider.com এ প্রথম প্রকাশিত হয় দুই চাকা বিশিষ্ট একটি বাহনের কথা যার নাম দেয়া হয় “সেগওয়ে”। ব্যালেন্স সংবেদী এই বাহনটি একজন যাত্রী সহ ১৩ মাইল প্রতি ঘন্টা বেগে চলাচল করতে পারে। প্রখ্যাত টেক বিশেষজ্ঞদের সাধুবাদে বাজারে আসার আগেই সেগওয়ে ব্যপক আলোচনায় চলে আসে। ২০০২ সালে সেগওয়ে বাজারে আসার পরই বিপত্তির শুরু হয় ইন্টারনেটের থেকেও বিশাল এই উদ্ভাবনে। সেগওয়ে এর গতি সীমার কারণে এটি ফুটপাথ ও মহাসড়ক কোনটির জন্যই উপযুক্ত ছিল না। নিরাপদে সেগওয়ে ভ্রমণ করা যাবে এমন রাস্তার অভাবে অনেকে সেগওয়ে ব্যবহার বন্ধ করেন। $৪৯৫০ মূল্যটিও সেগওয়ে কে নিয়ে যায় সাধারণ ক্রেতা শ্রেনীর নাগালের বাইরে। ২০০৩ সালে শেষ ধাক্কাটি এসে লাগে যখন সকল সেগওয়ে ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হন প্রস্তুতকারকগণ। কম চার্জ থাকা অবস্থায় সেগওয়ে চালানোর ফলে দূর্ঘটনা ঘটা শুরুর পরই এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

কিছু পোস্টাল সার্ভিস আর দর্শনীয় স্থানের ট্যুর দেয়ার জন্য আমেরিকার অনেক শহরে সেগওয়ে ব্যবহার করা হচ্ছে। তবে সেগওয়ে যে চিন্তা থেকে তৈরি করা হয়েছিল তার সিকি ভাগ পূরণেও সফল হতে পারে নি।

২. One laptop per child (OLPC)
২০০৫ সালে MIT গবেষক নিকোলাস নেগ্রোপন্টে এবং তার সহযোগীদের প্রচেষ্টায় যাত্রা শুরু করে OLPC। জাতিসংঘ এর পৃষ্ঠপোষকতা নিয়ে বিতরণ কর্মসূচি শুরু হয়। OLPC এর মূল লক্ষ্য ছিল অনুন্নত/উন্নয়নশীল দেশ গুলোতে ডিজিটাল ডিভাইসের প্রচলনের মাধ্যমে শিক্ষা ব্যবস্থার মানোন্নয়ন। OLPC এর জন্য তৈরি করা হয় টেকসই ল্যাপটপ। সবুজ রঙের এই ল্যাপটপ গুলো হাতে ঘুরিয়ে বা সৌর শক্তি ব্যবহার করে চার্জ দেয়া যেত এবং স্বল্প ব্যান্ড-উইডথের ইন্টারনেট সংযোগের সাথে যুক্ত করা যেত। পেরু এবং উরুগুয়ের মত দেশগুলোতে ব্যাপক ভাবে প্রচারিত হয় OLPC ।

এত চমৎকার সূচনার পরও কিছু বিষয় বাধা হয়ে ওঠে OLPC কর্মসূচির পথে। প্রথমত, ল্যাপটপ গুলোর দাম $১০০ এর মধ্যে থাকার কথা হলেও এখনও ল্যাপটপ গুলোর উৎপাদন খরচ ৳২০০ ডলারের মত আছে। অনেক দেশই এত টাকা ব্যয় করে প্রযুক্তিগত উন্নয়নের পক্ষপাতী না। দ্বিতীয়ত, স্কুল শিক্ষকদের যথাযথ প্রশিক্ষণের অভাবে ল্যাপটপ গুলো হয়ে ওঠে ডিজিটাল নোট খাতা এবং অনেক ক্ষেত্রেই বাচ্চাদের হাতে ল্যাপটপ গুলো তুলে দিতে দ্বিধান্বিত বোধ করতেন শিক্ষকেরা।

সবচেয়ে প্রখর সমালোচনাটি আসে জাতিসংঘের আফ্রিকান দেশের প্রতিনিধি মার্থে দানসোখর কাছ থেকে যিনি বলেন “খাদ্য, ঔষধ আর বইয়ের পরিবর্তে ল্যাপটপ পাঠানো অনুন্নত দেশ গুলোর সত্যিকার সমস্যা গুলোকে এড়িয়ে যাওয়া ছাড়া আর কিছু নয়”। IADB(Inter-American development Bank)  এর চালানো একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে পেরুর শিক্ষা ব্যবস্থায় OLPC তেমন ইতিবাচক প্রভাব আনতে পারে নি। এরপরও  OLPC কর্মসূচী অব্যাহত রাখা হয়েছে যার সুবাদে $১৪৯ ডলারের একটি ট্যাবলেট কম্পিউটার তৈরি করা হয়েছে।

৩. ব্লুটুথ হেডসেট
কম বেশি সবাই পরিচিত ব্লুটুথ হেডসেটের সাথে। এমন এক ডিভাইস যেটা দিয়ে ফোন পকেটে রেখেই কল রিসিভ করা এবং কথা বলা যায়। ব্লুটুথের আবিষ্কার হয় Nokia আর Ericcson এর মত নামিদামী টেক কোম্পানী গুলোর যৌথ প্রচেষ্টায়। মূলত ফাইল শেয়ারিং এর কথা মাথায় রেখে আবিষ্কৃত হলেও খুব অল্প সময় পরই ব্লুটুথ ব্যবহার করে হেডফোন যুক্ত করার পথ উন্মোচিত হয়।

১৯৯০ এর দশকে যাত্রা শুরু করা এই হেডসেট কয়েক বছর বেশ প্রচলিত ছিল। তবে ২০০৯ সাল থেকে এর প্রচলন দিন দিন কমে আসছে। এবং এই নিম্নমূখী খ্যাতির কারণ হচ্ছে ফ্যাশন। হেডফোন যত ছোট বানানো সম্ভব ততই ভালো এমন চিন্তাধারা পরিবর্তন করায় ভূমিকা রাখে স্পিকার ফোন আর Wired হেডফোন গুলো। যার ফলে বাজার থেকে ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে এক কানে পরার ব্লুটুথ হেডসেট।

৪. ট্যাবলেট পিসি
“iPad-iPad” বলে আর্তনাদ শুরু করার আগে একটু থামুন। এখানে কথা হচ্ছে Microsoft এর ট্যাবলেট পিসি নিয়ে যেটা iPad বাজারে আসার ১০ বছর আগে তৈরি করা হয়। ট্যাবলেট পিসি উন্মোচনের সময় বিল গেটস এর ধারণা ছিল পরবর্তী ৫ বছরে ট্যাবলেট পিসি সর্বস্বীকৃত কম্পিউটিং ডিভাইসে পরিণত হবে।

তবে সেই আশা পূরণ হয় নি। না হওয়ার পেছনে কাড়ণ গুলোও বেশ শক্ত পোক্ত। ট্যাবলেট পিসির জন্য আলাদা কোন অপারেটিং সিস্টেম ছিল না। ডেস্কটপের জন্য তৈরী OS আর সফটওয়্যার নিয়ে বাজারে আসে ট্যাবলেট পিসি। কিন্তু ডেস্কটপের প্রোগ্রাম গুলো ব্যবহার করতে হত মাউস আর কি-বোর্ডের সমন্বয়ে যার একটিও ট্যাবলেট পিসি তে ছিল না। ভারী ডেস্কটপ OS এর কারণে ট্যাবলেট গুলো ধীর গতির ডিভাইসে পরিণত হয় এবং ৳২০০০ ডলারের প্রাইস ট্যাগটির কারণে রিতীমত অযৌক্তিক হয়ে ওঠে।

১০ বছর পর Apple এর iPad বাজারে আসে সম্পূর্ণ ভিন্ন আঙ্গিকে। ডেস্কটপ কম্পিঊটারের বিকল্প না হয়ে iPad স্বয়ং সম্পূর্ণ একটি ডিভাইস হিসেবে খ্যাতি লাভ করে। ক্যাপসিসিভ টাচ স্ক্রীণ আর স্বংসম্পূর্ণ অপারেটিং সিস্টেম Apple এর iPad কে ট্যাবলেট পিসির থেকে কয়েক গুণ জনপ্রিয় কর তুলেছে।

৫. Electric car
উনবিংশ শতাব্দীর অনেক যুগান্তকারী উদ্ভাবনের মধ্যে একটি হল তড়িৎ চালিত  বা electric car। ১৯১১ সালে সংবাদপত্র নিউ ইয়র্ক টাইমসে প্রকাশ হয় এমন একটি গাড়ী যা পেট্রোলিয়াম চালিত গাড়ী থেকে কম শব্দ দূষণ করে, কম ঝাকুনি প্রবণ এবং প্রত্যক্ষ বায়ু দূষণ করে না, তবে গতি পেট্রোলিয়াম চালিত গাড়ী থেকে ধীর গতি সম্পন্ন। এই উদ্ভাবনটি ঢাকা পড়ে যায় ইন্টার্নাল কম্বাসচন ইঞ্জিন এবং খনিজ তেলের সহজ লভ্যতায়।

একবিংশ শতাব্দীতে প্রয়োজনীয়তা ভিন্ন হয়ে দাড়িয়েছে। খনিজ তেলের দহনে উৎপন্ন বায়ু দূষক অবধারিত ভাবে বিশ্ব উষ্মায়ণে প্রভাব ফেলছে। এখনই আসলে পেট্রোলিয়াম মুক্ত যানবহনের জন্য জোড় দেয়ার সময়। কোথায় তবে ১০০ বছর আগের সেই বিকল্প?

১৯৬৬ সালে তড়িৎ চালিত গাড়ী গবেষণার জন্য আইন পাশ করে বিশ্ব বিদ্যালয় গুলোতে গবেষণা অর্থায়ন শুরু করা হয়। ১৯৯০ সালে জিরো ইমিশন অ্যাক্টের পরিপ্রেক্ষিতে Toyota, BMW এর মত নামি-দামী গাড়ী প্রস্তুত কারক ইলেকট্রিক মডেল বের করে। তারপরও সাধারণ মানুষের হাতে পৌছাতে ব্যর্থ হয়েছে ইলেকট্রিক গাড়ী।  এর প্রধান কারণ গুলো হল ব্যাটারি অতিরিক্ত ভারী, অনেক ব্যয়বহুল, এবং স্বল্প দূরত্ব অতিক্রম করতে পারে। নিসানের একটি মডেল ১ বার চার্জে মাত্র ৭৫ কি.মি চলতে পারে। পর্যালোচনাকারী অনেকে মনে করেন, খনিজ তেল উত্তোলনকারী কোম্পানী গুলো গাড়ী প্রস্তুতকারকদের সাথে সম্পর্ক রেখে পেট্রোলিয়াম বিকল্প যানবাহন তৈরিতে বাধা দিচ্ছে। এর ফলেই হয়তো বাজারে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে ইলেকট্রিক গাড়ী আসতে এখনও অনেক দেরী।

টেসলা মটরস শুধুমাত্র ইলেকট্রিক গাড়ী নিয়ে বাজারে নেমেছে। প্রতিষ্ঠাতা ইলন মাস্ক মনে করেন ২০২০ সালের মধ্যে  বিক্রিত গাড়ীর অর্ধেক হবে ইলেকট্রিক গাড়ী।

৬. Car phone
১৯৫৪ সালের চলচ্চিত্র “সাবরিনা” তে প্রথমবারের মত পৃথিবীর সামনে উন্মোচিত হয় একটি বহনযোগ্য টেলিফোন। এই টেলিফোনটি মোটরজানের ড্যাশবোর্ডে যুক্ত করা হয়। ১৯৪০ সালে উদ্ভাবিত হেক্সাগোনাল তরঙ্গ ব্যবহার করে সে আমলের সবচেয়ে উন্নত বহনযোগ্য টেলিফোন তৈরি করা হয়। বিশাল আকৃতির সে ফোন যুক্ত করা হয় সামরিক ও প্র্যতন্ত গ্রামীণ যানবহনে। ’৯০ এর দশকে কার ফোন হয়ে ওঠে সচ্ছলতা আর প্রাচুর্যের প্রতীক। তবে এখন কেন এর প্রচলন বন্ধ?

সত্যিকার অর্থে কার ফোন বিলুপ্ত না হয়ে বরং পরবর্তি প্রযুক্তিগত উন্নয়নের পথ সুগম করেছে। পকেটের মোবাইল আবিষ্কৃত হবার পুরো গবেষণাই নির্ভরশীল ছিল কার ফোনে ব্যবহৃত প্রযুক্তির উপর। মোবাইলফোন গুলো সেই হেক্সাগোনাল G নেটওয়ার্কের মাধ্যমেই পরস্পর যুক্ত করা হয়। মোবাইল ফোন গুলোর আকার ছোট হওয়ার কারণে তাদের গাড়ির ড্যাশবোর্ডে রাখার প্রয়োজন ফুরিয়ে আসে। কার ফোনের অবদান কে স্বীকৃতি দেয়ার জন্য মোবাইল নেটওয়ার্ক গুলোর 2G/3G/4G নামকরণ রাখা হয়।

তবে প্রথম দফায় মুখ থুবড়ে পড়লেও ইদানিং আবারো বাজারে ফেরত আসার চেষ্টা চালাচ্ছে উপরের কয়েকটি ডিভাইস। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য বলা যায় ইলেকট্রিক কার এবং সেগওয়ে। সেই সাথে প্রতিবছর আমাদের নিত্য ব্যবহারের মোবাইল ফোনের আকার যেভাবে বড় হচ্ছে এবং ল্যাপটপের আকার ছোট হয়ে টাচস্ক্রীন ডিসপ্লে’র দিকে ঝুঁকছে, তাতে আশা করা যায় যে অদূর ভবিষ্যতে এই দুটো ডিভাইস বিলুপ্ত হয়ে সবার হাতে হাতে ট্যাবলেট পিসি-ই শোভা পাবে।

Most Popular

To Top