ইতিহাস

গোলামের সাথে রানীর গোপন প্রেমগাঁথা!

গোলামের সাথে রানির গোপন প্রেমগাথা!

সময়টা ১৮৮৬ সাল। আগ্রার জেল সুপার জন টাইলার কাছে নির্দেশ রয়েছে রানী ভিক্টোরিয়ার স্কটিশ চাকর জন ব্রাউনের (১৮৮৩) মৃত্যুর পর রানী খুবই একাকী হয়ে পড়েছেন, তার দেখভালের জন্য নতুন লোক নিয়োগের প্রয়োজন। একই সঙ্গে রানীর শাসনকালের সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠানের আগেই প্রাসাদ কর্তৃপক্ষ মনে করছে, শুধু এ উৎযাপনের জন্য হলেও এক-দুজন ভারতীয় চাকরকে লন্ডনে আনা প্রয়োজন। সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠানে ভারত থেকে আগত প্রিন্স ও প্রিন্সেসদের লন্ডনে সেবাযত্নের জন্যও ভারতীয় চাকরের প্রয়োজন। এসবের আলোকেই রানী জন টাইলারকে দায়িত্ব দিলেন অন্তত দু’জন ভারতীয় চাকর যেন তিনি দ্রুতই লন্ডনে পাঠান। টাইলার যাচাই-বাছাই করে দুজন সেবক নির্বাচন করলেন। তাদের একজন টাইলারের আরেক পরিচিত ভৃত্য মোহাম্মদ বক্স। আরেকজন তার অতি পুরনো ও বিশ্বস্ত সেবক ২৪ বছর বয়সী আবদুল করিম।  নিয়োগ পাওয়ার পর দুজনই ১৮৮৭ সালের ২০ মে জাহাজে চেপে ভারতবর্ষ থেকে ইংল্যান্ডের উদ্দেশে রওনা দিয়ে যথাসময়ে ইংল্যান্ড পৌঁছান।

মোহাম্মদ বক্স এবং আবদুল করিম

আব্দুল করিমের বয়স তখন ২৪ বছর যখন ৬৮ বছরের রানি ভিক্টোরিয়ার সঙ্গে তার প্রথম দেখা হয়। ছিলেন তিনি সম্রাজ্ঞীর আর্দালি। ১০ বছর বিলেতবাস যখন শেষ হলো করিমের‚ তখন রানির সঙ্গে তার প্রণয় ফিসফিসানি হয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে উইন্ডসর‚ বাকিংহাম‚ বালমোরালের প্রতিটি বারান্দায়। জীবনের শেষদিকে একাকিত্বের কয়েকটি বছরে নাকি আব্দুলের প্রেমে হাবুডুবু খেয়েছিলেন রানী ভিক্টোরিয়া। সামান্য চাকর থেকে আব্দুল হয়ে উঠেছিলেন রানির মুনসি। কিন্তু এটা ছিল শুধু সরকারী দস্তাবেজে। কার্যত তিনি ছিলেন সম্রাজ্ঞীর মনের খুব কাছের মানুষ।

রানি ভিক্টোরিয়া এবং আবদুল করিম

আব্দুলের জন্ম ১৮৬৩ সালে‚ পরাধীন ভারতে‚ ঝাঁসির কাছে। ১৮৮৭ সালে ব্রিটেনে পূর্ণ হল ভিক্টোরিয়ার রানীত্বের ৫০ বছর। সুবর্ণজয়ন্তীতে ভারত থেকে নিয়ে আসা হয় আব্দুল করিম এবং মহম্মদ বক্স। দুজনকে শেখানো হলো বিলাইতি আদবকায়দা। বলা ভালো টেবল-ম্যানার্স। রানির টেবলের পাশে দাঁড়িয়ে থাকতেন আজ্ঞাবহ করিম আর বক্স। কিন্তু সহজেই রানীর নজর কেড়ে নেন সুদর্শন করিমের উপর। প্রথম সাক্ষাতেই চুম্বন করেন রানীর পায়ে।

১৮৬১-তে রানি ভিক্টোরিয়ার স্বামী প্রিন্স অ্যালাবর্ট মারা যাওয়ার পর অনেকটাই একা হয়ে যান ৯ সন্তানের মা‚ ভিক্টোরিয়া। সন্তান এবং মায়ের মাঝে দূরত্ব এতটাই‚ তার মনের শূন্যতা কেউ ভরাতে পারেননি। সেই জায়্গা নেন খাস ভৃত্য জন ব্রাউন। গড়ে ওঠে প্রণয় । ব্রাউনের মৃত্যুর ৪ বছর পরে রানির জীবনে এলেন করিম।

আবদুল করিম রানীর হিন্দি ও উর্দু ভাষা শিক্ষক হওয়ায় খাসভৃত্য হলেও রানী তাকে মুন্সীজি (ওস্তাদজি) খেতাব দেন। রানির প্রশ্রয়ে সঙ্গে সবসময় রাখতেন তলোয়ার। পোশাকে ঝুলত পদক।

বিভিন্ন পদকে আবদুল

নিয়োগের পর যত দিন গড়িয়েছে, আবদুল করিম তত রানীর কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছেন। ভারতীয় খাবার (পরে যা ইংল্যান্ডে ইন্ডিয়ান কারি হিসেবে ব্যাপক প্রসিদ্ধি পায়) সেই কারি আবদুলই প্রথম রানীর জন্য নিয়মিত রান্না করতেন, এ ভারতীয় খাবার অল্প সময়ের মধ্যেই প্রাসাদের জনপ্রিয় ডিশে পরিণত হয়। আবদুলের প্রতি রানীর অন্ধত্ব এতটাই প্রবল ছিল যে, এ ভৃত্যকে তিনি প্রচুর অর্থ, জমি প্রদানের পাশাপাশি নাইট উপাধিও দিতে চেয়েছিলেন। রয়্যাল কোর্ট এ বিষয়ে তীব্র আপত্তি জানায়। তারা রানীকে বোঝান যে, একজন মুসলমান চাকরকে নাইট উপাধি প্রদান করলে ভারতের হিন্দু জনগোষ্ঠী বিষয়টিকে ভালোভাবে নেবে না। ফলে তাদের অসন্তোষ থেকে ভারতে হিন্দু-মুসলমান রায়টের মতো ঘটনাও ঘটতে পারে। তাই রানী ভিক্টোরিয়ার একনিষ্ঠ অনুগত হিন্দু প্রজাদের মধ্যে রোষ দেখা দেয়, এমন কোনো কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া একেবারেই ঠিক হবে না। রয়্যাল কোর্টের এ বিরোধিতার মুখে রানী আবদুলকে নাইট উপাধি দেয়া থেকে পিছিয়ে আসেন। আবদুল করিমের সঙ্গে রানীর প্রগাঢ় সম্পর্ক রাজপরিবারের মধ্যে ব্যাপক অসন্তোষের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। স্কটিশ জন ব্রাউনের সঙ্গে রানীর ঘনিষ্ঠতা নিয়ে পরিবারে অস্বস্তি থাকলেও ভারতীয় আবদুল করিমের সঙ্গে ভিক্টোরিয়ার ঘনিষ্ঠতাকে রাজপরিবারের বেশির ভাগ সদস্য ভালোভাবে নেয়নি। ভিক্টোরিয়ার সঙ্গে তার মুনসির সম্পর্কের সব নথি নষ্ট করে দেয় ব্রিটিশ রাজপরিবার।

আবদুলকে নিয়ে রাজপরিবারে এর পরও একের পর এক বিতর্ক দেখা দিয়েছে। ৭৮ বছর বয়স্ক রানী ১৮৯৭ সালের বাকিংহাম প্যালেসে রয়্যাল পার্টি টু নাইস অনুষ্ঠানে আবদুল করিমের যোগদানের ঘোষণা দিলে, অসন্তোষ জানিয়ে সভাসদদের অনেকেই এ অনুষ্ঠানে যেতে চাননি, কেউ কেউ পদত্যাগ করারও সিদ্ধান্ত নিতে চেয়েছিলেন। আবদুলের অনুষ্ঠানে যোগ দেয়ার বিরুদ্ধচারীদের অসন্তোষের খবর রানীর কানে পৌঁছালে, তিনি খুবই ক্ষুব্ধ হন ও রাগে জিনিসপত্র ছুঁড়ে মারতে থাকেন। (সূত্র: স্টিফেন হালিডের দ্য গ্রেট স্টিংক অফ লন্ন— দ্য হিস্ট্রি প্রেস লি, ২০০১।)

রানির সঙ্গে করিম ঘুরে বেরিয়েছেন ইউরোপের নানা দেশে। করিমের কথায় ভারতীয় মাদারির খেলা দেখেছেন রানি ভিক্টোরিয়া। দুজনের সম্পর্ক যত ঘন হয়েছে তত ব্রিটিশ রাজপরিবারে এবং দরবারে বেড়েছে করিমের প্রতি ঈর্ষা। পরাধীন দেশের চাকরকে কি না এত গুরুত্ব সহ্য হচ্ছিলনা কারোই। অবশ্য পরিবার-দরবারকে পাত্তাই দিতেন না রানি ভিক্টোরিয়া। উল্টে তিনি করিমকে বলে দিলেন দেশ থেকে স্ত্রীকে আনতে। তার আগে অবশ্য বালমোরালে পাহাড়ের উপর নিভৃত ঘরে করিমের সঙ্গে নিশিযাপন করেছেন বৃদ্ধা। ওই একই ঘরে তার আগে তার সঙ্গী ছিলেন জন ব্রাউন।

বালমোরাল প্রাসাদ

রানির কথায় করিমের শাশুড়ি এবং স্ত্রী গেলেন বিলেত। পর্দানশীন দুই নারীর জন্য নির্ধারিত হলো রানির সেরা সেরা বিলাসবহুল ছুটি কাটানোর বাড়িগুলো। নিঃসন্তান করিমের দুঃখ ঘোচাতে ভিক্টোরিয়া নিজের ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডক্টর রিডকে বললেন‚ তার স্ত্রীকে একবার দেখতে। যদিও এই পরপুরুষের সামনে আসেননি করিমের শাশুড়ি এবং স্ত্রী এবং করিমের সামান্যতম অসুখেও চিকিৎসা করতেন সেই ডক্টর রিড। পরীক্ষার পরেই ডক্টর রিড বলেছিলেন‚ করিম গনোরিয়ায় আক্রান্ত।

বিদেশে থাকাকালীন যে বাসায় থাকতেন আবদুল এবং তার পরিবার

এখানেই থেমে থাকেননি রানি ভিক্টোরিয়া। মুখে বলেছেন‚ তিনি করিমের মাতৃসম। যদিও তার আচরণ ছিল অন্যরকম। তার সুপারিশে রাজকীয় সিভিও সম্মানে ভূষিত হন করিম। বালমোরালে রাজকীয় বাড়িও বানিয়েছিলেন তিনি। ভারতের আগ্রায় করিমকে জমি দেয়ার জন্য তৎকালীন ভাইসরয়ের কাছে তদ্বির করেন ভিক্টোরিয়া। বোনহ্যামের ২০০৮ ক্যাটালগে উল্লেখ করা হয়েছে যে রানী ‘বুঝতে পেরেছিলেন যে তার মৃত্যুর পর বিদ্যমান বর্ণবাদী মনোভাব আবদুল করিমকে বিপদে ফেলবে, তাই তিনি তার উইলে তার জন্য কিছু ব্যবস্থা করে যান’। তিনি ভাইসরয়কে আগ্রায় আবদুল করিমকে কিছু জায়গা বন্দোবস্ত করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। ভাইসরয় অনিচ্ছুকভাবে সেটার ব্যবস্থা করেছিলেন। তিনি রানীকে ফিরতি চিঠিতে জানিয়েছিলেন যে, ১৮৫৭ সালের যুদ্ধে যে ব্যক্তি জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দিল্লি গেট উড়িয়ে দিয়েছিল তাকে সারা জীবনের জন্য যে জমিটি দেয়া হয়েছে তা থেকে আয় হয় ২৫০ রুপি, আর আবদুল করিম পান তার দ্বিগুণ। রানী এ নির্দেশও দিয়েছিলেন যে তার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় আবদুল করিমকে প্রধান শোকপ্রকাশকারীর সম্মান দিতে হবে।

রানী ভিক্টোরিয়া মারা গিয়েছিলেন ১৯০১ সালের ২২ জানুয়ারি। তার কফিন বন্ধ করার আগে আবদুল করিম শেষ ব্যক্তি হিসেবে তাকে দেখেছিলেন। রানী মারা যাওয়ার পরে রাজপরিবারের সদস্যরা এবার আবদুল করিমের ওপর প্রতিশোধ গ্রহণের মওকা পেল। সিংহাসনে বসেই প্রথম আদেশে রাজা সপ্তম এডওয়ার্ড দৃশ্যমান কোনো অপরাধ ছাড়াই বরখাস্ত করলেন তার মায়ের খুব কাছের এই মানুষটিকে? প্রহরীদের নিয়ে নতুন রাজা অ্যাডওয়ার্ডের স্ত্রী আলেক্সান্দ্রা, মৃত রানীর কনিষ্ঠা কন্যা প্রিন্সেস বিয়েত্রা দরজা ভেঙে আবদুল করিমের কটেজে প্রবেশ করলেন এবং রানী ও তার মধ্যে যেসব চিঠি আদান-প্রদান হয়েছে, সেগুলো পুড়িয়ে ফেললেন। মুন্সী অসহায়ভাবে চেয়ে চেয়ে দেখলেন যে রানীর লিখিত চিঠিগুলো আগুনের পুড়ে যাচ্ছে। রাজা অ্যাডওয়ার্ড তখনই মুন্সীকে ভারতে ফেরত পাঠানোর নির্দেশ দিলেন।

এমনকি মুন্সী ভারতে ফেরার পরও ব্রিটিশ রাজকীয় কোপানল থেকে রেহাই পাননি। রানীর অবশিষ্ট চিঠিগুলো হস্তগত করতে রাজা অ্যাডওয়ার্ড আগ্রায় মুন্সীর বাড়িতে অভিযান চালানোর নির্দেশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। এমনকি মুন্সী মারা যাওয়ার পরও একবার অভিযান চালানো হয়েছিল। পরে ভাইসরয় মিন্টো ও তার স্টাফ ওই অভিযান অনুমোদন করেননি এবং তারা জব্দ করা কাগজপত্র আবদুল করিমের বিধবা স্ত্রীর কাছে ফেরত দিতে সুপারিশ করেন।

ভারতে ফিরে এসে আগ্রায় রানীর দেয়া জমিতেই ‘করিম লজ’ নামের বাড়ি তৈরি করে এখানেই নিরিবিলিতে বাস করতেন আব্দুল করিম। মুন্সী আবদুল করিম আগ্রা এস্টেটে তার নিজস্ব বাড়ি করিম লজে ১৯০৯ সালে মারা যায়। আগ্রার পাঁচকুইন কবরস্থানে তার বাবার পাশে তার মরদেহ কবরস্থ করা হয়। আবদুল করিমের দুই স্ত্রী তখনো জীবিত ছিলেন। তার মৃত্যুর পর রাজা সপ্তম এডয়ার্ডের নির্দেশে আগ্রার কমিশনার ডাব্লিউএইচ কব করিমের বাসা পরিদর্শন করেন, যার মূল উদ্দেশ্য ছিল মুন্সীজি ও রানীর কোনো স্মৃতিচিহ্ন বা গোপন চিঠিপত্র রয়েছে কিনা, সন্ধান করে তা বাজেয়াপ্ত করা এবং পরবর্তীতে সেসব ইংল্যান্ডে রাজার কাছে প্রেরণ করা।

কিন্তু তৎকালীন ভাইসরয় লে. জন ইিউইট ও ভারতে কর্মরত অপরাপর ইন্ডিয়ান সিভিল সার্ভিসের কর্মকর্তারা আবদুল করিমের বাসা থেকে কাগজপত্র কিংবা অন্য কোনো নথিপত্র বাজেয়াপ্ত করাকে অনুমোদন করেননি। তবে তারা মত দেন যে, এ ধরনের কোনো চিঠিপত্র কিংবা অন্য কোনো নথি পাওয়া গেলে তা মুন্সীজির প্রথম স্ত্রীর মৃত্যুর পর ইংল্যান্ডে পাঠানো যেতে পারে।

সাংবাদিক শ্রাবনী বসু এবং তার বই

তবে রাজচক্ষু ফাঁকি দিয়ে আব্দুল করিম তার যে দিনলিপিটি ভারতে নিয়ে এসেছিলেন সেটির তথ্য বিশ্লেষণ করে শ্রাবণী বসু নামে এক সাংবাদিক লিখেছেন ‘Victoria & Abdul: The True Story of the Queen’s Closest Confidant’ নামের একটি বই। করিমের পরিবারের একটি শাখা থাকে আগ্রায়‚ অন্য শাখা থাকে করাচিতে। শ্রাবণী করাচি গিয়ে উদ্ধার করেন সেই দুষ্প্রাপ্য ডায়রি। যার পাতায় পাতায় ছড়িয়ে আছে বৃন্তচ্যুত অসম সম্পর্কের পাপড়ি। আবদুল করিম তার ডায়েরিতে লিখেছিলেন, ‘আমি সর্বশক্তিমানের কাছে মুনাজাত করছি যাতে তিনি আমাদের দয়ালু সম্রাজ্ঞীর প্রতি রহমত বর্ষণ করেন।’

রানীর সঙ্গে সম্পর্কের ধরন নিয়ে আবদুল করিম কখনো কাউকে কিছু বলেননি, কারণ এতে রানীর মর্যাদাহানি হতে পারত বলে মনে করতেন। তিনি হয়তো চাইতেন তার ও ভারতবর্ষের রানীর মধ্যকার সম্পর্কটি শুধু তাদের মধ্যেই থাকুক। আবার রানীও তার বিশেষ কিছু চিঠি সংরক্ষণ করেননি।

‘Victoria and Abdul’ চলচ্চিত্র

শ্রাবনী বসুর এই বই অবলম্বনে বৃটিশ চিলচ্চিত্র পরিচালক স্টিফেন ফ্রিয়ার্স তৈরী করে ফেলেছেন সিনেমা এবং তা ২২সেপ্টেম্বর আমেরিকা, ভারত সহ অনেক দেশের প্রেক্ষাগৃহে প্রদর্শিত হয়েছে। স্টিফেন ফ্রেয়ার্সের ছবি ‘ভিক্টোরিয়া অ্যান্ড আবদুল’-এ তুলে ধরা হয়েছে রানী ও চাষীর জীবনের কিছু অজানা ঘনিষ্ঠ মুহূর্ত। স্বাভাবিকভাবেই ছবির বিষয়বস্তু বেশ আকর্ষণীয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় তাই এ নিয়ে হয়েছে প্রচুর আলোচনাও। ছবিতে ভিক্টোরিয়ার ভূমিকায় দেখা গেছে জুডি ডেঞ্চকে। আবদুল করিমের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন আলি ফাজল। যাদের কাছে এই গল্পটা ভালো লেগেছে তারা চাইলে দেখে নিতে পারেন ‘ভিক্টোরিয়া অ্যান্ড আবদুল’ সিনেমাটি। আশা করি সিনেমাটিও আপনাদের ভালো লাগবে।

 

 

Most Popular

To Top