ইতিহাস

এক আত্মবিনাশী বৌদ্ধ সন্ন্যাসীঃ যার কারণে রচনা হয়েছিল এক নতুন ইতিহাস!

এক আত্মবিনাশী বৌদ্ধ সন্ন্যাসীঃ যার কারণে রচনা হয়েছিল এক নতুন ইতিহাস!- নিয়ন আলোয়

অনেক আগে এন্টনি রবিন্স এর একটি বই পড়েছিলাম, কাজে লাগাতে পারিনি তবে মনে দাগ কেটেছিল। বইটি ছিল সিদ্ধান্ত নেওয়ার উপরে। নাম “Awaken The Giant Within”, অর্থাৎ আপনার সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা আপনাকে দানবিক ক্ষমতা সম্পন্ন করে দেয়। দু’ এক দিন আগে আন্তর্জালে এই আজকের বিষয়ের উপর একটি ছবি আর তার উপর আলোচনা দেখছিলাম তার পরিপ্রেক্ষিতে মনে হলো এই বিষয়ে একটু লিখি।

পড়ার আগে বিনীত অনুরোধ বিষয়টিকে কোনো আত্বহনন কে গৌরবান্বিত করার ভাবনায় দেখবেন না। যে কোনো মানুষ অতীব মূল্যবান এক সৃষ্টি। বৌদ্ধ সন্ন্যাসী থিক কোয়াং ডু অনেক অদ্ভুত মানুষের একজন যিনি নিজের আত্মহননকে প্রতিবাদের রাস্তায় নিয়ে গিয়েছিলেন। এর আগে বা পরে এই ধরণের কাজ অনেক হয়েছে, হয়তো হবে। তবে তার এই আত্মহননের ঘটনা এই জন্য গুরুত্বপূর্ণ যে তার এই কাজ একটি রাষ্ট্র এবং তার শাসককে শেষ করে দিয়েছিল।

তৎকালীন মার্কিন রাষ্ট্রপতি এই ঘটনা বিশেষত তার আত্মহননের ছবি দেখে বলেছিলেন, “এইরকম কোনো ছবি আগে মানুষকে এই ভাবে আলোড়িত করেনি।” যাই হোক, নেতারা অনেক কিছু বলেন, ওতে মন না দিয়ে, আসুন একটু অতীতের দিকে ফিরে যাই আর বিষয়টা কি ছিল দেখি।

কোনো অতিরঞ্জিত বিষয় না, এই বৌদ্ধ সন্ন্যাসীর আত্মহনন একটা ধারাবাহিক ক্ষোভের প্রকাশ হয়ে উঠেছিল যা পুরো ইতিহাসের একটা মোচড় দেয়। প্রত্যেকটি তৎকালীন সভ্য দেশের কাগজের শিরোনাম হয়েছিল এই ছবি আর ঘটনাটি। এই প্রথম পুরো পৃথিবী জানতে পারে একটি ছোট্ট দেশের এক অংশের কথা। আমেরিকান নাগরিকের কাছে অচেনা এই ভিয়েতনাম হয়ে ওঠে অতীব পরিচিত একটি নাম।

একটি প্রতিবাদের ছবি হলেও এর পরিচিতি আমাদের অনেকের কাছেই নেই। কেন এই মানুষটি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন? তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তৎকালীন বিভক্ত দক্ষিণ ভিয়েতনামের দুর্নীতিগ্রস্থ শাসক নো দিন্ দিয়েন (Ngo Dinh Diem)- এর প্রশাসনের অত্যাচারের কারণে। এই কাহিনীর সূত্রপাত হয় ৮ই মে, ১৯৬৩ তে। সেই দিন ছিল বুদ্ধ পূর্ণিমা অর্থাৎ গৌতম বুদ্ধের জন্মদিন। পাঁচশো বৌদ্ধ ধর্মের মানুষ তাদের ধর্মের পতাকা নিয়ে একটি ধর্মীয় মিছিল করেন।

সেই সময়ে দক্ষিণ ভিয়েতনামে বৌদ্ধ বা অন্য কোনো ধর্মের পতাকা নিয়ে মিছিল নিষিদ্ধ ছিল। ৯০ শতাংশের মতো বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী মানুষের দেশে শাসক ছিল সামরিক স্বৈরাচারী Ngo Dinh Diem যে নিজে ছিল ক্যাথলিক ক্রিশ্চান ধর্মের মানুষ। এই কারণে এমনিতেই দেশটিতে একটি চাপা ক্ষোভ শুরু হয়েছিল অতঃপর তার বহিঃপ্রকাশ হতে শুরু করে যখন তার নিজের ভাই আর্চ বিশপ হওয়ায় দেশে ভ্যাটিকান পতাকা নিয়ে উৎসব করা শুরু করে। এরই বহিঃপ্রকাশ করতে ওই বৌদ্ধ পূর্ণিমার মিছিলে বৌদ্ধরা তাদের পতাকা নিয়ে মিছিল করে নিজেদের অধিকার রক্ষার একটি প্রতীক হিসেবে।

ক্রমশ এই মিছিল অশান্ত হতে থাকে , এর প্রতিক্রিয়া হিসেবে Ngo Dinh Diem এর প্রশাসন সেনা তলব করে। গুলি চলে, গ্রেনেড মারা হয় মিছিলে এবং গাড়ি চালিয়ে দেওয়া হয় নিরস্ত্র মানুষের উপর। এই দমন পীড়ন এর কারণে তাৎক্ষণিক ভাবে ৯ জন মারা যায় যার মধ্যে ছিল দুটি শিশু।

এইরকম এক অগ্নিগর্ভ সময়ে ১০ই জুন, এসোসিয়েটেড প্রেস এর সায়গন (বর্তমান হো চি মিন সিটি ) এর প্রধান সংবাদদাতা ম্যালকম ব্রাউনি খবর পান কিছু একটা ঘটতে চলেছে কম্বোডিয়ার দূতাবাসের বাইরে। তিনি খবরটি বিশ্বাস করেন এবং অকুস্থলে পৌঁছান। তিনি জানতেন, বৌদ্ধরা ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেছে,এর মধ্যেই তারা পাঁচ দফা দাবি পেশ করেছিলেন যার প্রধান ছিল রাষ্ট্রে ধর্মীয় নিরপেক্ষ নীতি এবং ওই মৃত মানুষগুলির জন্য বিচার।

 

অতঃপর ওই দিনে ব্রাউনি সেই বৌদ্ধ সন্ন্যাসী থিক কোয়াং ডককে দেখেন আরো শতিনেক সন্ন্যাসী এবং সন্ন্যাসিনীর সাথে। মূলত, বাকি মানুষগুলো এই সন্ন্যাসীকে পথ ছেড়ে জায়গা করে দেন। অতঃপর শহরের মধ্যভাগে এসে পথের মাঝে ধ্যানের ভঙ্গিতে একটি সাদামাটা আসনের উপর তিনি বসে পড়েন।

থিক কোয়াং-কে নিয়ে আসা গাড়িতেই ছিল একটি ৫ গ্যালন (১৯ লিটার ) এর মতো পেট্রল। পদ্মাসনে বসা এই সন্ন্যাসী ধ্যানের ভঙ্গিতে বসা অবস্থায় আর এক সন্ন্যাসী এসে তার উপর ওই পুরো পেট্রল ঢেলে দেন। এমতবস্থায় সন্ন্যাসী স্থির বসে বৌদ্ধ শাস্ত্র উচ্চারণ করছিলেন শান্ত ভঙ্গিতে।

ব্রাউনির ভাষায়, তিনি সেই মুহূর্তে বুঝতে পারেন, কি হতে চলেছে।তার ক্যামেরা চালু হয়, তুলতে থাকেন একের পর এক ছবি যত দ্রুত তুলতে পারেন। সাধারণ মানুষের কেউ তখনো বুঝতে পারেনি কি হতে চলেছে যতক্ষন না থিক কোয়াং তার কাছে একটি দেশলাই বাক্স রেখেছিলেন। মন্ত্র পাঠ শেষ করেই তিনি গায়ে আগুন লাগান। এক মুহূর্তেই এক লেলিহান শিখায় জ্বলে ওঠে তার গোটা শরীর।

প্রত্যক্ষদর্শী মানুষরা আতঙ্কে বিস্ময়ে দিশাহারা হয়ে ওঠেন। তাদের সমবেত হাহাকার আর চিৎকারের মধ্যেই এক বৌদ্ধ সন্ন্যাসীর মাইকে ঘোষণা শোনা যায়, “এক বৌদ্ধ সন্ন্যাসীর আত্মহুতি হলো, তিনি শহীদ হলেন”; অগ্নিনির্বাপক দফতরের মানুষ ইতিমধ্যে চেষ্টা করেছিল কিন্তু জায়গা পায়নি যাতে ওই অকুস্থলে প্রবেশ করতে পারে। দমকলের সামনে মানব ঢাল হয়ে শুয়ে পরে বাকি সন্ন্যাসীরা।

এই সার্বিক অব্যবস্থা আর দিশাহারা অবস্থায় একটি মানুষই শান্ত ছিলেন, তিনি হলেন থিক কোয়াং নিজে। ব্রাউনি এবং অন্য প্রত্যক্ষদর্শীর ভাষ্য অনুযায়ী এই প্রচন্ড দহনের জ্বালা তাকে এক ফোঁটা অস্থির করে নি। একটি আর্ত চিৎকার বা কোনো নড়াচড়া দেখেননি কেউ। দশ মিনিটের মধ্যেই একটি পোড়া কাঠের মতো তিনি মাটিতে পড়ে যান।

আগুন নিভে গেলে, গৈরিক কাপড়ে আচ্ছাদিত করে বাকি সন্ন্যাসীরা তার দেহ একটি কাঠের কফিনে করে তাদের প্যাগোডায় নিয়ে যান। এসেছিলেন ৩৫০ সাথীকে নিয়ে। ফিরে যান হাজার মানুষের সাথে। হ্যাঁ, এর সাথে ছিল কিছু পুলিশ কর্মী যারা তাদের কর্তব্যরত অবস্থা ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন এর পরেই।

সন্ধ্যে ৬টায় আনুষ্ঠানিক ভাবে তার মৃতদেহের শেষকৃত্য হয় অর্থাৎ তাকে চিতায় জ্বালানো হয়। এরপরেই আবার মিলিটারি শাসকের পুলিশ ওই সন্ন্যাসীদের টেনে হিঁচড়ে নিয়ে এসে গ্রেফতার করে,হায় ততক্ষনে অনেক দেরি হয়ে গিয়েছে। ব্রাউনি গোপনে তার তোলা ছবি এক অনামা কিন্তু তার বিশ্বস্ত বিমানযাত্রীর হাতে পাঠিয়ে দিয়েছেন আমেরিকাতে। পরেরদিন সকালে গোটা বিশ্বের কাছে পৌঁছে যায় তার তোলা সেই ঐতিহাসিক ছবি।

ব্রাউনির ভাষায়, “ছবি সব কথা বলেনি। সেই সময়ের পেট্রোলের গন্ধ, পোড়া মাংসের গন্ধ আর সন্ন্যাসীদের হাহাকারে কান পাতা যাচ্ছিল না। সে বড় অসহনীয় দৃশ্য।”

শোনা যায় , পরের দিন প্রেসিডেন্টের চেয়ারে বসা কেনেডি এই শিরোনামের ছবিটি দেখে স্বগতোক্তি করেছিলেন, “জিসাস ক্রাইস্ট!”, অতঃপর ভিয়েতনাম আর স্থানীয় ইস্যু ছিল না। গোটা আমেরিকা আর পশ্চিম দুনিয়ার সাথে এশিয়া ও বাকি পৃথিবীর আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছিল। অনেকের ‘জান কি দুশমন ‘ আমেরিকার একটি জিনিস অতীব শ্রদ্ধার, তা হলো এর গণতান্ত্রিক কাঠামো এবং মানুষের প্রতিবাদের অবাধ সুযোগের অবস্থান।

আমেরিকার অভ্যন্তরীণ প্রতিবাদ আর সমর্থন এর ঢেউ ওঠে এই বিষয়ে। অতঃপর আমেরিকা তাদের পেটোয়া প্রেসিডেন্ট দিয়েমকে চাপ দেয় বৌদ্ধ সন্ন্যাসীদের সাথে আলোচনা এবং এর সমাধানের জন্য ব্যবস্থা নিতে। আমেরিকার দক্ষিন ভিয়েতনামের রাষ্ট্রদূত এবং তৎকালীন সেক্রেটারি অফ স্টেট্ এর প্রবল চাপে এই স্বৈরাচারী শাসক রাজি হয় বৌদ্ধদের সাথে আলোচনা করতে। বাস্তবিক কোনো আলোচনা বা কোনো সুবিধা দিতে মোটেই রাজি ছিল না এই স্বৈরশাসক। জনগনের প্রবল ক্ষোভ আরো বেড়ে যায় যখন এই দিয়েমের শ্যালিকা এই বৌদ্ধ সন্ন্যাসীর আত্মহুতিকে একটি শিককাবাব এর আয়োজন হিসেবে নেক্কারজনক ভাবে ব্যঙ্গ করে।

মানুষ ধরেই নেয় ওই ব্যঙ্গ স্বয়ং দিয়েমের সমর্থনেই হয়েছে। এই সমর্থন যে ছিল তার প্রমানও আসে কিছু দিন পরেই। মৃত থিক কোয়াং ততদিনে আরো ভীতির কারণ হয়ে উঠেছিলেন দিয়েমের কাছে। একদল বিশেষ বাহিনী পাঠিয়ে ওই থিক কোয়াং এর চিতাভস্ম নিয়ে আসার মূর্খামি করে বসে এই স্বৈরশাসক। ততক্ষনে দুই বৌদ্ধ সন্ন্যাসী ওই চিতাভস্ম নিয়ে পালিয়ে যান।

এরপর দিয়েমের শেষের ঘন্টা বেজে যায়। জাতীয়তাবাদী তকমাধারী আর এক মিলিটারি শাসক ডং ভ্যান মিন তাকে উৎখাত করতে তৎপরতা শুরু করে। সি এই এ র সমর্থন এবং উৎসাহে মিন আর তার সহযোগী ফৌজি শক্তি আক্রমন করে দিয়েমের ভবন। নভেম্বর ১ তারিখে এই ঘটনা বা ক্যু সংগঠিত হয়। যথারীতি কিছু হাতে গোনা সহযোগী ছাড়া কেউ বাধা দেয়নি।

দিয়েম আর তার ভাই তাদের ক্যাথলিক একটি চার্চের ভিতরের সুড়ঙ্গ দিয়ে পালানোর চেষ্টা করে কিন্তু বেশি দূর যেতে পারেনি। সূর্যদয়ের আগেই তাদের ধরে ফেলা হয়। অতঃপর তাদের গুলি করে মেরে ফেলা হয়। থিক কোয়াং এর মৃত্যু ঋণ চুকাতে হয় কয়েক মাসের মধ্যেই।

শুরুতে একটা বই এর কথা বলেছিলাম আশা করি আপনাদের মনে আছে , হ্যা ,এন্টোনি রবিন্সের ওই বইটি। ওতে একটা কথা আছে যা আমার কাছে অতীব গ্রহণযোগ্য,মানুষ সিদ্ধান্ত নিতে পারলে অসাধ্য সাধন করতে পারে। সেই কাজ ভালো ও হতে পারে আবার খারাপ কিন্তু পারে। এই আত্মহনন ধাঁচে অতীতে একই কাজ প্রচুর মানুষ করেছে হয়তো ভবিষ্যতেও হবে। আবার বলছি এই কাজটিকে আমি মোটেই অলৌকিক বা ঐরকম কিছু মনে করি না। আপনি যদি একটু পেইন ম্যানেজমেন্ট এর উপর একটু শরীরবিজ্ঞানের লেখাগুলো দেখেন তা হলেই বুঝবেন ওটা কেন।

কিছু প্রশ্নের উদয়ঃ

১. পুরো ঘটনার বিবরণ আর ভিডিও গুলো একটা জিনিস পরিষ্কার করে, এই কাজটি পূর্বপরিকল্পিত এবং প্রস্তুতি নিয়ে করা।
২. কোনো আফিমের মতো ড্রাগ মানে ব্যাথা উপশমের কিছু আগে উনি নিয়েছিলেন কি না ওটা পরিষ্কার না।
৩. মানুষটির কাজ মহৎ উদ্দেশ্যে না সমসাময়িক কোনো আবেগের ফলে হয়েছিল ওটা আজ নির্ণয় না করা গেলেও এই কাজটির সঙ্গে প্রচুর মানুষের যোগ এবং একত্রে কাজ করার প্রমান পাওয়া যাচ্ছে।
৪. প্রায় ঈশ্বরের অবস্থানে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল এর পরে। অর্থাৎ সেই একটি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ এর পুরোনো প্রয়াস।
৫. মনে রাখবেন, ব্যাথা কিন্তু অনেক বেশি আপেক্ষিক। না, আমি ঐ সন্ন্যাসীর এই কাজকে মোটেই সাধারণ কোনো প্রয়াস বলছি না তবে আবার বলছি , যন্ত্রনা আপেক্ষিক আর তার ধারণ ক্ষমতা মানুষ ব্যতিরেকে আলাদা হয়।
৬. কাজটি কোনো মহৎ উদ্দেশ্য সাধন করে না অর্থাৎ আত্মহনন কোনো আদর্শ পন্থা না। এই পথে তো পৃথিবী সাফ হয়ে যাবে ,কারোর প্রতিবাদের রাস্তা যদি ওটাই হয়!
৭. থার্ড বা ফোর্থ ডিগ্রির দহন নার্ভ কেন্দ্রগুলোকে শেষ করে দেয় অর্থাৎ প্রাথমিক যন্ত্রণার পরবর্তী ধাপে আর কোনো জ্বালা বা যন্ত্রণা মস্তিষ্কে পৌঁছায় না।

এই প্রসঙ্গে প্রাসঙ্গিক খবর হলো, সন্ন্যাসীর মতো একই কাজ করে বেশ কিছু মার্কিনি তার পরের কিছু বছরের মধ্যেই। একই কাজের সূত্রপাত দেখা যায় চীনের দখলদারির বিরুদ্ধে এক তিব্বতি আত্বহনন এর মধ্যে। উদ্দেশ্য যাই হোক, এই আত্বহনন এর কাজ দেখতে পেয়েছি বর্তমানের অজস্র ঘটনায় যার উদাহরণ আপনারা ও জানেন। আবার বলছি, আমি কাজটিকে মোটেই কোনো মহত্তর শিরোপা দিতে রাজি না!

উপসংহারে মানে শেষ পাতে অবিশ্বাসীর কিছু সংযোজনঃ

একটি ছোট মেয়ে যে আমার সাথে এই প্রাথমিক ভিডিওটি দেখেছিল তার কথা দিয়ে। তার বক্তব্য, ওই আশেপাশের লোকগুলোকে (পুলিশ প্রশাসনের আর সন্ন্যাসী ইত্যাদিকে) ভালো রকম ধোলাই দেওয়া উচিত ছিল এই কাজটি দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখার জন্য। আমি তাকে সমর্থন করি আরো সম্মান করি বর্তমান প্রজন্মের কিশোর কিশোরীদের তবে, এই দাঁড়িয়ে দেখা তো আজো চলে তাই ওই কিশোরীকে বলতে পারি নি, “কতজন কে ধোলাই দিবি ? আমরা আজো দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখি কিন্তু এগিয়ে আসি কোথায় ?”

Most Popular

আর দশটি নিউজপোর্টালের মত যাচ্ছেতাই জগাখিচুড়ি না, "নিয়ন আলোয়" আমাদের সবার লেখা নিয়ে আমাদের জন্যই প্রকাশিত হওয়া বাংলা ভাষায় প্রথম পূর্ণাঙ্গ অনলাইন ম্যাগাজিন।

আজকের আলোচিত

Copyright © 2016 Neon Aloy Magazine

To Top