টুকিটাকি

প্রসঙ্গ: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

প্রসঙ্গ: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়- Neon Aloy

এখানে শুরুতেই বলে রাখতে চাই, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ছাত্র হিসেবে আমার কখনই মনে হয় না এ বিশ্ববিদ্যালয় শুধু এর ছাত্রদের। ভাষার দাবিতে, বাংলাদেশ সৃষ্টিতে, গণতন্ত্রের মুক্তিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদানের জন্যই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় একটি সার্বজনীন প্রতিষ্ঠান। বঙ্গবন্ধু যেমন দল মত নির্বিশেষে সবার, তেমনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ও এদেশের সবার। এখানে দ্বিমত করার কোন সুযোগ নেই। তাই পুরো দেশ এ বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল গৌরবের অংশ, আবার একই সাথে কলঙ্কেরও ভাগীদার। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে আপন ভাবার জন্য আপনার বাংলাদেশি হলেই চলবে। ছাত্র হওয়াটা বাধ্যতামূলক না।

১৯২১ সালে যখন প্রতিষ্ঠিত হল বিশ্ববিদ্যালয়টি, খুব অল্প সময়েই তৎকালীন ভারতবর্ষের একমাত্র আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে নাম করে নেয় এটি। সারা ভারতবর্ষ থেকে সেরা স্কলারদের শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে এ নিয়ে বেধেও যায় কখনো কখনো (কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়য়ে তখন শুধু এম এ ডিগ্রি দেয়া হত) ৬০০ একর সরকারি খাস জমিতে এর শুরু হলেও স্থাপনা বলতে গেলে ছিলই না। তৎকালীন ঢাকা কলেজ (বর্তমান হাইকোর্ট এর পাশে সরকারি গোয়েন্দা সংস্থার কোন গোপনীয় কাজে ব্যাবহার হয় এখন ভবনটি) আর রাস্তার এপারের ঢাকা কলেজের হল(বর্তমান ফজলুল হক হল) এই ছিল শুরু। এমনকি ফজলুল হক হলের সামনের রাস্তাটা এখনো ‘কলেজ রোড’ নামে পরিচিত। এখন আমরা ঢাকা মেডিকেলের বহিঃবিভাগ বলে যে বিল্ডিংটা চিনি, শহীদ মিনারের পিছনে, সেটা ছিল কলা ভবন। নিচতলায় হত ক্লাস, আর উপরে ছাত্রদের হল। আর কার্জন হল তো ছিলই।

জগন্নাথ হলের প্রথম প্রভোস্ট এবং পরবর্তীতে উপাচার্য আর সি মজুমদারের বাসভবন ছিল চামেরি হাউজ (বর্তমানে CIRDAP এর প্রধান কার্যালয়) যেটি পরবর্তীতে ছাত্রীদের থাকার জন্য ব্যবহার হত।

এগুলা কেন বলছি? দেখুন তো এর মধ্যে কয়টা স্থাপনা এখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আছে? ৬০০ একর জায়গার কতটুকু এখন অবশিষ্ট আছে? স্যাক্রিফাইসের শুরু সেখানেই।

স্যাক্রিফাইস?

সেটা কিসের?

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কি চাইলেই পারতো না যে কম ছাত্র নিবো। এতে শিক্ষার মান ভাল থাকবে? কিন্তু করেনি। কারণ দেশের চাহিদা মেটাতে হলে সবচেয়ে বেশি ছাত্র নিতে হবে। যাতে সবচেয়ে বেশি ছাত্র গ্র্যাজুয়েট হয়ে চাকরি বাজারে প্রবেশ করতে পারে। এখানেও আপোস করল। শিক্ষার মানের সাথে আপোস। দেশের ভালোর জন্য।
বাংলাদেশ এখন একটি নিম্ন মধ্যম আয়ের উন্নয়নশীল রাষ্ট্র। উন্নতি হচ্ছে। কিন্তু এই উন্নয়নকে টেকসই করতে লাগবে দক্ষ প্রশাসন। সেটা আসবে কোথা থেকে?
এখানেও ঢাকা বিশবিদ্যালয়ের আপোস। সব ছাত্র এখন বি.সি.এস. এর পেছনে ছুটছে। যত বেশি প্রতিযোগিতা, তত বেশি দক্ষ বি.সি.এস. ক্যাডার, সবচেয়ে বেশি বি.সি.এস. ক্যাডার যাচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। দেশের টেকসই উন্নয়নের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আবার আপোস করল। জ্ঞানের সাথে আপোস। লাইব্রেরিতে আর কেউ বই পড়ার জন্য যায় না, রিসার্চের জন্য যায় না। যায় গাইড বই পড়ে বিসিএস ক্যাডার হওয়ার জন্য। বিসিএস প্রসেসটা যুগোপযোগী কিনা সেটা অন্য আলোচনার ব্যাপার। যারা যাচ্ছে তারা আসলেই মেধাবি কিনা সেটা হচ্ছে প্রশ্ন।

তারপর আসি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বহিরাগতের আগমন নিয়ে। আমি আগেই বলেছি এ বিশ্ববিদ্যালয় সবার। বিভিন্ন উৎসবে তাই যেকোন ধর্ম, বর্ণ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সকলের এখানে এসে উদযাপনটা অবশ্যই স্বাগত জানানোর মত। কিন্তু অন্য সময়? এখানেও স্যাক্রিফাইস। ঢাকা শহরের এদিকটায় ঘুরতে যাওয়ার মত জায়গা বলতে এক ধানমন্ডি লেক। এই এক কোটি মানুষ তাহলে কোথায় যাবে? আচ্ছা! ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জায়গাটা ভাল না? সবুজ গাছপালা, চওড়া রাস্তা আছে না অনেক? হ্যাঁ! আচ্ছা! ওদের হল সংকট? ক্লাসরুম সংকট? আচ্ছা ব্যাপার নাহ! ঢাকার মানুষের ঘোরার জায়গার সংকট তারচেয়ে বেশি গুরুতর। তাহলে ক্যাম্পাসে দুই একটা মুক্তমঞ্চ আর কিছু বসার বেঞ্চি বানিয়ে দেওয়া হোক। মানুষজন আসুক। ঘুরুক। মন ফুরফুরে করুক! ক্লাসের পরিবেশ নষ্ট হবে? আর এখানে যে মানুষ বিনোদনের অভাবে মরছে? সেটা কে দেখবে?

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতর দিয়ে গাড়ি না চললে যে জ্যামের কারণে মৃতপ্রায় শহর মৃত্যুবরণ করবে সেটা কে দেখবে? কে আর! ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ই দেখবে। যে বিশ্ববিদ্যালয় দেশ স্বাধীন করতে পারে, সে মৃতপ্রায় শহরকে অক্সিজেন (আক্ষরিক ও অলংকারিক উভয়ার্থে) দিয়ে বাঁচানোর চেষ্টা করবে না?
পার্কের ব্যাপারটায় মানুষ দ্বিমত করতে পারে। তারা আমাকে এই ব্যাখ্যাটা দিক, কলা ভবনের সামনে দুইজনে বসার জন্য যে বেঞ্চিগুলো দেওয়া হয়েছে, সেগুলো কি গ্রুপস্টাডির জন্য? দুইজন মিলে?

আমাদের সদ্য সাবেক উপাচার্য স্যার প্রায়ই একটা কথা বলতেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সবচেয়ে কম খরচে দক্ষ স্নাতক তৈরি করে। কথাটা সত্য। শুধু “দক্ষ” কথাটা বাদ যাবে। আবার এই দক্ষতা যাচাইয়ের জন্য যে কর্মক্ষেত্র লাগে, সেটাও এদেশে তৈরি হয় নি। ফিজিক্স পড়ল একটা ছেলে। তার চাকরি কোথায় দেশে? তার গবেষণার জায়গাটা কোথায়? বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা হচ্ছে না, বিশ্ববিদ্যালয় জ্ঞান উৎপাদন করতে পারছে না। ছাত্ররা মানবেতর জীবন যাপন করছে। ক্লাস রুমে স্থান সংকুলান হয় না। সব কথাই সত্য। আবার দেখা যায় দক্ষ শিক্ষকেরা গবেষণার অভাবে মাছি তাড়াচ্ছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যে শিক্ষক গবেষণার জন্য মাসে সবচেয়ে বেশি টাকা পান, সেই টাকার পরিমান এক হাজারের চেয়েও কম।

কিন্তু তার চেয়ে বড় সত্য হল, আমরা এ অভিযোগগুলো যতটা না করি হতাশা থেকে, তার চেয়েও বেশি করি পড়াশোনা না করার অযুহাত হিসেবে।
যে প্রতিষ্ঠানটা আমাদের আছে, আমরা কি সেখান থেকেই নিজেদের সেরাটা বের করে আনতে পারি না? ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় যে ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল গুলোতে ছাত্রদের অ্যাক্সেস এর ব্যবস্থা করল, কয়জন ছাত্র তার সদ্ব্যবহার করছে?

আমরা জানি যত মেধাবী তত বিনয়ী। কিন্তু আমাদের এটা শেখানো হয় না যে, তুমি ঢাবি’র ছাত্র, তুমি বিনয়ী হও। সবার সাথে ভাল ব্যবহার কর। বরং শেখানো হয়, আরে মিয়া তুমি ঢাবি’র ছাত্র! অন্যদের পাত্তাই দিও না! একারণেই আমরা মাঝে মাঝে একটু আধটু নীলক্ষেত বা নিউ মার্কেটের কর্মচারীদের পিটিয়ে আসি। আমাদের একটা ভাব আছে না! ওরাও দেখুক কে সেরা! আহম! বিনয়ে না, উগ্রতায়। বাইরের কেউ ক্যাম্পাসে আসলে তার বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম শুনে আমরা তাই অনায়াসে বলে ফেলি, “এইটা আবার কোন ভার্সিটি?”। কারণ আমরাই সেরা! কিন্তু এই উক্তিটা যে আমাদের জ্ঞানের অভাবকে চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়, সেটা আমরা বুঝি না। চারপাশে সেরা’র একটা মেকি বিশাল বলয় আমাদের। সেখানে আঙ্গুলেরই প্রবেশ নিষিদ্ধ। চোখ পর্যন্ত পৌঁছায় না।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র রাজনীতির চারণভূমি। খুবই সত্য কথা। বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া ছাত্রলীগের জন্ম এই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে মুক্তিযুদ্ধ সব আন্দোলনের মূলে ছিল ছাত্রদের রাজনৈতিক সচেতনতা। তাই দল মত নির্বিশেষে সব ছাত্র ১৯৪৮ এ ‘সর্বদলীয় সংগ্রাম পরিষদ’ গঠন করতে পেরেছিল।

আজ? ছাত্রলীগ আর ছাত্র ইউনিয়ন একই দাবিতে মিছিল করছে- ভাবা যায়?

ছাত্র ইউনিয়ন যে একসময় খুবই প্রভাবশালী দল ছিল, সেটা তৎকালীন ছাত্র নেতাদের দেখলেই বুঝা যায়। এখন? সেটা ডাকসুর দেয়ালে চে গুয়েভারার পোরট্রেট আকাতেই সীমাবদ্ধ। আবার সেখানে গ্রামারেও ভুল! লেনিন-চে-মাও করতে করতে মুখে ফেনা তুলে ফেলা বাম নেতাদের মিছিলে মানুষ কয়জন হাতে গুনে ফেলা যায়।
আমরা ছাত্ররা আর রাজনীতি সচেতন নাই। আমরা ‘আই হেইট পলিটিক্স’ প্রজন্মের মানুষ। তাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতিতে অযোগ্যরা ঢুকছে, সেটা দেখে আবার যোগ্যরা হতাশ। তাই তারাও রাজনীতিতে যুক্ত হচ্ছে না। তারা যাচ্ছে না দেখেই আবার সেই শুন্যস্থানটা অযোগ্যরাই দখল করছে। এই দুষ্ট চক্র ভাঙ্গবে কে? ডাকসু?

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিনেটে ছাত্র প্রতিনিধি থাকার কথা। সেটা নেই সেই নব্বই থেকে। থাকলে ছাত্ররা তাদের দাবিদাওয়া তুলতে পারত। তাতে আবার শিক্ষকদের ক্ষতি। শিক্ষক রাজনীতিও আজকাল ছাত্র রাজনীতির মত। মুখ দেখানোটা ফরজ। তাই শিক্ষকেরা ছাত্রদের গায়ে হাত তোলেন সিভি ভারী করার জন্য, প্রকাশিত জার্নালের সংখ্যাটা শুন্যই থাকুক। আর প্রকাশিত হলেও হবে নিজের বিভাগের জার্নালে। আন্তর্জাতিক জার্নালে যেসব লেখা প্লেজারিজমের  জন্য ছাপায় না, সে জিনিস ঢাবি সামাজিক বিজ্ঞান জার্নালে ছাপায়। মান কোথায় নেমেছে?

রাজনৈতিক সচেতনতা না তৈরি হলে গর্ব করার জন্য ঢাবির ওই কয়টা বিল্ডিং আর পুরান আমলের সত্যেন বোসদের ছাড়া আর কিছুই থাকবে না। রাজনৈতিক সচেতনতা নেই বলেই কয়দিন পর পর সরকার আমাদের জায়গা নিয়ে যায়। মেট্রোরেল বসায়। চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীদের বেতন বাড়ানোর আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়ার মত শেখ মুজিব কি তৈরি করতে পারছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়?

আচ্ছা! খুব ভালো কথা যে বাংলাদেশ স্বাধীনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক অবদান। ভাষার জন্য আমরা রক্ত দিয়েছি। কিন্তু একটা বিশ্ববিদ্যালয়ের যেটা মূল কাজ? জ্ঞান উৎপাদন? সেটাতে আমরা কতটুকু সফল? হ্যাঁ আমাদের ছাত্ররা বাইরে যাচ্ছে, সেখানে নাম করছে। কিন্তু আমরা কবে ঢাবিতে থেকেই নাম করতে পারব? পাশের দেশ ভারতের একজন ছাত্র ভারতেই অনার্স-মাস্টার্স-পি.এইচ.ডি. করে ইউরোপ আমেরিকার সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্যাকাল্টি হয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশের কয়জন বাংলাদেশে পড়াশোনা শেষ করে বাইরে ফ্যাকাল্টি হচ্ছে? যারা সেখানে ফ্যাকাল্টি, সবারই মাস্টারস-পি.এইচ.ডি. দেখা যায় সেখানেই! একটু গভীর ভাবে চিন্তা করলে দেখা যায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার দিক থেকেই হোক আর রাজনীতি চর্চার দিক থেকেই হোক, বাংলাদেশ আমলের চেয়ে পাকিস্তান আমলে বেশি সফল ছিল! এই লজ্জা আমরা কোথায় রাখি?

তখন বিশ্ববিদ্যালয়ে কাজী মোতাহার হোসেন, ডঃ মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, আব্দুর রাজ্জাক স্যারদের আনাগোনা ছিল। আর এখন রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অনেক ছাত্র পর্যন্ত জানে না যে তার বিভাগে আব্দুর রাজ্জাক চেয়ার আছে।

এখনো দেশের সেরা ছাত্ররা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়। এখনো প্রচুর দক্ষ শিক্ষক আছেন। তারা প্রচুর ছাত্রকে অনুপ্রাণিত করছেন। বিশ্বমানের অনেক কাজ হচ্ছে। বৈশ্বিক অনেক প্রতিযোগিতায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন হচ্ছে। মোটামুটি আত্নবিশ্বাসের সাথেই বলে দেওয়া যায় ঢাবি এখনো দেশের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়। তাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা গর্ব করতেই পারে। কিন্তু আমরা যেটা ভুলে যাই, পৃথিবীটা এখন গ্লোবাল ভিলেজ। আমাদের প্রতিযোগিতাটা আর দেশের গন্ডিতে নেই। সারা বিশ্বে। সেই প্রতিযোগিতায় আমাদের প্রবেশ করতে হবে। বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় লড়াইয়ের জন্য আমাদের প্রস্তুত হতে হবে। আমাদের পূর্বসূরিরা যেসব সুবিধা পেয়েছেন, আমরা তার থেকে অনেক বেশি সুবিধা পাচ্ছি। সুযোগ সুবিধার সর্বোচ্চ ব্যবহার করতে হবে। তখন আর আমাদের অভিযোগ করা লাগবে না, বরং সমাধানটাও আমরাই বের করতে পারব। তখনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তার হৃত গৌরব ফিরে পাবে। শুধু ঢাবি ছাত্ররা না, প্রতিটা বাংলাদেশী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে গর্ব করবে। তখন আরো জোর গলায় বলতে পারব,

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সবার! Truth shall prevail!

লেখকঃ রহিস-উজ-জামান শিশির

[আপনার প্রিয় ক্যাম্পাসের কথা সবাইকে জানাতে চান? তাহলে, আপনার ক্যাম্পাসের গল্প শেয়ার করুন আমাদের সাথে। পাঠিয়ে দিন NEONALOYMAG@GMAIL.COM এই ঠিকানায়!]

Most Popular

আর দশটি নিউজপোর্টালের মত যাচ্ছেতাই জগাখিচুড়ি না, "নিয়ন আলোয়" আমাদের সবার লেখা নিয়ে আমাদের জন্যই প্রকাশিত হওয়া বাংলা ভাষায় প্রথম পূর্ণাঙ্গ অনলাইন ম্যাগাজিন।

আজকের আলোচিত

Copyright © 2016 Neon Aloy Magazine

To Top