ইতিহাস

মাতা-হারিঃ বিশ্বাসঘাতকতার শিকার এক গুপ্তচর

মাতা-হারিঃ বিশ্বাসঘাতকতার স্বীকার এক গুপ্তচর- নিয়ন আলোয়

মাতা হারি, একজন অসাধারণ নর্তকী হিসেবে যতটা পরিচয়, তার চেয়ে বেশি পরিচিত গুপ্তচর হিসেবে। সময়ের চেয়ে আধুনিক এই নারী আজ থেকে শত বছর আগেই ভেঙ্গেছিলেন তৎকালীন সমাজে মেয়েদেরকে চারদেয়ালের আড়ালে বন্দী করে রাখার নিয়মগুলো। কিন্তু এই প্রথা ভাঙ্গার মূল্য  হয়তোবা তাকে নিজের জীবন দিয়েই দিতে হয়েছিল।

পরিচয়
মাতাহারির আসল নাম ছিল মারগারেথা জিল্লে। ১৮৭৬ সালে দক্ষিন হল্যান্ডে জন্ম নেওয়া জিল্লেকে একদম শৈশবে দেখেই বোঝা যেত যে তার জন্ম হয়েছে অসাধারণ কিছু হওয়ার জন্য। তখন থেকেই দৃঢ়, উজ্জ্বল এবং নানা ভাষায় পারদর্শী মারগারেথাকে দেখে সবাই মুগ্ধ হত। ঐতিহ্যবাহী আইরিশদের মত শঙ্খ সাদা রঙ এবং ব্লন্ড করা আকর্ষণীয় চুলের কারণে মারগারেথার সহপাঠীরা তাকে সাধারণ ঘাসফুলদের মাঝখানে এক ‘অপূর্ব অর্কিড’ বলে সম্বোধন করত।

মাতা-হারিঃ বিশ্বাসঘাতকতার শিকার এক গুপ্তচর

মাতা হারি

ছোটবেলাতেই মারগারেথা শিখে গিয়েছিল যে, পুরুষদের খুশি করতে পারলে সে যা চায় তার সবটাই পাওয়া সম্ভব। তাই সে নিজের বাবাকে অনেক পছন্দ করত এবং বিনিময়ে সেও ছিল সন্তানদের মধ্যে সবচেয়ে প্রিয়।
 তবে ১৮৮৯ সালে মারগারেথার বাবা পরিবারকে ছেড়ে অন্য এক মহিলার হাত ধরে পালিয়ে যান এবং তার কয়েকবছর পরেই মাও মারা যান।
 মা মারা যাওয়ার পরে মারগারেথা একদমই বখে যান। যখন ১৪ বছর বয়স, আত্মীয়রা তাকে শিক্ষক হওয়ার জন্য পড়ালেখা করতে দূরের একটা স্কুলে পাঠিয়ে দেন। কিন্তু মারগারেথা দুই বছর পরেই সেই স্কুলের বিবাহিত প্রধানশিক্ষকের সাথে প্রেমের সম্পর্কের জন্য স্কুল থেকে বহিষ্কৃত হন। সেখান থেকে বাড়ি না এসে তিনি চলে যান হেগ নামের পাশের এক শহরে। হেগ শহর তখন তৎকালীন ডাচ ইস্ট ইন্ডিজ (বর্তমান ইন্দোনেশিয়া) থেকে আসা যুবক কলোনিয়ালে ভরপুর ছিল।

বিয়ে আরেক দুঃখের অধ্যায়
১৮ বছর বয়সে বিরক্ত, দরিদ্র এবং এডভেঞ্চারের জন্য উন্মুখ মারগারেথা পত্রিকায় একটি বিয়ের বিজ্ঞাপন দেখেন। ক্যাপ্টেন রুডলফ নামের এক অফিসার সেখান “আকর্ষণীয় চরিত্রের এক মেয়ে”কে বিয়ের জন্য বিজ্ঞাপন দিয়েছিলেন। মারগারেথার কাছে এই বিয়েটাকে তার জন্য উপযুক্ত মনে হলো। তখনকার দিনে ইন্দোনেশিয়ায় বাস করা অফিসাররা অনেক ঐশ্বর্যের মালিক বলে সবাই মনে করত, মারগারেথাও এই স্বপ্নে বিভোর হয়ে পড়ে। পরবর্তীতে এক সাক্ষাৎকারে বিয়ে নিয়ে তিনি বলেছিলেন “ আমি সূর্যের আলোয় প্রজাপতির মত বাঁচতে চেয়েছিলাম”।

রুডলফ আর তার সাক্ষাতের ছয়দিনের মধ্যেই দুইজনে বাগদান সেরে ফেলেন এবং ১৮৯৫ সালের জুলাইয়ে তাদের বিয়ে হয়। 
কিন্তু মারগারেথা যেমন চেয়েছিলেন বিয়ের ফলাফল তেমন হয়নি। রুডলফের বাজারে অসংখ্য দেনা এবং পরনারীতে আসক্তির কারণে তাদের আর্থিক অবস্থা ছিল খুবই করুণ।প্রথম পুত্র নরমান-জনকে নিয়ে জাহাজে করে ডাচ ইস্ট ইন্ডিজে চলাকালে মারগারেথা আবিষ্কার করেন যে, বহুগামী রুডলফের কাছ থেকে মারগারেথার শরীরে সিফিলিস রোগ এসেছে। তখনকার সময় ডাচ কলোনিয়াল সৈন্যদের শরীরে এই রোগ ছিল সাধারণ এবং সেই সময় এই রোগের কোনো ওষুধও আবিষ্কার হয়নি।

মাতা-হারিঃ বিশ্বাসঘাতকতার শিকার এক গুপ্তচর

মাতাহারির স্বামী ও কণ্যা

কলোনিতে পৌছে রুডলফ আগের মত নিজের বহুগামী জীবনে জড়িয়ে পরে। নিসঙ্গ মারগারেথার সৌন্দর্য এবং আচার-আচরণের জন্য অনেক পুরুষ তার প্রতি আকৃষ্ট হয়। ১৮৯৮ সালে লুইস জিনি নামে তাদের এক কন্যা সন্তান জন্মালেও সংসারের তেমন কোনো পরিবর্তন হয়নি। ১৮৯৯ সালে রুডলফকে গ্যারিসন কমান্ডার হিসেবে ডাচ ইস্ট ইন্ডিজের অন্য এলাকায় বদলি করা হলে তাকে পরিবারকে রেখে সেখানে চলে যেতে হয়। এদিকে দুটো সন্তানই জন্মগতভাবে প্রাপ্ত সিফিলিসের কারণে অসুস্থ হয়ে পরলে রুডলফ বাড়িতে এসে বেইস ক্যাম্পের ডাক্তারকে ডাকে চিকিৎসার জন্য। কিন্তু সেই ডাক্তার প্রাপ্তবয়স্কদের চিকিৎসা করে অভ্যস্ত ছিলেন, তাই বাচ্চাদের তিনি বয়সের তুলনায় বেশি ডোজের ওষুধ দিয়ে দেন। ফলস্বরূপ, দুই বছরের নরমান জন বমি করতে করতে মারা যায়। এই মৃত্যুর খবর এবং মৃত্যুর কারণ পুরো বেইস ক্যাম্পে ছড়িয়ে পড়ায় দূরের একস্থানে রুডলফের বদলি হয়ে যায়। এরপর মারগারেথা আর রুডলফের সংসার ভেঙে যায় এবং নেদারল্যান্ডে এসে তারা ডিভোর্স নেয়। মেয়েটিকে রাখার কাস্টডি প্রথমে মারগারেথাকে দেওয়া হলেও পরবর্তীতে রুডলফ কাস্টডি পেয়ে যায়।

পরিবর্তিত এক নারী
এতদেশে ভ্রমণ এবং নিজের ব্যক্তিগত জীবনের দুঃখগুলো মারগারেথার মধ্যে যেন পরিবর্তন এনে দেয়। তিনি এসে হাজির হন প্যারিসে, আত্মপ্রকাশ করেন নর্তকী হিসেবে।
’মাতা হারি’ নামে নিজেকে নামকরণ করেন, যার মালয় ভাষায় অর্থ ছিল “সূর্য” বা “দিনের আলো”। এইনামে প্যারিসের মিউসে গুইমেট নামক এশিয়ান আর্ট মিউজিয়ামে তিনি পূর্বভারতীয় নৃত্য নামে এক প্রদর্শনীর আয়োজন করেন। সমাজের ৬০০ সম্ভ্রান্ত লোকের কাছে অনুষ্ঠানে আসার নিমন্ত্রনপত্র পৌঁছে যায়।

তখনকার দিনে প্যারিসে নারীদের পোশাক-আশাকের প্রতি কিছু বিধিনিষেধ ছিল, মাতা হারি এই বিষয়ে জানতেন। তাই তিনি নিজের প্রায়স্বচ্ছ পোষাক নিয়ে যেন কোনো আইনভঙ্গের দায়ে গ্রেফতার হতে না হয় তার ব্যাবস্থা করেন। মাতা হারি কর্তৃপক্ষকে বলেন, “এটি কোনো সাধারণ নৃত্য নয় বরং একপ্রকার ভারতীয় ধর্মীয় নৃত্য এবং এই নাচের জন্য এমন পোষাকই দরকার”।

সেই প্রদর্শনীতে মারগারেথা মানবমনের লোভ, ঈর্ষা, শখ এবং প্রতিহিংসাকে নিজের আকর্ষণীয় অঙ্গভঙ্গির মাধ্যমে অসাধারণভাবে ফুটিয়ে তুলেন।

দর্শকরা যেন পাগল হয়ে যায় তার এই প্রদর্শনী দেখে, রাতারাতি বিখ্যাত হয়ে যান তিনি। সমাজের সকল সম্ভ্রান্ত লোকেরা মাতা-হারির সঙ্গ পাওয়ার জন্য পাগল ছিলেন, বিনিময়ে তাকে দামী ফারের পোষাক থেকে আরম্ভ করে নানা রকম গয়না এমনকি দামি ঘর দিতেও আপত্তি করতেন না।

যুদ্ধের ডামাডোল
আস্তে আস্তে বয়স বাড়ার সাথে সাথে মাতা-হারির নাচের ক্যারিয়ার অস্তমিত হতে থাকলেও তা তখনো সম্ভ্রান্তদের কাছে লোভনীয় ছিল।
 তখন এসে হাজির হয় প্রথম বিশ্বযুদ্ধ, চারিদিকে নেমে আসে দুর্যোগ। সাধারণ মানুষেরা অবর্ণনীয় দুর্দশায় পড়লেও এসবের কোনো কিছুই মাতা-হারির কাছে মুখ্য বিষয় ছিলনা। 
যুদ্ধের এই ডামাডোলের মধ্যেও মাতাহারির বিভিন্ন দেশে ভ্রমন অব্যাহত থাকে। এর ফলে তিনি সরকারের গুপ্তচরবিরোধী দপ্তরের নজরে পড়ে যান।

১৯১৫ সালে হেগে অ্যামস্টারডামের তৎকালীন জার্মান কনসাল কারল ক্রোমারের আমন্ত্রণে তিনি সেখানে যান। কারল তাকে জার্মানির হয়ে গুপ্তচর বৃত্তির জন্য ২০০০০ ফ্রা (বর্তমান ৬১০০০ ডলার) প্রস্তাব করেন। মনে মনে এই প্রস্তাবে সম্মত জার্মান সৈন্যরা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পরে তার দামি দামি সব জিনিসপত্র পুড়িয়ে দেওয়ার ক্ষতিপূরণ হিসেবে তিনি টাকাটা নেন।পরে সেখান থেকে জাহাজে করে সেই বছর ডিসেম্বরে নেদারল্যান্ডে আসার সময় তার জাহাজটিকে ব্রিটিশ পোর্টে থামানো হয়। মাতা-হারিকে তল্লাশি করে কোনো সন্দেহজনক কিছু পাওয়া না গেলেও অফিসার তার সম্বন্ধে লগ বুকে লিখে রাখেন “কেতাদুরস্ত পোষাক পরা একজন শক্তিশালী চরিত্রের মহিলা, যিনি জার্মানসহ আরো কয়েকটি ভাষায় পারদর্শী। তবে সন্দেহের বাইরে নন এবং তাকে ভবিষ্যতে পুনরায় ব্রিটেনে আসার অনুমতি দেওয়া উচিত হবেনা।”

প্যারিসে পৌঁছে তিনি প্রায় বিধ্বস্ত, গ্র্যান্ড হোটেলে আশ্রয় নেন মাতা-হারি। তিনি সাধারণত পুরুষদের তাকে অনুসরণ করা নিয়ে এতই অভ্যস্ত ছিলেন যে, নতুন গঠিত গুপ্তচরবিরোধী ইউনিটের প্রধান জরজেস লাদোক্স যে তাকে সর্বত্র অনুসরণ করত তিনি বুঝতেই পারেননি। জার্মানদের কোনো তথ্য পাচার করছেন কিনা তা জানার জন্য মাতা-হারিকে সবসময় চোখে চোখে রাখা হত।

১৯১৬ সালে যখন যুদ্ধ একদম খারাপ দিকে যেতে শুরু করল তখন ফ্রান্সের অবস্থা শোচনীয় হয়ে গেলো। এমনকি কিছু ফরাসি সৈন্য আর যুদ্ধ করতে অস্বীকৃতি জানাল। এমন সময় লাদোক্সের মনে হল যে মাতাহারির একজন গুপ্তচর এই দূরবস্থা কাটিয়ে ফ্রান্সকে যুদ্ধক্ষেত্রে কিছুটা চাঙ্গা করতে পারবে।

মাতাহারি তখন ব্যাস্ত ছিলেন ফ্রান্সের হয়ে লড়াই করা রাশিয়ান ক্যাপ্টেন ভ্লাদিমির দে মাস্লফকে নিয়ে। এই পুরুষের প্রেমে পড়ে গিয়েছিলেন মাতা-হারি। বিষাক্ত ফসজিন গ্যাসের কারণে ভ্লাদিমির প্রায় অন্ধ হওয়ার মত হলেও মাতা-হারি তাকে ছেড়ে যাননি এবং তার সাথে বিয়ের প্রস্তাবে রাজি হয়ে যান। মাস্লফের সাথে থাকার জন্য মাতা-হারি তার এক শুভাকাঙ্ক্ষী জিন হ্যালুরের কাছে উপদেশ চান, কিন্তু তিনি জানতেন না যে এই হ্যালুর হচ্ছেন স্পাইচিফ লাদোক্স। তিনি মাতা-হারিকে তাদের প্রধান দপ্তরে নিয়ে যান এবং সেখানে তাকে বলা হয় যে ফ্রান্সের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তি করলে মাতা-হারিকে প্রেমিকের সাথে দেখা করতে দেওয়া হবে এবং সাথে এক মিলিয়ন ফ্রাও দেওয়া হবে।
এই প্রস্তাবে মাতা-হারি রাজি হয়ে যান এবং তাকে স্পেন হয়ে হেগ এ গিয়ে পরবর্তী নির্দেশের জন্য অপেক্ষা করতে বলা হয়।

ফ্রান্সের বিশ্বাসঘাতকতা
মাতাহারি স্পেনে যান এবং সেখান থেকে নেদারল্যান্ডগামী জাহাজে উঠেন, সেখানে আবার আগের মতই তাকে ব্রিটিশ বন্দরে আটক করা হয়। তল্লাশি করে কিছু না পেলেও মাতা হারি কি সত্যিই মারগারেথা জিল্লি নাকি আরেক জারমান মহিলা গুপ্তচর ক্লারা ব্রেনেডিক্স তা নিয়ে সন্দেহ হোয়ায় তাকে আটকে রাখা হয়।
তখন মাতা-হারি মরিয়া হয়ে অফিসারদেরকে বলেন যে তিনি ফ্রান্সের হয়ে গুপ্তচরের কাজ করছেন। তখন ব্রিটিশ অফিসাররা এর সত্যতা জানার জন্য লাদোক্সকে টেলিগ্রাম করলে তিনি বিষয়টি না জানার ভান করেন।

এদিকে স্পেনের মাদ্রিদে থাকার সময় অনেক জার্মান অফিসার তার প্রেমে পড়ে যান এবং মাতা-হারি তাদের কাছ থেকে অনেক তথ্য পান। সেসব তথ্য লাদোক্সকে পাঠালেও কোনো সাড়া আসেনা অপর প্রান্ত থেকে। উলটো মাতা-হারিকে জার্মানদের সাথে হাত মিলানোর দায়ে গোপনে নজরবন্দী করে রাখতে বলা হয়।

মাতা-হারি যখন নিজের পুরস্কার লাভের জন্য এবং মাসালফকে দেখার জন্য প্যারিসে আসেন তখন ১৯১৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে তাকে গ্রেফতার করা হয়, দেশের বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তির দায়ে।

প্রহসনের বিচার
তার মামলার তদন্তকারী ছিলেন কঠোর ম্যাজিস্ট্রেট বলে খ্যাত পিয়েরে বুচারডন, যিনি আগে থেকেই মাতা-হারিকে “পুরুষদের মাথা চিবিয়ে খাওয়া নারী” বলে মনে করে ঘৃণা করতেন। পিয়েরে মাতা-হারিকে তখনকার সবচেয়ে কুখ্যাত সেইন্ট লাজারে জেলে কয়েদ করার নির্দেশ দেন। এডওয়ার্ড ক্লনেট নামে একজন গুণমুগ্ধ প্রেমিক তার হয়ে আইনজীবী হলেও সে ছিল মিলিটারী কোর্ট সম্পর্কে একেবারেই অজ্ঞ।

মাতা-হারিঃ বিশ্বাসঘাতকতার শিকার এক গুপ্তচর

ফায়ারিং স্কোয়াডে মাতা হারির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

নিজের বিপদ বুঝতে পেরে মাতা-হারি প্রাণভিক্ষা চেয়ে আবেদন করলেও তা নাকচ করে দেওয়া হয়, এমনকি হাসপাতাল থেকে আসা মাসালফের চিঠিও তার কাছে পৌঁছতে দেওয়া হয়নি। তার বিরুদ্ধে আনীত সবগুলো অভিযোগই ছিল অনৈতিক কার্যকলাপ নিয়ে এবং তার অমিতব্যায়ীতা সহ নানা আজগুবি বিষয় নিয়ে। গুপ্তচরবৃত্তির মূল অভিযোগ নিয়ে শুধুমাত্র লাদোক্সের বয়ানকেই প্রমাণ হিসেবে ধরা হয় এবং লাদোক্স নিজেকে বাঁচানোর জন্য মাতা-হারির জার্মান সেনাদের নিয়ে পাঠানো মূল্যবান তথ্যগুলোর কথা গোপন রাখে। বেচারা ক্লনেট অনেক চেষ্টা করেও মাতা-হারির জন্য শাস্তি মউকুফের ব্যাবস্থা করতে পারলেননা।

মাতা-হারিঃ বিশ্বাসঘাতকতার শিকার এক গুপ্তচর

মাতাহারীর মৃত্যু সনদ

ফায়ার স্কোয়াডে ১৯১৭ সালের আজকের এই দিনে মাতাহারিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয় গোপনে।
 সেইসময় মৃত্যুদণ্ডের আগে উপস্থিত ব্যাক্তিদের সামনে মাতা-হারি তার জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ নাচের প্রদর্শনী করে যান এবং প্রত্যক্ষদর্শী এক সার্জেন্ট মেজরের মতে, “ও ঈশ্বর! এই মহিলা জানে কিভাবে মরতে হয়”।

Most Popular

আর দশটি নিউজপোর্টালের মত যাচ্ছেতাই জগাখিচুড়ি না, "নিয়ন আলোয়" আমাদের সবার লেখা নিয়ে আমাদের জন্যই প্রকাশিত হওয়া বাংলা ভাষায় প্রথম পূর্ণাঙ্গ অনলাইন ম্যাগাজিন।

আজকের আলোচিত

Copyright © 2016 Neon Aloy Magazine

To Top