ফ্লাডলাইট

উইকেটের পেছনের যোদ্ধারা!!

উইকেটের পেছনের যোদ্ধারা!!

জাতীয় দলে বেশ কিছু দিন ধরে আলোচিত বিষয় উইকেট কিপিং, মুশফিকুর রহিমের কিপিং নিয়ে আগেও আলোচনা সমালোচনা হয়েছে, আলোচনায় প্রায়ই উঠে আসেন লিটন, সোহান, বিজয়রা। কিন্তু বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত কতজন উইকেট কিপার আন্তর্জাতিক পর্যায়ে মাঠে নামিয়েছে সেটা মনেহয় আমরা ভুলেই গিয়েছি! একটু মনে করিয়ে দেয়া যাক উইকেটের পেছনের টাইগারদের কথা!

১) শফিকুল হক হিরা
হিরাকে ধরা হয় স্বাধীন বাংলাদেশের সেরা কিপার, বিশেষকরে স্পিন বোলিং এর বিপক্ষে তার কিপিং ছিলো দূর্দান্ত রকমের। বলের টার্ন বুঝে আগেই উইকেটের দুই দিকে মুভ করতে পারতেন তিনি। সেসময় বাংলাদেশ দলে তিনজন কুয়ালিটি স্পিনার ছিলেন, লিন্টু (বাঁহাতি স্পিনার), রুমি (লেগ স্পিনার) এবং আশরাফুল হক (অফস্পিনার)। এর ভেতর লিন্টু ছিলেন স্বাভাবিক স্পিনারদের চেয়ে গতিময় আর রুমি লেগ স্পিনের সাথে গুগলি মিশিয়ে কিপারকেও বিভ্রান্ত করে দিতেন। তিন ধরনের তিনজন স্পিনারের বিপক্ষে কিপিং করে মুন্সিয়ানা দেখিয়েছেন হিরা। ১৯৭৯ এবং ‘৮২ চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে খেললেও একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলা হয়নি হিরার।

২) হাফিজুর রহমান
বাংলাদেশের প্রথম আন্তর্জাতিক উইকেট কিপার। তার সময়ে বাংলাদেশের বেশিরভাগ ম্যাচ ছিলো আনঅফিশায়াল, এমনকি লিস্ট “এ” ম্যাচ খেলা হতো কালেভাদ্রে। হাফিজুর রহমান ছিলেন বিশেষজ্ঞ উইকেট কিপার, ব্যাটসম্যান হিসেবে উল্লেখযোগ্য কোন ইনিংস ছিলো না। বাংলাদেশের হয়ে মাত্র ২ টি একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন তিনি ১৯৮৬ সালে।

৩) নাসির আহমেদ
নাসু নামেই তিনি অধিক পরিচিত। বাংলাদেশের ইতিহাসে সেরা তিনজন কিপার যাদের ধরাহয় তাদের ভেতর দ্বিতীয় নাসির। ১৯৮৬ সাল থেকে ১৯৯৩ সাল পর্যন্ত তিনি জাতীয় দলের হয়ে ৭ টি ওয়ানডে খেলেন নাসু। তার সময়ে দেশের সেরা কিপার হিসেবে এক বাক্যে সবাই তাকে মেনে নিয়েছেন। ‘৯৩ সালের শেষ দিকে তিনি বাদ পড়েন কারন ব্যাট হাতে আরো কার্যকর কাউকে চাইছিলো বাংলাদেশ! সাতটি আন্তর্জাতিক ম্যাচে মাত্র ২৫ রান করেন নাসির। খেলা ছাড়ার পর নাসির জাতীয় দলের কম্পিউটার বিশ্লেষক এবং নির্বাচক হিসেবে কাজ করেন। তিনি একজন পরিসংখ্যানবিদ, পড়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে।

৪) খালেদ মাসুদ পাইলট
বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসের সেরা তিন কিপারের ভেতর হিরা এবং নাসিরের পরই পাইলটের অবস্থান। তবে পরিসংখ্যানের বিচারে এগিয়ে থাকবেন মাসুদই। বাংলাদেশের সাবেক কোচ ডেভ হোয়াটমোরের চোখে তার মাসুদ সমসাময়িকদের সাথে বিচারে এশিয়ার সেরা উইকেট কিপার ছিলেন। কিপার হিসেবে মাসুদ ছিলেন প্রায় নিঁখুত। ১৯৯৫-২০০৬ টানা এগারো বছর জাতীয় দলের কিপার ছিলেন পাইলট। এই এগারো বছরে মাত্র ছয়টা ওয়ানডে মিস করেছেন বাংলাদেশের হয়ে। বাংলাদেশ ক্রিকেটের সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ন ছক্কা এসেছিলো পাইলটের ব্যাট থেকেই। ‘৯৭ চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে মার্টিন সুজিকে মাথার উপর দিয়ে ছক্কা মেরেই বাংলাদেশকে ম্যাচে ফেরান মাসুদ। বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অধিনায়কত্ব করা প্রথম উইকেট কিপার মাসুদ। একই সাথে দেশের হয়ে প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরী করা কিপার। কিপার হিসেবে অপ্রতিদ্বন্দী ছিলেন বলা যায়। পাইলট ছিলেন সহজাত কিপার অর্থাৎ কিপিং যতখানি অনুশীলন করে রপ্ত করেছেন তারচেয়ে বেশি ন্যাচেরাল ট্যালেন্ট হিসেবে পেয়েছিলেন।

৫) জাহাঙ্গীর আলম
তার ব্যাপারে বলা যায় ভুল সময়ে জন্মেছিলেন। ১৯৮৯ সালে অনূর্ধ্ব ১৯ দলের ইংল্যান্ড সফরের এক ম্যাচে ১৩২ রান করে নজরে আসেন। ওই ট্যুরে ৪৩.৮০ গড়ে ২১৯ রান করেন জাহাঙ্গীর। জাভেদ ওমরের সাথে এক ম্যাচে ২১৯ রানের ওপেনিং জুটি গড়েন। তিনি ছিলেন ওপেনার, ১৯৯৪ সালের আইসিসি ট্রফিতে দলের সেরা পারফর্মার ছিলেন, ৭ ম্যাচে ৪৭.১৭ গড়ে ২৮৩ রান করেন এই ওপেনার কাম উইকেট কিপার। তার ভেতরে ওই আসরের চ্যাম্পিয়ন আরব আমিরাতের বিপক্ষে ১১৭* অন্যতম। গ্লাভস হাতে চারটি ডিসমিস্যাল করেন। তবে বাংলাদেশ দল ব্যাটসম্যানের চেয়ে উইকেট কিপারের দিকে বেশি মনযোগ দিলে খালেদ মাসুদের কাছে জায়গা হারান জাহাঙ্গীর আলম। ১৯৯৭-‘৯৯ সালের ভেতর মাত্র ৩ টি ওয়ানডে খেলেন বাংলাদেশের হয়ে। ৩ ম্যাচে মাত্র ৪ রান করেন তিনি।

৬) মোহাম্মদ সেলিম
সেলিমও ভুল সময়ে জন্মেছিলেন। খুলনা বিভাগের হয়ে নিয়মিত কিপিং করলেও জাতীয় দলে মাসুদের জায়গায় আসা অসম্ভব ছিলো। ২০০৩ সালের বিশ্বকাপ ব্যর্থতার পর মাসুদের অধিনায়কত্ব কেড়ে নেয়া হয় এবং শাস্তি হিসেবে ড্রপ দেয়া হলে ২ টেস্ট আর ১ ওয়ানডে খেলেন সেলিম। মাসুদ ফিরলে আবার জায়গা হারান চূড়ান্তভাবে।

৭) হান্নান সরকার
হান্নান সরকার কিপার নন তবে ২০০৩ সালের অস্ট্রেলিয়া সফরের শেষ দুই ওয়ানডেতে খালেদ মাসুদ পাইলট ইনজুরিতে পড়লে কিপিং করেন তিনি। ক্যারিয়ারে ওই ২ ম্যাচেই কিপিং করেন হান্নান সরকার।

৮) শাহরিয়ার হোসেন
শাহরিয়ার হোসেন ১ টি মাত্র টেস্টে কিপিং করেন, ২০০১ সালের জিম্বাবুয়ে সফরের দ্বিতীয় টেস্টে। খালেদ মাসুদ পাইলটের ইনজুরির কারনে।

৯) মুশফিকুর রহিম
উইকেট কিপার-ব্যাটসম্যান থেকে ব্যাটসম্যান-উইকেট কিপার যুগে পা দেয় বাংলাদেশ মুশফিকুর রহিমের হাত ধরে। মুশফিক প্রাকৃতিক কিপিং ট্যালেন্ট নন। এমনকি ছোট বেলায় কিপার ছিলেন না। বিকেএসপিতে ভর্তি হবার পর দীর্ঘমেয়াদের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে কিপিং শুরু করেন। খালেদ মাসুদের বিকল্প এবং ভবিষ্যৎ অধিনায়ক হিসেবে মুশফিককে গড়ে তোলা হয়। ২০০৪ অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপের আগে থেকেই কিপার হিসেবে আলোচনায় আসেন তিনি। যদিও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট শুরু বিশেষজ্ঞ ব্যাটসম্যান হিসেবে। ২০০৭ বিশ্বকাপে পাইলটের জায়গায় কিপার হিসেবে মুশফিক জায়গা পেলে সেসময় ব্যাপক সমালোচনা হয় এটা নিয়ে। পরিসংখ্যান বিচারে মুশফিক দেশের সেরা কিপার।

১০) ধীমান ঘোষ
ধীমান ঘোষের ক্যারিয়ার শুরু মূলত অল রাউন্ডার হিসেবে। অফ স্পিন বলে প্রথম শ্রেনীর ক্রিকেটে নিয়েছিলেন ১৫ উইকেট। সেরা বোলিং ৪৬/৪। খালেদ মাসুদ পাইলটের অবসরের পর রাজশাহী বিভাগের প্রথম চয়েজ কিপার ছিলেন মুশফিকুর রহিম। কিন্তু মুশফিকের জাতীয় দলের ডিউটি থাকায় আরেকজন কিপারের প্রয়োজন দেখা দিলে ধীমান নিয়মিত কিপিং শুরু করেন। এর আগে বয়সভিত্তিক দলে কিপিং করেছেন ধীমান। কিপার হিসেবে মুশফিক শুরুতে খুব বেশি ভালো করতে পারেননি, সেই সাথে ব্যাট হাতেও ফর্ম হারালে ২০০৮ সালে জাতীয় দলে আসেন ধীমান। বাংলাদেশের জার্সিতে ১৪ ওয়ানডে এবং ১ টি টুয়েন্টি খেলেন তিনি। মুশফিক ফর্মে ফিরলে ধীমান জায়গা হারান এবং পরে বিদ্রোহী ক্রিকেট লীগ আইসিএল খেলতে যেয়ে বাংলাদেশের হয়ে তার ক্যারিয়ার শেষ করেন নিষিদ্ধ হয়ে। বর্তমানে রংপুর বিভাগে খেলেন।

১১) জহুরুল ইসলাম অমি
অমি মূলত মিডিল অর্ডার ব্যাটসম্যান। ২০০২ সালে রাজশাহী বিভাগের হয়ে ব্যাটসম্যান হিসেবেই খেলা শুরু করেন। তখন খালেদ মাসুদ পাইলট এবং পরে মুশফিকুর রহিম এবং ধীমান ঘোষ কিপিং করতেন। রংপুর বিভাগ হলে ধীমান রাজশাহী ছাড়লে মুশফিকের পাশাপাশি আরেকজন কিপারের প্রয়োজন দেখা দেয়। অমি তখন কিছুদিন নিয়মিত কিপিং করেন যদিও আগে ওকেশনাল কিপার ছিলেন। জাতীয় দলে বেশ কিছু ম্যাচে কিপিং করেছেন আবার বেশ কিছু ম্যাচে ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলেছেন। জাতীয় দলের হয়ে ২০১০ সালে ৩ ওয়ানডেতে কিপিং করে ৪ টি ডিসমিস্যাল অমির। এছাড়া ক্যারিয়ারে ৭ টেস্ট, ১৪ ওয়ানডে এবং ৩ টি টুয়েন্টি খেলেছেন ২০১০-‘১৩ সাল পর্যন্ত।

১২) এনামুল হক বিজয়
বিজয় মূলত সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটে কিপিং করে থাকেন। লম্বা ফরম্যাটে কিপিং করেন না। বর্তমানে খুলনা বিভাগের হয়ে ব্যাটসম্যান হিসেবেই খেলে থাকেন। জাতীয় দলে অভিষেক ব্যাটসম্যান হিসেবেই। বাংলাদেশের জার্সিতে ২০১৪ সালে ৭ ওয়ানডে ম্যাচে কিপিং করেন। তার ডিসমিস্যালের সংখ্যা ৬। মুশফিকের মতো বিজয়ের শুরু ব্যাটসম্যান হিসেবে পরে কিপিং শুরু করেন বয়সভিত্তিক পর্যায়ে।

১৩) মোহাম্মদ মিথুন
মিথুন আলি দলে আসেন ২০১৪ সালে শ্রীলংকার বিপক্ষে হোম সিরিজের টি টুয়েন্টি সিরিজে। অধিনায়ক মুশফিকুর রহিমের ইনজুরিতে উইকেট কিপার হিসেবে বাংলাদেশের জার্সি পরেন তিনি। একই বছর ভারতের বিপক্ষে ওয়ানডে অভিষেক হয় মিথুনের কিপার হিসেবে। মিথুন ছোটবেলা থেকেই কিপার এবং ওপেনার হিসেবে খেলতেন। বয়সভিত্তিক দলেও এই ভূমিকা ধরে রাখেন। কিপার হিসেবে ভালো মানের। বর্তমানে খুলনা বিভাগে সোহানের পর দ্বিতীয় কিপার মিথুন। ঘরোয়া ক্রিকেটে বিগ হিটার হিসেবে পরিচিতি পাওয়ায় মূলত টি টুয়েন্টি ফরম্যাটে খেলানো হয়েছে তাকে। ২ ওয়ানডে এবং ১২ টি টুয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন জাতীয় দলের হয়ে।

১৪) লিটন কুমার দাস
টেস্ট ক্রিকেটে মুশফিকুর রহিমের পর ভবিষ্যৎ ভাবা হয় লিটনকে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এখনো আলো ছড়াতে না পারলেও বয়সভিত্তিক এবং ঘরোয়া ক্রিকেটে লিটন দাস অন্যতম সেরা রান সংগ্রাহক। ব্যাটসম্যান হিসেবে সলিড এবং টেকনিক্যাল ভাবে দেশের অন্যতম সেরা। ঘরোয়া ক্রিকেটে রানের ফোয়ারা ছুটিয়ে ২০১৫ সালে ভারতের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে সুযোগ পান। ওই টেস্টে ৪৪ রানের ইনিংস খেলে ধারাভাষ্যকরদের প্রশংসা পান, পরে সাউথ আফ্রিকার সাথে টেস্টে করেন ৫০ রান। তবে ওয়ানডেতে মুশফিকুর রহিমের ইনজুরিতে সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেননি লিটন। উইকেট কিপার হিসেবে মুশফিকুর রহিমের চেয়েও অনেকে লিটনকে এগিয়ে রাখেন। মূলত ওপেনার হলেও জাতীয় দলে টেস্ট ক্রিকেটে সাত নাম্বারে খেলেন লিটন। এই বছর জানুয়ারী মাসে প্রথম শ্রেনীর ক্রিকেটে ডাবল সেঞ্চুরী এবং ডিপিএলে ১৪ ম্যাচে ৭৫২ রান করে টেস্ট দলে ফিরেছেন লিটন। দেশের ক্রিকেটের অন্যতম আলোচিত বিষয় মুশফিকুর রহিমের কিপিং ছেড়ে ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলার সম্ভাবনা। সেটা যদি সত্যি হয় তাহলে লিটন বেশ কিছু টেস্টে টানা সুযোগ পাবেন বলে ধারনা করা যায়। সাদা পোশাকে ৪ টেস্টে ২৭.৪০ গড়ে ১৩৭ রান করেছেন লিটন। লিটনের প্রথম শ্রেনীর ক্যারিয়ার শুরু হয় রংপুর বিভাগে ধীমান ঘোষের পাশাপাশি আরেকজন কিপার হিসেবে যে একই সাথে ওপেনার হিসেবেও খেলতে পারে। অনূর্ধ্ব-১৯ এবং “এ” দলের হয়েও লিটনের ছিলো উল্লেখযোগ্য রান সংগ্রহ।

১৫) নুরুল হাসান সোহান
বর্তমানে দেশের সেরা উইকেট কিপার সোহান। দেশের ক্রিকেটের সাথে জড়িত সবাই প্রায় বিনাবাক্যে এটা মেনে থাকেন। বলা হয় সোহানের জন্মই হয়েছে কিপার হিসেবে! একদম ছোট থেকেই বোলিং কিংবা ব্যাটিং নয়, সোহানের আগ্রহ ছিলো শুধুমাত্র কিপিং। এমনকি পাড়ার ফুটবলেও সোহান গোলকিপার থাকতেন। সোহানের কিপিং সেন্স অনেক উন্নত। শেষ মুহুর্ত পর্যন্ত বলের উপর চোখ রাখা, বল মাটিতে পড়ার আগেই বলের টার্ন সম্পর্কে আইডিয়া পেয়ে সেদিকে মুভ করা, ব্যাটসম্যানের পা দেখে শট আইডিয়া করে ফেলা ইত্যাদি বিবেচনায় সোহান অনন্য একজন কিপার। বাংলাদেশের টপ অর্ডার যদি স্থিতিশীল ব্যাটিং করে ভবিষ্যতে এবং বাংলাদেশ যদি একজন উইকেট কিপার কাম ব্যাটসম্যান খেলানোর সুযোগ পায় কখনো তাহলে সোহানই হবে প্রথম পছন্দ। খালেদ মাসুদ পাইলটের পর সোহানই একমাত্র ন্যাচারাল ট্যালেন্ট উইকেট কিপার। সোহান এখন তার ব্যাটিং নিয়ে কাজ করছেন। সোহানের প্রথম শ্রেনীর রেকর্ড বেশ ভালো, বিশেষকরে তিনি যেই পজিশনে ব্যাট করেন সেই তুলনায়, ৫৭ ম্যাচে ৪০.৭০ গড়ে রান করেছেন, ১৫ ফিফটি সাথে ৬ সেঞ্চুরী। সর্বোচ্চ ১৮২*। ১৪০ ক্যাচের সাথে ২৭ স্ট্যাম্পিং। জাতীয় দলের হয়ে ১ টেস্ট, ২ ওয়ানডে আর ৯ টি টুয়েন্টি খেলা সোহান নিঃসন্দেহে জাতীয় দলের হয়ে লম্বা সময় সার্ভিস দিবেন। বর্তমানে খুলনা বিভাগে এনামুল হক বিজয় এবং মোহাম্মদ মিথুন আলিকে পেছনে ফেলে সোহানই প্রথম পছন্দের উইকেট কিপার।

Most Popular

To Top