ইতিহাস

শতকোটি মানুষের প্রেরণার নাম- এ.পি.জে আবদুল কালাম

neon aloy এ.পি.জে আবদুল কালাম নিয়ন আলোয়

“কাজের বেলাভূমিতে
যদি পদচিহ্ন রেখে যেতে চাও,
দৃঢ় পদক্ষেপে এগিয়ে যাও”

উল্লেখিত কবিতাংশটুকু এমন একজন মানুষের, যিনি না থাকলে হয়তো উপমহাদেশের ইতিহাস অন্যভাবে রচিত হত। কাজের অথৈ সাগরে যিনি সারাজীবন নিজেকে ডুবিয়ে রেখেছেন, তিনি আর কেউ নন- ভারতের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি আবুল পাকির জয়নুল আবেদীন আবদুল কালাম বা এ.পি.জে আবদুল কালাম। ভারতের ক্ষেপণাস্ত্র ও মহাকাশ গবেষণা তাঁর কাছে চিরঋণী। সফলতার স্মারকস্বরূপ তিনি ভারতের সকল সম্মাননা পদক তো পেয়েছেনই, সে সাথে বসেছেন সবচাইতে সম্মানজনক রাষ্ট্রপতির পদেও।

অথচ সেই মানুষটির জীবনের শুরু ছিল দারিদ্রের যাঁতাকলে নিষ্পেষিত। অভাবের কারণে তাঁকে বিক্রি করতে হয়েছিল খবরের কাগজ, মাইলের পর মাইল হেঁটে স্কুলে যেতে হয়েছিল প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষালাভের জন্য। সাম্প্রদায়িকতার সঙ্গে বসবাস করেও তাকে কখন সাম্প্রদায়িকতা স্পর্শ করেনি।

এ.পি.জে আবদুল কালামের জন্ম চেন্নাইয়ের দ্বীপশহর রামেশ্বরমের এক রক্ষণশীল মধ্যবিত্ত পরিবারে। তাঁর পিতামাতার না ছিল কোন প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা, না ছিল অর্থসম্পদ। পাঁচ ভাই, পাঁচ বোনের নিত্যদিনের প্রয়োজন মিটানোই যখন দুষ্কর, সেখানে উচ্চশিক্ষার চিন্তা করাটা গুড়ে বালি ছাড়া আর কিছুই নয়। তাঁর দিন শুরু হত অনেক ভোরে। সকালের নামাজ শেষে বের হয়ে পড়তেন খবরের কাগজ বিলি করতে। বাবা জয়নুল আবেদীন মূলত মসজিদের ইমাম ছিলেন, এর পাশাপাশি তিনি নৌকাও তৈরি করতেন। মা আশিয়াম্মা ছিলেন গৃহিণী। কঠোর ধর্মীয় নীতি পালনের মাধ্যমে তাঁর শৈশব কাটে।

বাবার ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন মন্দিরের পুরোহিত লক্ষণ শাস্ত্রী। তাদের বেশভূষা, প্রথায় আকাশ-পাতাল তফাৎ থাকলেও একদিকে তাদের দুইজনের বেশ মিল ছিল- দুইজনেই আধ্যাত্মিক চেতনার অধিকারী ছিলেন। এরকমই সাম্প্রদায়িক একটি পরিবেশে তিনি বড় হয়েছেন অসাম্প্রদায়িক চেতনা নিয়ে। তাই বলে সাম্প্রদায়িকতার কালোছায়া যে কখনও তার জীবনে পড়েনি, এমন না। একবার তার স্কুলে নতুন শিক্ষক আসলে, প্রতিদিনকার মত তিনি তাঁর বাল্যবন্ধু রামনাথ শাস্ত্রীর পাশে বসে ছিলেন। তাদের একসাথে দেখে শিক্ষকটি ব্যাপক রাগান্বিত হয়ে পড়েন। শিক্ষকটি কল্পনাও করতে পারছিলেন না, কিভাবে এক মুসলমান এক হিন্দুর পাশে বসে। শিক্ষক তাঁকে উঠে পিছনের সারিতে যেতে বললেন এবং অনেক কথা শুনালেন । এই ঘটনা তাদের কোমল হৃদয়ে গভীর রেখাপাত করে। পরবর্তীতে যখন তাদের পিতামাতার কানে এই ঘটনা পৌঁছে, রামনাথের বাবা লক্ষণ শাস্ত্রী এর বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেন। ওই শিক্ষককে শিশুদের হৃদয়ে এধরনের সাম্প্রদায়িকতার বিষ ঢেলে দেওয়ার ব্যাপারে সাবধান করে দেন।

আবদুল কালামের শৈশবে দুইজনের অবদান অনস্বীকার্য। একজন তার বোন যোহরার স্বামী জালালুদ্দিন, অপরজন তার এক দূরসম্পর্কের ভাই শামসুদ্দিন। জালালুদ্দিন আবদুল কালামের সাথে যুদ্ধ বিগ্রহ, আধ্যাত্মিক চিন্তা নিয়ে নানা গল্প করতেন। অপরদিকে শামসুদ্দিনের হাত ধরে তিনি খবরের কাগজ বিলি করার পেশাতে প্রবেশ করেন।

এরপর রামেশ্বরমে তাঁর বেশিদিন থাকা হল না। রামনাথপুরের শোয়ার্জ সেকেন্ডারি হাই স্কুলে তাঁকে ভর্তি করানো হল। রামেশ্বরম ছেড়ে যাওয়ার সময় আবদুল কালামের অনেক মন খারাপ হলে তাঁর বাবা তাকে মনে করিয়ে দেন- “দুঃখ-কষ্ট এলে তোমার দুঃখ কষ্টের প্রয়োজনীয়তা বুঝার চেষ্টা কর। দুঃসময় এলেই সুযোগ আসে আত্মসমীক্ষার”

হাইস্কুলে পড়ার সময়ে জ্ঞানার্জনের প্রতি তাঁর আগ্রহ বাড়তে থাকে। কারণ তিনি জানতেন, জীবনে কৃতকার্য হতে গেলে তিনটি প্রবল শক্তিকে নিজের আয়ত্তের মধ্যে আনতে হবে- আকাঙ্ক্ষা, বিশ্বাস এবং প্রত্যাশা। তাঁর সেসময়কার শিক্ষক হয়তো আবদুল কালামের সম্ভাবনা বুঝতে পেরেই তাঁকে বলেছিলেন, “বিশ্বাস থাকলে তুমিও একদিন নিজের ভাগ্য নিজে পরিবর্তন করতে পারবে।” সেই বিশ্বাসকে পুঁজি করে মনে অপার সাহস নিয়ে তিনি ঝাঁপ দিলেন জ্ঞানের বিশাল সমুদ্রে। তিরুচিপাল্লির সেন্ট জোসেফ কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট শেষ করে ওখানেই বিএসসি পড়লেন। উনার ইচ্ছে ছিল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার। তাই মাদ্রাজ ইন্সটিটিউট অফ টেকনোলজিতে (MIT) ভর্তি হওয়ার দরখাস্ত করলেন। কিন্তু এইখানে পড়া অনেক টাকার ব্যাপার। তার বোন যোহরা হাতের চুঁড়ি, গলার গয়না বন্ধক রেখে তাকে ভর্তি হওয়ার অর্থ দেন, যা তাঁর অন্তরকে স্পর্শ করল।

MIT-তে তিনি অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পড়াশোনা শুরু করলেন। সেখানে শেষবর্ষে শিক্ষক তাকে তিন দিনের মাঝে একটি বিমানের নকশা করতে বলেন, যা করতে সাধারণত এক মাস সময় লাগার কথা। বাস্তবে এ নকশা এত কম সময়ে করা অসম্ভব। কিন্তু শিক্ষক তাকে হুমকি দেন যে এই অ্যাসাইনমেন্ট সময়মত শেষ করতে না পারলে তাঁর স্কলারশিপ বাতিল করে দেওয়া হবে। তিনি আর কোন উপায় না দেখে দিনরাত এক করে কাজ করা শুরু করে দিলেন। শেষেরদিন কাজটা যখন একদম শেষ পর্যায়ে, তখন হঠাৎ তিনি লক্ষ্য করলেন যে সেই শিক্ষক কখন যেন রুমে এসে দাঁড়িয়েছেন। এ.পি.জে আবদুল কালামের অধ্যবসায় দেখে শিক্ষক তাঁকে আশীর্বাদ করে দেন।

ইঞ্জিনিয়ারিং পড়া শেষে তাঁর বিমানচালনার স্বপ্ন পূরণের উদ্দেশ্যে বিমানবাহিনীতে দরখাস্ত করেন। কিন্তু তাঁর আবেদন প্রত্যাখ্যাত হয়। এই প্রথমবারের মত তিনি নির্মম বাস্তবতার সামনে দাঁড়ালেন, যেখানে নিজের স্বপ্নগুলোকে চোখের সামনেই ঝরে পড়তে দেখা ছাড়া তাঁর আর কিছুই করার ছিল না। কিন্তু হাল ছাড়লেন না এ.পি.জে আবদুল কালাম। Directorate of Technical Development and Production (Air)-এ সহকারী প্রকৌশলী হিসাবে যোগদান করলেন। এখানে চাকরি করার সময়ই Indian Committee for Space Research (INCOSPAR) এর সাথে রকেট ইঞ্জিনিয়ারিং-এর কাজ করার সুযোগ পেলেন। মূলত এখান থেকেই তাঁর স্বপ্নপূরণের যাত্রা শুরু। INCOSPAR-এ তিনি Satellite Launch Vehicle (SLV) তৈরির পরিকল্পনা করলেন যা শুধু তাঁর নিজের জীবনে না, বরং সমগ্র ভারতকে এক নবদিগন্তের পথে ধাবিত করে। এখানেই তাঁর পরিচয় হয় এমন কিছু মানুষের সাথে, যারা তাকে জীবনের নতুন উদ্দেশ্য খুঁজে দিল। এদের মধ্যে অধ্যাপক সারাভাই অন্যতম।

জীবনের অনেক চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে ১৯৭৯ সালের ১০ আগস্ট SLV-3 উপগ্রহযানটি উৎক্ষেপন করা হয়। কিন্তু লঞ্চের মাত্র ৩১৭ সেকেন্ড পরেই এটি বিধ্বস্ত হয় বঙ্গোপসাগরে। এসময় মানসিকভাবে আবদুল কালাম কিছুটা ভেঙে পড়লেও তাকে সমর্থন দেবার জন্য পাশে ছিলেন ডঃ ব্রহ্মপ্রকাশ। ডঃ ব্রহ্মপ্রকাশ তাঁকে আবারও কাজে মনোনিবেশ করার জন্য উৎসাহ যোগান। এর একবছর পর ১৯৮০ সালের ১৮ জুলাই উপগ্রহযানের সফল উৎক্ষেপনে সমর্থ হন এ.পি.জে আবদুল কালাম। এবারের মিশনের সাফল্যে কৃত্রিম উপগ্রহ ‘রোহিনী’ জায়গা করে নেয় পৃথিবীর কক্ষপথে, যা ছিল ভারতের ইতিহাসে এক বিশাল মাইলফলক।

এই অসাধারণ সাফল্য তাকে DRDO-তে কর্মক্ষেত্র প্রতিস্থাপনের সুযোগ করে দিল। DRDO মূলত ছিল ভারতের ক্ষেপনাস্ত্র তৈরির আঁতুড়ঘর। ১৯৮২ সালে তিনি DRDO-এর ডিরেক্টর পদে অধিষ্ঠিত হলেন। DRDO-এর বিজ্ঞানীরা সে সময়ে ‘ডেভিল’ ক্ষেপনাস্ত্রে ব্যর্থতার ধকল সামলে উঠতে পারেনি। বিজ্ঞানীরা সাধারণত এসব ক্ষেত্রে আবেগপ্রবণ হন। তাদের পক্ষে একবার এরকম ধাক্কা খেলে উঠে দাঁড়ানো কঠিন হয়ে পড়ে। একজন উৎপাদনশীল নেতার মত তিনি ভেঙে পড়া বিজ্ঞানীদের মনে নতুন প্রেরণার সঞ্চার করেন।

একজন আদর্শ নেতার সকল বৈশিষ্ট্য এ.পি.জে আবদুল কালামের মধ্যে ছিল। তিনি কর্মী নির্বাচন ও নিয়োগে যোগ্যতাকে প্রাধান্য দিতেন। যোগ্য ব্যক্তিকে যথাযথ সম্মান করতেন। কারো ভুল হলে পিঠ চাপড়ে দিয়ে উৎসাহ যোগাতেন সকলের সামনে, কিন্তু প্রয়োজনীয় সমালোচনা করতেন সেই ব্যক্তিটিকে একান্তে ডেকে নিয়ে। তিনি সর্বদা বিশ্বাস করতেন, জীবনে সাফল্য অর্জনের জন্য মৌলিক চারটি বিষয় প্রয়োজন-

  • লক্ষ্যস্থির করা
  • সদার্থক চিন্তা
  • ভবিষ্যত কল্পনা
  • বিশ্বাস

যার মনে বিশ্বাস আছে সে কখনোই কারো সামনে নতজানু হয় না, কখনো বলে না “পারবো না”, বরং সমস্যার মুখোমুখি হয়ে তার মোকাবেলা করে অকুতোভয়ে। DRDO-তে থাকাকালে দূরপাল্লার ক্ষেপনাস্ত্র তৈরীর লক্ষ্যে ৩৮৮ কোটি রুপীর অর্থ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে মঞ্জুর করা হয়, যা ভারতের ক্ষেপনাস্ত্র তৈরির ইতিহাসে কোন ব্যক্তির জন্য ছিল একটি সাহসী পদক্ষেপ।

জীবনের দর্শন হিসাবে তিনি ছিলেন কৌশলী। তাঁর ভাষ্যমতে জীবনটা অনেকটা ধাঁধাঁর মত। যার একপাশে থাকে প্রত্যাশা, অপর পাশে থাকে আশংকা। আশংকার দিকটা ভারী হলে সমুজ্জ্বল আশা রুপান্তরিত হয় নির্বাক আতংকে। তিনি কখনো তাঁর সাফল্যে সন্তুষ্ট হতেন না। কতদূর পাড়ি দিয়ে এসেছেন তা দেখে নয়, বরং প্রেরণা নিতেন আরো কতদূর যেতে হবে তা চিন্তা করে।

মানুষের সহজাত প্রবৃত্তি-ই হল জীবনের সমস্যাগুলো ব্যবচ্ছেদ করে তার মোকাবেলা না করেই ভয়ে পিছিয়ে যাওয়া। মানুষ তার ব্যার্থতার বিচার-বিশ্লেষণ করে তার কারণ কি, পরিণতি কি তা বুঝার যতটা না চেষ্টা করে, সে অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে সমাধানের চেষ্টা ততটা করে না। আমাদের দুঃখকষ্ট আর সমস্যার সমাধানের মধ্য দিয়েই ঈশ্বর আমাদের বেড়ে উঠার সুযোগ দেন। যখন আমাদের স্বপ্ন, জীবনের লক্ষ্য সব ভেঙে পড়ে- সেই ধ্বংসস্তুপের ভেতর থেকেই খুঁজে নিতে হয় লুকিয়ে থাকা সুবর্ণ সুযোগ।

আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও ব্যার্থতা বারবার এ.পি.জে আবদুল কালামের লক্ষ্য থেকে তাঁকে দূরে সরিয়ে দিচ্ছিল। কিন্তু সকল বাধা কাটিয়ে তাঁর নেতৃত্বে ১৯৮৫ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর ‘ত্রিশূল’ ক্ষেপনাস্ত্রটির সফল উৎক্ষেপন সম্ভব হয়। ১৯৮৮ সালের ২৫ জানুয়ারি দূরপাল্লার ক্ষেপনাস্ত্র ‘পৃথ্বি’র উৎক্ষেপনও সাফল্যের মুখ দেখে। ১৫০ কিলোমিটার রেঞ্জের এই ক্ষেপনাস্ত্র শত্রু-মিত্র সকল দেশের নজর কাড়তে সক্ষম হয়েছিল। নানা কূটনৈতিক চাপ আসতে থাকলেও তিনি দমে যাননি। ১৯৮৯ সালে ‘অগ্নি’ ক্ষেপনাস্ত্রটির সফল পরীক্ষা হল। তাঁর কঠোর পরিশ্রম ও নিবেদিত একাগ্র কর্মনিষ্ঠা তাঁকে এনে দিয়েছিল পদ্মভূষণ ও ভারতরত্নের মত সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা। কিন্তু সবচেয়ে বড় সম্মান তিনি পেয়েছেন দেশের আপামর জনতার কাছ থেকে। ২০০৭ সালে তিনি ভারতের একাদশ রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। তাঁর পরিচ্ছন্ন দৃষ্টি ও সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যই মূলত ছিল তাঁর সাফল্যের মূল চাবিকাঠি।

একজন মানুষ যতই দরিদ্র হোক, বঞ্চিত হোক- জীবন নিয়ে তার কখনোই হতাশ হলে চলবে না। নানাবিধ সমস্যা জীবনেরই অংশ, দুঃখ-কষ্ট ছাড়া সাফল্য আসে না। মানুষের অন্তর্নিহিত শক্তি যদি মানুষ ব্যবহার করে, তা দিয়েই নিজের জীবন ও কল্পনাকে সমৃদ্ধ করে- তাতেই সাফল্য আসতে বাধ্য।

এই মহান মানুষটি ২০১৫ সালের ২৭ জুলাই পরলোকগমন করেন। তাঁর মৃত্যুর সাথে ব্যক্তি এ.পি.জে আবদুল কালামের তার মৃত্যু হয়েছে, কিন্তু তার প্রগতিশীল, অসাম্প্রদায়িক চেতনা, উন্নত মানসিকতা তরুণ সমাজকে চিরকাল পথ দেখিয়ে যাবে। বড় সাধারণ জীবনযাপন করতেন তিনি। পার্থিব ধনসম্পদ বলতে কিছুই ছিল না তার। না ছিল কোন দালানকোঠা, না রেখে গেছেন কোন উত্তরাধিকার পুত্র কন্যা। কিন্তু তিনি যা রেখে গিয়েছেন, তা শুধুই দৃষ্টান্ত!

[এ.পি.জে আবদুল কালামের ‘উইংস অব ফায়ার’ অবলম্বনে লিখিত]

Most Popular

আর দশটি নিউজপোর্টালের মত যাচ্ছেতাই জগাখিচুড়ি না, "নিয়ন আলোয়" আমাদের সবার লেখা নিয়ে আমাদের জন্যই প্রকাশিত হওয়া বাংলা ভাষায় প্রথম পূর্ণাঙ্গ অনলাইন ম্যাগাজিন।

আজকের আলোচিত

Copyright © 2016 Neon Aloy Magazine

To Top