ইতিহাস

আইরিশ রূপকথাঃ ৭০ বছরের নিষেধাজ্ঞা থেকে টেস্ট স্ট্যাটাস (প্রথম পর্ব)

নিয়ন আলোয়

গত শতাব্দী পর্যন্ত আয়ারল্যান্ড দুটি কারনে বিশ্বজুড়ে বিখ্যাত হয়েছিলো। একটি টাইটানিক অন্যটি জর্জ বেস্ট। টাইটানিক জাহাজের গল্প নতুন করে বলার প্রয়োজন হয়না তবে অনেকেই হয়তো জানেন না টাইটানিক তৈরী হয়েছিলো বেলফাস্টের একটি শিপইয়ার্ডে। আর জর্জ বেস্ট সর্বকালের সেরা ফুটবলারদের ভেতর একজন, যাকে পেলে সেরা ফুটবলার বলে স্বীকৃতি দিয়েছেন। এই দুটারই শেষ পরিনতি হয়েছিলো ডুবে! টাইটানিক ডুবেছিলো হিমশৈলীর ধাক্কায় আর জর্জ বেস্ট ডুবে ছিলেন মদের নেশায়। যারা সাহিত্য পড়েন তারা অবশ্য আয়ারল্যান্ডের নামটা গ্যালিভার্স ট্রাভেলস এর লেখক জনাথন সুইফটের জন্যেও মনে রাখবেন। ইতিহাসে Great Irish Famine বা দূর্ভিক্ষের কারনেও আয়ারল্যান্ড বিখ্যাত, সামান্য এক ছত্রাকের আক্রমনে আলুর ফলনে বিপর্যয় ঘটলে প্রায় ৩০% জনসংখ্যা হারায় আয়ারল্যান্ড, ১ লাখ মানুষ মারা যায় ক্ষুধায় আর দেড় লাখ মানুষ আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়ায় পাড়ি জমায়।

সেই আয়ারল্যান্ড এই শতাব্দীতে আলোচিত হচ্ছে ক্রিকেট নিয়ে। “জায়ান্ট কিলার” উপাধি আগেই ছিলো এখন পরিচয় টেস্ট প্লেয়িং নেশন হিসেবে। অথচ এখানেই ক্রিকেট নিষিদ্ধ ছিলো ৭০ বছর!

প্রাচীনকালে আয়ারল্যান্ড স্বাধীন রাজ্য হলেও ইংল্যান্ডের দ্বারা বিভিন্ন চাপে একসময় ইংল্যান্ডের অধীনে আসে। ১৮০১ সালে গঠিত হয় ইউনাইটেড কিংডম অব গ্রেট বৃটেন এবং আয়ারল্যান্ড। আয়ারল্যান্ডের ক্রিকেট ইতিহাস তার বেশ আগে থেকেই, ১৭৩০ সালের দিকে আয়ারল্যান্ডে ক্রিকেট খেলা হতো বড় বড় শহরে। আয়ারল্যান্ড দল হিসেবে প্রথম ক্রিকেট খেলে ১৮৫৫ সালে, প্রতিপক্ষ ছিলো জেন্টেলমেন অব ইংল্যান্ড দল। ১৮৫৫ সালে এম.সি.সি দলের সাথে প্রথমবারের মতো খেলে। প্রথম প্রতিযোগীতাপূর্ন ক্রিকেট খেলে ১৮৮৮ সালে স্কটল্যান্ডের সাথে।

১৮৮০ সালের পর থেকেই আয়ারল্যান্ডে ক্রিকেট জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। আয়ারল্যান্ডের ৩২ টি কাউন্টির প্রায় সবগুলাতেই কম বেশি ক্রিকেট খেলা হতো। ৩০ টার মতো ক্লাব গড়ে ওঠে তখন। আয়ারল্যান্ড প্রথমবারের মতো আমেরিকা এবং কানাডা সফর করে ১৮৭৯ সালে। পরে ১৮৮৮, ১৮৯২ সালে পুনরায়। টেস্ট প্লেয়িং দেশগুলার ভেতর আয়ারল্যান্ড প্রথম খেলেছিলো ১৮৯৪ সালে। ১৯০০ সালের শুরুতেই আয়ারল্যান্ডে আইরিশ জাতীয়তাবাদের সূত্রপাত হয়। আইরিশদের নিজেদের খেলাগুলাকে বলাহয় গায়লিক খেলা যেমন গায়লিক ফুটবল, হারলিং, আর গায়লিক খেলাগুলা নিয়ন্ত্রিত হতো “গায়লিক এথলেটিক এসোসিয়েশনের” মাধ্যমে। এই সংগঠনটি ক্রিকেটকে ব্রিটিশ খেলা হিসেবে চিহ্নিত করে ১৯০১ সালে আয়ারল্যান্ডে ক্রিকেট খেলা নিষিদ্ধ করে। ক্রিকেটকে বিদেশি এবং ইংল্যান্ডের খেলা ঘোষনা করে শুধু ক্রিকেট খেলাই না প্রকাশ্যে ক্রিকেট খেলা দেখাও নিষিদ্ধ করে। এই নিষেধাজ্ঞার ফলে আয়ারল্যান্ডে ক্রিকেটে হয়ে যায় এংলোফাইল বা ওয়েস্ট ব্রিটদের খেলা (যারা মনেপ্রাণে বৃটেনপন্থী এবং নিজেদের আইরিশ না বরং ব্রিটিশ মনেকরে)। প্রকাশ্যে খেলা না হওয়ায় শুধুমাত্র ইংল্যান্ডের ব্যবস্থাপনায় ছোট আকারে ক্রিকেট খেলা হতো তখন। আয়ারল্যান্ডের জাতীয় ক্রিকেট দল তখন নিজ দেশেই অনেকটা জনবিচ্ছিন্ন। এরই ভেতর ১৯০২ সালে আয়ারল্যান্ড তাদের প্রথম ফার্স্ট ক্লাস ম্যাচ খেলে লন্ডনের একটি কাউন্টি দলের সাথে যেদলে ছিলেন বিখ্যাত ডব্লিউ জে গ্রেস। স্যার টিম ও’ব্রেইন এর অধিনায়কত্বে অবিশ্বাস্যভাবে আয়ারল্যান্ড কাউন্টি দলকে হারিয়ে দেয় ২৩৮ রানে। ১৯০৪ সালে আয়ারল্যান্ড একটা প্রথম শ্রেনীর ম্যাচে সাউথ আফ্রিকাকে হারায়-কোন টেস্ট প্লেয়িং দেশের বিপক্ষে প্রথম জয়।

আয়ারল্যান্ড ক্রিকেট ইউনিয়ন গঠিত হয় ১৮৯০ সালে। জাতীয় দলের জন্য খেলোয়াড় বাছাই করা ছাড়া আর কোন কার্যক্রম তাদের ছিলোনা। গায়লিক ক্রিকেট এসোসিয়েশনের নিষেধাজ্ঞার পর আয়ারল্যান্ড ক্রিকেট ইউনিয়ন নিজেরাই খুব ছোট আকারে ক্রিকেট ম্যাচের আয়োজন শুরু করে মূল শহরের বাইরে, দর্শকশূন্য মাঠে (আইসিএলের সাথে তুলনা করতে পারেন)।

আয়ারল্যান্ড ক্রিকেট ইউনিয়ন বছরে একটা প্রথম শ্রেনীর ম্যাচ আয়োজন করতো স্কটল্যান্ডের সাথে। এটাই ছিলো তাদের একমাত্র নিশ্চিত সূচী। ১৯০৯ সাল থেকে ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত এই সূচী মেনে চলা হয়েছে প্রতিবছর।

১৯১৩ সালের পর আয়ারল্যান্ড জুড়েই স্বাধীনতার বাতাস বওয়া শুরু করে। “আইরিশ নাকি ব্রিটিশ” এই প্রশ্নে বিভক্ত হতে থাকে আয়ারল্যান্ড। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর শুরু হয় গৃহযুদ্ধ। তিন বছরের টানা যুদ্ধ শেষে ১৯২২ আয়ারল্যান্ড দুটি দেশে ভাগ হয়ে যায়। ৩২ টি কাউন্টির ভেতর ৬ টি কাউন্টি নিয়ে গঠিত হয় উত্তর আয়ারল্যান্ড, যার রাজধানী বেলফাস্ট। উত্তর আয়ারল্যান্ড থেকে যায় যুক্তরাজ্যের সাথে আর বাকি ২৬ টি কাউন্টি অর্থাৎ বেশিরভাগ অঞ্চল নিয়ে “আইরিশ ফ্রি স্টেট” গঠিত হয় যা ১৯৪৯ সালে রিপাবলিক অব আয়ারল্যান্ড বা শুধু আয়ারল্যান্ড নামে পরিচিত। যার রাজধানী ডাবলিন।

নিয়ন আলোয়

১৯১৩ সালে আইরিশ স্বাধীনতার আন্দোলনের সময়কার একটা পোস্টারের ছবি

দুটি দেশ আলাদা হলেও এখন পর্যন্ত আয়ারল্যান্ড ক্রিকেট খেলে “অল আয়ারল্যান্ড” ভিত্তিতে। অর্থাৎ দুই দেশেরই ক্রিকেট নিয়ন্ত্রন করে আয়ারল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড। একটা জাতীয় দল। ১৯২২ সালের পর ক্রিকেট খেলাটা হতো মূলত উত্তর আয়ারল্যান্ডের রাজধানী বেলফাস্ট কেন্দ্রিক। মূল আয়ারল্যান্ডে তখনো ক্রিকেট নিষিদ্ধ। ১৯২৪ সালে চালু হয় বছরে এমসিসির সাথে একটি প্রথম শ্রেনীর ম্যাচ খেলার প্রথা।

এরপর লম্বা সময় পর্যন্ত আয়ারল্যান্ডের খেলা ছিলো ইংল্যান্ড সফরে আসা দলগুলার ইচ্ছার উপর। তারা সময় পেলে আয়ারল্যান্ড সফরে যেত বা ইংল্যান্ডের অনুমতি পেলে আয়ারল্যান্ড যেয়ে তাদের সাথে ম্যাচ খেলে আসতো। এসব খেলার ভেতরই মাঝে মাঝে চমকে দিতো আয়ারল্যান্ড। যেমন ১৯২৮ সালে ডাবলিনে তিন দিনের ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাথে ৬০ রানের জয়, এটা ছিলো ক্যারিবিয়ানদের সাথে আইরিশদের প্রথম ম্যাচ। ১৯৬৯ সালে ক্লাইভ লয়েডের ওয়েস্ট ইন্ডিজকে মাত্র ২৫ রানে অল আউট করে দিয়ে নয় উইকেটের জয় পায় আয়ারল্যান্ড। এই ম্যাচে ক্যারিবিয়ানদের পরাজয় ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম বড় একটা আপসেট, একটা রহস্য। ওই সময়ের ওয়েস্ট ইন্ডিজ বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলো পরে, ভয়ানক অপরাজেয় এক দল।

আয়ারল্যান্ড সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলেছে তখন শ্রীলংকা এবং স্কটল্যান্ডের সাথে। শ্রীলংকা নিজেও তখন সহযোগী দেশ।

১৯৭১ সালে গায়লিক এথলেটিক এসোসিয়েশন ক্রিকেটের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়। ৭০ বছর পর। ফলে আয়ারল্যান্ডে প্রকাশ্যে ক্রিকেট খেলা শুরু হয়। ১৯৭৯ সালে শ্রীলংকার সাথে একটা প্রথম শ্রেনীর ম্যাচ ড্র করে আয়ারল্যান্ড, যেখানে প্রথম ইনিংসে আয়ারল্যান্ড ৩৪১/৭ রান করে জবাবে শ্রীলংকা ২৮৮/৬ করে। ১৯৭২ সাল থেকে আয়ারল্যান্ড ইংল্যান্ডের কাউন্টি ক্রিকেটে একটা দল হিসেবে খেলেছে, বেনসন এন্ড হেজেস কাপ, ফ্রেন্ডস প্রভিডেন্ট ট্রফি ইত্যাদিতে। ইংল্যান্ডের বিভিন্ন কাউন্টির সাথে আয়ারল্যান্ড, স্কটল্যান্ড, নেদারল্যান্ড। সেসময় জাতীয়তার বাধ্যবাধকতা না থাকায় বেশ কিছু বিদেশি প্লেয়ার আয়ারল্যান্ডের হয়ে এসব টুর্নামেন্টে খেলেছেন, যেমন স্টিভ ওয়াহ (১৯৯৭), হান্সি ক্রনিয়ে (১৯৯৭), জেসি রাইডার (২০০৭)। ২০১১ সাল পর্যন্ত আয়ারল্যান্ড এই টুর্নামেন্টে খেলেছে।

আয়ারল্যান্ড আইসিসির সহযোগী সদস্য হয় ১৯৯৩ সালে। এইসময় থেকেই নিয়মিত ক্রাউন কাপ খেলতো (বর্তমানে আইসিসি ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশীপ)। এখানে আয়ারল্যান্ড, স্কটল্যান্ড, নেদারল্যান্ড এবং ইংল্যান্ডের জাতীয় একাডেমি অংশ নিতো। ১৯৯৬ সালে আয়ারল্যান্ড এই টুর্নামেন্টের চ্যাম্পিয়ন হয়।

যদিও আয়ারল্যান্ড আইসিসির সহযোগী দেশ হয়েছিলো এবং ক্রিকেটের উপর নিষেধাজ্ঞা উঠে গিয়েছিলো তবুও সামাজিকভাবে আয়ারল্যান্ডের মানুষ ক্রিকেট পছন্দ করতো না, ক্রিকেটারদের অবজ্ঞার চোখে দেখা হতো। ক্রিকেটারদের Anglophile “West Brits” বলে তাচ্ছিল্য, অবজ্ঞা করা হতো। যার কারনে তরুন ক্রিকেটার উঠে আসছিলো না, পেশাদার ক্রিকেটার গড়ে ওঠেনি এমনকি নিয়মিত ক্রিকেটের কোন টুর্নামেন্ট হতো না। বিদেশি দলগুলা ইংল্যান্ড সফরে আসলে আয়ারল্যান্ড এসে যেসব ফ্রেন্ডলি ম্যাচ খেলতো তাতে কোন টস হতো না, ট্যুরিং টিম প্রথমে ব্যাট করতো যাতে ম্যাচটা লম্বা হয়!

একটি স্বাধীন ক্রিকেট খেলুড়ে দেশ হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করার লড়াইয়ে আয়ারল্যান্ডের সবচেয়ে বড় বিজ্ঞাপন ছিলেন এড জয়েস। সমসাময়িক সমাজের বিরুদ্ধে লড়াই করে জয়েস পরিবার পাঁচজন ক্রিকেটার উপহার দেয়। ২০০০ সালের মাঝামাঝি এড জয়েস কাউন্টি দল মিডিলসেক্সের হয়ে খেলা শুরু করেন। যেটা ছিলো আয়ারল্যান্ডের ক্রিকেটকে বড় মঞ্চে তুলে ধরার একটা পদক্ষেপ। আয়ারল্যান্ডের যে বিশ্বমানের ব্যাটসম্যান আছে সেটা বিশ্ব জানতে পরে জয়েসের মাধ্যমে। আয়ারল্যান্ডের মানুষ বিষয়টা স্বাগত জানায়। মিডিলসেক্সের হয়ে প্রথম শ্রেনীর ক্রিকেটে ১১৮ ম্যাচে ৪৬.৭৬ গড়ে ৮২৭৮ রান করেন জয়েস (১৯ সেঞ্চুরী, সর্বোচ্চ ২১১)। যোগ্যতা অর্জন করেন ইংল্যান্ড জাতীয় দলে খেলার। ২০০৬ সালে তার ইংল্যান্ড অভিষেক হয় আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে, আইরিশ দলে ছিলেন জয়েসের আপন ছোটভাই ডোমিনিক জয়েস। ২০০৭ শালে এশেজ টেস্টের স্কোয়াডে ছিলেন তিনি। এশেজের পর ওয়ানডে সিরিজে সিডনিতে ম্যাচ জেতানো ১০৭ রান করেন। ইংল্যান্ডের হয়ে ২০০৭ সালে বিশ্বকাপে অংশ নেন জয়েস। বিশ্বকাপের পর ২০০৮ সালে সাসেক্সে যোগ দিয়ে ১১৩ ম্যাচে ৮৩৪৮ রান করেন ৪৯.৩৯ গড়ে (২৩ সেঞ্চুরী, সর্বোচ্চ ২৫০)। ২০১০ সালে এড জয়েস সাসেক্সের হয়ে সর্বোচ্চ রান সংগ্রহ করার পর পুনরায় আয়ারল্যান্ডের হয়ে খেলার সিদ্ধান্ত নেন। ২০১১ বিশ্বকাপে তিনি আয়ারল্যান্ডের হয়ে খেলেন। ২০১৩ সালের দিকে আয়ারল্যান্ড চারদিনের ম্যাচ শুরু করলে জয়েস কাউন্টিতে ফিরে না যেয়ে আয়ারল্যান্ডে ক্লাব ক্রিকেট খেলার সিদ্ধান্ত নেন তরুনদের দেশের হয়ে খেলার উৎসাহ দেয়ার জন্যে। বর্তমানে জয়েস আয়ারল্যান্ডের হয়ে টেস্ট খেলার উদ্দেশ্যে ওয়ানডে থেকে অবসরের কথা ভাবছেন।

এড জয়েসের ওপর দুই ভাই গাস জয়েস এবং ডোমিনিক জয়েস আয়ারল্যান্ডের হয়ে খেলেছেন। তার যমজ দুই বোন ইসোবেল জয়েস এবং সেসেলিয়া জয়েস খেলেন আইরিশ মহিলা দলে।

(প্রথম পর্ব সমাপ্ত, দ্বিতীয় পর্বে থাকবে ২০০০ সাল থেকে টেস্ট স্ট্যাটাসের বিষয়।)

[পরবর্তী পর্বঃ আইরিশ রূপকথাঃ ৭০ বছরের নিষেধাজ্ঞা থেকে টেস্ট স্ট্যাটাস (দ্বিতীয় পর্ব)]

Most Popular

আর দশটি নিউজপোর্টালের মত যাচ্ছেতাই জগাখিচুড়ি না, "নিয়ন আলোয়" আমাদের সবার লেখা নিয়ে আমাদের জন্যই প্রকাশিত হওয়া বাংলা ভাষায় প্রথম পূর্ণাঙ্গ অনলাইন ম্যাগাজিন।

আজকের আলোচিত

Copyright © 2016 Neon Aloy Magazine

To Top