ফ্লাডলাইট

মোহাম্মদ আশরাফুলঃ বাংলাদেশ ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় রহস্যের নাম

আশরাফুল রহস্য নিয়ন আলোয় neon aloy

মোহাম্মদ আশরাফুল, এই নামটা শুনলে আমার সবার আগে যেটা মাথায় আসে সেটা হচ্ছে, বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসের সবচেয়ে বড় অপচয়িত মেধা, সবচেয়ে বড় আক্ষেপ এবং সবচেয়ে বড় হতাশার নাম এই আশরাফুল।

একই সাথে যদি বলতে হয় বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে সবচেয়ে প্রতিভাবান ব্যাটসম্যান কে ছিলেন- তাহলেও আমি বলবো মোহাম্মদ আশরাফুলের নাম।
মোহাম্মদ আশরাফুল, বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসের প্রথম সুপারস্টার, প্রথম পোস্টার বয়, প্রথম ব্যাটসম্যান যার আগমন বিশ্বে বার্তা দিয়েছিলো বাংলাদেশেও বিশ্বমানের ব্যাটসম্যান জন্মায়। ব্যাটিং মানে যে শুধু রান করা নয়, ব্যাটিং একটা শিল্পের নাম- সেটাতো আশরাফুলের মাধ্যমেই আমরা জানলাম বাংলাদেশের ক্রিকেটে।

টেস্ট স্ট্যাটাস পাবার পর হাঁটি-হাঁটি-পা-পা যুগের সেই দিনগুলোতে আমাদের এমন একজনকে দরকার ছিলো যে বাংলাদেশকে বিশ্বে তুলে ধরবে, যাকে নিয়ে আলোচনা হবে। যাকে কেন্দ্র করে পুরা দল আবর্তিত হবে, যাকে নিয়ে প্রতিপক্ষ মাথা ঘামাবে এবং যাকে দেখে বাংলাদেশে আরো অনেক টপক্লাস ব্যাটসম্যান জন্ম নেবে। প্রশ্নটা আপনাদেরই করি, টেস্টে স্ট্যাটাস পাবার পর এইরকম পোস্টার বয় কে ছিলো বাংলাদেশে? আপনি যদি সত্যি সত্যি ক্রিকেট ফলোয়ার হয়ে থাকেন তাহলে আপনার উত্তর হবে এক শব্দে, “আশরাফুল”।

আশরাফুল রহস্য নিয়ন আলোয় neon aloy

২০০৭ বিশ্বকাপে সাউথ আফ্রিকাকে হারিয়ে দেওয়া সেই ম্যাচ। আশরাফুলের মতে সেই ম্যাচেই তিনি খেলেছিলেন ক্যারিয়ারের সেরা ওয়ানডে ইনিংস!

চমকে দিয়েছিলেন অভিষেক ম্যাচেই! চামিন্দা ভাস, মুরালিধরনের বোলিং হেসেখেলে পার করে টেস্টে সর্বকনিষ্ঠ সেঞ্চুরীয়ান হয়ে। শ্রীলংকা ক্যাপ্টেন ডি সিলভা মুরালিকে বলেছিলেন “দুসরা” দাও, মুরালি জানালেন “দুসরাতে কাজ হচ্ছে না, বল মাটিতে পড়ার আগেই পিক করে ফেলছে ….সব দিকে মারছে”।

অভিষেকের পর থেকেই আশরাফুলের কাছে জাতির বা বলা ভালো দলের প্রত্যাশা ছিলো পাহাড়সমান। মেরে খেলতে হবে? আশরাফুল আছে না! ধরে খেলতে হবে? আশরাফুল আছে না! মাত্র বিশ বছরেই আশরাফুল দেশের সেরা ক্রিকেটার, দলের একমাত্র ভরসা, দলের ম্যাচ উইনার। মাত্র বিশ বছরেই আশরাফুল আউট মানে বাংলাদেশের ইনিংস গুটিয়ে যাওয়া সময়ের ব্যাপার মাত্র! অথচ আজকে সৌম্য, সাব্বিরের বেলায় আমরা বুঝি এই বয়সটা মাত্র শেখার সময়, খেলাটা রপ্ত করার সময়। আশরাফুল কয়েক ম্যাচ রান পাচ্ছেনা? তাকে ওপেনিং করাও, হচ্ছেনা? তাকে নীচে নামাও! এক থেকে সাত কোন পজিশনে খেলানো হয়নি আশরাফুলকে? সাবেক নির্বাচক ফারুক ভাই একবার এক টকশোতে বলেছিলেন আশরাফুলকে আমরাই নষ্ট করেছি। অতিমাত্রায় এক্সপেরিমেন্ট হয়েছে অতি অল্প বয়সেই। ডেভ হোয়াটমোরের সময় পজিশন পরিবর্তন হয়েছে বারংবার, আর জেমি সিডন্স এসে বললেন ব্যাক লিফটে সমস্যা, মানে ব্যাট ধরায় পরিবর্তন আনা লাগবে, হাওয়ায় উড়িয়ে মারা যাবেনা, মারলেও আউট হওয়া যাবেনা! এ কেমন কথা?

হুম আশরাফুলের দোষ ছিলো, এই এতো প্রেসার সামলাতে পারেন নাই তিনি। কখনো অতিরিক্ত আক্রমণ করে খেলেছেন (যেমন ২৬ বলে টেস্ট ফিফটি) আবার কখনো অতিরিক্ত মন্থর হয়েছেন (১ রান ৫৯ বলে)। সমস্যা হয়েছিলো মানসিকভাবে, সব সময় যেন ডুয়েল মাইন্ডে থাকতেন, মারবেন না ছাড়বেন? আমার ধারণা তার প্রেসারের একমাত্র কারণ ছিলো আশরাফুল রান না পেলেই চারিদিকে গেল গেল রব উঠে যেত। ম্যাচ হারার জন্য সরাসরি তার দিকেই আঙুল উঠে যেত। কে জানে হয়তো ব্যাটিং নিয়ে খুব বেশি চিন্তা করতে গিয়েই তালগোল পাকিয়ে যেত।

আশরাফুল নিজে কি বলেন? “তারা (বিসিবি) ভেবেছিলো আমি খেলতে খেলতে শিখবো, আমিও তখন সেটাই ভাবতাম। কিন্তু এটা আসলে হয়না, টানা ম্যাচ খেলার কারনে আমি কখনোই ভুলগুলো নিয়ে কাজ করার সুযোগ পাইনি। আমার মনেহয় তখন বিশ্রাম দরকার ছিলো যখন ব্যাড প্যাচে পড়তাম। নেটে হয়তো টেকনিক্যাল বিষয়ে নিয়ে প্রচুর কাজ হয়েছে কিন্তু আমি কখনোই গ্যাপে সিঙ্গেল বের করা শিখিনি, কখনোই স্ট্রাইক রোটেট করা শিখিনি, আমাকে সবসময় বিগশট খেলা শেখানো হতো। সবাই চাইতো আমি বিগ ইনিংস খেলি। আজকে সাকিব, নাসিররা নেটেই সিঙ্গেল নেয়া শিখে, স্ট্রাইক রোটেট শেখানো হয় বিভিন্ন ম্যাচ সিচুয়েশন তৈরী করে। এটা আমি পাইনি, তাছাড়া এখন কোচ যেমন ফ্রিডম দেয় সৌম্য, সাব্বিরদের আমি ওইরকম পাইনি। আমাকে সবসময় বলা হতো ম্যাচ শেষ করে আসতে হবে। সত্যি বলতে এখনকার মতো ফ্রিডম নিয়ে খেলতে পারলো আমার গড়, ফিফটি বা সেঞ্চুরী আরো বেশি হতে পারতো”
গড়! আশরাফুলের গড় দেখে তার ক্লাস আন্দাজ করা অসম্ভব। টেস্টে ২৪, ওয়ানডেতে ২২.২৩। এজন্যই বলে মিথ্যা তিন প্রকার- মিথ্যা, ডাঁহা মিথ্যা আর পরিসংখ্যান। পরিসংখ্যান দিয়ে আশরাফুলকে বিবেচনা করা সম্ভব না।

আশরাফুল রহস্য নিয়ন আলোয় neon aloy

অস্ট্রেলিয়াকে হতভম্ব করে দেওয়া কার্ডিফের সেই ইনিংসে সেঞ্চুরির পর আশরাফুলের উদযাপন।

ধারাবাহিকভাবে অধারাবাহিক মোহাম্মদ আশরাফুলের ব্যাটিং ক্লাস, সামর্থ্য নিয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ নাই। অধারাবাহিকতার মাঝেই আশরাফুলের এমন কিছু ম্যাজেস্টিক ইনিংস আছে যেগুলার কারণেই মানুষ তাকে লিটল মাস্টার ডাকতো, যেই ইনিংসগুলোই বাধ্য করে তাকে দেশের সেরা প্রতিভাবান ব্যাটসম্যান হিসাবে মানতে।

আমার চোখের সামনে এখনো ভাসে ভারতের সাথে চট্টগ্রামে ১৫৮* রানের মহাকাব্যিক ইনিংস, এক কথায় ওয়ানম্যান শো। আশরাফুলের পর আফতাবের ৪৪ রান ছিলো দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। পাকিস্তানের সাথে ২০০৩ সালে ৭৭ রানের পাল্টা আক্রমন করে খেলা অসাধারন একটা ইনিংস। কলম্বোর পি.সারা স্টেডিয়ামের টার্নিং পিচে ১২৯*, শ্রীলংকার সাথে ১৯০ রানের ওই ইনিংস কিংবা মিরপুরে ভারতের সাথে ৪১ বলে ৬৭ রানের পাল্টা আক্রমণ।

ওয়ানডেতে প্রথমেই মনে আসবে কার্ডিফে অস্ট্রেলিয়া বধের সেই ১০০ রান, যেদিন আশরাফুল দেখালেন কিভাবে গ্লেন ম্যাকগ্রাকে সুইপ করে ফাইন লেগ দিয়ে চারা মারা যায়, অবশ্যই ম্যাকগ্রা স্পিডস্টার না তবুও কেউ তাকে সুইপ করে চার মারবে এটা যেন তার বিশ্বাস হচ্ছিলো না! আশরাফুল নিজে যেটাকে ক্যারিয়ারের সেরা ইনিংস বলেছেন সেই ৮৩ বলে ৮৭ রানের ইনিংস যার উপর ভর করে বিশ্বকাপে সাউথ আফ্রিকাকে হারায় বাংলাদেশ। প্রতিটা শট চোখে ভাসে এখনো, বিশেষ করে ইয়র্কার লেংথের একটা বল পয়েন্ট দিয়ে চার মেরেছিলেন, একটা ফিল্ডার জায়গা থেকে নড়ার সুযোগ পায়নি।

আইসিএল-এর ঘটনায় যখন দেশের ক্রিকেট বিপর্যস্ত, তখনই ওই ঘটনার পর প্রথম ম্যাচেই নিউজিল্যান্ডকে হারায় বাংলাদেশ, শেষ দিকে রান তাড়া করে আশরাফুলের ৫৭ বলের ৬০* রানের ইনিংস দেখার সুযোগ পেয়েছিলাম মাঠে বসেই।

ইংল্যান্ডের সাথে ৫২ বলে ৯৪ রানের ইনিংস কি ভোলা যায়? এক পা উঁচু করে ফ্লিনটফকে হুক করে ছক্কা, এটাই তো আশরাফুল! এভাবে আর কে মেরেছে কবে? ওই ইনিংসের পর স্টিভ হার্মিসন বলেছিলেন তার পুরা ক্যারিয়ারে কেউ এভাবে তাকে মারেনি।

একা হাতে দলকে টানা বলতে কিছু থাকলে সেটা করেছেন আশরাফুল। তিনি ছিলেন দলের নিউক্লিয়াস। প্রতিপক্ষ দল আশরাফুল ক্রিজে আসলেই বলা শুরু করতো “ফার্স্ট এন্ড লাস্ট ব্যাটসম্যান অন ক্রিজ, কাম অন বয়েজ….”! একবার চার নাম্বারে আশরাফুল নামার সাথে পেছন থেকে সাঙ্গাকারা স্লেজিং করেছিলেন “লাস্ট ব্যাটসম্যান ক্রিজে, এরপর সব বোলার ….তাড়াতাড়ি আউট করো”।

যদিও আজ পরিসংখ্যান বলবে আশরাফুলের চেয়ে বেটার ব্যাটসম্যান আমরা পেয়েছি, কিন্তু তাতে আশরাফুলের অবদান বিন্দুমাত্র কমবে না। আশরাফুলই পথপ্রদর্শক, আশরাফুলকে দেখেই বড় হয়েছে আজকের অনেক ব্যাটসম্যান। কিছুদিন আগেই মুশফিকুর রহিম বলেছেন আশরাফুলই এখন পর্যন্ত দেশের সেরা ব্যাটসম্যান, উইকেটের চারপাশে শট খেলবে এই ক্ষমতা আশরাফুলের চেয়ে ভালো আর কারো নেই।

আশরাফুল রহস্য নিয়ন আলোয় neon aloy

বাংলাদেশের অন্যতম সেরা দুই ব্যাটসম্যান…

বিপিএল স্পট ফিক্সিং নিয়ে আজ কোন কথা বলবো না। যা হয়েছে তার শাস্তি আশরাফুল পাচ্ছেন। শুধু এইটুকু বলবো আরো অন্তত তিনজন প্লেয়ারের নাম এসেছিলো যারা আশরাফুলের সাথে প্রথমে জুয়াড়ীর পরিচয় করিয়ে দেয়। তাদের ভেতর খালেদ মাহমুদ সুজন জাতীয় দলের ম্যানেজার হয়, খালেদ মাসুদ পাইলট লোকাল কোচ হয়, মোহাম্মদ রফিক একাডেমির কোচ হয়েছেন। তাহলে শাস্তি শুধু আশরাফুল একাই কেন পেলেন?

ক’দিন আগেই মোহাম্মদ আশরাফুলের জন্মদিন গেলো, অনেক পোস্ট পড়ার সুযোগ হলো। কেউ কেউ আশরাফুলকে জাতীয় বেঈমান বানিয়েছে, কারো চোখে দেশ বিক্রি করেছেন (যদিও এটা স্পট ফিক্সিং, ম্যাচ পাতানো না)। কারো কারো কথা শুনে মনে হয়, আশরাফুল কে?

তবে এখনো কিছু মানুষ আছে যারা আশরাফুলের জন্য শুভকামনা করে। পেপার খুলে আগে খবর নেন আশরাফুল কত করলেন, বিপিএলে খেলবেন কিনা ইত্যাদি। আমি তাদের একজন। হয়তো জাতীয় দলে আর ফেরা হবেনা, কিন্তু ঘরোয়া ক্রিকেটে কিছু দূর্দান্ত ইনিংস খেলবেন সেই প্রত্যাশা করি আমি। ভুল করলে কথা শুনতে হয়, কিন্তু আশরাফুল কি শুধুই ট্রলের বিষয় হয়ে থাকবেন?

একজন গতরাতে প্রশ্ন তুলেছিলেন ইনবক্সে, আশরাফুল কেন বিশেষ কিছু? আশরাফুল অবশ্যই বিশেষ কিছু। আশরাফুল আমাদের বড় কিছু করার স্বপ্ন দেখানো শুরু করেছিলেন, আশরাফুল জানান দিয়েছিলেন এই দেশেও ওয়ার্ল্ড ক্লাস প্লেয়ার জন্মাতে পারে। আশরাফুলের ধুমকেতুর মতো হঠাৎ করে আসা ইনিংসগুলোর উপর ভর করেই টেস্ট-পরবর্তী যুগে জয় পাওয়া শুরু করে বাংলাদেশ। আশরাফুল ব্যাটসম্যান হিসেবে খুব বড় কিছু নন, কিন্তু আশরাফুল একটা পথ দেখিয়ে গিয়েছেন সেটাতে হেঁটেই বহুদূর যেতে হবে। ক্লাস আর স্টাইল কি জিনিস সেটা আশরাফুল দেখিয়েছেন।

তবে যে ভুল তিনি করেছেন সেটা এক রকম প্রতারণা ক্রিকেটের সাথে, ভক্তদের সাথে এবং তার শাস্তি পেতেই হতো। দেশের সুনাম একসময় যেমন বাড়িয়েছেন, তেমনি দূর্নামও কুঁড়িয়ে এনেছেন। আশরাফুলের এই ঘটনা বাকি সব ক্রিকেটারের জন্য একটা লার্নিং কেস হতে পারে। আশরাফুল শাস্তি পেয়েছেন, তাতে বিন্দুমাত্র কষ্ট নেই। কষ্ট লাগে, কেবলই যখন মনে হচ্ছিলো সেরা সময়ে ফিরে আসছেন, তখনই ছন্দপতন। মাঝে মাঝে ভাবি, ফিক্সিং-এর মতো নোংরা কাজে কেন জড়ালেন তিনি? এতো ভালোবাসা, এতো সম্মান… ফিক্সিং এর সাথে আপোষ করার সুযোগ নাই এটাই চূড়ান্ত কথা, সেটা যে-ই হোক। দেশের ক্রিকেটের স্বার্থে আশরাফুলের শাস্তি পাওয়া দরকার ছিলো।

আশরাফুল এক জটিল ধাঁধা, একটা অমীমাংসিত রহস্য। হয়তো একেবারে খেলা থেকে অবসর নিলে আরো অনেক তথ্য জানা যাবে তার কাছে।

ভালো-খারাপ, এই দুইয়ে মিলিয়েই মানুষ। আপনি কোনটা মনে রাখবেন সেটা আপনার উপর, আপনি কোনটা গ্রহণ করবেন সেটাও আপনার উপর। চাইলে আপনি একজন স্পট ফিক্সার হিসেবে মনে রাখতে পারেন আশরাফুলকে। তবে আমার কাছে আশরাফুল মানে বাংলাদেশের প্রথম সুপারস্টার, চোখ ধাঁধানো শট। আমার কাছে আশরাফুল মানে বাংলাদেশের ক্রিকেটের প্রথম পোস্টারবয়। আমি এভাবেই তাকে মনে রাখতে চাই।

আপনার জন্য শুভকামনা মোহাম্মদ আশরাফুল। বাকি জীবনটা সুন্দর কাটুক আপনার সেই দোয়া করি।

[আশরাফুল ম্যাচ ফিক্সিং এর দায়ে নিষিদ্ধ হলেন। কিন্তু তাকে বলির পাঁঠা বানিয়ে অন্য কেউ কি গা বাঁচায়নি? বিস্তারিত পড়ুনঃ আশরাফুলের ম্যাচ ফিক্সিং, এবং ভুলে যাওয়া কিছু পুরনো প্রশ্ন!]

Most Popular

আর দশটি নিউজপোর্টালের মত যাচ্ছেতাই জগাখিচুড়ি না, "নিয়ন আলোয়" আমাদের সবার লেখা নিয়ে আমাদের জন্যই প্রকাশিত হওয়া বাংলা ভাষায় প্রথম পূর্ণাঙ্গ অনলাইন ম্যাগাজিন।

আজকের আলোচিত

Copyright © 2016 Neon Aloy Magazine

To Top