নিসর্গ

দেশের বাইরে ভ্রমণ সংক্রান্ত কিছু গাইডলাইন

নিয়ন আলোয়

দেশের গন্ডি পেরিয়ে যারা দেশের বাইরে ভ্রমণ করতে চান তাদের অনেককেই দেখা যায় ট্রাভেল রিলেটেড প্রক্রিয়াগুলো (ভিসা, হোটেল বুকিং, এয়ার টিকিট ইত্যাদি) অত্যন্ত জটিল মনে করে এই সংক্রান্ত যাবতীয় দায়িত্বগুলো ট্রাভেল এজেন্সির হাতে দিয়ে নিশ্চিন্তে থাকতে চান। আবার কখনো কখনো প্রবল ইচ্ছা থাকা স্বত্বেও এই ঝামেলাগুলোর কারণে হয়ত ভ্রমণ থেকেই বিরত থাকেন। কিন্তু অনলাইনের এই যুগে চোখ কান খোলা রেখে যদি আপনি একটু এ্যাক্টিভ থাকেন, তাহলেই কিন্তু দেশে বসেই ট্রাভেল এজেন্সির পেছনে কাঁড়ি-কাঁড়ি টাকা না ঢেলে অনেক কম খরচেই আপনি আপনার সুবিধা মত একটি ট্যুর প্ল্যান করে নিশ্চিন্তে ঘুরে আসতে পারেন আপনার কাঙ্খিত দেশটি থেকে। আমি আমার ক্ষুদ্র অভিজ্ঞতা এবং সীমিত জ্ঞান থেকে এই ছোট ছোট ব্যাপারগুলো শেয়ার করেছি, যদি এতটুকুও আপনাদের কাজে লাগে নিজেকে ধন্য মনে করব।

ট্যুর প্ল্যানঃ

দেশের বাইরে যেতে হলে প্রথমেই যেটি অত্যন্ত জরুরি সেটি হল একটি ইফেক্টিভ ট্যুর প্ল্যান। আপনি যে দেশটিতে যাবেন বলে ঠিক করেছেন সে দেশটি সম্পর্কে প্রথমেই প্রাথমিক একটি ধারণা নিন যেমন সে দেশের আবহাওয়া, এবং রাজনৈতিক পরিস্থিতি ইত্যাদি। বিশেষ করে যে সময় আপনি যেতে চাচ্ছেন সে সময়টি আসলেই ভ্রমণের উপযুক্ত কিনা। ধরুন আপনি যদি নেপাল যেতে চান, তবে অবশ্যই বর্ষাকাল এ্যাভয়েড করুন। কেননা এই দেশে আপনার পরবর্তিতে আর কখনো যাওয়া হবে কিনা কে জানে। তাই সবচেয়ে সুইটেবল সময়েই যাওয়ার চেষ্টা করুন। তারপর হল সে দেশে কি কি দেখবেন। ইন্টারনেটে সার্চ দিলেই আপনি পেয়ে যাবেন সে দেশের মাস্ট ভিজিট প্লেসগুলো। তবে সবসময় খেয়াল রাখবেন ট্যুর প্ল্যানটি এমনভাবে করতে হয় যেন সেটি আপনার নির্ধারিত সময়ের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করে।

ভিসাঃ

যে দেশগুলোতে যেতে ভিসা প্রয়োজন হয়, সে দেশগুলোর ভিসা একটু আগেই করে রাখুন। তবে এটাও লক্ষ্য রাখবেন যে খুব বেশি আগে যেন করা না হয়, কেননা কোন কোন দেশ তিন মাসের বেশি ভিসা দেয়না । ভিসা করার জটিল প্রক্রিয়া অবশ্য ট্রাভেল এজেন্সিকে দেওয়াই ভাল, তবে নিজে করতে পারলে জনপ্রতি ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা কম লাগতে পারে। নির্ধারিত দেশটির এ্যাম্বাসির ওয়েবসাইটে গেলেই ভিসা সংক্রান্ত যাবতীয় ইনফরমেশন পাওয়া যাবে, বিশেষ করে কি কি ডকুমেন্ট লাগবে ইত্যাদি। এই ডকুমেন্টগুলোও দেশ অনুযায়ী আলাদা হয়ে থাকে। ব্যাংক স্টেটমেন্ট নির্ভর করে আপনি কোন দেশে যাবেন এবং কয়জন ভ্রমন করবেন তার উপর। একজন সলো ট্রাভেলার যত দেখাবেন, একজন ফ্যামিলি নিয়ে গেলে অবশ্যই তার বেশি দেখাতে হবে। সাধারনত ভিসাতে যে ডকুমেন্টগুলো কমন থাকে তা হল পাসপোর্ট, ছবি (ছবির মাপও দেশ অনুযায়ী বিভিন্ন হয়), ব্যাংক স্টেটমেন্ট, ব্যাংক সল্ভেন্সি (কোন কোন দেশে লাগে, এটা কিন্তু স্টেটমেন্ট না, ব্যাংক থেকে সল্ভেন্সি সার্টিফিকেট নিতে হয়) চাকুরিজীবি হলে অফিস থেকে এনওসি, বিজনেসম্যান হলে ট্রেড লাইসেন্স ইত্যাদি। এই ডকুমেন্টগুলো সহ একটি ভিসা এ্যাপ্লিকেশন ফর্ম (এ্যাম্বাসির ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করা) পূরণ করে এ্যাম্বাসিতে যেয়ে জমা দিয়ে অপেক্ষা করুন আপনার ভিসার জন্য।

টিকিটঃ

ভিসা হয়ে গেছে, এখন এয়ার টিকিট করে ফেলুন চটপট। তবে অনেক সময় অফারে টিকিট পেলে আগেই টিকিট কেটে ফেলতে হয়। তবে সেক্ষেত্রে ট্রাভেল ডেটটা একটু পরে ফেলুন যেন ভিসা সংক্রান্ত জটিলতার জন্য পর্যাপ্ত সময় থাকে। ট্রাভেল ডেট থেকে যত আগে টিকিট করতে পারবেন, আপনার খরচ কম পরবে। ডেট যত এগিয়ে আসবে টিকিটের দামও তত বাড়তে থাকে। যাওয়া-আসার টিকিট তো করে ফেললেন কিন্তু ডমেস্টিক ট্রাভেলগুলো কি করবেন? যেমন ধরুন আপনি কুয়ালালামপুর থেকে লাংকাউই যাবেন। বাসে যাওয়াই সাশ্রয়ী, কিন্তু একটু সাহস করে বাজেট এয়ারগুলো- যারা ডমেস্টিক ফ্লাই করে তাদের ওয়াবসাইটে গিয়ে দেখুন না, ওদের কোন অফার আছে কিনা। ট্রাভেল ডেটের অনেক আগে যদি টিকিট করতে পারেন, দেখবেন বাসের চেয়ে কম খরচে আপনি এয়ারেই ভ্রমণ করতে পারছেন। এতে যেমন টাকা সাশ্রয় হবে তেমনি সময়ও বাঁচবে প্রচুর। বাজেট এয়ারগুলোর মধ্যে এয়ার এশিয়া, টাইগার এয়ার, মালিন্দো ইত্যাদি অন্যতম। অফ সিজনে এদের অফার থাকে প্রচুর, শুধু জানতে হবে আপনার। তবে এই ক্ষেত্রে টিকিট কাটতে অবশ্যই আপনার একটি ইন্টারন্যাশনাল ক্রেডিট কার্ড থাকতে হবে। যেসব দেশে ভিসা লাগেনা কিংবা অন এ্যারাইভাল ভিসা, সেসব দেশে যে কোন সময়ই টিকিট কাটতে পারেন, কোন সমস্যা ছাড়াই।

হোটেল বুকিংঃ

ভিসা-টিকিট হয়ে গেছে, এবার নিশ্চিন্তে হোটেল বুকিং দিন। অনলাইনে হোটেল বুকিং-এর জন্য বেশ কিছু জনপ্রিয় ওয়েবসাইট আছে যেমন বুকিং ডট কম, এ্যাগোডা ডট কম ইত্যাদি। আপনি আপনার কাঙ্খিত লোকেশন (যেমন ব্যাংককের কোন এলাকায় থাকবেন) দিয়ে সার্চ করে আপনার বাজেট এবং স্টার মান অনুযায়ী ফিল্টার করে হোটেল পছন্দ করতে পারবেন। অনেক অপশন থেকে হোটেল বাছবেন কিভাবে? প্রতিটি হোটেলের সাথে রিভিউ অপশন থাকে। আপনি ক্লিক করলেই বিভিন্ন সময় হোটেলে অবস্থানকারীদের হোটেল সম্পর্কে মতামত জানতে পারবেন। সেই সাথে তাদের মতামতের ভিত্তিতে প্রাপ্ত স্টার মার্ক দেখেই আপনি হোটেল সম্পর্কে একটি ধারণা পেয়ে যাবেন। এবার যাচাই-বাছাই করে পছন্দ করুন আপনার হোটেল। তবে হোটেল পছন্দ করার সময় একটি জিনিস খেয়াল করবেন, তা হল- সেখান থেকে যেন মেইন টুরিস্ট স্পটগুলোর দুরত্ব খুব বেশি না হয়। তা না হলে যাতায়াতেই আপনার সময় এবং অর্থ দুটোই অপচয় হবে। তবে এটা ঠিক অনলাইনে বুকিং দিলে আপনার খরচ কিছুটা বেশি পরে, তবে অনেক আগে যদি বুকিং দিতে পারেন তবে কম পরবে। এক্ষেত্রেও আবার সেই ইন্টারন্যাশনাল ক্রেডিট কার্ডই আপনার ভরসা। তবে আপনি যদি সলো ট্রাভেলার হন অথবা ফ্যামিলি ছাড়া ভ্রমন করেন সেক্ষেত্রে আপনার অন স্পট বুকিং দেওয়াই ভাল হবে।এতে অনেক কম খরচে রুম পাবেন। তবে অনেক সময় পিক সিজনে এটা রিস্কি হতে পারে।

ব্যাগ প্যাকঃ

সব রেডি এবার ব্যাগ প্যাকের পালা। আগেই বলেছিলাম ওয়েদারের দিকে লক্ষ্য রাখতে। নেটে সার্চ দিয়ে ঐ সময় আপনার ভ্রমনকৃত লোকেশনগুলোতে আবহাওয়া কেমন থাকবে (তাপমাত্রা, বৃষ্টি অথবা তুষারপাত হবে কিনা ইত্যাদি) দেখে নিন। যদি খুব বেশি শীতে যান, তবে সেভাবে প্রস্ততি নেবেন। সবসময় চেষ্টা করুন লাগেজ হালকা রাখতে। আপনি যদি যাওয়ার সময়ই ব্যাগ ভারি করে ফেলেন, তবে শপিং করবেন কি? দুটো জিন্স আর সাথে কয়েকটি টপস কিংবা টিশার্ট নিয়ে নিন। এতেই অনায়াসেই পার করে দিতে পারবেন কয়েকটি দিন। সাথে প্রয়োজনীয় মেডিসিন নিতে ভুলবেন না। আর অবশ্যই পাসপোর্টটি সাবধানে রাখবেন। পাসপোর্টের বেশ কয়েকটি ফটোকপি রাখতে ভুলবেন না কিন্তু। মনে রাখবেন, বিদেশ-বিভুঁইয়ে এটাই আপনার একমাত্র রক্ষাকবচ। এরপর ডলার এন্ডর্সমেন্টের পালা। আপনি যদি ফ্যামিলি নিয়ে ভ্রমণ করেন তবে শুধু একজনের পাসপোর্টে এন্ডোর্স না করে চেষ্টা করবেন প্রতিটি সদস্যের পাসপোর্টেই কিছু ডলার এন্ডোর্স করতে। সবচেয়ে এফিসিয়েন্ট উপায়ে ব্যাগ প্যাক করার বিস্তারিত জেনে আসতে পারেন এই আর্টিকেলটিতে- “হালকা ব্যাগে ভারি ভ্রমণ”

ঘোরাঘুরি এবং সাইট সিয়িংঃ

আগেই প্ল্যান করে ফেলুন কোন কোন জায়গায় যাবেন। অনেক দেশেই ফ্রি শাটল থাকে। এতে করে বিনা খরচেই আপনি লোকাল যাতায়াতগুলো করতে পারবেন। শুধু কোথা থেকে এটি ছাড়ে তা জেনে নিন, গুগল তো আছেই হেল্প করার জন্য! বাইরের দেশে আমাদের মত অল্প দুরত্বে চলাচল করার মত কোন ট্রান্সপোর্ট নেই, তাই হাঁটতে হবে প্রচুর এই মানসিকতা রাখতে হবে। এয়ারপোর্টে নেমেই প্রথমে সেখানকার একটা লোকাল সিম কিনে ফেলবেন ইন্টারনেট সহ। এরপর গুগল ম্যাপের সাহায্যেই আপনি পৌঁছে যেতে পারবেন আপনার কাংখিত স্পটে। তাছাড়া ট্যাক্সি ড্রাইভার আপনাকে ঠিক পথেই নিয়ে যাচ্ছে কিনা তা পরখ করতেও এই গুগল ম্যাপের বিকল্প নেই। ও হ্যাঁ, আর একটা কথা। ঘুরাঘুরিতে কিন্তু প্রচুর এ্যানার্জি লস হয়, তাই লিকুইড পান করবেন প্রচুর। এই ক্ষেত্রে ফ্রেশ ফ্রুট জুসের বিকল্প হয়না। সাথে একটি ব্যাগপ্যাকে পাসপোর্ট (অথবা ফটোকপি), পানি এবং মেডিসিন রাখতে ভুলবেন না কিন্তু। আর একটি কথা, সাইট সিয়িং-এর ক্ষেত্রে অনেক সময় স্পটে যেয়ে টিকিট না কিনে অনলাইনে কিনে ফেললে খরচ অনেক কম পরে, তাই আগে একবার অনলাইনে চেষ্টা করুন টিকিটগুলো কিনে ফেলার। ধরুন, আপনি মাদাম তুসোর মিউজিয়ামে যাবেন। স্পটে যাওয়ার আগেই ওদের ওয়েবসাইটে ঢুকে দেখুন অফার আছে কিনা। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অফার থাকে। সেক্ষেত্রে প্রায় অর্ধেক খরচে অনলাইনে কিনে ফেলতে পারবেন আপনার টিকিটটি। এছাড়া অনেক সময় দিনের নির্দিষ্ট সময়েও কিছু ছাড় থাকে। কিন্তু স্পটে একবার চলে গেলে এধরনের কোন অপশন আপনি পাবেন না, অনেক বেশি দামেই আপনাকে কিনতে হবে টিকিট।

শপিংঃ

নতুন একটি দেশে যাচ্ছেন অথচ শপিং করবেন না, তা কি হয়? ওখানে গিয়ে খোঁজার চেয়ে যাওয়ার আগেই জেনে নিন না কোথায় কি সস্তায় পাওয়া যায়! এই ক্ষেত্রে আপনাকে হেল্প করবে ট্রিপ এ্যাডভাইজার ওয়েবসাইটটি। বিভিন্ন ট্রাভেলারদের অভিজ্ঞতা থেকে জেনে নিন কোথায় গেলে কম খরচে ও ভাল মানের পণ্য পেতে পারেন। সবসময় টুরিস্ট এরিয়াগুলো এ্যাভয়েড করবেন শপিং, কেননা এখানে দাম অত্যন্ত চড়া। আর দ্বীপ এলাকাগুলোতে তো কেনাকাটা কখনোই করবেন না কারণ এসব জায়গায় প্রতিটি জিনিসই আসে দূর থেকে সাগর পথে। তাই চেষ্টা করুন বড় বড় শহরগুলো থেকে শপিং করতে। এশিয়ার অধিকাংশ দেশেই দামাদামি করতে হয়। তাই হেজিটেশন না করে দামাদামি ও যাচাই-বাছাই করে কিনে ফেলুন আপনার মনের মত পণ্য।

নিরাপত্তাঃ

যে দেশেই যান না কেন সে দেশের কালচার, আবেগ, ধর্মানুভুতি ইত্যাদি বিষয়কে শ্রদ্ধা করতে শিখুন। যেসব দেশে রাজতন্ত্র প্রচলিত সেসব দেশের জনগন তাদের রাজার ব্যাপারে অত্যন্ত সেন্সিটিভ হয়ে থাকে, তাই ভুলেও কখনো সেসব দেশে গিয়ে রাজা সম্পর্কে বিরুপ কোন মন্তব্য করবেন না, এতে আপনার জীবনেও আর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের সুযোগ না-ও হতে পারে! সো বি কেয়ারফুল। একটা জিনিস মনে রাখবেন, আপনি যখন অন্য কোন দেশে যাচ্ছেন তখন আপনি কিন্তু আপনার দেশকে প্রতিনিধিত্ব করছেন। আর হ্যাঁ, সাথে যদি বেবি থাকে, তাহলে অবশ্যই তার পকেটে অথবা ছোট্ট একটি ব্যাগে আপনার ঐ দেশের ফোন নাম্বারটি একটি কাগজে লিখে রেখে দিবেন আর ইংলিশে হেল্প চাওয়াটা শিখিয়ে দিবেন। এতে করে কোন অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটলে ওর কাছে পাওয়া ফোন নাম্বারে ডায়াল করেই আপনাকে খুঁজে পাওয়া সম্ভব হবে। আর একটি ব্যাপার, তা হল যখন যে ট্যাক্সিতেই উঠুন না কেন, কাগজে সেই ট্যাক্সির নাম্বারটি টুকে রাখতে ভুলবেন না যেন। এটা আপনাকে খুব সহজেই অনেক বড় বিপদ থেকে উদ্ধার করতে পারে। হোটেলের রুমে যদি সেফটি লক থাকে, চেষ্টা করবেন সেখানেই পাসপোর্ট রেখে শুধু ফটোকপিটা ঘুরাঘুরির সময় কাছে রাখতে। মনে রাখবেন দেশটা তো নিজের নয়, বিপদে পড়লে নিকট আত্মীয় কাউকে পাবেন না। তাই নিজের সেফটি নিজের কাছে । একটু চোখ কান খুলে চলুন, ইনশাআল্লাহ যে কোন পরিস্থিতিই আসুক না কেন সামলে উঠতে পারবেন সহজেই।

পরিশেষঃ

একটি বিদেশ ভ্রমণের পেছনে অফিসে ছুটি নেয়া থেকে শুরু করে ভিসা, টিকিট, প্ল্যান ইত্যাদিতে প্রচুর ধকল কিন্তু সহ্য করতে হয়। এত কিছুর পর যদি আমাদের ট্যুরটি মনের মত না হয় তাহলে সবই বৃথা। তাই একটি নির্ঝঞ্ঝাট এবং আনন্দদায়ক ট্যুর আমাদের সবারই কাম্য। আশা করি এই ছোট ছোট ব্যাপারগুলোর দিকে একটু লক্ষ্য রাখলেই তা আমাদের একটি ট্যুর সফল ভাবে সম্পন্ন করতে সাহায্য করবে। সকল ভ্রমনপিপাসুদের জন্য রইল অনেক শুভ কামনা। হ্যাপি ট্রাভেলিং।

Most Popular

আর দশটি নিউজপোর্টালের মত যাচ্ছেতাই জগাখিচুড়ি না, "নিয়ন আলোয়" আমাদের সবার লেখা নিয়ে আমাদের জন্যই প্রকাশিত হওয়া বাংলা ভাষায় প্রথম পূর্ণাঙ্গ অনলাইন ম্যাগাজিন।

আজকের আলোচিত

Copyright © 2016 Neon Aloy Magazine

To Top