বিশেষ

প্রিয় অভিভাবকগণ, একটু শুনবেন কি?

অভিভাবক সন্তান সচেতনতা নিয়ন আলোয় neon aloy

খুব সকালে ঘুম থেকে তুলে স্কুলড্রেস পরিয়ে আপনার ছোট্ট সন্তানটিকে যখন আপনি স্কুলে পাঠাচ্ছেন তখন আপনার জীবনের সব চেয়ে মুল্যবান সম্পদটি আপনি বেশ কিছু সময়ের জন্য সম্পূর্ণরুপে তুলে দিচ্ছেন শিক্ষকদের হাতে। এখন এই চার থেকে ছয় ঘন্টা আপনার সোনামণিটির স্কুলে অতিবাহিত প্রতিটি মুহুর্ত আপনার দৃষ্টির অগোচর থেকে গেলেও একজন শিক্ষকের অগোচর কিন্তু নয়। আপনার সন্তানের স্কুলে কাটানো প্রতিটি মুহুর্তের গুরুত্ব তাই একজন অভিভাবক হিসেবে আপনার কাছে যতটা, একজন শিক্ষকের কাছে এর গুরুত্ব তার থেকে বেশি বই কম নয় কিন্তু। কারণ, এ যে তার কাছে শুধুমাত্র পর্যবেক্ষণের ব্যাপার নয়, এটি যে তার দায়বদ্ধতাও বটে। তাই আজ একজন শিক্ষকের দৃষ্টিভঙ্গি, অভিজ্ঞতা এবং অবশ্যই কিছুটা দায়বদ্ধতা থেকে কিছু কথা শেয়ার করতে চাই যা আপনাদের হয়তো কিছুটা হলেও কাজে লাগতে পারে।

আপনি যখন আপনার সন্তান কে স্কুলের সীমার ভিতরে প্রবেশ করিয়ে নিশ্চিন্তে আপনার দৈনন্দিন কাজে ব্যস্ত আছেন, তখন আপনার সন্তানটি স্কুলে যা আচরণ করছে বা যে ধরণের কথা তার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করছে তা আপনি স্বপ্নেও ভাবতে পারবেন না। কি খুব অবাক লাগছে? ব্যাপারটা কিন্তু তেমনই। আচ্ছা আমি কিছু নমুনা দেই, তাহলে হয়তো ব্যাপারটা আপনার কাছে পরিষ্কার হবে।

আপনার ক্লাস টু কিংবা থ্রি’তে পড়া সন্তানটি যে বাসায় চুপচাপ শান্ত প্রকৃতির, শুধু গেমস নিয়েই থাকে, খেলাধুলাও করেনা তেমন- সেই লক্ষী ছেলেটি ক্লাসে তার বন্ধুকে তার আগের রাতে দেখা পর্ণ মুভিটির প্রতিটি দৃশ্যর সুনিপুণ বর্নণা দিয়ে চলেছে। শুধু তাই নয়, তার ক্লাসের মেয়েবন্ধুদের সে সেই মুভির নায়িকাদের সাথে তুলনা করে অদ্ভুত অদ্ভুত মন্তব্য করছে। কি খুব অবাক লাগল? জ্বি আপনি ঠিকই শুনেছেন, আমি ক্লাস টু কিংবা থ্রি-ই বলেছি।

আপনার ক্লাস ফোরে পড়া সন্তানটি তার খাতার পাতায় ন্যুড মেয়ে এঁকে চলেছে এবং তার নিচে লিখছে তার ইংলিশ মুভি থেকে শেখা বহুল প্রচলিত স্ল্যাং। এর মধ্যেই কিন্তু সে তার মধ্যাঙ্গুলি ব্যাবহার করে বিভিন্ন সাইন দেখানোও শিখে গিয়েছে।

আপনার ফাইভে পরা সন্তানটি ক্লাস থ্রি’তে পড়া জুনিওর কে ডেকে তালিম দিয়ে চলেছে বাড়িতে একা থাকা অবস্থায় কিভাবে, কখন, কোন সাইটে সে পর্ণ দেখতে পারবে এবং সেই সাথে সে তার বাস্তব অভিজ্ঞতার বর্ণনাও দিয়ে চলেছে সমান তালে।

আপনার ক্লাস ফোরে পড়া সন্তান তার টিচারের অগোচরে টেবিল থেকে পরীক্ষার আগেই কোশ্চেন পেপার নিয়ে সল্ভ করে সেই জানা প্রশ্নে পরীক্ষা দিচ্ছে।
আপনার থ্রি, ফোরে পড়া সন্তান তার বন্ধু মার্ক বেশি পাবে বলে সে বন্ধুর কাছ থেকে এক্সাম খাতা কালেক্ট করে স্যারের কাছে জমা দেবার পুর্বমুহুর্তে তার বন্ধুর খাতাতে তার ঠিক উত্তর কেটে দিয়ে ভুল উত্তর লিখে স্যারের টেবিলে জমা দিয়ে দিয়েছে।

আপনার সিক্সে পড়া সন্তানটি তার বন্ধুর সাথে ফেসবুকে যে বিষয়ে চ্যাট করছে এবং যে ভাষা ব্যাবহার করছে তা দেখলে আপনার ভিরমি খেয়ে অক্কা পাওয়ার সমুহ সম্ভাবনা আছে।

আপনার সেভেনে পড়া সন্তানটি স্কুলের বড় আপুদের নিজ দায়িত্বে পর্ন সাইটের এ্যাড্রেস সরবরাহ করে চলেছে।

আপনার ক্লাস ওয়ানে পড়া শিশুসন্তানটি এ বয়সেই তার বাবার বিত্ত সম্পর্কে যথেস্ট ওয়াকিবহাল। তাই তার যে বন্ধুটির গাড়ি নেই, তাকে এখনি তাচ্ছিল্য করে কথা বলতে শিখে গেছে।

প্রাইমারি লেভেলে পড়া আপনার সন্তান এ বয়সেই শিক্ষকের কথাকে অগ্রাহ্য করা শিখে গিয়েছে। সে জানে এ দেশে তার ভবিষ্যত নেই। পড়া শেষ হলেই সে চলে যাবে দেশের বাইরে। তাই এ দেশের শিক্ষকদের সে প্রকৃত শিক্ষক বলে মনেই করেনা।

থাক, উদাহরণ অনেক লম্বা হয়ে যাচ্ছে। এখানেই থেমে যাই। শুধু এইবার একটু আপনার নিজের সন্তানের দিকে তাকিয়ে ঘটনাগুলি মিলিয়ে নিন তো! কি, নিশ্চয় কিছুতেই মিলাতে পারছেন না? এ যে আপনার স্বপ্নেরও বাইরে! কিন্তু রুঢ় সত্য হল কিছুদিন পর যদি সত্যিই এমন কোন অভিযোগ স্কুল থেকে পান, অবাক হবেন না মোটেই। আপনার অজ্ঞাতেই আপনার সন্তান যে কতকিছু জেনে গিয়েছে তা আপনি নিজেও জানেন না। এখানে আমি শুধু সাত থেকে দশ-এগার বছরের বাচ্চাদের আচরণগুলিই উদাহরণ হিসেবে দিলাম যারা এখনো বয়ঃসন্ধির সেই বিভ্রান্তিমুলক স্টেজটি থেকে একটু দুরেই রয়েছে এবং যাদের কাছ থেকে এ ধরনের আচরণ একেবারেই অপ্রত্যাশিত।

এবার আসুন একটু চিন্তা করি কেন এমন টা হচ্ছে।

আপনারা স্বামী-স্ত্রী দুজনেই জব করেন, ফলে আপনার সন্তানরা বাসায় গিয়ে অনেকটা সময়ই একা থাকে। এই সময়টির ক্ষতিপুরণ হিসেবে আপনি তার হাতে তুলে দিয়েছেন ট্যাব কিংবা স্মার্টফোন। আপনার অবর্তমানে ইন্টারনেট থাকলে তো কথাই নেই। আর ইন্টারনেট যদি না-ও থাকে, তবু ফ্রেন্ড বা অন্যান্য সোর্স থেকে সেই অবাধ রঙ্গিন দুনিয়ার খোজ পাওয়া কোন ব্যাপারই নয়! এমনকি মা বাসায় থাকলেও তারা কোন না কোনভাবে এটা ম্যানেজ করে নিতেই পারে। কখনো ভুলেও ভাববেন না যে আপনার সন্তানকে দিয়ে এটা সম্ভব নয়। কাজেই নির্দিষ্ট বয়সের আগে সন্তানের ট্যাব হাতে তুলে দেয়ার ব্যাপারে সতর্ক হোন। সে কোন সাইট ব্রাউজ করছে লক্ষ্য রাখুন। অবাধ ইন্টারনেট ব্যাবহারের সুযোগ দয়া করে তাকে দিবেন না। এছাড়া সে তার চেয়ে বয়সে বড় এমন কারো সাথে মিশছে কিনা সেদিকেও খেয়াল রাখুন। অধিকাংশ বাচ্চাদেরই এ জগতের হাতখড়ি হয় তার কোন সিনিয়র অকালপক্ক্বের মাধ্যমে।

আপনি আপনার সন্তানের পড়াশুনার ব্যাপারে খুব সচেতন। প্রতিটি পরীক্ষায় খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে নম্বর চেক করেন সে কেমন করেছে, কোথায় ভুল করল, কেন ভুল করল। এমনকি হাফ মার্ক কম পেলেই আপনার অস্থিরতা বেড়ে যায় কেননা প্রতিটি বিষয় আপনি নিজে পড়িয়েছেন তাকে। আপনি অবশ্যই একজন সচেতন অভিভাবক কোন সন্দেহ নেই। কিন্তু হঠাৎ করে আপনি খেয়াল করলেন শিক্ষক কোন এক জায়গায় মার্কিং করতে ভুল করেছে কিংবা খাতা চেক করতে গিয়ে কোন ভুল করে ফেলেছে এবং সাথে সাথে আপনি তার প্রতি বিরুপ হয়ে পরলেন। আপনি আপনার বাচ্চাটির সামনেই তার শিক্ষকের যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন এবং অনেক অপমানজনক কথা বলে ফেললেন। ঠিক সেই মুহুর্ত থেকে আপনার সন্তানটি তার শিক্ষকের প্রতি শ্রদ্ধা হারাল। এখন তার শিক্ষক তাকে যতই ভাল পরামর্শ দিক না কেন কিংবা যে শিক্ষাই দিক না কেন, কোনকিছুই আর সে শ্রদ্ধার সাথে নিতে পারবেনা। আপনার মনে রাখতে হবে একজন শিক্ষক কিন্তু কখনোই তার স্টুডেন্ট বা অভিভাবকের প্রতিপক্ষ নন। তিনি তো একজন রক্তমাংসেরই মানুষ, তার ভুল হতেই পারে। সেক্ষেত্রে আপনার সন্তানের সামনে না বলে সরাসরি শিক্ষকের সাথে ভদ্রভাবে সমস্যার কথা বলুন। আপনার সন্তানকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে তোলা শুধু শিক্ষকের একার না, এটি অভিভাবক এবং শিক্ষকের যৌথ প্রচেষ্টা। সন্তানের সামনে শিক্ষককে অপমান করে আপনি শিক্ষকের উপর তার আস্থা নষ্ট করে এই প্রচেষ্টার গোড়াতেই কুঠার চালিয়ে ফেললেন।

আপনি আপনার সন্তানের সামনেই আপনার বাসার গৃহকর্মী, ড্রাইভার বা পিয়নের সাথে উচ্চস্বরে কথা বললেন কিংবা বাজে ব্যাবহার করলে কিন্তু সাথে সাথেই আপনার সন্তান সেটি শিখে ফেলল। সে বুঝেই গেল এই শ্রেণীর সাথে যা ইচ্ছা ব্যাবহার করা যায়। এর প্রতিফলন অচিরেই আপনি পাবেন তার এই শ্রেণীর বিভিন্ন মানুষের সাথে ব্যবহারের বেলায়। শুধু তাই নয়, আপনার অধস্তন কারো সন্তান আর আপনার সন্তান সহপাঠী হলে সে একই ব্যবহার প্রয়োগ করবে। কাজেই সন্তানের সামনে কারো সাথে রুঢ় ব্যাবহার করবেন না। এমনকি সন্তানের সামনে কারো সমালোচনাও করবেন না । আপনার সন্তান মানুষকে সম্মান করতে শিখুক।

আপনার অতিসচেতনতা যে কখনো কখনো আপনার সন্তানকে অসদুপায় অবলম্বন করতে বাধ্য করছে তা কি আপনি জানেন? পরীক্ষায় তার থেকে তার বন্ধুটি যদি এক মার্ক বেশি পায় তবে আপনার রুদ্ররোষ থেকে বাঁচতে সে হয় তার বন্ধুর খাতার সঠিক উত্তর কেটে দিচ্ছে, আবার কখনো বা দেখে-দেখে কিংবা প্রশ্ন আগেই দেখে নিয়ে লেখার চেষ্টা করছে। উদ্দেশ্য একটাই, বাবা-মায়ের সামনে হাইয়েস্ট মার্কসহ তার মার্কশিটটি উপস্থাপন করা, তা সে যে উপায়েই হোক না কেন।

এবার সবচেয়ে গুরত্বপুর্ণ যে ব্যাপারটি তা হল, আপনার সন্তানকে অলরাউন্ডার করতে আপনার প্রচেষ্টার অন্ত নেই। স্কুল থেকে ফিরেই তার বিভিন্ন সাবজেক্টে কোচিং-এর পাশাপাশি গানের ক্লাস, আর্টের ক্লাস, সাঁতারের ক্লাস, নাচের ক্লাস এসবে তাকে ব্যাস্ত রেখেছেন। তাছাড়া আর কী-ইবা করার আছে? ঢাকা শহরে মাঠ কোথায় যে তারা খেলবে? তাই তো বাড়তি সময়কে কাজে লাগাতে আপনার এত প্রচেষ্টা, এত টাকা খরচ। কিন্তু আপনার সন্তানটিকে একজন ভাল, উদার মনের এবং মানবিক গুণাবলী সম্পন্ন মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে আপনি কি উদ্যোগটি নিয়েছেন একটু বলবেন প্লিজ? নাচ, গান, আর্টের জন্য যেমন তার প্রতিদিনের টাইট সিডিউল থেকে নির্দিষ্ট কিছু সময় বের করে রেখেছেন, তেমনি তার নৈতিক কিংবা মানবতা শিক্ষার জন্য কি একটু সময়ও বরাদ্দ রেখেছেন? একজন স্কলার কিংবা গায়ক, চিত্রশিল্পী, সাঁতারু হওয়ার পাশাপাশি তাকে যে সর্বপোরি একজন মানবিক বোধসম্পন্ন মানুষ হতে হবে- এই দিকে আপনি যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছেন তো? ঘুমুতে যাবার আগে কিংবা অলস কোন সময়ে পাশে নিয়ে তার সাথে কিছু নৈতিক শিক্ষাসম্বলিত ভাল গল্প করুন না! আপনার জীবনের কিছু ভাল অভিজ্ঞতা তার সাথে শেয়ার করুন। যত ব্যাটম্যান, সুপারম্যান আর স্পাইডারম্যানই সে দেখুক না কেন, দিনশেষে ওর কাছে প্রকৃত হিরো কিংবা হিরোইন কিন্তু তার বাবা-মা’ই। এই হিরোইজম যদি তাদের কাছে আজীবন বলবৎ রাখতে চান, তবে ওর প্রকৃত বন্ধু হয়ে ওকে ভাল-মন্দ, ন্যায়-অন্যায়ের তফাৎ শেখান। আপনার কাছে শেখা নীতিবোধ শিক্ষাই হবে তার জীবন চলার পথের পাথেয়।

এখন কথা হল সব শিক্ষা যদি অভিভাবকরাই দিবে, তবে শিক্ষকরা করবে কি? শিক্ষকরা অবশ্যই সব ধরনের শিক্ষাই দিবে, তবে ওই যে বলেছি- এটি একটি যৌথ প্রক্রিয়া। আপনার সন্তানটি স্কুলে কাটাচ্ছে সর্বোচ্চ চার থেকে ছয় ঘন্টা আর আপনার কাছে থাকছে বাকি আঠার থেকে বিশ ঘন্টা। কাজেই এই আঠার ঘন্টার শিক্ষা এই ছয় ঘন্টার সাথে তাল মিলাতে যেয়ে প্রায়শই মুখ থুবড়ে পড়ে যায়, তাকে উঠাতে যেয়ে গলদঘর্ম হতে হয় এই শিক্ষক বেচারীদের। তাই প্রিয় অভিভাবকবৃন্দ, আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকল- এখনো সময় আছে, আপনার সন্তানের দিকে নজর দিন। এখনো ছোট্ট আছে বলে ওর কোন আচরণকেই অবহেলা করবেন না দয়া করে। কারণ আপনি আমি যতই আমাদের সোনামণিটিকে ছোট্ট ভাবিনা কেন, আমাদের পারিপার্শ্বিকতা কিন্তু তাকে ছোট্ট থাকতে দিচ্ছেনা মোটেও। বাঁধভাঙ্গা প্রযুক্তির জোয়ার আমরা ঠেকাতে পারবনা কোনভাবেই, পারবনা এ থেকে আমাদের সন্তানকে দুরে রাখতেও। কিন্তু আপনার আমার একটু সচেতনা হয়তো ভবিষ্যতে কোন অনাকাংখিত দুর্ঘটনা থেকে আমাদের সন্তানকে রক্ষা করতে পারবে। তাই আবার বলছি, তাদের সামনে আপনাদের আচরণে সংযত হোন এবং তাদেরকে সময় দিন, সময় দিন এবং আরো সময় দিন! একমাত্র আপনার দেওয়া কোয়ালিটি টাইমই পারবে আপনার সোনামণিটির শিশুসুলভ সারল্য বজায় রেখে তাকে একটি সুন্দর শৈশব উপহার দিয়ে পরবর্তীতে তাকে একটি সফল মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে। প্রতিটি শিশুর মাঝেই কিছু অপার সম্ভাবনা লুকিয়ে থাকে, সেই সুপ্ত প্রতিভাটিকে বের করে এনে তাকে প্রস্ফুটিত করতে হবে। আর এজন্য চাই শিক্ষক আর অভিভাবকের সম্মিলিত প্রচেষ্টা। আপনি শুধু আপনার দায়িত্বটি ঠিকমত পালন করুন, আপনার সন্তানকে তার লক্ষ্যে পৌছানোর জন্য আলোর মশালটি এগিয়ে দিতে আমরা শিক্ষকরা তো আছিই এবং থাকবও আজীবন।

[এডিটর’স নোটঃ এই আর্টিকেলটি খুব একটা পছন্দ হচ্ছে না? আপনি আপনার সন্তানকে পিটিয়ে তক্তা বানিয়ে লাইনে আনতে চান? তাহলে সবচেয়ে কার্যকর উপায়ে সন্তানকে তক্তা বানানোর জন্য এখনি পড়ে আসুন কিভাবে বাচ্চাকাচ্চা সাইজ করতে হয়!]

Most Popular

আর দশটি নিউজপোর্টালের মত যাচ্ছেতাই জগাখিচুড়ি না, "নিয়ন আলোয়" আমাদের সবার লেখা নিয়ে আমাদের জন্যই প্রকাশিত হওয়া বাংলা ভাষায় প্রথম পূর্ণাঙ্গ অনলাইন ম্যাগাজিন।

আজকের আলোচিত

Copyright © 2016 Neon Aloy Magazine

To Top