ইতিহাস

হাওয়ার্ড হিউজঃ ইতিহাসবিস্মৃত পাগল এক উদ্ভাবক!

হাওয়ার্ড হিউজ নিয়ন আলোয় neon aloy

বিংশ শতাব্দীর অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য সফলতা অর্জনকারী ব্যবসায়ী ও শিল্পপতিদের  মধ্যে অন্যতম হলেন যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের হাওয়ার্ড হিউজ। কংগ্রেসনাল স্বর্ণপদক, অকটেভ শ্যান্যু পদকের মত নামিদামী পদকজয়ী এ শিল্পপতি জন্ম গ্রহণ করেন ১৯০৫ সালে। তবে শুধু এটুকুতেই তার পরিচয়পর্ব সীমাবদ্ধ রাখা যায় না। যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে অন্যতম সফল এই শিল্পপতি, চলচ্চিত্র নির্মাতা, উড়োজাহাজ উদ্ভাবক-নির্মাতা-ব্যবসায়ী ছিলেন একজন ড্রিলবিট প্রস্তুতকারক কোম্পানীর মালিকের একমাত্র সন্তান। শিক্ষিত হন থ্যাচার স্কুল থেকে। তবে খ্যাতি আর সাফল্যই হাওয়ার্ডের গল্প নয়। আজীবন যুদ্ধ করেছেন OCD (অবসেসিভ-কম্পালসিভ-ডিজঅর্ডার) এর সাথে। পরিণামে জীবনের শেষভাগে পার করতে হয়েছে একাকী জীবন।

হাওয়ার্ড হিউজ নিয়ন আলোয় neon aloy

তরুণ হাওয়ার্ড হিউজ

খ্যাতি, সাফল্য, আর অদ্ভূত ধ্যান-ধারণা লালন করে রাখা শিল্পপতির গল্প নিয়ে “The Aviator” চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছেন মার্টিন স্করসিস। এক বাক্যে বলতে গেলে কল্পকাহিনীকে হার মানানো জীবনযাপন, আর সেই সাথে প্রাচুর্যের ক্ষতিকর দিক- দু’টাই ছিলো এই চলচ্চিত্রের মূল উপজীব্য। আর চলচ্চিত্রে হাওয়ার্ড হিউজের চরিত্রটিকে প্রচণ্ড বাস্তব করে তুলেছেন অভিনেতা লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও। সিনেমাটি সম্পর্কে চলচ্চিত্র ইতিহাসবিদ ডেভিড থমসন বলেন, “হাওয়ার্ডের চরিত্রটি পুরুষ দর্শকদের মুগ্ধ করতে পারে কারণ সত্যিকার অর্থে পুরুষ চিন্তাধারার সবচেয়ে অপরিপক্ব বাসনাগুলো তিনি নিজ জীবনে প্রত্যক্ষ করে ছিলেন। একজন চলচ্চিত্রনির্মাতা হয়ে ওঠা, আর সেই সাথে জিন হারলো, ক্যাথরিন হেপবার্নের মত সুন্দরীদের সাথে অন্তরঙ্গ মেলামেশা ছিল যেকোন একাকী চলচ্চিত্রভক্তের দিবাস্বপ্ন। আর এই দিবাস্বপ্নটি বাস্তবে উপভোগ করেছিলেন হাওয়ার্ড।”

হিউজ পরিবার সম্পর্কে বলতে গেলেও শব্দ সংকটে পড়ার সম্ভাবনা উঁকি দিতে পারে। পিতা হাওয়ার্ড হিউজ সিনিয়র ছিলেন অর্থবহুল খনিজ তেল শিল্পের কূপখনন প্রকৌশলী। বিপুল অর্থ উপার্জনের পাশাপাশি তা হারিয়ে ফেলারও অভ্যাস ছিল তার। মা অ্যালেন গানো ছিলেন বিত্তবান কনফেডারেট জেনারেলের দৌহিত্রি। অ্যালেন ১৯০৫ সালে হাওয়ার্ডকে জন্ম দেয়ার সময় মৃত্যুশঙ্কায় ছিলেন। হাওয়ার্ডের জন্মের পর থেকে সাংসারিক দিকে মনোযোগী হন হাওয়ার্ড সিনিয়র, যার সুবাদে সোনার চামুচ মুখে নিয়েই বড় হন হাওয়ার্ড। আ্যলেন গানো নিজেও ওসিডি এবং শুচিবায়ু আক্রান্ত হওয়ার দরূণ হাওয়ার্ডকে পাশ ছাড়া করতে চাইতেন না। পরিস্থিতি বেগতিক চিন্তা করে হাওয়ার্ড সিনিয়র বোর্ডিং স্কুলের ব্যবস্থা করেন। বেশির ভাগ সময়ই স্কুলের দুষ্প্রাপ্য আসনগুলোর জন্য হাওয়ার্ড যোগ্য ছিলেন না, যে সমস্যা হাওয়ার্ড সিনিয়র তার চেকবইয়ের গরমে কাটিয়ে উঠতেন। বোর্ডিং স্কুলের পরিবেশের সাথে খাপ খাইয়ে নিতে পারেননি আংশিক শ্রবণ প্রতিবন্ধী হাওয়ার্ড। তবে স্কুল থেকেই তার জীবনের সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয়গুলো নিয়ে আগ্রহ তৈরী হয়। তবে শঙ্কা দেখা দেয় যখন বাবা-মা দু’জনই ২ বছরের ব্যবধানে মৃত্যুবরণ করেন। সে সময়কার হাওয়ার্ডকে বলা যায় ১৮ বছর বয়সী এক যুবক, যার শিকড় পরিচিতি ছিল না। ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা নিয়ে কিছু অযাচিত জটিলতাও ছিল মায়ের কাছ থেকে পাওয়া। তবে প্রাচুর্যের সমাহারে হাওয়ার্ড হিউজ নিশ্চয়তা পেয়েছিলেন যে তার বিপুল পরিমাণ অর্থভান্ডার তার বাবার তৈরী ড্রিলবিটের মতই যেকোন বাধা ভেদ করতে পারবে। চলচ্চিত্র আর ঊড়োজাহাজ নিয়ে কৌতুহল থেকেই সে সময় জীবনের দিকনির্দেশনা পান হাওয়ার্ড। যা তার নিজস্ব সাফল্যগুলোর পাথেয় হয়ে ওঠে।

মারভেল কমিকসের স্ট্যান লি তার টনি স্টার্ক/আয়রনম্যান চরিত্রটি সৃষ্টির অনুপ্রেরণা পেয়েছিলেন হাওয়ার্ড হিউজের জীবন থেকেই!

টেক্সাসের হিউস্টন থেকে হলিউডে আসার পর খরুচে অভ্যাসে প্রচুর অর্থ অপচয় করেন তরুণ হাওয়ার্ড। পারিবারিক আপত্তির মুখে পরিজনদের হিউজ টুল কোম্পানি থেকে টাকা দিয়ে বিতাড়িত করেন। টাকাপয়সা হাতের ময়লা- এর বাস্তব প্রতিকৃতি হয়ে উঠেছিলেন ঘড়ি, গাড়ী, স্যুট আর আমাদানীকৃত জুতোর সমারোহ দিয়ে। তবে সবচেয়ে বেশি অর্থ বিনিয়োগ করেছিলেন চলচ্চিত্র নির্মাণের কাজে।  ৩.৮ মিলিয়ন ডলার খরচ করে ১ম বিশ্বযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্মাণ করেন “Hells angels” (১৯৩০) চলচ্চিত্রটি। চলচ্চিত্রটি নির্মাণে হাওয়ার্ড এতই খুঁতখুঁতে ছিলেন হাওয়ার্ড যে আকাশে মেঘের মাঝে যুদ্ধবিমানের ডগফাইট চলছে- এই দৃশ্য ধারণ করার জন্য মেঘের অপেক্ষায় তিনি শ’খানেক বিমান ও পাইলটসহ পুরো শুটিং ইউনিট নিয়ে মাসের পর মাস মরুভূমিতে ক্যাম্প করে থেকেছেন বিপুল অর্থ অপচয় করে। এসময় হলিউডের মুখরোচক কৌতুক ছিলো হাওয়ার্ডের এসব পাগলামী এবং শোবিজের বোদ্ধারা হেসেই উড়িয়ে দিতেন হাওয়ার্ড এবং তার মুক্তির অপেক্ষায় থাকা সিনেমাটিকে। তাদের মতে, এত খরচ করে কখনোই সিনেমা হিট করানো তো দুরের কথা, বিনিয়োগের টাকাটাও তুলে আনতে পারবেন না হাওয়ার্ড। তাদের কাছে হাওয়ার্ড হিউজ ছিলেন অতিরিক্ত প্রতিপত্তির মধ্যে বড় হওয়া একজন বখে যাওয়া ধনীর দুলাল, যার মাথার সিনেমার পোকা বড়সড় একটা ফ্লপ সিনেমা বানালেই বের হয়ে যাবে। এসব কটূক্তি ও টিপ্পনী যে হাওয়ার্ডের কানে আসতো না, তা নয়। তবে তিনি পণ করেছিলেন এসব সমালোচকদের জবাব নিজের কাজের মাধ্যমেই দিবেন।

হাওয়ার্ড হিউজ নিয়ন আলোয় neon aloy

হেলস অ্যাঞ্জেলস চলচ্চিত্রের পোস্টার

বিপুল খরচ এবং বিলম্বিত মুক্তি সত্ত্বেও হেলস অ্যাঞ্জেলস চলচ্চিত্রটি বাণিজ্যিক ও শৈল্পিকভাবে বিপুল সফলতা অর্জন করেন। সফলতার সুবাদে অভিনেত্রী জিন হারলো রাতারাতি তারকা হয়ে ওঠেন। তিনজন পরিচালক বরখাস্তের পর হিউজ নিজেই পরিচালনার দায়িত্ব নেন, যা তাকে হলিউডে প্রভাবশালী করে তোলে। তারপর এক-এক করে ভিন্নধর্মী চলচ্চিত্র নির্মানের কাজ শুরু করেন, যা তাকে আলোচনা ও সমালোচনার নিয়মিত বিষয়ে পরিণত করে তোলে। হাওয়ার্ড RKO নামের চলচ্চিত্র কোম্পানির একক মালিক হন, যা ইতিহাসে এর আগে কেউ করে দেখাতে পারেননি।

উড়োজাহাজ শিল্পে প্রবেশ করার জন্য TWA (ট্রান্স-ওয়ার্ল্ড এয়ারওয়েজ) কিনে নেন হাওয়ার্ড। সর্বনিম্ন সময়ে পুরো পৃথিবী প্রদক্ষিণ করা উড়োজাহাজ  আর সবচেয়ে গতিশীল উড়োজাহাজের বিশ্ব রেকর্ড করে হাওয়ার্ডের ডিজাইন করা বিমানগুলো, যা স্করসিসের The Aviator চলচ্চিত্রে প্রদর্শিত হয়েছে। সে সময়ের সর্ববৃহৎ ডানা সম্বলিত “হারকিউলিস” বিমানের নির্মাতা হাওয়ার্ড হিউজ। পরবর্তীতে TWA প্রতিরক্ষা ঠিকাদারী সংস্থায় পরিনত হয়, যা যুক্তরাষ্ট্র সরকারের সাথে বোমা ও হেলিকপ্টারের ব্যবসা করে। ১৯৭০ সালে হাওয়ার্ড CIA-এর একটি গোপন কর্মসূচির মুখপত্র হয়ে সেটা ধামাচাপা দেয়ার ব্যবস্থা করেন। ১৯৬৬ সালেই তার কোম্পানির ডিজাইন করা “সারভেয়র-১” এর নির্মাণ কাজ সমাপ্ত হয়।  এটি ছিলো চাঁদে অবতরণকারী প্রথম মার্কিন মহাকাশযান।

হাওয়ার্ড হিউজ নিয়ন আলোয় neon aloy

নিজের ডিজাইন করা দৈত্যাকার হারকিউলিস বিমানের ককপিটে হাওয়ার্ড। একসাথে ৭০০ জন সৈনিক নিয়ে আটলান্টিক মহাসাগর পাড়ি দিতে সক্ষম ছিলো বিমানটি। যদিও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হয়ে যাওয়ায় এই বিমান কখনোই ব্যবহার করা হয়নি।

তবে তার উড়োজাহাজের নেশা যে সবসময় তাকে শুধু অর্থ-খ্যাতি ও আনন্দই দিয়েছে, তা নয়। প্রচণ্ড গতিতে আকাশে ওড়ার নেশা তাকে জীবন হারানোর ঝুঁকিতেও ফেলেছে। নিজের ডিজাইন করা বিমান কতটা গতিসম্পন্ন এবং সুরক্ষিত তা প্রমাণ করার জন্য তিনি নিজেই সেগুলোর পরীক্ষামূলক ফ্লাইট পরিচালনা করতেন। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহিনীর জন্য ডিজাইন করা XF-11 মডেলের গোয়েন্দা বিমানের পরীক্ষামূলক ফ্লাইটে ভয়ানক দুর্ঘটনায় পড়েন হাওয়ার্ড। দুর্ঘটনাটি এতই ভয়াবহ ছিলো যে প্রাণে বেঁচে গেলেও তার কলার বোন এবং পাঁজরের বেশ কয়টি হাড় ভেঙে যায়, বাম ফুসফুস অকেজো হয়ে পড়ে, শরীরের বেশ কিছু জায়গা মারাত্মকভাবে পুড়ে যায়। এমনকি প্রচণ্ড ধাক্কায় তার হৃৎপিণ্ড বুকের বামদিক থেকে সরে ডানদিকে চলে আসে! তবে এসময় হাসপাতালের বিছানায় শারীরিকভাবে বন্দী হয়েও আটকে রাখা যায়নি হাওয়ার্ডের উদ্ভাবনী মনকে। তিনি তার বেডে শুয়ে আরাম পাচ্ছিলেন না বলে কোম্পানির ইঞ্জিনিয়ারদের ডেকে এনে একটি আরামদায়ক বেডের ডিজাইন করার কাজ শুরু করে দেন। যদিও সেই ডিজাইনের প্রোটোটাইপ তৈরি হওয়ার আগেই হাওয়ার্ড সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছাড়েন, তবে তার শুরু করা ডিজাইনের কাজটি অনুসরণ করে এখনো আধুনিক হাসপাতালগুলোর বেড তৈরি করা হচ্ছে।

হাওয়ার্ড হিউজ নিয়ন আলোয় neon aloy

হাওয়ার্ড হিউজের বিমান দুর্ঘটনার ধ্বংসাবশেষ

একই সময়ে হাওয়ার্ড ব্যবসায়িক ও উদ্ভাবনী দক্ষতার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম ধনী ব্যক্তিত্ব  হয়ে ওঠেন। তার কেনা জমিজমার পরিমাণ বিপুল বলাও আসলে যথাযথ নয়। শুধু ১৯৬৬ সালেই তিনি লাস ভেগাসের যে পরিমাণ হোটেল আর ক্যাসিনো ক্রয় করেন, তা পরবর্তীতে শহরটির ইতিহাস গড়ে তোলে। তার এই কেনাকাটার বাতিক শেষ হয় লাস ভেগাসের নিজস্ব টেলিভিশন চ্যানেল KLAS কেনার মাধ্যমে।

হাওয়ার্ড হিউজের জীবনটা ছিলো মেধা-বিত্ত-বিতর্ক মিলিয়ে সবদিক থেকেই চূড়ান্ত সীমায় পৌঁছে যাওয়া একজন মানুষের জীবন কিরকম হতে পারে তার এক বিরল দৃষ্টান্ত। একজন একাকিত্বে আক্রান্ত কিশোর থেকে একজন প্রভাবশালী শিল্পপতি হয়ে ওঠেন তিনি। হলিউডের স্পটলাইট কেড়ে নেন সমসাময়িক বিখ্যাত সব অভিনয় তারকাদের উপর থেকে। তারপর এভিয়েশনের সুবাদে চলচ্চিত্র-উপজীব্য হওয়ার যোগ্য জীবন অতিবাহিত করেন। সত্যি বলতে, মারভেল কমিকসের স্ট্যান লি তার টনি স্টার্ক/আয়রনম্যান চরিত্রটি সৃষ্টির অনুপ্রেরণা পেয়েছিলেন হাওয়ার্ড হিউজের জীবনযাত্রা দেখেই! তবে জীবনের প্রায় পুরোটা সময়টাই হাওয়ার্ড নিজের ভিতরে যুদ্ধ করেছেন OCD এর বিরুদ্ধে। অনেকেই ধারণা করেন এই OCD-ই তার সাফল্যের মূল অস্ত্র। OCD না থাকলে হয়তো তার মধ্যে খুঁতখুঁতে স্বভাব থাকতো না। তার এই স্বভাব বিশ্বের দ্রুততম উড়োজাহাজ থেকে শুরু করে প্রেমিকা জিন হারলোর অন্তর্বাস- সব ক্ষেত্রেই ছাপ রেখে গিয়েছে। এক কথায় বলা যায়, তার সাফল্যগুলো তার অসুস্থতার কাছেই এক রকম ঋনী।

জীবনের শেষাংশে যখন শ্রবণের ব্যাঘাত বাড়তে থাকে, মানসিক অসামঞ্জস্য আর চিকিৎসা নির্ভরশীলতা হিউজকে বন্ধ ঘরে চলচ্চিত্রের সামনে বন্দী করে ফেলে। মার্টিন স্করসিস তার সিনেমায় সে অবস্থাও চিত্রায়িত করেন যখন দিনের পর দিন দরজা-জানালা আটকে হাওয়ার্ড ঘুরে বেড়াতেন নিজের ঘরে, হাত পায়ের নখ কাটা বন্ধ করে দিয়েছিলেন। এমনকি মানব সংস্পর্শ এড়িয়ে চলার জন্য সেই ঘর থেকে বের হয়ে শৌচাগারে পর্যন্ত যেতেন না হাওয়ার্ড, প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে সকালে নাস্তার সাথে আসা দুধের বোতলেই কাজ সারতেন এবং বোতলগুলোর গায়ে তারিখ লিখে সেগুলো সাজিয়ে রাখতেন! এক অর্থে হিউজ পূর্ণ বৃত্তাকার জীবন অতিবাহিত করেন যার শেষ রূপালী পর্দার সামনে একা বসে থাকা সে ১৮ বছরের তরূনের দশায় ফিরতে হয়।

১৯৭৬ সালের ৫ এপ্রিল মারা যান এই বাতিকগ্রস্ত মেধাবী উদ্ভাবক ও বিলিয়নেয়ার শিল্পপতি।

Most Popular

To Top