ইতিহাস

একজন সক্রেটিস (দ্বিতীয় পর্ব)

সক্রেটিস নিয়ন আলোয় neon aloy

একজন সক্রেটিস (প্রথম পর্বের লিঙ্ক)

“আমি প্রথমে গেলাম রাষ্ট্রপরিচালকদের কাছে এবং দেখলাম যাদেরকে সবচেয়ে বেশি জ্ঞানী বলে মনে করা হয় তারাই সবচেয়ে বেশি মূর্খ। তখন আমি বুঝলাম আমি তাদের চেয়ে বেশি জ্ঞানী, কারন আমি অন্তত এইটুকু জানি যে আমি কিছুই জানি না। তারপর আমি কবিদের কাছে গেলাম এবং দেখলাম তারা জ্ঞানের সাহায্যে নয় বরং দৈবজ্ঞানীদের মত অনুপ্রাণিত হয়ে কাব্য রচনা করেন। তারা অনেক চমৎকার কথা বলেন কিন্তু যা বলেন তার কিছুই বুঝেন না। তথাপি কবিরা মনে করেন তারাই সর্বশ্রেষ্ঠ জ্ঞানী। তারপর আমি গেলাম কারিগরদের কাছে, দেখলাম তারা অনেক কিছুই জানেন যা আমি জানি না। যেমন জাহাজ কিংবা জুতো তৈরি করা। কিন্তু কবিদের মত তারা বিশ্বাস করেন তাদের জানা বিষয়গুলো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, যেমন জুতো তৈরি করা। এ বিশ্বাস তাদের জ্ঞানী হতে বাঁধা দেয়। এসবকিছু দেখেশুনে আমি সিদ্ধান্তে এলাম যে আসলে কেউই জ্ঞানী নয়- রাষ্ট্রপরিচালকরা নয়, কবিরা নয়, কারিগররা নয় এমনকি আমিও নই, যার সম্পর্কে ডেলফিতে দৈববাণী শোনা গিয়েছিল। কিন্তু আমি অন্তত এইটুকু জানি যে আমি কিছুই জানি না।” —- সক্রেটিস

সক্রেটিসের ভাষ্য মতে- “বিস্ময় হল জ্ঞানের শুরু” । যেহেতু সক্রেটিসীয় সূত্রমতেই- জ্ঞান ‘নিজেকে জানা’র মধ্যেই সীমাবদ্ধ, সে কারণে নিজের অজ্ঞতার প্রতি বিস্ময়ই জ্ঞান অন্বেষণের প্রাথমিক পদক্ষেপ বলে অভিহিত করা যেতে পারে । এ বিষয়ে স্বয়ং সক্রেটিসই বলে গেছেন- “সত্যিকারের জ্ঞান আমাদের সবার কাছেই আসে, যখন আমরা বুঝতে পারি যে আমরা আমাদের জীবন, আমাদের নিজেদের সম্পর্কে এবং আমাদের চারপাশে যা কিছু আছে তার সম্পর্কে কত কম জানি” ।

সক্রেটিসের জীবন পর্যালোচনা করে আমার মনে হয়েছে, তাঁর শিক্ষণীয় বক্তব্যকে দুটি প্রধান ধারায় ভাগ করা যায়-
১। নিজেকে শুধরানোর মাধ্যমে জ্ঞানচর্চা
২। যোগ্যতা অর্জনের মাধ্যমে জ্ঞানচর্চা

নিজেকে শুধরানোর ক্ষেত্রে সক্রেটিসের কিছু বক্তব্য তুলে ধরছি-

“শক্ত মন আলোচনা করে ধারনা নিয়ে, গড়পড়তা মন আলোচনা করে ঘটনা নিয়ে, দুর্বল মন আলোচনা করে মানুষ নিয়ে”
– গল্প-আড্ডায় বা লেখনীতে কে কোন বিষয়বস্তুকে সচরাচর প্রাধান্য দেই, তা দেখে নিজেদের মনের অবস্থান বুঝার জন্য এর চেয়ে কার্যকর মন্তব্য আর কী হতে পারে !

“পোষাক হলো বাইরের আবরণ, মানুষের আসল সৌন্দর্য হচ্ছে তার জ্ঞান”
– কোনকিছুর মান-অবস্থান বা গ্রহণযোগ্যতা যাচাইয়ের ক্ষেত্রে জ্ঞানব্যতীত বাকী সব মাপকাঠিই হচ্ছে ‘পোশাকতুল্য’ । সত্যিকার মূল্যায়ন ‘জ্ঞান দ্বারা’ বা ‘জ্ঞান প্রসূত’ হওয়া আবশ্যক ।

“যাই হোক বিয়ে কর। তোমার স্ত্রী ভাল হলে তুমি হবে সুখী, আর খারাপ হলে হবে দার্শনিক”
– বক্তব্যটি রসাত্মক উদৃতি হিসেবে আড্ডায় বহুলাংশে ব্যবহৃত হয়, অথচ মূল দিকটিই আমাদের চোখে পড়ে না । মূলত ‘কাজ’ এর গুরুত্ব আর তার ‘ফলাফল’ বিষয়ে দৃষ্টিভঙ্গি বুঝাতে এ এক সার্থক উক্তি । সক্রেটিসের দৃষ্টিকোণ থেকে ‘পরাজয়’ বলে কোন শব্দ নেই- ‘হয় জিতবো, নয়ত শিখবো’ । তাছাড়া মাঠে না নেমে পরাজয় মেনে নেয়া হেয়কর বলেই তাঁর আরেকটি উক্তি- “অপরিক্ষীত জীবন নিয়ে বেঁচে থাকা গ্লানিকর” । তবে মাঠে দাপাদাপি করলেই যে জ্ঞানী হয়ে উঠা যায় না, সেটাও তিনি স্পষ্টতই বলে গেছেন- “ব্যস্ত জীবনের অনুর্বরতা সম্পর্কে সতর্ক থাকুন” ।

যোগ্যতা অর্জনের বিষয়ে সক্রেটিসের কিছু বক্তব্য-

তুমি যা হতে চাও তা-ই হও।

সুখ্যাতি অর্জনের উপায় হল তুমি কি হিসেবে আবির্ভূত হতে চাও তার উপক্রম হওয়া।

ভাল থাকার একমাত্র উপায় সঠিক ইচ্ছাকে আপন ক্ষমতা অনুযায়ী বুঝতে পারা এবং সে অনুযায়ী কাজ করা । ইঞ্জিনিয়ারিং মেধাকে জোর করে ডাক্তার বানানো কিংবা একজনকে ভালবেসে অন্যত্র বিয়ে করে সুখ খোঁজার মত হাজার ঘটনা এই সমাজে নিত্যদিনই বহমান । এভাবে মুক্তি নেই । তাছাড়া ‘উপক্রম হওয়া’ বলতে সক্রেতিস বুঝাতে চাইছেন- যে কারো ইচ্ছা বা স্ট্র্যাটেজি তখনই কাজে লাগবে যখন তার হাজারো কর্মকান্ড বা ট্যাকটিস মূল উদ্দেশ্যকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হবে । অনেক তরুণ লেখককে দেখি- চব্বিশ ঘণ্টা প্রেম নিয়ে ভুগে লিখার সময় ধর্ম আর নাস্তিকতা নিয়ে বড় বড় কথা আওড়াচ্ছেন ।

“নিজেকে উন্নয়নের জন্য অন্য মানুষের লেখালেখিতে কাজে লাগাও এই জন্য যে অন্য মানুষ কিসের জন্য কঠোর পরিশ্রম করে তা তুমি যাতে সহজেই বুঝতে পারো”
– আধুনিক সভ্যতার এক এবং প্রধানতম আবিষ্কার ‘লেখনী’ । গুরু খুঁজতে এখন তাই মাঠে-ঘাটে-রাস্তায় হাপিত্যেশ করার কোন মানে হয় না, বই-পুস্তক-ইন্টারনেটই যথেষ্ট । তবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের জানাশুনায় কেউ তথ্যের জাহাজ হয়ে কোন লাভ হবে না । অন্যের জ্ঞানকে নিজের জীবনে কাজে লাগানো বলতে সক্রেতিস মূলত ‘অনুধাবন’ আর বাস্তবিক জীবনে সেটির ‘প্রতিফলন’- এই দুটি বিষয়কেও ইঙ্গিত করে গেছেন ।

‘Nothing is to be preferred before justice.”
– এই মন্তব্যটি পড়ে তৎক্ষণাৎ আমার ফৌজদারি আইনের একটা কথা মনে পড়ল- ‘কাউকেই অপরাধী বলে ধরে নেয়া যাবে না, যতক্ষন না সে আদালত কর্তৃক অপরাধী বলে প্রমাণিত” । অথচ এদেশে কারো নামে কোন গুঞ্জন ছড়ালেই সে ব্যক্তির মান-সম্মান সমাজ দেউলিয়া ঘোষণা করা হয় । এই অপকর্ম পুরুষশাসিত সমাজ- নারীদের ক্ষেত্রে বেশ তোলপাড় করেই করে থাকে ।

“আমাদের প্রার্থনা হওয়া উচিত সাধারণের ভালোর জন্য। শুধু ঈশ্বরই জানেন কিসে আমাদের ভাল”
– সক্রেটিস কেন শুধু ‘সধারণ ভাল’র কথা বললেন, ‘বিশেষ ভাল’কে কেন তিনি ইঙ্গিত করেন নি ? এর উত্তর হল- আমরা যা ভাল-খারাপ মনে করি তা আপেক্ষিক ভাল-খারাপ; অর্থাৎ যা ভাল তাও কখনো মন্দ হতে পারে, যা মন্দ তাও আবার ভাল হতে পারে । সত্য-মিথ্যা, ন্যায়- অন্যায় সব ক্ষেত্রেই এই কথা সত্য । এই বিষয়ে সক্রেটিসের সাথে ইউথিডেমোসের সাথে কথোপকথনকেই উদাহরণ হিসেবে দিচ্ছি-

সক্রেটিসঃ- প্রতারণা করা কি অনৈতিক?
ইউথিডেমোসঃ- অবশ্যই ।
সক্রেটিসঃ- ধর, তোমার কোন বন্ধু আত্মহত্যা করতে যাচ্ছে এবং তুমি তার অস্ত্রটা চুরি করলে। তাহলে? সেটা কি প্রতারণার মধ্যে পড়ে?
ইউথিডেমোসঃ- অবশ্যই তা প্রতারণার মধ্যে পড়ে
সক্রেটিসঃ- কিন্তু ঠিক এ কাজটা করাই কি উচিত আর নৈতিক নয় ? এটা একটা ভাল কাজ, একজনের জীবন রক্ষা করছেন, বন্ধুকে মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা করছেন – যদিও কাজটি প্রতারণা।
অসহায় ভাবে ইউথিডেমোস বললেন, হ্যাঁ, তা ঠিক। চতুর পাল্টা-যুক্তি প্রয়োগ করে সক্রেটিস ইউথিডেমোসকে দেখিয়ে দিলেন যে, প্রতারণা সব ক্ষেত্রেই অনৈতিক কাজ নয়। ( সক্রেটিস দার্শনিক জেনোর মত দ্বান্দ্বিক পদ্ধতিতে বিশ্বাসী ছিলেন। এই পদ্ধতিতে প্রথমে প্রতিপক্ষের মত স্বীকার করে নেয়া হয়, কিন্তু এর পর যুক্তির মাধ্যমে সেই মতকে খণ্ডন করা হয়। সক্রেটিসের এই পদ্ধতির অপর নাম সক্রেটিসের শ্লেষ বা Socratic irony )।

এই ভাল-মন্দকে প্রায়োগিক ক্ষেত্রে বুঝার জন্যই জ্ঞানচর্চা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন । ভাল-মন্দ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে প্রায়ই আমি দ্বিধাগ্রস্ত হই, অথচ বর্তমানের কোন উচ্চশিক্ষিতের কথাই বলি কিংবা ক্লাস টু’য়ের কোন ছাত্রের কথাই বলি, তারা শতভাগ নিশ্চিতরূপে জানে ভাল কোনটা আর মন্দ কোনটা ! কী বিজ্ঞ উৎপাদনের উর্বর ভূমি এই বাংলা !
মনে রাখা উচিত- সক্রেটিস যখন বলেন- Virtue is knowledge, এই virtue বা সদ্গুন প্রচলিত ‘ভাল মানুষী’ বুঝায় না, বুঝায় জ্ঞানীর প্রজ্ঞাকেই ।

“সেচ্ছায় কেউ কুকর্ম করে না”
– অর্থাৎ ভালোকে জানার পর কেউ সেচ্ছায় মন্দকে বেছে নেয় না । তাই যারা প্রায়শই বলে- “জেনেশুনে অন্যায় কাজটি করে বসলাম” অথবা ‘চাইলেই ভালো কাজটি করতে পারতাম”; সক্রেটিসের বিবেচনায় এটা একেবারেই অসম্ভব; সত্যি কেউ যদি ভালোকে জানে তবে সে ভালো কাজটিই করবে। সক্রেটিস আরো বলছেন, যখন কেউ খারাপ কাজ করে তখন সে এই আশায় করে যে এর ফলে সে এতে উপকৃত হবে, লাভবান হবে। একজন চোর জানে যে চুরি করা অন্যায়, কিন্তু যখন সে একটি হীরার আংটি চুরি করে তখন সে এই আশায় করে যে এর ফলে সে কাঙ্ক্ষিত রমনীর যৌনানুগ্রহ লাভ করবে। এই চোরের মত প্রায় সবাই জীবনপাত করে ক্ষমতা, প্রতিপত্তি ও অর্থের পিছে ছুটে। কারন তারা মনে করে এসবই ভালো এবং এসবের মাঝেই সুখ নিহিত রয়েছে। কিন্তু তারা জানে না কোনটি ভালো। তারা জানে না এসবের কোনটিই ভালো না এবং এসবের মাধ্যমে সে কখনও সুখ খুঁজে পাবে না। সক্রেটিসের বিখ্যাত উক্তিটি এখানে প্রযোজ্য – “অপরিক্ষীত জীবন নিয়ে বেঁচে থাকা গ্লানিকর’ । তিনি তাই মানবচরিত্র বুঝার বিষয়টিতে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়েছেন ।

তথ্য জানা আর যুক্তি দিয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছালেই কি ভাল-মন্দ বুঝা যায় ? কুকুরকে দার্শনিক প্রমাণ করার ক্ষেত্রে গ্লকনের সাথে সক্রেতিসের কথোপকথন থেকেই এর উত্তর খোঁজার চেষ্টা করি-

সক্রেটিসঃ- ‘নতুন যে গুণের কথা আমি বলছি, কুকুরের চরিত্রে তারও আমরা সাক্ষাৎ পাই।’
গ্লকনঃ- নতুন কী গুণের কথা বলছ তুমি?
সক্রেটিসঃ- আমি বুঝিয়ে বলছি। কুকুরের স্বভাবটি লক্ষ করো। অপরিচিত কাউকে যখন কুকুর দেখে তখন সে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে; আবার পরিচিত কাউকে যখন কুকুর দেখে তখন সে আহ্লাদে আটখানা হয়ে পড়ে। অথচ অপরিচিত লোকটি যে তার কোনো ক্ষতি করেছে এমন নয়, আর পরিচিত ব্যক্তিও হয়তো তার কোনো উপকার সাধন করেনি। কুকুরের-চরিত্রের এই বৈশিষ্ট্য কি তোমার চোখে অদ্ভুত বলে বোধ হয়নি?
গ্লকনঃ- বিষয়টিকে আমি পূর্বে অবশ্য এভাবে দেখিনি। কিন্তু তোমার বক্তব্যের যথার্থ্যকে আমি স্বীকার করি সক্রেটিস।
সক্রেটিসঃ- কুকুরের সহজাত এই বোধশক্তিকে অবশ্যই তুমি উত্তম বলবে। আমি বলব, এ-কারণে সে একজন খাঁটি দার্শনিক বলে পরিগণিত হতে পারে।
গ্লকনঃ কুকুরটা তোমার দার্শনিক হয়ে গেল!
সক্রেটিসঃ- হ্যাঁ, আশ্চর্যের কী আছে? কুকুর কেবল মুখ দেখেই জানা-অজানার ভিত্তিতে সুহৃদ আর শত্রুতে পার্থক্য করে ফেলে-এটা তার কম গুণের কথা! যে পশু জানা-অজানার ভিত্তিতে তার পছন্দ এবং অপছন্দকে নির্দিষ্ট করে সে যে জ্ঞানের একজন প্রেমিক, একথা আমাদের মানতে হবে।
গ্লকনঃ হ্যাঁ, সক্রেটিস, সে নিশ্চয়ই জ্ঞানপ্রেমিক।
সক্রেটিসঃ- আবার দেখো জানা বা শিক্ষার আগ্রহ হচ্ছে জ্ঞানের প্রতি প্রেমস্বরূপ। এবং জ্ঞানের প্রেমিকই হচ্ছে দার্শনিক। সুতরাং কুকুর ও দার্শনিক।

সক্রেটিস প্রাসঙ্গিকভাবেই কুকুর বিষয়টিকে আলোচনায় জড়িয়েছিলেন । আধুনিক শিক্ষিতজনের অনেকেই এমন যুক্তিকে ভিত্তি করে ‘পুলিশকেও দার্শনিক বলে দাবি করলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না । যুক্তি কেবল তখনই যুক্তি হয়ে উঠে যখন তা ‘প্রাজ্ঞ দ্বারা যুক্তি’ হয় ।
এ বিষয়ে একবার বলেছিলাম- সক্রেতিস যখন হাসিমুখে বিষপান করেন, এই বিষপান যৌক্তিক না, কারণ কেউ মৃত্যুতে হাসতে পারে না । এই প্রাজ্ঞতা বা শৈল্পিকবোধ যুক্তির উর্দ্ধে বা উঁচুমাপের যুক্তি । অথচ সামাজিক শিক্ষিত যৌক্তিক সমাজ শিল্পী-সাহিত্যিকদের মান নির্ণয়ে তাদের সঙ্কীর্ণ যুক্তিকেই সর্বেসর্বা মনে করে ইদানীং আহরহ বক্তব্য পেশ করেন ! হাস্যকর ।
(৩য় আর শেষ পর্বে সক্রেটিসের ভাষণের তাৎপর্যসহ আরও বিস্তারিত থাকবে)

Most Popular

আর দশটি নিউজপোর্টালের মত যাচ্ছেতাই জগাখিচুড়ি না, "নিয়ন আলোয়" আমাদের সবার লেখা নিয়ে আমাদের জন্যই প্রকাশিত হওয়া বাংলা ভাষায় প্রথম পূর্ণাঙ্গ অনলাইন ম্যাগাজিন।

আজকের আলোচিত

Copyright © 2016 Neon Aloy Magazine

To Top